Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৭ জুন, ২০২৫ ১৬:৩৬
বরিশালের হিজলায় ঝন্টু বেপারী নামে এক ভূমিদস্যু ও আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সরদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। শুক্রবার (২৭ জুন),সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর মাঠে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
জানা যায়,বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে দলের প্রভাব প্রতিপত্তি খাটিয়ে জোর জবরদস্তি জমি দখল, হুমকি প্রদান, অবৈধ কার্যকলাপ করে শূন্য থেকে বনে জান কোটিপতি। ছিলেন আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার।
তার প্রভাবে এলাকাবাসী মুখ খুলতে ভয় পেতো। দরিদ্র অসহায় এলাকাবাসী এই ভূমিদস্যুর ও তার সহযোগীদের হাত থেকে মুক্তি চায়। অসহায় এলাকাবাসী তাদের জমি ফেরত চান এই ভূমিদস্যুদের হাত থেকে।
মানববন্ধনে ভূক্তভোগি পরিবার ও এলাকাবাসী জানান, হিজলা উপজেলার খুন্না গোবিন্দপুর এলাকায় ঝন্টু বেপারী ও তার সহযোগিরা দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় জোরপূর্বক জমি দলখ,অবৈধ কার্যকলাপ সহ নানা অপকর্ম করে আসছে।
এদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললে খুন করার হুমকি সহ তাদের শারীরিক নির্যাতনের মাধ্যমে এলাকা ছাড়া করেন । জমির দলিল, খাজনা, মিউটিসন থাকার পরেও নিরীহ মানুষের জমি জোরপূর্বক দলখ করে হয়রানি করে আসছে এই ভূমিদস্যুরা।
তাদের বিরুদ্ধে হিজলা থানা ও আদালতে একাধিক মামলা রয়েছে। এরই প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। এলাকাবাসীদের দাবী, এই মামলাবাজ ঝন্টু বেপারী ও তার সহযোগীদের হাত থেকে নিরীহ মানুষেরা মুক্তি চায় ।
নিরীহ মানুষেরা বাঁচতে ও তাদের জমি ফেরত চায়। এসময় এক ভূক্তভোগি বলেন, ‘আমি প্রায় ৪০বছর আগে একটি জমি ক্রয় করি। আমার দলিল, রেকর্ড থাকার পরেও জমির উপর ঝন্টু বেপারী ও তার সহযোগিরা অনেক বছর যাবত জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে।
আমাদের জমি বুঝিয়ে দিচ্ছে না। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ মুখ খুলতেও সাহস করে না। আমি জমির কাছে গেলে আমাকে খুন করার হুমকি প্রদান করে ভূমিদস্যু ঝন্টু বেপারী ও তার সহযোগীরা। আমি এদের সর্বোচ্চ বিচার দাবী করছি।
একই অভিযোগ করেন, খুন্না গোবিন্দপুর এর আঃ খালেক চৌকিদার,খলিল মোল্লা, রওশন আরা, মাস্টার আইয়ুব আলী, সরকারি চাকুরীজীবী মোঃ সেলিম মিয়া, শহিদ আকন, তোফাজ্জল মাষ্টার, মিঠু হাওলাদার, আবুবকর, অডিটর আব্দুল মালেক দেওয়ানমোঃ মজিবল মাষ্টার,কর্মকর্তা, মোঃ শাহেদ সহ ভূক্তভোগির পরিবারের সদস্যরা । তবে এসব অভিযোগের বিষয় মুঠোফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি ঝন্টু বেপারীকে।
এ ব্যাপারে হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কাউকে হুমকি প্রদান, জমি দখল করলে, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আইন তার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করবে।
বরিশালের হিজলায় ঝন্টু বেপারী নামে এক ভূমিদস্যু ও আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সরদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। শুক্রবার (২৭ জুন),সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর মাঠে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
জানা যায়,বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে দলের প্রভাব প্রতিপত্তি খাটিয়ে জোর জবরদস্তি জমি দখল, হুমকি প্রদান, অবৈধ কার্যকলাপ করে শূন্য থেকে বনে জান কোটিপতি। ছিলেন আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার।
তার প্রভাবে এলাকাবাসী মুখ খুলতে ভয় পেতো। দরিদ্র অসহায় এলাকাবাসী এই ভূমিদস্যুর ও তার সহযোগীদের হাত থেকে মুক্তি চায়। অসহায় এলাকাবাসী তাদের জমি ফেরত চান এই ভূমিদস্যুদের হাত থেকে।
মানববন্ধনে ভূক্তভোগি পরিবার ও এলাকাবাসী জানান, হিজলা উপজেলার খুন্না গোবিন্দপুর এলাকায় ঝন্টু বেপারী ও তার সহযোগিরা দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় জোরপূর্বক জমি দলখ,অবৈধ কার্যকলাপ সহ নানা অপকর্ম করে আসছে।
এদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললে খুন করার হুমকি সহ তাদের শারীরিক নির্যাতনের মাধ্যমে এলাকা ছাড়া করেন । জমির দলিল, খাজনা, মিউটিসন থাকার পরেও নিরীহ মানুষের জমি জোরপূর্বক দলখ করে হয়রানি করে আসছে এই ভূমিদস্যুরা।
তাদের বিরুদ্ধে হিজলা থানা ও আদালতে একাধিক মামলা রয়েছে। এরই প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। এলাকাবাসীদের দাবী, এই মামলাবাজ ঝন্টু বেপারী ও তার সহযোগীদের হাত থেকে নিরীহ মানুষেরা মুক্তি চায় ।
নিরীহ মানুষেরা বাঁচতে ও তাদের জমি ফেরত চায়। এসময় এক ভূক্তভোগি বলেন, ‘আমি প্রায় ৪০বছর আগে একটি জমি ক্রয় করি। আমার দলিল, রেকর্ড থাকার পরেও জমির উপর ঝন্টু বেপারী ও তার সহযোগিরা অনেক বছর যাবত জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে।
আমাদের জমি বুঝিয়ে দিচ্ছে না। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ মুখ খুলতেও সাহস করে না। আমি জমির কাছে গেলে আমাকে খুন করার হুমকি প্রদান করে ভূমিদস্যু ঝন্টু বেপারী ও তার সহযোগীরা। আমি এদের সর্বোচ্চ বিচার দাবী করছি।
একই অভিযোগ করেন, খুন্না গোবিন্দপুর এর আঃ খালেক চৌকিদার,খলিল মোল্লা, রওশন আরা, মাস্টার আইয়ুব আলী, সরকারি চাকুরীজীবী মোঃ সেলিম মিয়া, শহিদ আকন, তোফাজ্জল মাষ্টার, মিঠু হাওলাদার, আবুবকর, অডিটর আব্দুল মালেক দেওয়ানমোঃ মজিবল মাষ্টার,কর্মকর্তা, মোঃ শাহেদ সহ ভূক্তভোগির পরিবারের সদস্যরা । তবে এসব অভিযোগের বিষয় মুঠোফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি ঝন্টু বেপারীকে।
এ ব্যাপারে হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কাউকে হুমকি প্রদান, জমি দখল করলে, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আইন তার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করবে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে থাকা দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মধ্যে বরিশাল নগরীর রুপাতলী ১৬ এম.এল.ডি সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট মেরামত, উন্নয়ন ও ব্যবহার উপযোগী করে পুনরায় সচল করে আজ উদ্বোধন করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
২৯ এপ্রিল বেলা বারোটার দিকে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিসিসি প্রশাসক বলেন, এটি উদ্বোধনের ফলে নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানি পাবে। তাছাড়া ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে বরিশাল শহর যেভাবে নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে তা থেকে এই নগরী রক্ষা পাবে। ডিপটিওবয়েল এবং সাবমারসিবল পাম্প বসানোর ক্ষেত্রে নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে উদ্বোধনের পর রুপাতলী এলাকার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সন্নিকটে দোকানদাররা জানান, ওই এলাকায় পানি সরবরাহ নাই। পানি সংযোগ এখনো সব জায়গায় পৌঁছায়নি বলে দাবি করেন তারা।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যে দুটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সচল করা হয়েছে, সেগুলো দিয়ে নগরবাসীর পানির অর্ধেক চাহিদা মিটবে। বাকি আরও দুটো প্লান্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে, সে দুটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে নগরবাসীর চাহিদা পূরণ হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী, প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির এবং পানি শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী ওমর ফারুকসহ বিসিসির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।’
রাজনৈতিক মামলায় কারান্তরীণ থাকাবস্থায় বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পরও লাশ দেখতে প্যারোলে মুক্তি মেলেনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বরিশাল মহানগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো.শাহরুখ খানের। পরে বাবার মরদেহ বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে সন্তানকে শেষবার দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহরুখের স্বজনেরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ সার্কুলার রোডে নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওয়ার্ড সভাপতি শাহরুখকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা আবুল বাশার খান (৫৮) মারা যান। বটতলা টেম্পুস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের চাকরি করতেন আবুল বাশার।
শাহরুখের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান, শাহরুখের প্যারোলে মুক্তির জন্য জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা তাঁদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর একজন ম্যাজিস্ট্রেট এসে বলেন, ‘আপনারা কারাগারে যান, আমরা সেখানে বলে দিচ্ছি।’
সাগর অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়ার পর সেখানকার কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসকের দপ্তর থেকে তাঁদের কিছু জানানো হয়নি। পরে বিকেল ৪টায় মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে কারাগারে নেওয়া হয়। ৪টার দিকে মরদেহের সঙ্গে তিনজনকে কারাগারে ঢুকতে দেওয়া হয়। মরদেহ দেখার জন্য কারা আন্তঃস্থলে মাত্র পাঁচ মিনিট থাকতে দেওয়া হয়। নগরীর নিউ সার্কুলার রোড গাজিবাড়ি মসজিদে বাদ আসর শাহরুখের বাবার প্রথম জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার করাপুর ইউনিয়নের পপুলার এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।
সাগর আরও জানান, শাহরুখ ৫ আগস্টের পরে হওয়া আটটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আরও তিনটি মামলায় আসামি করা হয়।
শাহরুখের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, তাঁর মক্কেলের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছিল, কিন্তু আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।
এ প্রসঙ্গে জানতে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ মাহবুব কবিরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনও ফোন রিসিভ করেননি।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ক্লাস চলাকালে আকস্মিক বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ১৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে পাঁচজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর বজ্রপাত হলে শ্রেণিকক্ষে থাকা সাত ছাত্রী আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো—অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা, সুমাইয়া ও মীম আক্তার; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত এবং নবম শ্রেণির আফরোজা আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার। তাদের মধ্যে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে, বাকি পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একই সময়ে পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বজ্রপাত হলে আট শিক্ষার্থী আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজামুল হক জানান, দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে। পরে অভিভাবকদের ডেকে তাদের কাছে শিক্ষার্থীদের হস্তান্তর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমরানুর রহমান বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস