Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৭
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকট ও সুপেয় পানির অভাব মোকাবিলায় পাথরঘাটা উপজেলায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য অসহায় ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের মাঝে পানির ট্যাংকি বিতরণ করা হয়। বুধবার (২৯ জানুয়ারি ) দুপুর ৩ টায় পাথরঘাটা কেম এম স্কুল মাঠে সিসিডিবি, পিসিআরসিবি প্রকল্প ফেইজ -২ এর সহযোগিতায় পানির ট্যাংকি বিতরন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সিসিডিবির উপজেলা সমন্বয়ক মি: সুজন বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো: মুহসিন । এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পাথরঘাটা কে এম স্কুলের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, পাথরঘাটা কলেজের প্রভাষক বেল্লাল হোসেন সহ আরো অনেকে।
এ সময় উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৪৪ টি অসহায় পরিবারের মাঝে ২ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার পানির ট্যাংকি বিতরণ করা হয়। উপস্থিত অতিথিরা বলেন, “উপকূলীয় অঞ্চলে সুপেয় পানির সংকট দিন দিন তীব্র হচ্ছে। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের এই উদ্যোগ অসহায় পরিবারের জীবনে স্বস্তি ও টেকসই সমাধান এনে দেবে।”
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকট ও সুপেয় পানির অভাব মোকাবিলায় পাথরঘাটা উপজেলায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য অসহায় ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের মাঝে পানির ট্যাংকি বিতরণ করা হয়। বুধবার (২৯ জানুয়ারি ) দুপুর ৩ টায় পাথরঘাটা কেম এম স্কুল মাঠে সিসিডিবি, পিসিআরসিবি প্রকল্প ফেইজ -২ এর সহযোগিতায় পানির ট্যাংকি বিতরন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সিসিডিবির উপজেলা সমন্বয়ক মি: সুজন বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো: মুহসিন । এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পাথরঘাটা কে এম স্কুলের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, পাথরঘাটা কলেজের প্রভাষক বেল্লাল হোসেন সহ আরো অনেকে।
এ সময় উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৪৪ টি অসহায় পরিবারের মাঝে ২ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার পানির ট্যাংকি বিতরণ করা হয়। উপস্থিত অতিথিরা বলেন, “উপকূলীয় অঞ্চলে সুপেয় পানির সংকট দিন দিন তীব্র হচ্ছে। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের এই উদ্যোগ অসহায় পরিবারের জীবনে স্বস্তি ও টেকসই সমাধান এনে দেবে।”

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৪৫

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৭
আমতলীতে বাসচাপায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি আমড়াগাছিয়া খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্সের খাদেম মো. নুরুল হক মৃধা। আজ সোমবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়কের খানকার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কসংলগ্ন আমড়াগাছিয়া নামক স্থানে অবস্থিত খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্স। সড়কে চলাচল করা গাড়ি থেকে চাঁদা/সহায়তা নিয়ে খানকার শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া, থাকা-খাওয়া চলে। খানকার খাদেমরা ওই সহায়তার টাকা সড়ক থেকে তুলে নেন। আজ সকালে ফজরের নামাজ পড়ে খাদেম মো. নুরুল হক মৃধা সড়কে ফেলে রাখা সহায়তার টাকা তুলছিলেন। এ সময় একটি বাস তাঁকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন খাদেম।
খবর পেয়ে আমতলী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ওই হাসপাতালের চিকিৎসক সাবিনা ইয়াসমিন স্বর্ণা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছেন নুরুল হক মৃধা।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নিহত নুরুল হক মৃধার বাড়ি পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার আমখোলা গ্রামে। নিহতের পরিবারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৭
বরগুনার পাথরঘাটায় বেওয়ারিশ কুকুরের হামলায় অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে ২৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। গুরুতর আহত তিনজনকে দ্রুত স্থানান্তর করা হয়েছে, আর বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরামর্শ নিয়ে বাড়িতে চলে গেছে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রাখাল বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে সদর ইউনিয়ন থেকে একাধিক রোগী কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে আসে, যার মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর ইউনিয়নের পদ্মা, রুহিতা ও হাড়িটানা এলাকায় একটি সাদা-কালো বেওয়ারিশ কুকুর ঘুরে ঘুরে মানুষের ওপর আক্রমণ করে।
পদ্মা এলাকার বাসিন্দা হিরু জমাদ্দার জানান, তাঁদের পরিবারের তিনজনকে কামড় দিয়ে কুকুরটি হাড়িটানার দিকে চলে যায়। অন্যদিকে, হাড়িটানা এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সাহিন বলেন, তাঁর চাচা আবুল কালামের ওপরও একই কুকুরটি হামলা চালায় এবং তাঁর গালের মাংস ছিঁড়ে নেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে বরিশালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন না থাকায় ভুক্তভোগীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে বেশি দামে ভ্যাকসিন কিনছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
পাথরঘাটা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা ডা. অরবিন্দ দাস জানান, বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী কুকুর নিধন দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই কুকুর নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিন প্রয়োগসহ মানবিক পদ্ধতি গ্রহণ করা জরুরি।
এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপস পাল জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে ভ্যাকসিনের সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বরগুনার মাঠজুড়ে এখন তরমুজের সমারোহ। পরিপুষ্ট তরমুজ যেন হাসিমুখে উঁকি দিচ্ছে মাঠের চারদিকে। আবহাওয়ায় অনুকূল হওয়ায় এ বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। তাই ভালো দামের আশায় বুক বেঁধেছিলেন চাষিরা। কিন্তু সেই রঙিন স্বপ্নে নেমেছে অনিশ্চয়তার ছায়া। উদ্বেগ আর হতাশা ঘিরে ধরছে উপকূলীয় জেলা বরগুনার হাজারো তরমুজ চাষিদের।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে বরগুনার বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে উৎপাদনও হয়েছে ব্যাপক। তবে উৎপাদন ভালো হলেও বাজারজাতকরণে সংকট তৈরি হওয়ায় লাভের মুখ দেখা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা জানান, রমজান মাসে আগাম তরমুজ বিক্রি করতে পারা কিছু কৃষক লাভবান হলেও বর্তমানে অধিকাংশ কৃষক পড়েছেন বিপাকে। জ্বালানি সংকটের অজুহাতে পরিবহন সংকট দেখা দেওয়ায় ক্ষেতের তরমুজ সময়মতো বাজারজাত করতে পারছেন না তারা। এতে একদিকে যেমন ফসল নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয় বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে দামও কমে গেছে।
তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের কৃষক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, চলতি বছরে প্রায় আট একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। প্রতি একরে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এখন পরিবহন সংকটে তরমুজ বাজারে নিতে পারছি না। অনেক তরমুজ ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে। এভাবে চললে আমরা দেউলিয়া হয়ে যাব।
আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের কৃষক মো. আব্দুল লতিফ মাতুব্বর বলেন, ধারদেনা করে তরমুজ চাষ করেছিলাম। কিন্তু পরিবহন সংকটে এখন বিনিয়োগের টাকা ওঠানোই কঠিন হয়ে পড়েছে।
সদর উপজেলার তরমুজ চাষি হাবিবুর রহমান বলেন, আগে সহজেই ট্রাক পাওয়া গেলেও জ্বালানি সংকটের অজুহাতে গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে না। যে অল্পসংখ্যক পরিবহন পাওয়া যাচ্ছে, তার ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ। আগে ঢাকায় তরমুজ পাঠাতে যেখানে ১৮ থেকে ২৫ হাজার টাকা লাগত, এখন সেখানে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। এতে তরমুজ ক্রয়ে পাইকাররাও আগ্রহ হারাচ্ছেন।
বরগুনা শহরের আড়তদার মো. শাহীন বলেন, পাইকাররা আসতে পারছেন না। ফলে স্থানীয় বাজারে তরমুজের চাপ বেড়ে গিয়ে দাম কমে গেছে।
আরেক আড়তদার মো. মনিরুল আলম বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাজার আবার চাঙ্গা হতে পারে। কিন্তু এখন চাষি ও ব্যবসায়ী উভয়েই ক্ষতির মুখে।
স্থানীয় সমাজসেবক আবু সালেহ শান্ত বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় পরিবহন সংকট প্রকট। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বিপুল পরিমাণ তরমুজ ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে যাবে।
বরগুনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপপরিচালক রথীন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন, জ্বালানি সংকটের কথা মিছ ইনফরমেশন দেওয়া হয়েছে। চাষিরা স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র নিয়ে পাম্প থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন। ইতোমধ্যে সদর উপজেলার অনেক চাষি ও পাইকারকে জ্বালানি তেল সংগ্রহের জন্য প্রত্যায়ন দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী কৃষকরা স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে বিশেষ করে তরমুজ পরিবহনের জন্য পাম্প ও পয়েন্ট থেকে প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেল সংগ্রহের প্রত্যায়ন সংগ্রহ করতে পারবেন।
বরগুনার মাঠজুড়ে এখন তরমুজের সমারোহ। পরিপুষ্ট তরমুজ যেন হাসিমুখে উঁকি দিচ্ছে মাঠের চারদিকে। আবহাওয়ায় অনুকূল হওয়ায় এ বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। তাই ভালো দামের আশায় বুক বেঁধেছিলেন চাষিরা। কিন্তু সেই রঙিন স্বপ্নে নেমেছে অনিশ্চয়তার ছায়া। উদ্বেগ আর হতাশা ঘিরে ধরছে উপকূলীয় জেলা বরগুনার হাজারো তরমুজ চাষিদের।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে বরগুনার বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে উৎপাদনও হয়েছে ব্যাপক। তবে উৎপাদন ভালো হলেও বাজারজাতকরণে সংকট তৈরি হওয়ায় লাভের মুখ দেখা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা জানান, রমজান মাসে আগাম তরমুজ বিক্রি করতে পারা কিছু কৃষক লাভবান হলেও বর্তমানে অধিকাংশ কৃষক পড়েছেন বিপাকে। জ্বালানি সংকটের অজুহাতে পরিবহন সংকট দেখা দেওয়ায় ক্ষেতের তরমুজ সময়মতো বাজারজাত করতে পারছেন না তারা। এতে একদিকে যেমন ফসল নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয় বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে দামও কমে গেছে।
তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের কৃষক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, চলতি বছরে প্রায় আট একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। প্রতি একরে ২ থেকে ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এখন পরিবহন সংকটে তরমুজ বাজারে নিতে পারছি না। অনেক তরমুজ ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে। এভাবে চললে আমরা দেউলিয়া হয়ে যাব।
আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের কৃষক মো. আব্দুল লতিফ মাতুব্বর বলেন, ধারদেনা করে তরমুজ চাষ করেছিলাম। কিন্তু পরিবহন সংকটে এখন বিনিয়োগের টাকা ওঠানোই কঠিন হয়ে পড়েছে।
সদর উপজেলার তরমুজ চাষি হাবিবুর রহমান বলেন, আগে সহজেই ট্রাক পাওয়া গেলেও জ্বালানি সংকটের অজুহাতে গাড়ি পাওয়া যাচ্ছে না। যে অল্পসংখ্যক পরিবহন পাওয়া যাচ্ছে, তার ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ। আগে ঢাকায় তরমুজ পাঠাতে যেখানে ১৮ থেকে ২৫ হাজার টাকা লাগত, এখন সেখানে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। এতে তরমুজ ক্রয়ে পাইকাররাও আগ্রহ হারাচ্ছেন।
বরগুনা শহরের আড়তদার মো. শাহীন বলেন, পাইকাররা আসতে পারছেন না। ফলে স্থানীয় বাজারে তরমুজের চাপ বেড়ে গিয়ে দাম কমে গেছে।
আরেক আড়তদার মো. মনিরুল আলম বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাজার আবার চাঙ্গা হতে পারে। কিন্তু এখন চাষি ও ব্যবসায়ী উভয়েই ক্ষতির মুখে।
স্থানীয় সমাজসেবক আবু সালেহ শান্ত বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় পরিবহন সংকট প্রকট। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বিপুল পরিমাণ তরমুজ ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে যাবে।
বরগুনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপপরিচালক রথীন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন, জ্বালানি সংকটের কথা মিছ ইনফরমেশন দেওয়া হয়েছে। চাষিরা স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র নিয়ে পাম্প থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন। ইতোমধ্যে সদর উপজেলার অনেক চাষি ও পাইকারকে জ্বালানি তেল সংগ্রহের জন্য প্রত্যায়ন দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী কৃষকরা স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে বিশেষ করে তরমুজ পরিবহনের জন্য পাম্প ও পয়েন্ট থেকে প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেল সংগ্রহের প্রত্যায়ন সংগ্রহ করতে পারবেন।
আমতলীতে বাসচাপায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি আমড়াগাছিয়া খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্সের খাদেম মো. নুরুল হক মৃধা। আজ সোমবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়কের খানকার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কসংলগ্ন আমড়াগাছিয়া নামক স্থানে অবস্থিত খানকায়ে ছালেহিয়া কমপ্লেক্স। সড়কে চলাচল করা গাড়ি থেকে চাঁদা/সহায়তা নিয়ে খানকার শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া, থাকা-খাওয়া চলে। খানকার খাদেমরা ওই সহায়তার টাকা সড়ক থেকে তুলে নেন। আজ সকালে ফজরের নামাজ পড়ে খাদেম মো. নুরুল হক মৃধা সড়কে ফেলে রাখা সহায়তার টাকা তুলছিলেন। এ সময় একটি বাস তাঁকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন খাদেম।
খবর পেয়ে আমতলী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ওই হাসপাতালের চিকিৎসক সাবিনা ইয়াসমিন স্বর্ণা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছেন নুরুল হক মৃধা।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নিহত নুরুল হক মৃধার বাড়ি পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার আমখোলা গ্রামে। নিহতের পরিবারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরগুনার পাথরঘাটায় বেওয়ারিশ কুকুরের হামলায় অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে ২৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। গুরুতর আহত তিনজনকে দ্রুত স্থানান্তর করা হয়েছে, আর বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরামর্শ নিয়ে বাড়িতে চলে গেছে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রাখাল বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে সদর ইউনিয়ন থেকে একাধিক রোগী কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে আসে, যার মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর ইউনিয়নের পদ্মা, রুহিতা ও হাড়িটানা এলাকায় একটি সাদা-কালো বেওয়ারিশ কুকুর ঘুরে ঘুরে মানুষের ওপর আক্রমণ করে।
পদ্মা এলাকার বাসিন্দা হিরু জমাদ্দার জানান, তাঁদের পরিবারের তিনজনকে কামড় দিয়ে কুকুরটি হাড়িটানার দিকে চলে যায়। অন্যদিকে, হাড়িটানা এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সাহিন বলেন, তাঁর চাচা আবুল কালামের ওপরও একই কুকুরটি হামলা চালায় এবং তাঁর গালের মাংস ছিঁড়ে নেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে বরিশালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন না থাকায় ভুক্তভোগীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে বেশি দামে ভ্যাকসিন কিনছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
পাথরঘাটা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা ডা. অরবিন্দ দাস জানান, বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী কুকুর নিধন দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই কুকুর নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিন প্রয়োগসহ মানবিক পদ্ধতি গ্রহণ করা জরুরি।
এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপস পাল জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে ভ্যাকসিনের সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।