
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৩
ফেনীতে স্বামীর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভোট দেওয়ার অপরাধে বিবি জহুরা নামে এক গৃহবধূকে তালাক দিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতা।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর বাঁশতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জনতার তোপের মুখে পালিয়ে গেছেন ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের নয় নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন কাওসার।
এর আগে ঘটনার পরপর স্থানীয় লোকজন কাওসারকে মারধর করে আটক রাখেন। স্ত্রীকে দেওয়া মৌখিক তালাক ফিরিয়ে নেবেন এমন কথা বলে কৌশলে পালিয়ে যান তিনি।
কাওসার ওই এলাকার মৃত ইউসূফ হাজারীর ছেলে। এ ঘটনার পর বিবি জহুরাকে ঘিরে এলাকায় নারী-পুরুষের ভিড় চলছে। অন্যদিকে তিন সন্তান নিয়ে জহুরা পড়েছেন অনিশ্চিত ভবিষ্যতে।
এলাকাবাসী জানান, বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জহুরাকে ভোটকেন্দ্রে না যেতে বারণ করেন তার স্বামী কাওসার। কিন্তু জহুরা প্রথমবার ভোটার হওয়ায় উৎসাহের সঙ্গে তিন সন্তানকে নিয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন সকাল সাড়ে ৯টায়। তখন কাওসার ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোট দিয়ে সকাল ১০টায় ঘরে ফিরে স্বামীসহ সবার জন্য নাশতা বানান।
কাওসার ঘুম থেকে উঠে সকাল ১১টার দিকে নাশতা খান। এরপর এলাকায় ঘোরাফেরা করে দুপুরে ভাত খেয়ে ফের ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। বিকেলে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির পাশের রাস্তায় গিয়ে জানতে পারেন তার স্ত্রী ভোট দিতে কেন্দ্রে গেছেন। এ খবর শুনে সন্ধ্যার সময় স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করেন ভোটের বিষয়ে। জহুরা তার জীবনের প্রথম ভোট দেওয়ার কথা জানান।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ির পাশের রাস্তায় জহুরাকে মৌখিক তিন তালাক দেন কাওসার। এ সময় স্ত্রীকে তার ঘরে যেতে বারণ করেন। আশপাশের লোকজন এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে কাওসারকে আটক করে উত্তম মধ্যম দিয়ে আটক করে রাখে। এক পর্যায়ে জনসমাগম বাড়তে থাকলে বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে কাওসার কৌশলে পালিয়ে যান।
২০১৩ সালে ফেনী সদর উপজেলার মধুয়াবাজার এলাকার নুর আহম্মদের মেয়ে বিবি জহুরার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন কাওসার। এর মধ্যে তাদের সংসারে আবদুল আলিম শুভ (১২), সাবিনা আফরিস ইভানা (৮), ইসরাত জাহান ইসমাত (৪) নামে তিন সন্তান জন্ম নেয়।
নুরুল আফছার নামে এক গ্রামবাসী জানান, বিয়ের পর থেকেই জহুরাকে সবসময় মারধর করতেন কাওসার। এ নিয়ে কয়েকবার সামাজিকভাবে বিচারও হয়।
আলী আহম্মদ নামে আরেকজন জানান, শ্বশুরকেও মারধর করেন কয়েকবার। মোহাম্মদ আজাদ নামে স্থানীয় এক সালিশদার জানান, কয়েকবার বিচারে তিনি উপস্থিত ছিলেন।
কাওসার একজন উগ্র লোক উল্লেখ করে তিনি জানান, আওয়ামী লীগের শাসনামলে তিনি এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে মানুষকে জিম্মি করতেন।
জানা গেছে, বাবার পরিবার অসচ্ছল হওয়ায় সন্তানদের কথা বিবেচনা করে স্ত্রী অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালান। কাওসার ফেনী শহরের রেলগেট এলাকায় বেডিং কারিগর হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। তবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিনি অনেকটা ঘরে আবদ্ধ থাকতেন।
ফেনীতে স্বামীর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভোট দেওয়ার অপরাধে বিবি জহুরা নামে এক গৃহবধূকে তালাক দিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতা।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর বাঁশতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জনতার তোপের মুখে পালিয়ে গেছেন ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের নয় নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন কাওসার।
এর আগে ঘটনার পরপর স্থানীয় লোকজন কাওসারকে মারধর করে আটক রাখেন। স্ত্রীকে দেওয়া মৌখিক তালাক ফিরিয়ে নেবেন এমন কথা বলে কৌশলে পালিয়ে যান তিনি।
কাওসার ওই এলাকার মৃত ইউসূফ হাজারীর ছেলে। এ ঘটনার পর বিবি জহুরাকে ঘিরে এলাকায় নারী-পুরুষের ভিড় চলছে। অন্যদিকে তিন সন্তান নিয়ে জহুরা পড়েছেন অনিশ্চিত ভবিষ্যতে।
এলাকাবাসী জানান, বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জহুরাকে ভোটকেন্দ্রে না যেতে বারণ করেন তার স্বামী কাওসার। কিন্তু জহুরা প্রথমবার ভোটার হওয়ায় উৎসাহের সঙ্গে তিন সন্তানকে নিয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন সকাল সাড়ে ৯টায়। তখন কাওসার ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোট দিয়ে সকাল ১০টায় ঘরে ফিরে স্বামীসহ সবার জন্য নাশতা বানান।
কাওসার ঘুম থেকে উঠে সকাল ১১টার দিকে নাশতা খান। এরপর এলাকায় ঘোরাফেরা করে দুপুরে ভাত খেয়ে ফের ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। বিকেলে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির পাশের রাস্তায় গিয়ে জানতে পারেন তার স্ত্রী ভোট দিতে কেন্দ্রে গেছেন। এ খবর শুনে সন্ধ্যার সময় স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করেন ভোটের বিষয়ে। জহুরা তার জীবনের প্রথম ভোট দেওয়ার কথা জানান।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ির পাশের রাস্তায় জহুরাকে মৌখিক তিন তালাক দেন কাওসার। এ সময় স্ত্রীকে তার ঘরে যেতে বারণ করেন। আশপাশের লোকজন এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে কাওসারকে আটক করে উত্তম মধ্যম দিয়ে আটক করে রাখে। এক পর্যায়ে জনসমাগম বাড়তে থাকলে বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে কাওসার কৌশলে পালিয়ে যান।
২০১৩ সালে ফেনী সদর উপজেলার মধুয়াবাজার এলাকার নুর আহম্মদের মেয়ে বিবি জহুরার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন কাওসার। এর মধ্যে তাদের সংসারে আবদুল আলিম শুভ (১২), সাবিনা আফরিস ইভানা (৮), ইসরাত জাহান ইসমাত (৪) নামে তিন সন্তান জন্ম নেয়।
নুরুল আফছার নামে এক গ্রামবাসী জানান, বিয়ের পর থেকেই জহুরাকে সবসময় মারধর করতেন কাওসার। এ নিয়ে কয়েকবার সামাজিকভাবে বিচারও হয়।
আলী আহম্মদ নামে আরেকজন জানান, শ্বশুরকেও মারধর করেন কয়েকবার। মোহাম্মদ আজাদ নামে স্থানীয় এক সালিশদার জানান, কয়েকবার বিচারে তিনি উপস্থিত ছিলেন।
কাওসার একজন উগ্র লোক উল্লেখ করে তিনি জানান, আওয়ামী লীগের শাসনামলে তিনি এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে মানুষকে জিম্মি করতেন।
জানা গেছে, বাবার পরিবার অসচ্ছল হওয়ায় সন্তানদের কথা বিবেচনা করে স্ত্রী অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালান। কাওসার ফেনী শহরের রেলগেট এলাকায় বেডিং কারিগর হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। তবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিনি অনেকটা ঘরে আবদ্ধ থাকতেন।

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:০৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস

২২ জুন, ২০২৬ ১৩:৫২
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের বাহাত্তরকাহন গ্রামে বিদ্যুৎস্পর্শে বাচ্চু খান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাচ্চু খান ওই গ্রামের মৃত আবাল হোসেন খানের ছেলে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ শর্টসার্কিটের ঘটনায় তিনি বিদ্যুৎস্পর্শ হন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শৌভিক শ্রাবণ দত্ত বলেন, বাচ্চু খানকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। আজ রাতেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের বাহাত্তরকাহন গ্রামে বিদ্যুৎস্পর্শে বাচ্চু খান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাচ্চু খান ওই গ্রামের মৃত আবাল হোসেন খানের ছেলে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ শর্টসার্কিটের ঘটনায় তিনি বিদ্যুৎস্পর্শ হন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শৌভিক শ্রাবণ দত্ত বলেন, বাচ্চু খানকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। আজ রাতেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

২১ জুন, ২০২৬ ২৩:২৯
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.