পটুয়াখালীর বাউফলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. গিয়াস উদ্দিন ওরফে গাজী গিয়াসকে গণধোলাই দিয়েছেন বিএনপির নেতা- কর্মীরা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে পৌর শহরের বাজার রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
যুবদল সূত্রে জানা যায়, গাজী গিয়াস বিগত ১৭ বছর দলীয় কোনো কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল না। আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আ.স.ম ফিরোজের ভাই একেএম ফরিদ মোল্লার সাথে সুসর্ম্পক রেখে ব্যবসা- বানিজ্য চালিয়ে গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নিজেকে বিএনপির নাম ভাগিয়ে চাঁদাবাজি, লুটপাট, হামলা, ভাঙচুর ও দখল বানিজ্য শুরু করেন গিয়াস।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ আসনে সহিদুল আলম তালুকদারকে বিএনপি মনোনয়ন দিলে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে গিয়াস। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে কোনঠাসা করে রাখেন।
সহিদুল আলমের আস্থাভাজন হওয়ায় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়কের পদ ভাগিয়ে নেন। এতে উপজেলা যুবদলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতারা আরও ক্ষুব্দ হয়ে উঠে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম তালুকদারের ভরাডুবি হয়।
বিএনপি নেতাদের দাবি, গিয়াসের মত চাঁদাবাজ নিয়ে নির্বাচন পরিচালনায় করায় ভোটাররা ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এতে চরমভাবে পরাজয় লাভ করেন সহিদুল আলম।
নির্বাচনের পর থেকে পদবঞ্চিত যুবদল নেতারা সহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা গিয়াসের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। সেই ক্ষোভ থেকেই তাকে গণধোলাই দেওয়া হয়। এর আগে গতকাল কালাইয়া বন্দরে গিয়াসের বাসায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এসময় তার বাসা কাম দলীয় কার্যালয়ের চেয়ার টেবিল ও ১০/১২ টি মটরসাইকেল ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্দ জনতা। স্থানীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ বানিজিক্য বন্দর কালাইয়া। এ বন্দরের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দফায় দফায় বিপুল পরিমান চাঁদাবাজি করেন গিয়াস।
এ ছাড়াও কলাইয়াতে দখল, তরমুজ খেতে চাদাবাজি ও পালাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের বাসাবাড়িতে লুটপাট করেন। এমনকি নিজ দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়ারানির অভিযোগ রয়েছে।
১২ তারিখের নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম পরাজয় লাভ করার পর থেকে সাধারণ মানুষ, বিএনপির নেতাকর্মী ও ব্যবসায়ীরা গিয়াসের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। যে কারণে তার বাসায় হামলার ঘটনা ঘটে। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গিয়াস বলেন, গতকাল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের লোকজন আমার বাসা ও অফিসে হামলা চালিয়ে লুটপাট করেছেন।
প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে আমার। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. পলাশ দলবল নিয়ে আমার সাথে জামেলা করেন। কেনো জামেলা করেন জানতে চাইলে বলেন, আমাদের নেতা সহিদুল আলমকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন, আমি প্রতিবাদ করলে তারা আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এবিষয়ে পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী পলাশ বলেন, আমার সাথে কিছু হয়নি। সে একজন চাঁদাবাজ, লুটতারাজ। ৫ আগস্টের পর ব্যাপক লুটপাট ও চাদাবাজি করেছেন।
তার কারণে বিএনপির প্রার্থী হেরেছে। যে কারণে বিএনপির ত্যাগী নেতা-কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে গণধোলাই দিয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে বাউফল থানার পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, গাজী গিয়াসের বাসায় হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামী গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আর তাকে গণধোলাইর বিষয়ে কিছু জানি না। অভিযোগ পেলে সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৫
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রের সৈকত হোটেলের সামনে তাঁকে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের–ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত ব্যক্তির নাম কে এম বাচ্চু। তিনি একটি জাতীয় দৈনিকের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ও কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির সভাপতি।
পৌর যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক বায়জিদ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি শহিদ সিকদার, স্থানীয় হারুন মুসল্লিসহ আরও কয়েকজন এ হামলায় অংশ নেন বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন কেএম বাচ্চুর ছোট ভাই সোহাগ খলিফা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বায়জিদসহ অভিযুক্ত কয়েকজনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে বন্ধ পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে সৈকত হোটেলের সামনে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন কে এম বাচ্চু। এ সময় বায়জিদ সেখানে এসে তাঁর প্রকাশিত একটি সংবাদ নিয়ে তর্কে জড়ান। একপর্যায়ে বায়জিদের সঙ্গে থাকা কয়েকজন লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে বাচ্চুর ওপর হামলা চালান। এতে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। হামলাকারীরা বাচ্চুকে আহত অবস্থায় ফেলে চলে গেলে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেন, কে এম বাচ্চুর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন আছে।
ঘটনার সঙ্গে ছাত্রদলের কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জোবায়ের আহমেদ। একই কথা বলেছেন কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফারুকও।
মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বরিশালটাইমসকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্রের সৈকত হোটেলের সামনে তাঁকে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের–ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আহত ব্যক্তির নাম কে এম বাচ্চু। তিনি একটি জাতীয় দৈনিকের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ও কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির সভাপতি।
পৌর যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক বায়জিদ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি শহিদ সিকদার, স্থানীয় হারুন মুসল্লিসহ আরও কয়েকজন এ হামলায় অংশ নেন বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন কেএম বাচ্চুর ছোট ভাই সোহাগ খলিফা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বায়জিদসহ অভিযুক্ত কয়েকজনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে বন্ধ পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে সৈকত হোটেলের সামনে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন কে এম বাচ্চু। এ সময় বায়জিদ সেখানে এসে তাঁর প্রকাশিত একটি সংবাদ নিয়ে তর্কে জড়ান। একপর্যায়ে বায়জিদের সঙ্গে থাকা কয়েকজন লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে বাচ্চুর ওপর হামলা চালান। এতে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। হামলাকারীরা বাচ্চুকে আহত অবস্থায় ফেলে চলে গেলে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেন, কে এম বাচ্চুর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন আছে।
ঘটনার সঙ্গে ছাত্রদলের কেউ জড়িত থাকলে তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জোবায়ের আহমেদ। একই কথা বলেছেন কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফারুকও।
মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বরিশালটাইমসকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১৪:২১
পটুয়াখালীর মহিপুরে ছোয়ামনি (১১) নামের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নূর মোহাম্মদ হাওলাদার (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ জুলাই) ভুক্তভোগী শিশুর মা খাদিজা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে মহিপুর থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুলাই দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নের পূর্ব নতুনপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে ছোট ভাইকে নিয়ে অবস্থান করছিল ওই শিশু। এ সময় তার মা জরুরি কাজে এবং বাবা জীবিকার প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে ছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়, এই সুযোগে একই এলাকার বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ হাওলাদার শিশুটির বসতঘরে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় লোকজন চলে আসতে দেখে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর সামাজিক লজ্জা ও স্থানীয়ভাবে সমাধানের আশায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে থানায় অভিযোগ করেননি। দীর্ঘদিন স্থানীয়ভাবে সুবিচার পাওয়ার চেষ্টা করেও কোনো ফল না পাওয়ায় বুধবার (২২ জুলাই) শিশুটির মা মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মহিপুর থানা পুলিশ মামলা রুজু করে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর মহিপুরে ছোয়ামনি (১১) নামের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নূর মোহাম্মদ হাওলাদার (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ জুলাই) ভুক্তভোগী শিশুর মা খাদিজা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে মহিপুর থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ জুলাই দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নের পূর্ব নতুনপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে ছোট ভাইকে নিয়ে অবস্থান করছিল ওই শিশু। এ সময় তার মা জরুরি কাজে এবং বাবা জীবিকার প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে ছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়, এই সুযোগে একই এলাকার বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ হাওলাদার শিশুটির বসতঘরে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় লোকজন চলে আসতে দেখে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর সামাজিক লজ্জা ও স্থানীয়ভাবে সমাধানের আশায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে থানায় অভিযোগ করেননি। দীর্ঘদিন স্থানীয়ভাবে সুবিচার পাওয়ার চেষ্টা করেও কোনো ফল না পাওয়ায় বুধবার (২২ জুলাই) শিশুটির মা মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মহিপুর থানা পুলিশ মামলা রুজু করে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৪ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৬
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ৪০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া এ সড়কে স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে নিজ উদ্যোগে অস্থায়ী সাঁকো নির্মাণ করেছেন। সেই সাঁকোই এখন এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা।
মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা থেকে সালামপুর আমনিয়া কামিল মাদ্রাসা পর্যন্ত সংযোগকারী সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অসংখ্য শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। বর্ষা মৌসুমে কাদাপানি ও জলাবদ্ধতার কারণে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সড়কটি দিয়ে মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা, সালামপুর আমনিয়া কামিল মাদ্রাসা, একটি নূরানি মাদ্রাসা ও একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা নিয়মিত চলাচল করে। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে তাদের।
মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসার প্রধান কেরানি মাওলানা মহিবুল্লাহ সবুজ বলেন, “এটি আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় মানুষের প্রধান চলাচলের পথ। দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।”
লেবুখালী মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ফরিদ উদ্দিন উজ্জ্বল বলেন, “প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী এই রাস্তা ব্যবহার করে। বর্ষাকালে তাদের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া উচিত।”
সমাজসেবক রেজাউল করিম বাবুল মৃধা বলেন, “এটি কোনো ব্যক্তিগত রাস্তা নয়; জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।”
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী জাকির হোসেন খান বলেন, “দৈনন্দিন চলাচলে এ রাস্তার দুরবস্থা এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত সংস্কার না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।”
বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত ইমদাদুল মৃধা বলেন, “জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের এমন অবস্থা কোনোভাবেই কাম্য নয়। মানুষের নিরাপদ চলাচলের স্বার্থে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।”
এ বিষয়ে মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “রাস্তাটির বিষয়ে আমি অবগত আছি। এটি গ্রামীণ অবকাঠামো খাতের আওতাভুক্ত। সেখানে প্রায় ৮০০ ফুট রাস্তা বেহাল অবস্থায় রয়েছে। আগামী জুন মাসে বাজেট এলে কোনো একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়কটি সংস্কারের চেষ্টা করা হবে।”
এদিকে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ৪০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া এ সড়কে স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে নিজ উদ্যোগে অস্থায়ী সাঁকো নির্মাণ করেছেন। সেই সাঁকোই এখন এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা।
মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা থেকে সালামপুর আমনিয়া কামিল মাদ্রাসা পর্যন্ত সংযোগকারী সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অসংখ্য শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। বর্ষা মৌসুমে কাদাপানি ও জলাবদ্ধতার কারণে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সড়কটি দিয়ে মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা, সালামপুর আমনিয়া কামিল মাদ্রাসা, একটি নূরানি মাদ্রাসা ও একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা নিয়মিত চলাচল করে। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে তাদের।
মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসার প্রধান কেরানি মাওলানা মহিবুল্লাহ সবুজ বলেন, “এটি আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় মানুষের প্রধান চলাচলের পথ। দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।”
লেবুখালী মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ফরিদ উদ্দিন উজ্জ্বল বলেন, “প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী এই রাস্তা ব্যবহার করে। বর্ষাকালে তাদের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া উচিত।”
সমাজসেবক রেজাউল করিম বাবুল মৃধা বলেন, “এটি কোনো ব্যক্তিগত রাস্তা নয়; জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।”
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী জাকির হোসেন খান বলেন, “দৈনন্দিন চলাচলে এ রাস্তার দুরবস্থা এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত সংস্কার না হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।”
বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত ইমদাদুল মৃধা বলেন, “জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের এমন অবস্থা কোনোভাবেই কাম্য নয়। মানুষের নিরাপদ চলাচলের স্বার্থে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।”
এ বিষয়ে মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “রাস্তাটির বিষয়ে আমি অবগত আছি। এটি গ্রামীণ অবকাঠামো খাতের আওতাভুক্ত। সেখানে প্রায় ৮০০ ফুট রাস্তা বেহাল অবস্থায় রয়েছে। আগামী জুন মাসে বাজেট এলে কোনো একটি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়কটি সংস্কারের চেষ্টা করা হবে।”
এদিকে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
পটুয়াখালীর বাউফলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. গিয়াস উদ্দিন ওরফে গাজী গিয়াসকে গণধোলাই দিয়েছেন বিএনপির নেতা- কর্মীরা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে পৌর শহরের বাজার রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
যুবদল সূত্রে জানা যায়, গাজী গিয়াস বিগত ১৭ বছর দলীয় কোনো কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল না। আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আ.স.ম ফিরোজের ভাই একেএম ফরিদ মোল্লার সাথে সুসর্ম্পক রেখে ব্যবসা- বানিজ্য চালিয়ে গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নিজেকে বিএনপির নাম ভাগিয়ে চাঁদাবাজি, লুটপাট, হামলা, ভাঙচুর ও দখল বানিজ্য শুরু করেন গিয়াস।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ আসনে সহিদুল আলম তালুকদারকে বিএনপি মনোনয়ন দিলে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে গিয়াস। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে কোনঠাসা করে রাখেন।
সহিদুল আলমের আস্থাভাজন হওয়ায় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়কের পদ ভাগিয়ে নেন। এতে উপজেলা যুবদলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতারা আরও ক্ষুব্দ হয়ে উঠে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম তালুকদারের ভরাডুবি হয়।
বিএনপি নেতাদের দাবি, গিয়াসের মত চাঁদাবাজ নিয়ে নির্বাচন পরিচালনায় করায় ভোটাররা ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এতে চরমভাবে পরাজয় লাভ করেন সহিদুল আলম।
নির্বাচনের পর থেকে পদবঞ্চিত যুবদল নেতারা সহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা গিয়াসের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। সেই ক্ষোভ থেকেই তাকে গণধোলাই দেওয়া হয়। এর আগে গতকাল কালাইয়া বন্দরে গিয়াসের বাসায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এসময় তার বাসা কাম দলীয় কার্যালয়ের চেয়ার টেবিল ও ১০/১২ টি মটরসাইকেল ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্দ জনতা। স্থানীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ বানিজিক্য বন্দর কালাইয়া। এ বন্দরের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দফায় দফায় বিপুল পরিমান চাঁদাবাজি করেন গিয়াস।
এ ছাড়াও কলাইয়াতে দখল, তরমুজ খেতে চাদাবাজি ও পালাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের বাসাবাড়িতে লুটপাট করেন। এমনকি নিজ দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়ারানির অভিযোগ রয়েছে।
১২ তারিখের নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম পরাজয় লাভ করার পর থেকে সাধারণ মানুষ, বিএনপির নেতাকর্মী ও ব্যবসায়ীরা গিয়াসের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। যে কারণে তার বাসায় হামলার ঘটনা ঘটে। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গিয়াস বলেন, গতকাল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের লোকজন আমার বাসা ও অফিসে হামলা চালিয়ে লুটপাট করেছেন।
প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে আমার। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. পলাশ দলবল নিয়ে আমার সাথে জামেলা করেন। কেনো জামেলা করেন জানতে চাইলে বলেন, আমাদের নেতা সহিদুল আলমকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন, আমি প্রতিবাদ করলে তারা আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এবিষয়ে পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী পলাশ বলেন, আমার সাথে কিছু হয়নি। সে একজন চাঁদাবাজ, লুটতারাজ। ৫ আগস্টের পর ব্যাপক লুটপাট ও চাদাবাজি করেছেন।
তার কারণে বিএনপির প্রার্থী হেরেছে। যে কারণে বিএনপির ত্যাগী নেতা-কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে গণধোলাই দিয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে বাউফল থানার পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, গাজী গিয়াসের বাসায় হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামী গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আর তাকে গণধোলাইর বিষয়ে কিছু জানি না। অভিযোগ পেলে সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।