
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৪:৪৩
সন্তান নিয়ে পার্কে ঘুরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন দুটি বেসরকারি চ্যানেলের দুই ফটোসাংবাদিক। এ সময় মারধর করা হয় সাংবাদিকের তিন বছর বয়সী শিশুসন্তানকেও। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে বরিশাল নগরীর বেল্স পার্ক সংলগ্ন গ্রিন সিটি পার্কের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ উঠেছে, মহানগর ছাত্রদলের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি বেল্লাল গাজী ও মহানরের ৪ নম্বর সহসভাপতি সোহেল খানের নেতৃত্বে হামলা করা হয়েছে সাংবাদিকদের ওপর।
হামলার শিকার সাংবাদিকরা হলেন সময় টেলিভিশনের ক্যামেরাপারসন সুমন হাসান ও চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ক্যামেরাপারসন শাকিল মাহমুদ পাপ্পু। তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আহত গণমাধ্যমকর্মী পাপ্পু’র বড় ভাই নিউজ টোয়েন্টিফোরের ক্যামেরাপার্সন শুভ হাওলাদার বাদী হয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযুক্তরা হলেন মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সোহেল খান, ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি বেল্লাল গাজী, তাদের সহযোগী সাকিব, সোহেল ও রাহাত। হামলাকারীরা সবাই নগরীর বান্দরোড কেডিসি (রাজ্জাক স্মৃতি) কলোনীর বাসিন্দা।
হামলার শিকার পাপ্পুর বড় ভাই শুভ জানান, বরিশাল ক্লাবে স্থানীয় একটি পত্রিকার ফটো সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম সুমনের ছেলের সুন্নতে খতনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন সাংবাদিকরা। ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া সুমন হাসান তাঁর তিন বছরের কন্যা সন্তানকে নিয়ে সিটি করপোরেশনের অধিনস্ত গ্রীন সিটি পার্কে ঘুরতে যান দুই সাংবাদিক।
তারা পার্কের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে বাধা দেয় অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা বেল্লাল গাজী। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায় তাদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। এতে সুমন হাসানের তিন বছরের কন্যাসন্তানও আহত হয়। তখন দূর থেকে দেখে পাপ্পু এসে নিজেদের পরিচয় দিয়ে তাদের থামানোর চেষ্টা করেন।
হঠাৎ পেছন থেকে পাপ্পুর মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করেন ছাত্রদল নেতা সোহেল খান। মারধর করে তাদের সঙ্গে থাকা অন্য সহযোগীরা। খবর পেয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের সঙ্গেও দ্বন্দ্বে জড়ান ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তখন দ্বিতীয় দফায় ধাক্কাধাক্কি হয় তাদের মধ্যে।
তবে এমন ঘটনা জানা নেই বলে দাবি করেছেন মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করীম রনি। তিনি বলেন, সাংবাদিকরা পার্কে ঘুরতে যাবে, তাতে ওদের (হামলাকারী ছাত্রদল নেতাকর্মী) সমস্যা কোথায়? কেন এই ঘটনা ঘটেছে, আমি খোঁজ নিয়ে দেখিছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে তাদের বিরুদ্ধে।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম মোহাম্মদ নাসির বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনাস্থল হতে ঘটনার সময়ের ভিডিও সংগ্রহ করা হয়েছে। আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সন্তান নিয়ে পার্কে ঘুরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন দুটি বেসরকারি চ্যানেলের দুই ফটোসাংবাদিক। এ সময় মারধর করা হয় সাংবাদিকের তিন বছর বয়সী শিশুসন্তানকেও। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে বরিশাল নগরীর বেল্স পার্ক সংলগ্ন গ্রিন সিটি পার্কের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ উঠেছে, মহানগর ছাত্রদলের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি বেল্লাল গাজী ও মহানরের ৪ নম্বর সহসভাপতি সোহেল খানের নেতৃত্বে হামলা করা হয়েছে সাংবাদিকদের ওপর।
হামলার শিকার সাংবাদিকরা হলেন সময় টেলিভিশনের ক্যামেরাপারসন সুমন হাসান ও চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ক্যামেরাপারসন শাকিল মাহমুদ পাপ্পু। তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আহত গণমাধ্যমকর্মী পাপ্পু’র বড় ভাই নিউজ টোয়েন্টিফোরের ক্যামেরাপার্সন শুভ হাওলাদার বাদী হয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযুক্তরা হলেন মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সোহেল খান, ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি বেল্লাল গাজী, তাদের সহযোগী সাকিব, সোহেল ও রাহাত। হামলাকারীরা সবাই নগরীর বান্দরোড কেডিসি (রাজ্জাক স্মৃতি) কলোনীর বাসিন্দা।
হামলার শিকার পাপ্পুর বড় ভাই শুভ জানান, বরিশাল ক্লাবে স্থানীয় একটি পত্রিকার ফটো সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম সুমনের ছেলের সুন্নতে খতনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন সাংবাদিকরা। ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া সুমন হাসান তাঁর তিন বছরের কন্যা সন্তানকে নিয়ে সিটি করপোরেশনের অধিনস্ত গ্রীন সিটি পার্কে ঘুরতে যান দুই সাংবাদিক।
তারা পার্কের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে বাধা দেয় অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা বেল্লাল গাজী। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায় তাদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। এতে সুমন হাসানের তিন বছরের কন্যাসন্তানও আহত হয়। তখন দূর থেকে দেখে পাপ্পু এসে নিজেদের পরিচয় দিয়ে তাদের থামানোর চেষ্টা করেন।
হঠাৎ পেছন থেকে পাপ্পুর মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করেন ছাত্রদল নেতা সোহেল খান। মারধর করে তাদের সঙ্গে থাকা অন্য সহযোগীরা। খবর পেয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের সঙ্গেও দ্বন্দ্বে জড়ান ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তখন দ্বিতীয় দফায় ধাক্কাধাক্কি হয় তাদের মধ্যে।
তবে এমন ঘটনা জানা নেই বলে দাবি করেছেন মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করীম রনি। তিনি বলেন, সাংবাদিকরা পার্কে ঘুরতে যাবে, তাতে ওদের (হামলাকারী ছাত্রদল নেতাকর্মী) সমস্যা কোথায়? কেন এই ঘটনা ঘটেছে, আমি খোঁজ নিয়ে দেখিছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে তাদের বিরুদ্ধে।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম মোহাম্মদ নাসির বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনাস্থল হতে ঘটনার সময়ের ভিডিও সংগ্রহ করা হয়েছে। আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৭
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৮
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৮
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৬

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৬
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে জননন্দিত এ নেতা তার দীর্ঘ ৪০ বছরের বিএনপির রাজনীতির ইতি টানলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) সকালে তিনি বরিশাল জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা শাখার সহসভাপতি পদ থেকে লিখিত অব্যাহতি পত্র জমা দেন।
তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতেও এ পদত্যাগপত্র পোষ্ট করেন। পদত্যাগের কারন হিসেবে তিনি অব্যাহতি পত্রে উল্লেখ করেন দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি সুনাম ও নিষ্ঠার সঙ্গে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে রাজনীতি করেছেন।
এ দীর্ঘ সময় বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি মামলা-হামলা,জেল,জুলুম, নীপিড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজ দলে লাঞ্চিত, বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
তাই দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রসঙ্গত গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার এর আগে বানারীপাড়া পৌর ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গত বছর জুলাইতে অনুষ্ঠিত বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ছিলেন। সেই কাউন্সিলে তাকে ২ নম্বর সহসভাপতি পদ দেওয়া হয়।
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে জননন্দিত এ নেতা তার দীর্ঘ ৪০ বছরের বিএনপির রাজনীতির ইতি টানলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) সকালে তিনি বরিশাল জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা শাখার সহসভাপতি পদ থেকে লিখিত অব্যাহতি পত্র জমা দেন।
তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতেও এ পদত্যাগপত্র পোষ্ট করেন। পদত্যাগের কারন হিসেবে তিনি অব্যাহতি পত্রে উল্লেখ করেন দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি সুনাম ও নিষ্ঠার সঙ্গে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে রাজনীতি করেছেন।
এ দীর্ঘ সময় বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি মামলা-হামলা,জেল,জুলুম, নীপিড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজ দলে লাঞ্চিত, বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
তাই দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রসঙ্গত গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার এর আগে বানারীপাড়া পৌর ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গত বছর জুলাইতে অনুষ্ঠিত বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ছিলেন। সেই কাউন্সিলে তাকে ২ নম্বর সহসভাপতি পদ দেওয়া হয়।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৯
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের ছোট লক্ষীপুর গ্রাম সংক্রান্ত বিরোধী ১৩ জন নিরীহ চাষাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায় গত ২০ শে জানুয়ারি হিজলা থানায় আমির হোসেন গাজী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মিথ্যা মামলার বিষয়ে সরোজমিনে গেলে জানাযায় আব্দুল হাকিম গাজি গং ও আব্দুল গনি গাজী গং দীর্ঘ ৪০ বছর তাদের প্রায় ২১ একর পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছে।
এ জমির মালিকানা আমির হোসেন গাজী দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করলে এখনো মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনা স্থানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ঘটনার দিন সকাল এগারোটায় আমির হোসেন গাজী ৫০ /৬০ জন মানুষ ও ৪ টি ট্রাক্টর নিয়ে সয়াবিন চাষ করা জমিতে পূণরায় সয়াবিন চাষ করা করতে আসে।
তখন দ্রুত গতিতে ট্রাক্টর চালানোর কারণে উল্টে পড়ে যায়। ট্রাক্টর ড্রাইভার ছিটকে নিচে পড়ে।তাতে ধারালো ব্লেড পায়ে ঢুকে পরে।পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কিছু দিন পর চাষারা জানতে পারেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হাওলাদারের স্ত্রী সেলিনা জানান সেদিন বিরোধী জমিতে কোনো মারামারি হয়নি। অনেক গুলো ট্রাক্টর একসাথে জোরে চালানোর কারণে উল্টে পড়ে এই দুর্ঘটনা হয়। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আনোয়ার হোসেন বলেন আমির হোসেন গাজী লক্ষীপুর মৌজায় ২১ একর পৈতৃক সম্পত্তির মালিক।এ জমি হাকিম গাজি গং ও গনি গাজী গং জোর দখল ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার দিন আমির গাজী চাষাবাদ করতে গেলে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন ট্রাক্টর ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আদিল হোসেন জানান জমি বিরোধ কে কেন্দ্র করে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে মর্মে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের ছোট লক্ষীপুর গ্রাম সংক্রান্ত বিরোধী ১৩ জন নিরীহ চাষাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায় গত ২০ শে জানুয়ারি হিজলা থানায় আমির হোসেন গাজী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মিথ্যা মামলার বিষয়ে সরোজমিনে গেলে জানাযায় আব্দুল হাকিম গাজি গং ও আব্দুল গনি গাজী গং দীর্ঘ ৪০ বছর তাদের প্রায় ২১ একর পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছে।
এ জমির মালিকানা আমির হোসেন গাজী দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করলে এখনো মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনা স্থানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ঘটনার দিন সকাল এগারোটায় আমির হোসেন গাজী ৫০ /৬০ জন মানুষ ও ৪ টি ট্রাক্টর নিয়ে সয়াবিন চাষ করা জমিতে পূণরায় সয়াবিন চাষ করা করতে আসে।
তখন দ্রুত গতিতে ট্রাক্টর চালানোর কারণে উল্টে পড়ে যায়। ট্রাক্টর ড্রাইভার ছিটকে নিচে পড়ে।তাতে ধারালো ব্লেড পায়ে ঢুকে পরে।পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কিছু দিন পর চাষারা জানতে পারেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হাওলাদারের স্ত্রী সেলিনা জানান সেদিন বিরোধী জমিতে কোনো মারামারি হয়নি। অনেক গুলো ট্রাক্টর একসাথে জোরে চালানোর কারণে উল্টে পড়ে এই দুর্ঘটনা হয়। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আনোয়ার হোসেন বলেন আমির হোসেন গাজী লক্ষীপুর মৌজায় ২১ একর পৈতৃক সম্পত্তির মালিক।এ জমি হাকিম গাজি গং ও গনি গাজী গং জোর দখল ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার দিন আমির গাজী চাষাবাদ করতে গেলে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন ট্রাক্টর ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আদিল হোসেন জানান জমি বিরোধ কে কেন্দ্র করে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে মর্মে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫০
সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিনা বেগমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, সেলিনা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাবেক এক কালচারাল কর্মকর্তাকে অফিসকক্ষে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমন বলেন, আদালত ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি করায় আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ীই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিনা বেগমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, সেলিনা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাবেক এক কালচারাল কর্মকর্তাকে অফিসকক্ষে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমন বলেন, আদালত ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি করায় আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ীই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.