
০৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৩৫
পটুয়াখালীর দশমিনায় মা ইলিশ সংরক্ষণে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি ড্রোন ক্যামেরা। উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য দপ্তর, নৌপুলিশ ফাঁড়ি, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে চলছে কঠোর অভিযান।
২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমে নদীপথে নজরদারি চালানো হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞার তৃতীয় দিনে তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরঙ্গ নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে নজরদারি করতে দেখা যায় প্রশাসনকে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার বাঁশবাড়িয়া, ঢনঢনিয়া, কেদিরহাট, হাজিরহাট, গোলখালী, কাটাখালী, সৈয়দ জফর, কালারানী, সোবাহানবাজার, আউলিয়াপুর, চরঘূর্ণি, পাতারচর, দক্ষিণ রনগোপলদী, চরহাদী, চরবোরহান ও শহজালাল জুরোসহ প্রায় ৮ কিলোমিটার নদীপথে এ ড্রোন নজরদারি চলছে।
এরমধ্যে চার কিলোমিটার এলাকাকে রাখা হয়েছে বিশেষ পর্যবেক্ষণে। ড্রোনের কার্যকর ব্যবহারে ইতোমধ্যে অসাধু জেলেরা নদীতে নামতে নিরুৎসাহিত হচ্ছে। গত তিন দিনে ড্রোন নজরদারি ও অভিযান চালিয়ে ১৫টি বেহুন্দি জাল এবং ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন।
স্থানীয় মৎস্যজীবী সান্টু ও সাইদুল বলেন, নদীর ওপরে প্লেনের মতো কিছু উড়তে দেখে পরে জানতে পারি ওটা ড্রোন। প্রশাসনের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। আমরা নিজেরাও মা ইলিশ রক্ষায় সচেতন।
বাঁশবাড়িয়া লঞ্চঘাট এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী মিরাজ বলেন, প্রশাসনের এ উদ্যোগে নদীতে এখন শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। সকাল, দুপুর ও বিকেলে ড্রোনের উড়াউড়ি আমাদেরও সচেতন করছে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পরাভেজ জানান, এ বছর আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। দিনে হাজিরহাট এলাকায় একাধিক টিম অবস্থান করবে এবং ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চলবে। কোনো জেলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইরতিজা হাসান বলেন, মা ইলিশ দেশের সম্পদ। এ সম্পদ রক্ষায় প্রযুক্তিগত সহায়তায় আমরা এবার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছি। রাতের বেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নদীতে টহল দেবে, আর দিনের বেলায় ড্রোনের মাধ্যমে অবৈধ জেলেদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
পটুয়াখালীর দশমিনায় মা ইলিশ সংরক্ষণে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি ড্রোন ক্যামেরা। উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য দপ্তর, নৌপুলিশ ফাঁড়ি, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে চলছে কঠোর অভিযান।
২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমে নদীপথে নজরদারি চালানো হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞার তৃতীয় দিনে তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরঙ্গ নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে নজরদারি করতে দেখা যায় প্রশাসনকে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার বাঁশবাড়িয়া, ঢনঢনিয়া, কেদিরহাট, হাজিরহাট, গোলখালী, কাটাখালী, সৈয়দ জফর, কালারানী, সোবাহানবাজার, আউলিয়াপুর, চরঘূর্ণি, পাতারচর, দক্ষিণ রনগোপলদী, চরহাদী, চরবোরহান ও শহজালাল জুরোসহ প্রায় ৮ কিলোমিটার নদীপথে এ ড্রোন নজরদারি চলছে।
এরমধ্যে চার কিলোমিটার এলাকাকে রাখা হয়েছে বিশেষ পর্যবেক্ষণে। ড্রোনের কার্যকর ব্যবহারে ইতোমধ্যে অসাধু জেলেরা নদীতে নামতে নিরুৎসাহিত হচ্ছে। গত তিন দিনে ড্রোন নজরদারি ও অভিযান চালিয়ে ১৫টি বেহুন্দি জাল এবং ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন।
স্থানীয় মৎস্যজীবী সান্টু ও সাইদুল বলেন, নদীর ওপরে প্লেনের মতো কিছু উড়তে দেখে পরে জানতে পারি ওটা ড্রোন। প্রশাসনের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। আমরা নিজেরাও মা ইলিশ রক্ষায় সচেতন।
বাঁশবাড়িয়া লঞ্চঘাট এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী মিরাজ বলেন, প্রশাসনের এ উদ্যোগে নদীতে এখন শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। সকাল, দুপুর ও বিকেলে ড্রোনের উড়াউড়ি আমাদেরও সচেতন করছে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পরাভেজ জানান, এ বছর আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। দিনে হাজিরহাট এলাকায় একাধিক টিম অবস্থান করবে এবং ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চলবে। কোনো জেলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইরতিজা হাসান বলেন, মা ইলিশ দেশের সম্পদ। এ সম্পদ রক্ষায় প্রযুক্তিগত সহায়তায় আমরা এবার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছি। রাতের বেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নদীতে টহল দেবে, আর দিনের বেলায় ড্রোনের মাধ্যমে অবৈধ জেলেদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
০৮ মে, ২০২৬ ১৯:৩৭
০৮ মে, ২০২৬ ১৯:৩০
০৮ মে, ২০২৬ ১৮:৩৬
০৮ মে, ২০২৬ ১৮:৩০

০৮ মে, ২০২৬ ১৮:৩০
দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির মধ্যে নিম্ন বেতন স্কেলে মানবেতর জীবনযাপন করছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দ্রুত ৯ম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন, গেজেট প্রকাশ এবং আগামী বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখার দাবিতে পটুয়াখালীতে প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে ) জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, পটুয়াখালী জেলা শাখা।
কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও পটুয়াখালী জেলা শাখার আহ্বায়ক জনাব মু. শাহাবুদ্দিন মুন্সী’র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক জনাব মোঃ আব্দুল মালেক। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব জনাব আশিকুল ইসলাম।
উপস্থাপনা করেন বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সমিতির পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি জনাব মোঃ গোলাম কিবরিয়া।
বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যমান বেতন কাঠামো দিয়ে পরিবার চালানো অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও সন্তানের শিক্ষা ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। অথচ রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেও তারা ন্যায্য মর্যাদা ও জীবনমান থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
তারা আরও বলেন, একদিকে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে, অন্যদিকে বেতন কাঠামো দীর্ঘদিন অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বর্তমান বাস্তবতায় নতুন পে-স্কেল সময়ের দাবি।
সমাবেশে বক্তারা দ্রুত সুপারিশ প্রণয়ন কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশ প্রকাশ, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত এবং দ্রুত ৯ম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবি জানান।
দাবি আদায় না হলে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনেরও ইঙ্গিত দেন তারা। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক বাউফলের কৃতি সন্তান মোঃ শাহিন খান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি জনাব সৈয়দ মিজানুর রহমান, জেলা শাখার সদস্য সচিব জনাব মোঃ মুনীরুজ্জামান, বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ শাহজাহান শিকদার, স্বাস্থ্য পরিদর্শক কল্যাণ সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ শহীদ বিশ্বাস, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক কল্যাণ সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ কামাল হোসেন, বাংলাদেশ কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি জনাব মোঃ হারুন-অর-রশিদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সেবা খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির মধ্যে নিম্ন বেতন স্কেলে মানবেতর জীবনযাপন করছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দ্রুত ৯ম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন, গেজেট প্রকাশ এবং আগামী বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখার দাবিতে পটুয়াখালীতে প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে ) জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, পটুয়াখালী জেলা শাখা।
কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও পটুয়াখালী জেলা শাখার আহ্বায়ক জনাব মু. শাহাবুদ্দিন মুন্সী’র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক জনাব মোঃ আব্দুল মালেক। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব জনাব আশিকুল ইসলাম।
উপস্থাপনা করেন বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সমিতির পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি জনাব মোঃ গোলাম কিবরিয়া।
বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যমান বেতন কাঠামো দিয়ে পরিবার চালানো অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও সন্তানের শিক্ষা ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। অথচ রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেও তারা ন্যায্য মর্যাদা ও জীবনমান থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
তারা আরও বলেন, একদিকে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে, অন্যদিকে বেতন কাঠামো দীর্ঘদিন অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বর্তমান বাস্তবতায় নতুন পে-স্কেল সময়ের দাবি।
সমাবেশে বক্তারা দ্রুত সুপারিশ প্রণয়ন কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশ প্রকাশ, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত এবং দ্রুত ৯ম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবি জানান।
দাবি আদায় না হলে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনেরও ইঙ্গিত দেন তারা। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক বাউফলের কৃতি সন্তান মোঃ শাহিন খান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি জনাব সৈয়দ মিজানুর রহমান, জেলা শাখার সদস্য সচিব জনাব মোঃ মুনীরুজ্জামান, বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ শাহজাহান শিকদার, স্বাস্থ্য পরিদর্শক কল্যাণ সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ শহীদ বিশ্বাস, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক কল্যাণ সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ কামাল হোসেন, বাংলাদেশ কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি জনাব মোঃ হারুন-অর-রশিদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সেবা খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

০৮ মে, ২০২৬ ১৬:৩০
পটুয়াখালীর মহিপুরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য ও লাইসেন্স ছাড়া বরফ কল খোলা রাখার অপরাধে এক ব্যক্তিকে জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নের ধোলাই মার্কেটে অবস্থিত ফাহিম মিনি আইস প্ল্যান্টে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক।
অভিযানে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে লাইসেন্স বিহীন বরফকল পরিচালনার প্রমাণ পাওয়ায় মৎস্য ও মৎস্যপণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০২০-এর ৩৪ ধারায় হারুন অর রশিদ (৪৯) কে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
জানা গেছে, সরকারের ঘোষিত ৫৮ দিনের সমুদ্রে মৎস্য আহরণে নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে ওই আইস প্ল্যান্ট চালু রাখা হয়েছিল।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক বলেন, সমুদ্রে মৎস্য আহরণে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে লাইসেন্স বিহীন বরফকল চালু রাখার জন্য জরিমানা করা হয়েছে।
জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে বরফকল মালিক হারুন অর রশীদকে। ৫৮ দিনের অবরোধ কার্যকর রাখতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
পটুয়াখালীর মহিপুরে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য ও লাইসেন্স ছাড়া বরফ কল খোলা রাখার অপরাধে এক ব্যক্তিকে জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নের ধোলাই মার্কেটে অবস্থিত ফাহিম মিনি আইস প্ল্যান্টে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক।
অভিযানে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে লাইসেন্স বিহীন বরফকল পরিচালনার প্রমাণ পাওয়ায় মৎস্য ও মৎস্যপণ্য (পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০২০-এর ৩৪ ধারায় হারুন অর রশিদ (৪৯) কে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
জানা গেছে, সরকারের ঘোষিত ৫৮ দিনের সমুদ্রে মৎস্য আহরণে নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে ওই আইস প্ল্যান্ট চালু রাখা হয়েছিল।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক বলেন, সমুদ্রে মৎস্য আহরণে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে লাইসেন্স বিহীন বরফকল চালু রাখার জন্য জরিমানা করা হয়েছে।
জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে বরফকল মালিক হারুন অর রশীদকে। ৫৮ দিনের অবরোধ কার্যকর রাখতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

০৮ মে, ২০২৬ ১২:২০
হবিগঞ্জে দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানসহ তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়েছে। বুধবার (৬ মে) স্থানীয় এনজিও পিপলস অ্যাসিস্ট্যান্ট ফর সোশাল অ্যাডভান্সমেন্টের (পাশা) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ হুমায়ুন কবির জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে মামলাটি করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রিয়াদুল করিম এবং হবিগঞ্জ প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান নিয়ন। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলো পত্রিকায় “এক ব্যক্তিনির্ভর ‘পাশা’ দিচ্ছে ১০ হাজার নির্বাচন পর্যবেক্ষক” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরদিন একই বিষয়ে একটি ফলোআপ প্রতিবেদন এবং ৭ ফেব্রুয়ারি একটি উপসম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়।
বাদীর অভিযোগ, এসব প্রতিবেদন প্রকাশের ফলে তার ১০০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে। দণ্ডবিধির ৫০০ ও ৫০১ ধারায় দায়ের করা মামলাটি আমলে নিয়ে বিচারক তানজিনা রহমান তানিন জেলা গোয়েন্দা শাখাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে আদালতের বেঞ্চ সহকারী এমরান আহমেদ বলেন, বুধবার ‘পাশা’র নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ হুমায়ুন কবির মামলাটি দায়ের করেন। আদালত জেলা গোয়েন্দা শাখাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
হবিগঞ্জে দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানসহ তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়েছে। বুধবার (৬ মে) স্থানীয় এনজিও পিপলস অ্যাসিস্ট্যান্ট ফর সোশাল অ্যাডভান্সমেন্টের (পাশা) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ হুমায়ুন কবির জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে মামলাটি করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রিয়াদুল করিম এবং হবিগঞ্জ প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান নিয়ন। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলো পত্রিকায় “এক ব্যক্তিনির্ভর ‘পাশা’ দিচ্ছে ১০ হাজার নির্বাচন পর্যবেক্ষক” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরদিন একই বিষয়ে একটি ফলোআপ প্রতিবেদন এবং ৭ ফেব্রুয়ারি একটি উপসম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়।
বাদীর অভিযোগ, এসব প্রতিবেদন প্রকাশের ফলে তার ১০০ কোটি টাকার মানহানি হয়েছে। দণ্ডবিধির ৫০০ ও ৫০১ ধারায় দায়ের করা মামলাটি আমলে নিয়ে বিচারক তানজিনা রহমান তানিন জেলা গোয়েন্দা শাখাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে আদালতের বেঞ্চ সহকারী এমরান আহমেদ বলেন, বুধবার ‘পাশা’র নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ হুমায়ুন কবির মামলাটি দায়ের করেন। আদালত জেলা গোয়েন্দা শাখাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.