
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১২
ভোলার মনপুরা উপজেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিস ঘেরাও করে কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করার ঘটনাও ঘটে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ খলিফা, জসিম মিজি ও মো. ফরহাদ অভিযোগ করেন, ওয়েস্টার্ন রিনিউএবল এনার্জি পরিচালিত সোলার মিনি গ্রিড কোম্পানি নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্থ হচ্ছে।
তাদের দাবি, দিনে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, সরেজমিনে ডিজেল মজুদ থাকার পরও কর্তৃপক্ষ “ডিজেল সংকট” দেখিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লাইনম্যান এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বিক্ষোভকারীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করে জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
ভোলার মনপুরা উপজেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিস ঘেরাও করে কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করার ঘটনাও ঘটে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ খলিফা, জসিম মিজি ও মো. ফরহাদ অভিযোগ করেন, ওয়েস্টার্ন রিনিউএবল এনার্জি পরিচালিত সোলার মিনি গ্রিড কোম্পানি নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্থ হচ্ছে।
তাদের দাবি, দিনে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, সরেজমিনে ডিজেল মজুদ থাকার পরও কর্তৃপক্ষ “ডিজেল সংকট” দেখিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লাইনম্যান এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বিক্ষোভকারীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করে জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

২৭ মে, ২০২৬ ০৮:৫৮
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একটি বাসার গলিতে দুই মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে ফেলে রেখে গেছেন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন শিশুটির পরিবারকে খুঁজছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের সামনের একটি বাসার গলি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ফুটফুটে শিশুটিকে দেখে আঁতকে ওঠেন মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় এক বাসিন্দার বাসার গলির ভিতরে হটাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান অজ্ঞাত শিশুটি পড়ে আছে। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানালে সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা শিশুটিকে উদ্ধার করেন এবং বর্তমানে শিশুটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটির পরিবারের সন্ধানসহ কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলমান রয়েছে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, শিশুটি বর্তমানে নিরাপদে আছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও দেখভালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুটির পরিচয় শনাক্ত এবং পরিবারের সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শিশুটির পরিবারের সন্ধান না পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একটি বাসার গলিতে দুই মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে ফেলে রেখে গেছেন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন শিশুটির পরিবারকে খুঁজছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের সামনের একটি বাসার গলি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ফুটফুটে শিশুটিকে দেখে আঁতকে ওঠেন মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় এক বাসিন্দার বাসার গলির ভিতরে হটাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান অজ্ঞাত শিশুটি পড়ে আছে। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানালে সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা শিশুটিকে উদ্ধার করেন এবং বর্তমানে শিশুটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটির পরিবারের সন্ধানসহ কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলমান রয়েছে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, শিশুটি বর্তমানে নিরাপদে আছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও দেখভালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুটির পরিচয় শনাক্ত এবং পরিবারের সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শিশুটির পরিবারের সন্ধান না পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৬ মে, ২০২৬ ১৬:৩৮
ভোলার মেঘনা নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মো: শাকিল নামে আরও এক জেলে আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে হাজারিগঞ্জের আলম মাছ ঘাট সংলগ্ন নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জেলের নাম মো. সজিব মাঝি (২৫)। তিনি ভোলার চরফ্যাশনের শশীভূষণ থানার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আলম ঘাট সংলগ্ন এলাকার মো. সামছুর হকের ছেলে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সকাল ৮টার দিকে সজিব মাঝি ও শাকিল মাঝি নৌকা নিয়ে ঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে যান। পরে সকাল ১০টায় হঠাৎ বজ্রপাতে দুজনই আহত হন।
পরে অন্য জেলেরা তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা সজিবকে মৃত ঘোষণা করেন। শাকিল মাঝিকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠান। শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বিয়ষটি নিশ্চিত করেন।
ভোলার মেঘনা নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মো: শাকিল নামে আরও এক জেলে আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে হাজারিগঞ্জের আলম মাছ ঘাট সংলগ্ন নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জেলের নাম মো. সজিব মাঝি (২৫)। তিনি ভোলার চরফ্যাশনের শশীভূষণ থানার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আলম ঘাট সংলগ্ন এলাকার মো. সামছুর হকের ছেলে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সকাল ৮টার দিকে সজিব মাঝি ও শাকিল মাঝি নৌকা নিয়ে ঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে যান। পরে সকাল ১০টায় হঠাৎ বজ্রপাতে দুজনই আহত হন।
পরে অন্য জেলেরা তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা সজিবকে মৃত ঘোষণা করেন। শাকিল মাঝিকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠান। শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বিয়ষটি নিশ্চিত করেন।

২৩ মে, ২০২৬ ১৮:২১
ভোলার তজুমদ্দিনে একটি বিশাল আকৃতির গুইসাপ উদ্ধার করেন। শনিবার দুপুর ২টায় উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের আনন্দ বাজার পাশের ঝোপঝাড় থেকে প্রাণীটিকে দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে আতঙ্কিত এলাকাবাসী বন বিভাগকে সংবাদ দিলে বনবিভাগের কর্মিরা সেটি উদ্ধার করে যথাযথ প্রকৃয়া অনুসরণ করে বনে অবমুক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুইসাপটি প্রায় ৫ ফুট লম্বা ছিল। দীর্ঘ সময় ধরে এটি ঝোপের মধ্যে অবস্থান করছিল। পরে উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক ও বিট কর্মকর্তা আবুল মাশারের নেতৃত্বে বনবিভাগের একটি টিম এসে অনেক কৌশলে সেটিকে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় উৎসুক জনতা প্রাণীটিকে এক নজর দেখতে ভিড় করেন।
উপজেলা বন কর্মকর্তা কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, গুইসাপ পরিবেশের জন্য উপকারী একটি বন্যপ্রাণী এবং এটি সাধারণত মানুষকে আক্রমণ করে না। উদ্ধার শেষে প্রাণীটিকে বাসনভাঙ্গা চরে বনবিভাগের সৃজন করা বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্যপ্রাণী রক্ষা করতে জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি এবং কোনো বন্যপ্রাণী দেখা গেলে সেটিকে আঘাত না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানান।
ভোলার তজুমদ্দিনে একটি বিশাল আকৃতির গুইসাপ উদ্ধার করেন। শনিবার দুপুর ২টায় উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের আনন্দ বাজার পাশের ঝোপঝাড় থেকে প্রাণীটিকে দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে আতঙ্কিত এলাকাবাসী বন বিভাগকে সংবাদ দিলে বনবিভাগের কর্মিরা সেটি উদ্ধার করে যথাযথ প্রকৃয়া অনুসরণ করে বনে অবমুক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুইসাপটি প্রায় ৫ ফুট লম্বা ছিল। দীর্ঘ সময় ধরে এটি ঝোপের মধ্যে অবস্থান করছিল। পরে উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক ও বিট কর্মকর্তা আবুল মাশারের নেতৃত্বে বনবিভাগের একটি টিম এসে অনেক কৌশলে সেটিকে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় উৎসুক জনতা প্রাণীটিকে এক নজর দেখতে ভিড় করেন।
উপজেলা বন কর্মকর্তা কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, গুইসাপ পরিবেশের জন্য উপকারী একটি বন্যপ্রাণী এবং এটি সাধারণত মানুষকে আক্রমণ করে না। উদ্ধার শেষে প্রাণীটিকে বাসনভাঙ্গা চরে বনবিভাগের সৃজন করা বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্যপ্রাণী রক্ষা করতে জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি এবং কোনো বন্যপ্রাণী দেখা গেলে সেটিকে আঘাত না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানান।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ মে, ২০২৬ ১১:১২
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:২৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫১