
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:২৮
ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহব্যাপী বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি চূড়ান্ত আক্রমণের নির্দেশ দেন, তবে মধ্যপ্রাচ্যে দুই দেশের মধ্যে এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দুজন মার্কিন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পেন্টাগন সূত্রে জানা গেছে, এই অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যে অতিরিক্ত আরও একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানো হচ্ছে। এর পাশাপাশি কয়েক হাজার অতিরিক্ত সেনা, যুদ্ধবিমান এবং গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন করা হচ্ছে, যা আক্রমণ ও প্রতিরক্ষা উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে কার্যকর।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি জানিয়েছেন, ইরানের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামনে সব ধরনের বিকল্প পথ খোলা রয়েছে এবং তিনি জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যেকোনো সময় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, এবারের সামরিক পরিকল্পনা আগের চেয়ে অনেক বেশি জটিল ও বিস্তৃত। এর আগে গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালেও সেটি ছিল সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুভিত্তিক। কিন্তু বর্তমান পরিকল্পনায় ইরানের রাষ্ট্রীয় ও নিরাপত্তা অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। সামরিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে ইরানের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের কারণে এই অভিযানে মার্কিন বাহিনীর জন্য ঝুঁকি অনেক বেশি হতে পারে।
এদিকে সম্ভাব্য এই হামলার আশঙ্কায় কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড। তারা জানিয়েছে, ইরানের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা জর্ডান, কুয়েত, কাতার ও তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হানা হবে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি উত্তর ক্যারোলাইনায় মার্কিন সেনাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে আসা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ক্ষেত্রবিশেষে ‘ভয়’ দেখানো প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে এখন এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
বরিশাল টাইমস
ট্রাম্পের নির্দেশ আসলেই ইরানে চলবে সামরিক অভিযান। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহব্যাপী বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি চূড়ান্ত আক্রমণের নির্দেশ দেন, তবে মধ্যপ্রাচ্যে দুই দেশের মধ্যে এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দুজন মার্কিন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পেন্টাগন সূত্রে জানা গেছে, এই অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যে অতিরিক্ত আরও একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানো হচ্ছে। এর পাশাপাশি কয়েক হাজার অতিরিক্ত সেনা, যুদ্ধবিমান এবং গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন করা হচ্ছে, যা আক্রমণ ও প্রতিরক্ষা উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে কার্যকর।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি জানিয়েছেন, ইরানের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামনে সব ধরনের বিকল্প পথ খোলা রয়েছে এবং তিনি জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যেকোনো সময় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, এবারের সামরিক পরিকল্পনা আগের চেয়ে অনেক বেশি জটিল ও বিস্তৃত। এর আগে গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালেও সেটি ছিল সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুভিত্তিক। কিন্তু বর্তমান পরিকল্পনায় ইরানের রাষ্ট্রীয় ও নিরাপত্তা অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। সামরিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে ইরানের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের কারণে এই অভিযানে মার্কিন বাহিনীর জন্য ঝুঁকি অনেক বেশি হতে পারে।
এদিকে সম্ভাব্য এই হামলার আশঙ্কায় কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড। তারা জানিয়েছে, ইরানের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা জর্ডান, কুয়েত, কাতার ও তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হানা হবে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি উত্তর ক্যারোলাইনায় মার্কিন সেনাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে আসা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ক্ষেত্রবিশেষে ‘ভয়’ দেখানো প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে এখন এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
বরিশাল টাইমস

০৭ মার্চ, ২০২৬ ০১:২৭
লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচের ছেলে আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম হারেৎজ। তবে তিনি ঠিক কীভাবে আহত হয়েছেন, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
ইসরায়েল একসঙ্গে দুই ফ্রন্টে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। একদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে হামলা অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে, ইরানে হামলার প্রতিবাদে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা চালাচ্ছে তারা।
জানা গেছে, লেবানন সীমান্তে এখন তুমুল যুদ্ধ চলছে। ইসরায়েল দক্ষিণ লেবানন ও রাজধানী বৈরুতে নির্বিচারে বিমান হামলা চালাচ্ছে। এতে এখন পর্যন্ত শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।
হিজবুল্লাহও পিছু হটছে না। সীমান্তবর্তী ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি ও চৌকিগুলোতে তারা একের পর এক রকেট ছুড়ছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) ভোরে সংগঠনটি তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে হিব্রু ভাষায় একটি বার্তা প্রকাশ করে। সেখানে ইসরায়েলি বাসিন্দাদের লেবানন সীমান্ত থেকে ৫ কিলোমিটার (প্রায় ৩ মাইল) এলাকার মধ্যে থাকা শহরগুলো খালি করার আহ্বান জানানো হয়।
বার্তায় হিজবুল্লাহ জানায়, লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর যে সামরিক আগ্রাসন, বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস এবং উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে, তার জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচের ছেলে আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম হারেৎজ। তবে তিনি ঠিক কীভাবে আহত হয়েছেন, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
ইসরায়েল একসঙ্গে দুই ফ্রন্টে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। একদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে হামলা অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে, ইরানে হামলার প্রতিবাদে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা চালাচ্ছে তারা।
জানা গেছে, লেবানন সীমান্তে এখন তুমুল যুদ্ধ চলছে। ইসরায়েল দক্ষিণ লেবানন ও রাজধানী বৈরুতে নির্বিচারে বিমান হামলা চালাচ্ছে। এতে এখন পর্যন্ত শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।
হিজবুল্লাহও পিছু হটছে না। সীমান্তবর্তী ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি ও চৌকিগুলোতে তারা একের পর এক রকেট ছুড়ছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) ভোরে সংগঠনটি তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে হিব্রু ভাষায় একটি বার্তা প্রকাশ করে। সেখানে ইসরায়েলি বাসিন্দাদের লেবানন সীমান্ত থেকে ৫ কিলোমিটার (প্রায় ৩ মাইল) এলাকার মধ্যে থাকা শহরগুলো খালি করার আহ্বান জানানো হয়।
বার্তায় হিজবুল্লাহ জানায়, লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর যে সামরিক আগ্রাসন, বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস এবং উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে, তার জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে ব্যক্তিগতভাবে ‘লুজার’ বলে উল্লেখ করেছেন, এমন দাবি করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে একটি ব্যক্তিগত নৈশভোজে দরজার আড়ালে ট্রাম্প স্টারমারকে ‘লুজার’ বলে মন্তব্য করেন।
টেলিগ্রাফকে সূত্র জানায়, ট্রাম্প মনে করেন স্টারমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নেই বলেই তিনি এ ধরনের মন্তব্য করেছেন।
গত মঙ্গলবার জনসমক্ষেও ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, স্টারমার ‘উইনস্টন চার্চিল’ নন- এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্র–যুক্তরাজ্যের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট করে দিয়েছেন।
এই মন্তব্য এমন সময় এসেছে, যখন ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের অভিবাসন ও জ্বালানি নীতিকে ‘ভয়াবহ’ বলে সমালোচনা করেছেন।
একই সঙ্গে তিনি স্টারমারকে ‘শরিয়া আদালত’ অপসারণ এবং উত্তর সাগরকে নতুন করে তেল ও গ্যাস খননের জন্য উন্মুক্ত করার আহ্বান জানান।
এ ছাড়া চাগোস দ্বীপপুঞ্জের ডিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা চালানোর বিষয়ে স্টারমারের প্রাথমিক অনীহাও ট্রাম্পকে ক্ষুব্ধ করে তোলে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে
ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ‘স্টারমারের মন পরিবর্তন করতে অনেক সময় লেগেছে।’
পরে স্টারমার শেষ পর্যন্ত ডিয়েগো গার্সিয়া থেকে হামলা চালানোর অনুমতি দেন। তিনি যুক্তি দেন, ইরান সাইপ্রাসে যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটি আরএএফ আক্রোতিরিতে হামলা চালিয়েছে।
তবে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরে জানায়, ওই বিমানঘাঁটিতে যে ড্রোন হামলা হয়েছিল, সেটি ইরান থেকে ছোড়া হয়নি।
উল্লেখ্য, ওই ঘাঁটি থেকেই গাজার ওপর নজরদারি ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছিল, যখন সেখানে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান চলছিল।
সোফিয়া শিরা নোভারা মিডিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া টিমের একজন সাংবাদিক।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে ব্যক্তিগতভাবে ‘লুজার’ বলে উল্লেখ করেছেন, এমন দাবি করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে একটি ব্যক্তিগত নৈশভোজে দরজার আড়ালে ট্রাম্প স্টারমারকে ‘লুজার’ বলে মন্তব্য করেন।
টেলিগ্রাফকে সূত্র জানায়, ট্রাম্প মনে করেন স্টারমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নেই বলেই তিনি এ ধরনের মন্তব্য করেছেন।
গত মঙ্গলবার জনসমক্ষেও ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, স্টারমার ‘উইনস্টন চার্চিল’ নন- এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্র–যুক্তরাজ্যের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট করে দিয়েছেন।
এই মন্তব্য এমন সময় এসেছে, যখন ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের অভিবাসন ও জ্বালানি নীতিকে ‘ভয়াবহ’ বলে সমালোচনা করেছেন।
একই সঙ্গে তিনি স্টারমারকে ‘শরিয়া আদালত’ অপসারণ এবং উত্তর সাগরকে নতুন করে তেল ও গ্যাস খননের জন্য উন্মুক্ত করার আহ্বান জানান।
এ ছাড়া চাগোস দ্বীপপুঞ্জের ডিয়েগো গার্সিয়া সামরিক ঘাঁটি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা চালানোর বিষয়ে স্টারমারের প্রাথমিক অনীহাও ট্রাম্পকে ক্ষুব্ধ করে তোলে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে
ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ‘স্টারমারের মন পরিবর্তন করতে অনেক সময় লেগেছে।’
পরে স্টারমার শেষ পর্যন্ত ডিয়েগো গার্সিয়া থেকে হামলা চালানোর অনুমতি দেন। তিনি যুক্তি দেন, ইরান সাইপ্রাসে যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটি আরএএফ আক্রোতিরিতে হামলা চালিয়েছে।
তবে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরে জানায়, ওই বিমানঘাঁটিতে যে ড্রোন হামলা হয়েছিল, সেটি ইরান থেকে ছোড়া হয়নি।
উল্লেখ্য, ওই ঘাঁটি থেকেই গাজার ওপর নজরদারি ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছিল, যখন সেখানে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান চলছিল।
সোফিয়া শিরা নোভারা মিডিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া টিমের একজন সাংবাদিক।

০৬ মার্চ, ২০২৬ ১১:৪১
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের জেরে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কোনো ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেননি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, গ্যাসের দাম বাড়লে বাড়বে, এটা নিয়ে আমার কোনো দুশ্চিন্তা নেই।
রয়টার্সকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি সরাসরি এসব কথা বলেন।
ট্রাম্পের মতে, যুদ্ধ শেষ হওয়া মাত্রই দাম দ্রুত কমে যাবে এবং বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব তেলের সামান্য মূল্যবৃদ্ধির চেয়ে অনেক বেশি। যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন গ্যাসে ২০ সেন্ট বা প্রায় ৭ শতাংশ দাম বেড়েছে।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় লুইজিয়ানা ও টেক্সাসের ভূগর্ভস্থ লবণের গুহায় সংরক্ষিত বিশ্বের বৃহত্তম জরুরি তেলের মজুদ বা 'স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ' ব্যবহারের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। তেলের দাম বাড়ার চাপের মুখেও তিনি জাতীয় এই জরুরি ভাণ্ডার উন্মুক্ত করতে আগ্রহী নন। অথচ মাত্র এক সপ্তাহ আগে স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে তিনি দেশে তেলের দাম কমার সাফল্যের কথা গর্বভরে প্রচার করেছিলেন।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ সরবরাহকারী গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী নিয়েও আত্মবিশ্বাসী অবস্থান ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরানের দক্ষিণ উপকূলের এই কৌশলগত জলপথটি খোলা থাকবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বিদ্রূপের সুরে বলেন, এটি অবশ্যই খোলা থাকবে কারণ ইরানের নৌবাহিনী এখন 'সমুদ্রের তলদেশে' রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে ট্রাম্পের এমন মন্তব্য বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের জেরে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কোনো ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেননি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, গ্যাসের দাম বাড়লে বাড়বে, এটা নিয়ে আমার কোনো দুশ্চিন্তা নেই।
রয়টার্সকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি সরাসরি এসব কথা বলেন।
ট্রাম্পের মতে, যুদ্ধ শেষ হওয়া মাত্রই দাম দ্রুত কমে যাবে এবং বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব তেলের সামান্য মূল্যবৃদ্ধির চেয়ে অনেক বেশি। যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন গ্যাসে ২০ সেন্ট বা প্রায় ৭ শতাংশ দাম বেড়েছে।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় লুইজিয়ানা ও টেক্সাসের ভূগর্ভস্থ লবণের গুহায় সংরক্ষিত বিশ্বের বৃহত্তম জরুরি তেলের মজুদ বা 'স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ' ব্যবহারের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। তেলের দাম বাড়ার চাপের মুখেও তিনি জাতীয় এই জরুরি ভাণ্ডার উন্মুক্ত করতে আগ্রহী নন। অথচ মাত্র এক সপ্তাহ আগে স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে তিনি দেশে তেলের দাম কমার সাফল্যের কথা গর্বভরে প্রচার করেছিলেন।
বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ সরবরাহকারী গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী নিয়েও আত্মবিশ্বাসী অবস্থান ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরানের দক্ষিণ উপকূলের এই কৌশলগত জলপথটি খোলা থাকবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বিদ্রূপের সুরে বলেন, এটি অবশ্যই খোলা থাকবে কারণ ইরানের নৌবাহিনী এখন 'সমুদ্রের তলদেশে' রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে ট্রাম্পের এমন মন্তব্য বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.