Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ নভেম্বর, ২০২৫ ১৯:২৯
রাজশাহীতে বিচারকের বাসায় ঢুকে ছুরিকাঘাত করে তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। এতে বিচারকের স্ত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে রাজশাহী নগরীর ডাবতলা এলাকায় এ হামলা হয়।
নিহতের নাম তাওসিফ রহমান সুমন (২০)। তিনি রাজশাহী মহানগর ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর রহমানের ছেলে। এই ঘটনায় তার মা তাসমিন নাহার আহত হয়েছে। তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ভর্তি করা হয়েছে।
হামলার ঘটনায় জড়িতকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কে বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, হামলার ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। নিহতের মা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া) গাজিউর রহমান বলেন, ঘাতক আটক আছে। তিনিও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।’
রাজশাহীতে বিচারকের বাসায় ঢুকে ছুরিকাঘাত করে তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। এতে বিচারকের স্ত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে রাজশাহী নগরীর ডাবতলা এলাকায় এ হামলা হয়।
নিহতের নাম তাওসিফ রহমান সুমন (২০)। তিনি রাজশাহী মহানগর ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর রহমানের ছেলে। এই ঘটনায় তার মা তাসমিন নাহার আহত হয়েছে। তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ভর্তি করা হয়েছে।
হামলার ঘটনায় জড়িতকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কে বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, হামলার ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। নিহতের মা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া) গাজিউর রহমান বলেন, ঘাতক আটক আছে। তিনিও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।’

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০২
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাক কর কাঠামো সংস্কারের মাধ্যমে সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণের দাবি উঠেছে। এছাড়া সব স্তরের সিগারেটে প্রতি প্যাকেটে চার টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য ধূমপানে নিরুৎসাহিত করা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাক কর বৃদ্ধি: জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সাংবাদিকদের করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় এসব দাবি জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের কর্মসূচি পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য অনুবিভাগ) শেখ মোমেনা মনি, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সাফিউন নাহিন।
এতে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি (৩৫.৩ শতাংশ)। তামাকজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় দুই লাখ মানুষের অকালমৃত্যু ঘটে। ২০২৪ সালে তামাকের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা এই খাত থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব (৪০ হাজার কোটি টাকা)-এর দ্বিগুণের বেশি।
প্রবন্ধে প্রস্তাব করা হয়, সিগারেটের বর্তমান নিম্ন ও মধ্যম স্তর একত্র করে ১০ শলাকার প্যাকেটের সর্বনিম্ন খুচরা মূল্য ১০০ টাকা করা হোক। এ ছাড়া উচ্চ স্তরে ১৫০ টাকা ও প্রিমিয়াম স্তরে ২০০ টাকা দাম নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। অধ্যাপক সাফিউন নাহিন শিমুল বলেন, নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট সস্তা হওয়ায় ধূমপায়ীরা এক স্তর থেকে অন্য স্তরে সরে গিয়ে ধূমপান অব্যাহত রাখেন। এই দুটি স্তর একত্র করে দাম বাড়ানো হলে ৩ লাখ ৭২ হাজারের বেশি তরুণ ধূমপান শুরু করতে নিরুৎসাহিত হবেন এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, তামাক কর বৃদ্ধি করা হলে প্রায় ৫ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান ছাড়তে উৎসাহিত হবেন এবং দীর্ঘমেয়াদে ৩ লাখ ৭০ হাজার মানুষের অকালমৃত্যু ঠেকানো যাবে। এতে সরকারের রাজস্ব আয় বেড়ে ৮৫ হাজার কোটি টাকার বেশি হতে পারে।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৪৫
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার এক ব্যবসায়ী জেলা প্রশাসনের সরবরাহ করা ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করেছেন। তুলনামূলক আকারে বড়— এমন দবিতে ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করে এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেন তিনি। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার জামতৈল বাজারে ভাই ভাই ইলেকট্রনিক্সের কর্ণধার নূর মোহাম্মদ শিহাবকে (২৮) ওই গেঞ্জি পরে চলাচল করতে দেখা যায়।
গেঞ্জিতে ফুয়েল কার্ড প্রিন্ট করা দেখে শাকিল নামে এক পথচারী বলেন, এটা একটা অভিনব পদ্ধতি। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশে ফুয়েল কার্ড চালু করেছে বাংলাদেশ সরকার। আর সেই কার্ডের প্রিন্ট তার গেঞ্জিতে। এটা একটা অবিশ্বাস্য কাণ্ড ।
ব্যবসায়ী শিহাব বলেন, ফুয়েল কার্ডটা আমার জন্য বহন করা ঝামেলা মনে হয়েছে। আকারে একটু বড় তাই এটি মানিব্যাগে রাখা যায় না। পরে চিন্তা-ভাবনা করে গেঞ্জিতে কার্ডের প্রিন্ট করে নিয়েছি। তবে তেল আনার সময় পকেটেও কার্ডটি রাখি।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৮
মৌলভীবাজারের জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল অবৈধ মজুত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় পেট্রোলের সঙ্গে সিঁদুর মিশিয়ে নকল অকটেন তৈরির চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। দুটি অভিযানে সব মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার ১২৫ লিটার তেল জব্দ করা হয়।
বুধবার মধ্যরাতে জুড়ী উপজেলার সমাই বাজারের ‘মেসার্স ইউনিক ট্রেডার্স’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবরিনা আক্তার।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের শুরুতে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ তেল মজুতের বিষয়টি অস্বীকার করলেও তল্লাশিতে ৬০০ লিটার ডিজেল ও ৭৫০ লিটার পেট্রোল উদ্ধার করা হয়। এ সময় সেখান থেকে ৫০ গ্রাম সিঁদুর জব্দ করা হয়, যা পেট্রোলের রঙ পরিবর্তন করে নকল অকটেন তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতো। অবৈধ মজুত ও জালিয়াতির দায়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জুড়ী থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
একই সময়ে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর বাজারের ‘নাফিজ ভ্যারাইটিজ স্টোর’-এ অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে দোকানটি থেকে ৭২৫ লিটার অবৈধ মজুত ডিজেল জব্দ করা হয়।
সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রির অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী দোকান মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ তেল বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে প্রকাশ্যে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী বলেন, অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রির সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছি। জনস্বার্থে এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে আমাদের এই নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে।
জুড়ীর ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) সাবরিনা আক্তার জানান, অবৈধভাবে তেল মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা ও জালিয়াতির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাক কর কাঠামো সংস্কারের মাধ্যমে সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণের দাবি উঠেছে। এছাড়া সব স্তরের সিগারেটে প্রতি প্যাকেটে চার টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য ধূমপানে নিরুৎসাহিত করা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাক কর বৃদ্ধি: জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সাংবাদিকদের করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় এসব দাবি জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের কর্মসূচি পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব (বিশ্বস্বাস্থ্য অনুবিভাগ) শেখ মোমেনা মনি, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সাফিউন নাহিন।
এতে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি (৩৫.৩ শতাংশ)। তামাকজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর প্রায় দুই লাখ মানুষের অকালমৃত্যু ঘটে। ২০২৪ সালে তামাকের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা এই খাত থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব (৪০ হাজার কোটি টাকা)-এর দ্বিগুণের বেশি।
প্রবন্ধে প্রস্তাব করা হয়, সিগারেটের বর্তমান নিম্ন ও মধ্যম স্তর একত্র করে ১০ শলাকার প্যাকেটের সর্বনিম্ন খুচরা মূল্য ১০০ টাকা করা হোক। এ ছাড়া উচ্চ স্তরে ১৫০ টাকা ও প্রিমিয়াম স্তরে ২০০ টাকা দাম নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। অধ্যাপক সাফিউন নাহিন শিমুল বলেন, নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট সস্তা হওয়ায় ধূমপায়ীরা এক স্তর থেকে অন্য স্তরে সরে গিয়ে ধূমপান অব্যাহত রাখেন। এই দুটি স্তর একত্র করে দাম বাড়ানো হলে ৩ লাখ ৭২ হাজারের বেশি তরুণ ধূমপান শুরু করতে নিরুৎসাহিত হবেন এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, তামাক কর বৃদ্ধি করা হলে প্রায় ৫ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান ছাড়তে উৎসাহিত হবেন এবং দীর্ঘমেয়াদে ৩ লাখ ৭০ হাজার মানুষের অকালমৃত্যু ঠেকানো যাবে। এতে সরকারের রাজস্ব আয় বেড়ে ৮৫ হাজার কোটি টাকার বেশি হতে পারে।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার এক ব্যবসায়ী জেলা প্রশাসনের সরবরাহ করা ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করেছেন। তুলনামূলক আকারে বড়— এমন দবিতে ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করে এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করেন তিনি। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার জামতৈল বাজারে ভাই ভাই ইলেকট্রনিক্সের কর্ণধার নূর মোহাম্মদ শিহাবকে (২৮) ওই গেঞ্জি পরে চলাচল করতে দেখা যায়।
গেঞ্জিতে ফুয়েল কার্ড প্রিন্ট করা দেখে শাকিল নামে এক পথচারী বলেন, এটা একটা অভিনব পদ্ধতি। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশে ফুয়েল কার্ড চালু করেছে বাংলাদেশ সরকার। আর সেই কার্ডের প্রিন্ট তার গেঞ্জিতে। এটা একটা অবিশ্বাস্য কাণ্ড ।
ব্যবসায়ী শিহাব বলেন, ফুয়েল কার্ডটা আমার জন্য বহন করা ঝামেলা মনে হয়েছে। আকারে একটু বড় তাই এটি মানিব্যাগে রাখা যায় না। পরে চিন্তা-ভাবনা করে গেঞ্জিতে কার্ডের প্রিন্ট করে নিয়েছি। তবে তেল আনার সময় পকেটেও কার্ডটি রাখি।
মৌলভীবাজারের জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল অবৈধ মজুত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় পেট্রোলের সঙ্গে সিঁদুর মিশিয়ে নকল অকটেন তৈরির চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। দুটি অভিযানে সব মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার ১২৫ লিটার তেল জব্দ করা হয়।
বুধবার মধ্যরাতে জুড়ী উপজেলার সমাই বাজারের ‘মেসার্স ইউনিক ট্রেডার্স’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবরিনা আক্তার।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের শুরুতে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ তেল মজুতের বিষয়টি অস্বীকার করলেও তল্লাশিতে ৬০০ লিটার ডিজেল ও ৭৫০ লিটার পেট্রোল উদ্ধার করা হয়। এ সময় সেখান থেকে ৫০ গ্রাম সিঁদুর জব্দ করা হয়, যা পেট্রোলের রঙ পরিবর্তন করে নকল অকটেন তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতো। অবৈধ মজুত ও জালিয়াতির দায়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জুড়ী থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
একই সময়ে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর বাজারের ‘নাফিজ ভ্যারাইটিজ স্টোর’-এ অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে দোকানটি থেকে ৭২৫ লিটার অবৈধ মজুত ডিজেল জব্দ করা হয়।
সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রির অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী দোকান মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ তেল বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে প্রকাশ্যে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী বলেন, অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রির সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছি। জনস্বার্থে এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে আমাদের এই নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে।
জুড়ীর ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) সাবরিনা আক্তার জানান, অবৈধভাবে তেল মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা ও জালিয়াতির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।