সারিবদ্ধ মাঝারি আকৃতির গাছে ভরা বরই বাগান। গাছগুলোতে থোকায় থোকায় ঝুলছে লাল, সবুজ ও হলুদ রঙের সুস্বাদু বরই। এসব বরই শুধু ফল নয়, বরং এক নারীর স্বপ্ন, সাহস আর পরিশ্রমের সফল প্রতিফলন। পটুয়াখালীতে বরই চাষ করে সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গৃহবধূ তাসলিমা বেগম।
তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের গুয়াবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় তিন বছর আগে পাশের পেয়ারপুর গ্রামে একটি বরই বাগান দেখে অনুপ্রাণিত হন তাসলিমা। স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে সেই বাগান ঘুরে দেখেন এবং তখনই সিদ্ধান্ত নেন নিজেও বরই চাষ শুরু করবেন। এরপর বাড়ির সামনে নদীর তীরবর্তী পতিত জমিতেই শুরু হয় তার স্বপ্নযাত্রা।
যশোর থেকে থাই আপেল কুল, কাশ্মিরি আপেল কুল, বলসুন্দরীসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের মোট ১০০টি কলম সংগ্রহ করে নদীর চরের জমিতে রোপণ করেন তিনি। সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মিত যত্নের মাধ্যমে মাত্র এক বছরের মধ্যেই বড়ই বাগান থেকে ফলন পেতে শুরু করেন। অল্প সময়েই তিনি নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন।
তাসলিমা বেগম বলেন, ‘প্রথমে এক বিঘা জমিতে চারা রোপণ করি। সার, ওষুধ ও নিয়মিত পরিচর্যার ফলে কয়েক মাসের মধ্যেই গাছগুলো বড় হয়ে ওঠে। প্রথম বছরে লাভ কম হলেও দ্বিতীয় বছরে প্রায় এক লাখ টাকার মতো লাভ হয়েছিল। আশা করছি, চলতি মৌসুমে প্রায় দেড় লাখ টাকার বরই বিক্রি করতে পারব। এ বছর মোট খরচ হয়েছে মাত্র ২০ হাজার টাকা। ধারণা করছি, বাকি সবটাই লাভ হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বড়ই চাষে প্রথম বছরে খরচ একটু বেশি হলেও পরবর্তীতে তেমন খরচ লাগে না। একবার চারা রোপণের পর নতুন করে চারা লাগানোর প্রয়োজন হয় না। একই গাছ থেকে বারবার ফলন পাওয়া যায়। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি বড়ই ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আশা করছি, প্রতিটি গাছ থেকে ২০ থেকে ২৫ কেজি বরই পাওয়া যাবে, যা বিক্রির মাধ্যমে ভালো লাভ হবে।’
স্থানীয় বাসিন্দা মাকসুদা বেগম বলেন, তাসলিমা আপার গাছের বরই গুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে। প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গার মানুষজন এখান থেকে বড়ই কিনতে আসেন। বড়ই গুলো খুবই মিষ্টি।
জানা গেছে, তাসলিমা বেগমের স্বামী ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন এবং তার একমাত্র ছেলে সৌদি আরবে প্রবাসী। এর আগে তাসলিমা নিজেও কর্মসূত্রে ঢাকায় অবস্থান করতেন। বর্তমানে বাড়িতে থেকেই কৃষিকাজে যুক্ত হয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি।
তাসলিমার সাফল্য দেখে গ্রামের অন্যান্য নারী-পুরুষরাও বড়ই চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। অনেকেই তার কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন এবং নিজ নিজ জমিতে বড়ই চাষ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
পটুয়াখালী সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম মজুমদার বলেন, ‘গত বছর উপজেলায় ৩৬ হেক্টর জমিতে বড়ই চাষ হলেও এ বছর তা বেড়ে ৪০ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। এখানে বরই কুল, আপেল কুল, বাউ কুল, বলসুন্দরীসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের বড়ই চাষ হচ্ছে।
এ অঞ্চল বরই চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষকরা আমাদের কাছে পরামর্শ নিতে এলে আমরা সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে থাকি।’ িনারী উদ্যোক্তা তাসলিমা বেগমের এই সফলতা পটুয়াখালী অঞ্চলে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

৩০ জুলাই, ২০২৬ ১৩:২৫
পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ফারুক হোসেন প্যাদাকে (৪০) মারধর করার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে খেজুরবাড়ীয়া গ্রমে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ফারুক হোসেন প্যাদার বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ এনে ওই গৃহবধূর স্বামী পারভেজ সহ কয়েকজন তাকে জিজ্ঞাসা করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহত ফারুককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন প্যাদা বলেন, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজ মৃধা সহ তাদের বাড়ির ৪-৫ জন আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে আমার বিরুদ্ধে এক নারীর সম্পর্ক রয়েছে বলে গুজব ছড়াচ্ছে। আমি তাদের এ ধরনের মিথ্যা অপবাদ না ছড়ানোর অনুরোধ করি। আমি কোনো নারীকে উত্ত্যক্ত করিনি। তারপরও কথিত অভিযোগে আমাকে মারধর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ওই গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে আমার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করত। তাকে টাকা-পয়সার প্রলোভন দিত। একপর্যায়ে সে আমাদের পরিবারের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কানাঘুষা চলছিল। প্রথমে আমরা তা বিশ্বাস করিনি। পরে কিছু ছবি দেখানোর পর বিষয়টি বিশ্বাস করি। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও সে আমার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিত।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারধরের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ফারুক হোসেন প্যাদাকে (৪০) মারধর করার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে খেজুরবাড়ীয়া গ্রমে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ফারুক হোসেন প্যাদার বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ এনে ওই গৃহবধূর স্বামী পারভেজ সহ কয়েকজন তাকে জিজ্ঞাসা করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহত ফারুককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন প্যাদা বলেন, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজ মৃধা সহ তাদের বাড়ির ৪-৫ জন আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে আমার বিরুদ্ধে এক নারীর সম্পর্ক রয়েছে বলে গুজব ছড়াচ্ছে। আমি তাদের এ ধরনের মিথ্যা অপবাদ না ছড়ানোর অনুরোধ করি। আমি কোনো নারীকে উত্ত্যক্ত করিনি। তারপরও কথিত অভিযোগে আমাকে মারধর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ওই গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে আমার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করত। তাকে টাকা-পয়সার প্রলোভন দিত। একপর্যায়ে সে আমাদের পরিবারের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কানাঘুষা চলছিল। প্রথমে আমরা তা বিশ্বাস করিনি। পরে কিছু ছবি দেখানোর পর বিষয়টি বিশ্বাস করি। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও সে আমার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিত।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারধরের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬
পটুয়াখালীর দুমকিতে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান এবং মিরাজ খান গং কর্তৃক সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল আলম শুভ খানসহ কয়েকজন যুবকের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় দুমকি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন হামলার শিকার সাইফুল আলম।
জানা যায়, উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মৃত্যু সোলাইমান খানের ছেলে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান প্রায় এক যুগ ধরে দাপটের সাথে গাঁজা ইয়াবার ব্যবসা করে আসছে। ব্যবসা করতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার মাদকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে মাদকসহ গ্রেফতার হন। কিছুদিন জেল খেটে বেরিয়ে পূনরায় বীরদর্পে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ফিরোজ খান ও মিরাজ খানের প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করেন একই এলাকার বাসিন্দা সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ সাইফুল আলম শুভ সহ কয়েকজন যুবক।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থেকে গত ২৪ জুলাই রাতে ফিরোজ খান ও মিরাজ খানসহ তাদের সহযোগীদের নিয়ে সাইফুল আলম শুভ, মনির হোসেন,আবু তাহের সহ কয়েকজন যুবকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এবং এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সেলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
পটুয়াখালীর দুমকিতে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান এবং মিরাজ খান গং কর্তৃক সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল আলম শুভ খানসহ কয়েকজন যুবকের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় দুমকি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন হামলার শিকার সাইফুল আলম।
জানা যায়, উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মৃত্যু সোলাইমান খানের ছেলে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজ খান প্রায় এক যুগ ধরে দাপটের সাথে গাঁজা ইয়াবার ব্যবসা করে আসছে। ব্যবসা করতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার মাদকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে মাদকসহ গ্রেফতার হন। কিছুদিন জেল খেটে বেরিয়ে পূনরায় বীরদর্পে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ফিরোজ খান ও মিরাজ খানের প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করেন একই এলাকার বাসিন্দা সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ সাইফুল আলম শুভ সহ কয়েকজন যুবক।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থেকে গত ২৪ জুলাই রাতে ফিরোজ খান ও মিরাজ খানসহ তাদের সহযোগীদের নিয়ে সাইফুল আলম শুভ, মনির হোসেন,আবু তাহের সহ কয়েকজন যুবকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এবং এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সেলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৩
বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। চলতি মাসের ২২ তারিখ পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদি হয়ে মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে, মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৭ বছর আগে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মারা যান। এরপর তিনি একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবা বাড়ি ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে চলে যান। সেখানে তাকে দেখার পর শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দেন। এতে রাজী না হলে শহিদুল তাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন।
চলতি বছরের ২৪ মার্চ ওই বিধবা ভুক্তভোগী নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে শহরের শেরে বাংলা সড়কে শহীদুলের বোনের বাসায় নিয়ে গেলে কক্ষের মধ্যে আটকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত শহিদুল। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তিনি।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শহরে নিয়ে আসা হয়। পরে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়েছেন। পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, যেহেতু তার (মো.শহিদুল) নামে আদালতে মামলা হয়েছে, এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলা উচিত না। আদালত তার বিচার করবেন। আদালত দেখবেন সত্য নাকি মিথ্যা। দোষী হলে পরে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত মামলার কপি হাতে পাইনি। কপি হাতে পেলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। চলতি মাসের ২২ তারিখ পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদি হয়ে মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে, মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৭ বছর আগে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মারা যান। এরপর তিনি একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবা বাড়ি ইটবাড়িয়া ইউনিয়নে চলে যান। সেখানে তাকে দেখার পর শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দেন। এতে রাজী না হলে শহিদুল তাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন।
চলতি বছরের ২৪ মার্চ ওই বিধবা ভুক্তভোগী নারীকে প্রলোভন দেখিয়ে শহরের শেরে বাংলা সড়কে শহীদুলের বোনের বাসায় নিয়ে গেলে কক্ষের মধ্যে আটকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত শহিদুল। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তিনি।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শহরে নিয়ে আসা হয়। পরে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়েছেন। পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা এজাহার পূর্বক আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান বলেন, যেহেতু তার (মো.শহিদুল) নামে আদালতে মামলা হয়েছে, এ বিষয়ে আমাদের কিছু বলা উচিত না। আদালত তার বিচার করবেন। আদালত দেখবেন সত্য নাকি মিথ্যা। দোষী হলে পরে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত মামলার কপি হাতে পাইনি। কপি হাতে পেলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৫
সারিবদ্ধ মাঝারি আকৃতির গাছে ভরা বরই বাগান। গাছগুলোতে থোকায় থোকায় ঝুলছে লাল, সবুজ ও হলুদ রঙের সুস্বাদু বরই। এসব বরই শুধু ফল নয়, বরং এক নারীর স্বপ্ন, সাহস আর পরিশ্রমের সফল প্রতিফলন। পটুয়াখালীতে বরই চাষ করে সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গৃহবধূ তাসলিমা বেগম।
তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের গুয়াবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় তিন বছর আগে পাশের পেয়ারপুর গ্রামে একটি বরই বাগান দেখে অনুপ্রাণিত হন তাসলিমা। স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে সেই বাগান ঘুরে দেখেন এবং তখনই সিদ্ধান্ত নেন নিজেও বরই চাষ শুরু করবেন। এরপর বাড়ির সামনে নদীর তীরবর্তী পতিত জমিতেই শুরু হয় তার স্বপ্নযাত্রা।
যশোর থেকে থাই আপেল কুল, কাশ্মিরি আপেল কুল, বলসুন্দরীসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের মোট ১০০টি কলম সংগ্রহ করে নদীর চরের জমিতে রোপণ করেন তিনি। সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মিত যত্নের মাধ্যমে মাত্র এক বছরের মধ্যেই বড়ই বাগান থেকে ফলন পেতে শুরু করেন। অল্প সময়েই তিনি নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন।
তাসলিমা বেগম বলেন, ‘প্রথমে এক বিঘা জমিতে চারা রোপণ করি। সার, ওষুধ ও নিয়মিত পরিচর্যার ফলে কয়েক মাসের মধ্যেই গাছগুলো বড় হয়ে ওঠে। প্রথম বছরে লাভ কম হলেও দ্বিতীয় বছরে প্রায় এক লাখ টাকার মতো লাভ হয়েছিল। আশা করছি, চলতি মৌসুমে প্রায় দেড় লাখ টাকার বরই বিক্রি করতে পারব। এ বছর মোট খরচ হয়েছে মাত্র ২০ হাজার টাকা। ধারণা করছি, বাকি সবটাই লাভ হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বড়ই চাষে প্রথম বছরে খরচ একটু বেশি হলেও পরবর্তীতে তেমন খরচ লাগে না। একবার চারা রোপণের পর নতুন করে চারা লাগানোর প্রয়োজন হয় না। একই গাছ থেকে বারবার ফলন পাওয়া যায়। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি বড়ই ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আশা করছি, প্রতিটি গাছ থেকে ২০ থেকে ২৫ কেজি বরই পাওয়া যাবে, যা বিক্রির মাধ্যমে ভালো লাভ হবে।’
স্থানীয় বাসিন্দা মাকসুদা বেগম বলেন, তাসলিমা আপার গাছের বরই গুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে। প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গার মানুষজন এখান থেকে বড়ই কিনতে আসেন। বড়ই গুলো খুবই মিষ্টি।
জানা গেছে, তাসলিমা বেগমের স্বামী ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন এবং তার একমাত্র ছেলে সৌদি আরবে প্রবাসী। এর আগে তাসলিমা নিজেও কর্মসূত্রে ঢাকায় অবস্থান করতেন। বর্তমানে বাড়িতে থেকেই কৃষিকাজে যুক্ত হয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি।
তাসলিমার সাফল্য দেখে গ্রামের অন্যান্য নারী-পুরুষরাও বড়ই চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। অনেকেই তার কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন এবং নিজ নিজ জমিতে বড়ই চাষ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
পটুয়াখালী সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম মজুমদার বলেন, ‘গত বছর উপজেলায় ৩৬ হেক্টর জমিতে বড়ই চাষ হলেও এ বছর তা বেড়ে ৪০ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। এখানে বরই কুল, আপেল কুল, বাউ কুল, বলসুন্দরীসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের বড়ই চাষ হচ্ছে।
এ অঞ্চল বরই চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষকরা আমাদের কাছে পরামর্শ নিতে এলে আমরা সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে থাকি।’ িনারী উদ্যোক্তা তাসলিমা বেগমের এই সফলতা পটুয়াখালী অঞ্চলে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।