Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৬
কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বাধায় ৫০০ টাকার জন্য প্রায় এক ঘন্টা আটকে থেকে এক নবজাতক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন অ্যাম্বুলেন্স চালক।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল থেকে নবজাতকের মৃত্যুর খবরে তাদের আত্মীয়রা হাসপাতালে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে তারা বিক্ষোভও করেন। এতে হাসপাতালসহ আশপাশের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাতে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত নবজাতক শিশু কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের মীর পাড়া গ্রামের মো: রোহানের ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছেন রোগীর স্বজনরা।
স্থানীয় ও নিহত শিশুর পরিবার জানায়, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের মীর পাড়া গ্রামের মো: রোহানের স্ত্রী সাদিয়া আক্তার গতরাত শুক্রবার ১১টার দিকে জেলা শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন।
জন্মের পর থেকেই নবজাতক শিশুর শ্বাসকষ্ট ও ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায় ভুগতে থাকে। চিকিৎসক জরুরি ভিত্তিতে তাকে শহীদ সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে রেফার্ড করে।
সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে সাড়ে ১২টায় নবজাতককে ভর্তির পর অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে ময়মনসিংহে রেফার্ড করে। নবজাতককে নিয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত হাসপাতালে গেটে এসে এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার জন্য খোঁজ করে।
এসময় সরকারি এ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহের ভাড়া জানতে চাইলে এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলসহ আরও কয়েকজন সাড়ে ৪হাজার টাকা জানান।
নবজাতকের পরিবারের সদস্যরা তখন সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া ময়মনসিংহে ১৬০০ টাকা করে উল্লেখ করে বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া সাড়ে তিন হাজার টাকা দিতে চান।
পরবর্তীতে ৪হাজার টাকা ভাড়া দিতে চাইলেও এ্যাম্বুলেন্স চালকরা সাড়ে ৪হাজার টাকার নিচে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। মূলত তারা নিজেদের সিন্ডিকেটভুক্ত অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া অন্য কোনো গাড়িকে যেতে দিতে রাজি ছিলেন না। ভাড়া নিয়ে কথা চলার মাঝেই রাত তিন টার দিকে নবজাতকের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর অভিযুক্ত চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে সিন্ডিকেটের অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যারা বাইরের গাড়িকে রোগী বহনে বাধা দেয় এবং জোরপূর্বক যাত্রী নিজেদের গাড়িতে তুলতে বাধ্য করে।
আর সরকারি এ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহ ১৬০০ টাকা ও ঢাকা ২৯০০ টাকা বলা থাকলেও নানা অজুহাত দেখিয়ে দিগুণ ভাড়া দিতে হয়। বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সে যেতে হলে সরকার নির্ধারিত ভাড়া থেকে দুই-তিন গুণ বেশি হয় নইলে কোনো চালকই এ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিতে চায় না বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের বর্বরতা বন্ধ না হলে আরও প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন তারা।
নিহত শিশুর নানী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার নাতিকে ময়মনসিংহ নিতে পারলাম না। আমার ছেলের বউ কে কি জবাব দিব? ওরা আমার নাতিকে বাঁচতে দেয়নি। অনেক অনুরোধ করেছিলাম নিয়ে দিতে, কিন্তু তারা শোনেনি। সিন্ডিকেটের জন্যই আমার নাতি মারা গেছে।
নবজাতকের দাদা জুয়েল মিয়া জানান, রাতে নবজাতকের জন্মের পর শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে নিয়ে আসি এখানেও অবস্থার পরিবর্তন নাহলে ডাক্তাররা ময়মনসিংহ রেফার্ড করে৷ ময়মনসিংহে নেয়ার জন্য নবজাতককে নিয়ে হাসপাতালের গেটে এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া নিয়ে কথা চলার মাঝেই আমার নাতির মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের জন্য যোগাযোগ করলে তেল সংকটের কথা জানায় এসময় বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলকে ময়মনসিংহ যাওয়ার জন্য ভাড়া জানতে চাইলে সাড়ে চার হাজার টাকা বললে আমরা ৪হাজার টাকা দিতে চাই তারপরও সাইফুলসহ আরো দুইজন এ্যাম্বুলেন্স চালক কেউই আমার নাতিকে নিয়ে যেতে চায় নি।
নিহত নবজাতকের বাবা মো: রোহান বলেন, সন্তান জন্মের পর শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে অন্যত্র রেফার্ড করলে পরিবারের অন্য সদস্যরা সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। ভর্তির পর অবস্থা অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা আমায় জানালে আমি স্ত্রীর এখান থেকে সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে যাই গিয়ে দেখি আমার নবজাতকের মৃত্যু ঘটে গেছে।
অসহায় বাবা রোহান দায়িত্বশীলদের অবহেলার অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালের কাছেই আমার বাড়ি আমার সাথেই যদি এমন ঘটনা ঘটে দূর হতে আসা রোগীদের সাথে তাহলে কি চলছে..? এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সেদিকে হাসপাতাল ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলের সাথে যোগাযোগ করার জন্য তার ব্যবহৃত ফোন নাম্বারে একাধিকবার ফোন করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা যশোদল ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ শরীফ আহাম্মদ শরীফ বলেন, অ্যাম্বুলেন্স চালক মাত্র ৫০০ টাকার জন্য গাড়ি আটকে রাখার কারণে নবজাতক শিশুটিকে সময়মতো ময়মনসিংহ নেওয়া সম্ভব হয়নি। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
এ বিষয়ে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলামের সঙ্গে ফোনে কথা হলে তিনি জানান, এটা আসলে আমাকে কেউ জানায় নাই।
আমি আপনার কাছ থেকেই শুনলাম। রোগীর লোকজন যদি আমাকে জানাতো তাহলে আমরা হয়তো বিষয়টাকে অ্যাডজাস্ট করতে পারতাম।
তারা এ্যাম্বুলেন্স পাইতে কোনো ধরনের হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার হলে ডেফিনেটলি আমরা বিষয়টা অ্যাডজাস্ট করব। তারপরেও বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. অভিজিত শর্ম্মা বলেন, এই বিষটা আসলে আমি তো জানি না। এটা তো পরিচালক বলতে পারবেন ভালো। তবে এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বাধায় ৫০০ টাকার জন্য প্রায় এক ঘন্টা আটকে থেকে এক নবজাতক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েন অ্যাম্বুলেন্স চালক।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল থেকে নবজাতকের মৃত্যুর খবরে তাদের আত্মীয়রা হাসপাতালে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে তারা বিক্ষোভও করেন। এতে হাসপাতালসহ আশপাশের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাতে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত নবজাতক শিশু কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের মীর পাড়া গ্রামের মো: রোহানের ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছেন রোগীর স্বজনরা।
স্থানীয় ও নিহত শিশুর পরিবার জানায়, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের মীর পাড়া গ্রামের মো: রোহানের স্ত্রী সাদিয়া আক্তার গতরাত শুক্রবার ১১টার দিকে জেলা শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন।
জন্মের পর থেকেই নবজাতক শিশুর শ্বাসকষ্ট ও ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায় ভুগতে থাকে। চিকিৎসক জরুরি ভিত্তিতে তাকে শহীদ সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে রেফার্ড করে।
সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে সাড়ে ১২টায় নবজাতককে ভর্তির পর অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে ময়মনসিংহে রেফার্ড করে। নবজাতককে নিয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত হাসপাতালে গেটে এসে এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার জন্য খোঁজ করে।
এসময় সরকারি এ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহের ভাড়া জানতে চাইলে এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলসহ আরও কয়েকজন সাড়ে ৪হাজার টাকা জানান।
নবজাতকের পরিবারের সদস্যরা তখন সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া ময়মনসিংহে ১৬০০ টাকা করে উল্লেখ করে বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া সাড়ে তিন হাজার টাকা দিতে চান।
পরবর্তীতে ৪হাজার টাকা ভাড়া দিতে চাইলেও এ্যাম্বুলেন্স চালকরা সাড়ে ৪হাজার টাকার নিচে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। মূলত তারা নিজেদের সিন্ডিকেটভুক্ত অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া অন্য কোনো গাড়িকে যেতে দিতে রাজি ছিলেন না। ভাড়া নিয়ে কথা চলার মাঝেই রাত তিন টার দিকে নবজাতকের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর অভিযুক্ত চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে সিন্ডিকেটের অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যারা বাইরের গাড়িকে রোগী বহনে বাধা দেয় এবং জোরপূর্বক যাত্রী নিজেদের গাড়িতে তুলতে বাধ্য করে।
আর সরকারি এ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহ ১৬০০ টাকা ও ঢাকা ২৯০০ টাকা বলা থাকলেও নানা অজুহাত দেখিয়ে দিগুণ ভাড়া দিতে হয়। বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্সে যেতে হলে সরকার নির্ধারিত ভাড়া থেকে দুই-তিন গুণ বেশি হয় নইলে কোনো চালকই এ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিতে চায় না বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের বর্বরতা বন্ধ না হলে আরও প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন তারা।
নিহত শিশুর নানী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার নাতিকে ময়মনসিংহ নিতে পারলাম না। আমার ছেলের বউ কে কি জবাব দিব? ওরা আমার নাতিকে বাঁচতে দেয়নি। অনেক অনুরোধ করেছিলাম নিয়ে দিতে, কিন্তু তারা শোনেনি। সিন্ডিকেটের জন্যই আমার নাতি মারা গেছে।
নবজাতকের দাদা জুয়েল মিয়া জানান, রাতে নবজাতকের জন্মের পর শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে নিয়ে আসি এখানেও অবস্থার পরিবর্তন নাহলে ডাক্তাররা ময়মনসিংহ রেফার্ড করে৷ ময়মনসিংহে নেয়ার জন্য নবজাতককে নিয়ে হাসপাতালের গেটে এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া নিয়ে কথা চলার মাঝেই আমার নাতির মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের জন্য যোগাযোগ করলে তেল সংকটের কথা জানায় এসময় বেসরকারি এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলকে ময়মনসিংহ যাওয়ার জন্য ভাড়া জানতে চাইলে সাড়ে চার হাজার টাকা বললে আমরা ৪হাজার টাকা দিতে চাই তারপরও সাইফুলসহ আরো দুইজন এ্যাম্বুলেন্স চালক কেউই আমার নাতিকে নিয়ে যেতে চায় নি।
নিহত নবজাতকের বাবা মো: রোহান বলেন, সন্তান জন্মের পর শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে অন্যত্র রেফার্ড করলে পরিবারের অন্য সদস্যরা সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। ভর্তির পর অবস্থা অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা আমায় জানালে আমি স্ত্রীর এখান থেকে সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে যাই গিয়ে দেখি আমার নবজাতকের মৃত্যু ঘটে গেছে।
অসহায় বাবা রোহান দায়িত্বশীলদের অবহেলার অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালের কাছেই আমার বাড়ি আমার সাথেই যদি এমন ঘটনা ঘটে দূর হতে আসা রোগীদের সাথে তাহলে কি চলছে..? এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সেদিকে হাসপাতাল ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এ্যাম্বুলেন্স চালক সাইফুলের সাথে যোগাযোগ করার জন্য তার ব্যবহৃত ফোন নাম্বারে একাধিকবার ফোন করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা যশোদল ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ শরীফ আহাম্মদ শরীফ বলেন, অ্যাম্বুলেন্স চালক মাত্র ৫০০ টাকার জন্য গাড়ি আটকে রাখার কারণে নবজাতক শিশুটিকে সময়মতো ময়মনসিংহ নেওয়া সম্ভব হয়নি। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
এ বিষয়ে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলামের সঙ্গে ফোনে কথা হলে তিনি জানান, এটা আসলে আমাকে কেউ জানায় নাই।
আমি আপনার কাছ থেকেই শুনলাম। রোগীর লোকজন যদি আমাকে জানাতো তাহলে আমরা হয়তো বিষয়টাকে অ্যাডজাস্ট করতে পারতাম।
তারা এ্যাম্বুলেন্স পাইতে কোনো ধরনের হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার হলে ডেফিনেটলি আমরা বিষয়টা অ্যাডজাস্ট করব। তারপরেও বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. অভিজিত শর্ম্মা বলেন, এই বিষটা আসলে আমি তো জানি না। এটা তো পরিচালক বলতে পারবেন ভালো। তবে এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২০ জুন, ২০২৬ ২০:১০
প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা ও ওই টাকায় কেনা জমি বুঝে পেতে চাওয়ায় শ্বশুর ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রবাসফেরত মেয়ের স্বামীকে গাছের সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় চাচা শ্বশুর আসাদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১৯ জুন) শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানায় শ্বশুরসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী মরিয়ম বেগম। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলার বাদলাকুড়া গ্রামে জামাইকে শিকলে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, নয়াবিল ইউনিয়নের বাদলাকুড়া গ্রামের মহর উদ্দিনের মেয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে সোরহাব হোসেন বাবুর বিয়ে হয়।
সোরহাব হোসেন দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকাকালীন বিভিন্ন সময়ে শ্বশুর মহর উদ্দিনকে জমি কেনার জন্য মোট ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার দেন। পরবর্তীতে আরও দেড় লাখ টাকা দেন শ্বশুরকে।
বৃহস্পতিবার পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে শ্বশুর মহর উদ্দিনের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে শ্বশুরপক্ষের লোকজন সোরহাব হোসেনকে আটক করে শিকল দিয়ে নারকেল গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২০ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই সমর্থকদের উন্মাদনা পৌঁছে যায় ভিন্ন মাত্রায়। প্রিয় দলের জয়-পরাজয়কে ঘিরে চলে নানা বাজি, চ্যালেঞ্জ আর মজার সব প্রতিশ্রুতি।
এমনই এক ব্যতিক্রমী প্রতিশ্রুতি পালন করে আলোচনায় এসেছেন চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের এক আর্জেন্টিনা সমর্থক। উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেহেদিনগর গ্রামের কামরুল হাসান।
গত কয়েকদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ব্রাজিল যদি হাইতির বিপক্ষে জয়লাভ করে, তাহলে আর্জেন্টিনার সমর্থন ছেড়ে দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিল দলকে সমর্থন করবেন।
শনিবার (২০ জুন) ভোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ব্রাজিল ৩-০ গোলের জয় লাভ করলে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেননি কামরুল। বন্ধুদের উপস্থিতিতে গ্রামের একটি খোলা জায়গায় দুধ দিয়ে গোসল করেন তিনি। এরপর খুলে ফেলেন আর্জেন্টিনার জার্সি, গায়ে তোলেন ব্রাজিলের জার্সি।
পুরো ঘটনাটি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পড়ে নেট দুনিয়ায়। কামরুল হাসান বলেন, ব্রাজিলকে খোঁচা দিতেই মজার ছলে এমন ঘোষণা দিয়েছিলাম। মনে হয়েছিল তারা হয়তো জিতবে না।
কিন্তু ব্রাজিল জিতে গেছে, তাই নিজের কথার মর্যাদা রাখতে দুধ দিয়ে গোসল করেছি। এখন সবাই আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করলেও আমি বিষয়টি উপভোগ করছি।
ব্রাজিল সমর্থক ফাইয়াজ রিয়াজ বলেন, বন্ধু কামরুল বলছে আজকের ম্যাচ জিততে পারলে সবার সামনে দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনা ছেড়ে ব্রাজিলে যোগ দিবে।
ম্যাচ জয়ের পর আমরা তাকে ডেকে এনে তার প্রতিশ্রুতি অনুয়ায়ী দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে ব্রাজিলের জার্সি পরিধান করিয়ে দিই। সে এখন ব্রাজিল সমর্থন করে। তিনি আরও বলেন, ব্রাজিল অনেক বছর শিরোপা জিততে পারেনি সত্যি, কিন্তু তারা শৈল্পিক ফুটবলের উদ্ভাবক।

২০ জুন, ২০২৬ ১৫:২৪
নড়াইলে বিয়েবাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নকুল মল্লিক নামে (৫২) এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের মুসুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নকুল মল্লিক ওই গ্রামের মৃত সতিস চন্দ্র মল্লিকের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্বজন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার নিহত নকুল মল্লিকের ভাইয়ের মেয়ের বিয়ে ছিল। বিয়ে উপলক্ষে বাড়িতে আলোকসজ্জা করা হয়েছিল। রাত ৮টার দিকে বরযাত্রী গেলে গেটে নতুন বরকে মিষ্টিমুখ করানোর জন্য যান নকুল মল্লিক।
এসময় ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে তিনি আলোকসজ্জার বৈদ্যুতিক তারের ওপর পড়ে বিদ্যুতায়িত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হচ্ছে।
প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা ও ওই টাকায় কেনা জমি বুঝে পেতে চাওয়ায় শ্বশুর ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রবাসফেরত মেয়ের স্বামীকে গাছের সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় চাচা শ্বশুর আসাদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১৯ জুন) শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানায় শ্বশুরসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী মরিয়ম বেগম। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে উপজেলার বাদলাকুড়া গ্রামে জামাইকে শিকলে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, নয়াবিল ইউনিয়নের বাদলাকুড়া গ্রামের মহর উদ্দিনের মেয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে সোরহাব হোসেন বাবুর বিয়ে হয়।
সোরহাব হোসেন দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকাকালীন বিভিন্ন সময়ে শ্বশুর মহর উদ্দিনকে জমি কেনার জন্য মোট ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার দেন। পরবর্তীতে আরও দেড় লাখ টাকা দেন শ্বশুরকে।
বৃহস্পতিবার পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে শ্বশুর মহর উদ্দিনের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে শ্বশুরপক্ষের লোকজন সোরহাব হোসেনকে আটক করে শিকল দিয়ে নারকেল গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই সমর্থকদের উন্মাদনা পৌঁছে যায় ভিন্ন মাত্রায়। প্রিয় দলের জয়-পরাজয়কে ঘিরে চলে নানা বাজি, চ্যালেঞ্জ আর মজার সব প্রতিশ্রুতি।
এমনই এক ব্যতিক্রমী প্রতিশ্রুতি পালন করে আলোচনায় এসেছেন চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের এক আর্জেন্টিনা সমর্থক। উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেহেদিনগর গ্রামের কামরুল হাসান।
গত কয়েকদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ব্রাজিল যদি হাইতির বিপক্ষে জয়লাভ করে, তাহলে আর্জেন্টিনার সমর্থন ছেড়ে দুধ দিয়ে গোসল করে ব্রাজিল দলকে সমর্থন করবেন।
শনিবার (২০ জুন) ভোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ব্রাজিল ৩-০ গোলের জয় লাভ করলে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেননি কামরুল। বন্ধুদের উপস্থিতিতে গ্রামের একটি খোলা জায়গায় দুধ দিয়ে গোসল করেন তিনি। এরপর খুলে ফেলেন আর্জেন্টিনার জার্সি, গায়ে তোলেন ব্রাজিলের জার্সি।
পুরো ঘটনাটি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পড়ে নেট দুনিয়ায়। কামরুল হাসান বলেন, ব্রাজিলকে খোঁচা দিতেই মজার ছলে এমন ঘোষণা দিয়েছিলাম। মনে হয়েছিল তারা হয়তো জিতবে না।
কিন্তু ব্রাজিল জিতে গেছে, তাই নিজের কথার মর্যাদা রাখতে দুধ দিয়ে গোসল করেছি। এখন সবাই আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করলেও আমি বিষয়টি উপভোগ করছি।
ব্রাজিল সমর্থক ফাইয়াজ রিয়াজ বলেন, বন্ধু কামরুল বলছে আজকের ম্যাচ জিততে পারলে সবার সামনে দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনা ছেড়ে ব্রাজিলে যোগ দিবে।
ম্যাচ জয়ের পর আমরা তাকে ডেকে এনে তার প্রতিশ্রুতি অনুয়ায়ী দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে ব্রাজিলের জার্সি পরিধান করিয়ে দিই। সে এখন ব্রাজিল সমর্থন করে। তিনি আরও বলেন, ব্রাজিল অনেক বছর শিরোপা জিততে পারেনি সত্যি, কিন্তু তারা শৈল্পিক ফুটবলের উদ্ভাবক।
নড়াইলে বিয়েবাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নকুল মল্লিক নামে (৫২) এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের মুসুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নকুল মল্লিক ওই গ্রামের মৃত সতিস চন্দ্র মল্লিকের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্বজন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার নিহত নকুল মল্লিকের ভাইয়ের মেয়ের বিয়ে ছিল। বিয়ে উপলক্ষে বাড়িতে আলোকসজ্জা করা হয়েছিল। রাত ৮টার দিকে বরযাত্রী গেলে গেটে নতুন বরকে মিষ্টিমুখ করানোর জন্য যান নকুল মল্লিক।
এসময় ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে তিনি আলোকসজ্জার বৈদ্যুতিক তারের ওপর পড়ে বিদ্যুতায়িত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হচ্ছে।
২০ জুন, ২০২৬ ২০:৫৯
২০ জুন, ২০২৬ ২০:১০
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৪৩
২০ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২