
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৫
সারিবদ্ধ মাঝারি আকৃতির গাছে ভরা বরই বাগান। গাছগুলোতে থোকায় থোকায় ঝুলছে লাল, সবুজ ও হলুদ রঙের সুস্বাদু বরই। এসব বরই শুধু ফল নয়, বরং এক নারীর স্বপ্ন, সাহস আর পরিশ্রমের সফল প্রতিফলন। পটুয়াখালীতে বরই চাষ করে সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গৃহবধূ তাসলিমা বেগম।
তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের গুয়াবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় তিন বছর আগে পাশের পেয়ারপুর গ্রামে একটি বরই বাগান দেখে অনুপ্রাণিত হন তাসলিমা। স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে সেই বাগান ঘুরে দেখেন এবং তখনই সিদ্ধান্ত নেন নিজেও বরই চাষ শুরু করবেন। এরপর বাড়ির সামনে নদীর তীরবর্তী পতিত জমিতেই শুরু হয় তার স্বপ্নযাত্রা।
যশোর থেকে থাই আপেল কুল, কাশ্মিরি আপেল কুল, বলসুন্দরীসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের মোট ১০০টি কলম সংগ্রহ করে নদীর চরের জমিতে রোপণ করেন তিনি। সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মিত যত্নের মাধ্যমে মাত্র এক বছরের মধ্যেই বড়ই বাগান থেকে ফলন পেতে শুরু করেন। অল্প সময়েই তিনি নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন।
তাসলিমা বেগম বলেন, ‘প্রথমে এক বিঘা জমিতে চারা রোপণ করি। সার, ওষুধ ও নিয়মিত পরিচর্যার ফলে কয়েক মাসের মধ্যেই গাছগুলো বড় হয়ে ওঠে। প্রথম বছরে লাভ কম হলেও দ্বিতীয় বছরে প্রায় এক লাখ টাকার মতো লাভ হয়েছিল। আশা করছি, চলতি মৌসুমে প্রায় দেড় লাখ টাকার বরই বিক্রি করতে পারব। এ বছর মোট খরচ হয়েছে মাত্র ২০ হাজার টাকা। ধারণা করছি, বাকি সবটাই লাভ হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বড়ই চাষে প্রথম বছরে খরচ একটু বেশি হলেও পরবর্তীতে তেমন খরচ লাগে না। একবার চারা রোপণের পর নতুন করে চারা লাগানোর প্রয়োজন হয় না। একই গাছ থেকে বারবার ফলন পাওয়া যায়। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি বড়ই ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আশা করছি, প্রতিটি গাছ থেকে ২০ থেকে ২৫ কেজি বরই পাওয়া যাবে, যা বিক্রির মাধ্যমে ভালো লাভ হবে।’
স্থানীয় বাসিন্দা মাকসুদা বেগম বলেন, তাসলিমা আপার গাছের বরই গুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে। প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গার মানুষজন এখান থেকে বড়ই কিনতে আসেন। বড়ই গুলো খুবই মিষ্টি।
জানা গেছে, তাসলিমা বেগমের স্বামী ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন এবং তার একমাত্র ছেলে সৌদি আরবে প্রবাসী। এর আগে তাসলিমা নিজেও কর্মসূত্রে ঢাকায় অবস্থান করতেন। বর্তমানে বাড়িতে থেকেই কৃষিকাজে যুক্ত হয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি।
তাসলিমার সাফল্য দেখে গ্রামের অন্যান্য নারী-পুরুষরাও বড়ই চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। অনেকেই তার কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন এবং নিজ নিজ জমিতে বড়ই চাষ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
পটুয়াখালী সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম মজুমদার বলেন, ‘গত বছর উপজেলায় ৩৬ হেক্টর জমিতে বড়ই চাষ হলেও এ বছর তা বেড়ে ৪০ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। এখানে বরই কুল, আপেল কুল, বাউ কুল, বলসুন্দরীসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের বড়ই চাষ হচ্ছে।
এ অঞ্চল বরই চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষকরা আমাদের কাছে পরামর্শ নিতে এলে আমরা সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে থাকি।’ িনারী উদ্যোক্তা তাসলিমা বেগমের এই সফলতা পটুয়াখালী অঞ্চলে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সারিবদ্ধ মাঝারি আকৃতির গাছে ভরা বরই বাগান। গাছগুলোতে থোকায় থোকায় ঝুলছে লাল, সবুজ ও হলুদ রঙের সুস্বাদু বরই। এসব বরই শুধু ফল নয়, বরং এক নারীর স্বপ্ন, সাহস আর পরিশ্রমের সফল প্রতিফলন। পটুয়াখালীতে বরই চাষ করে সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গৃহবধূ তাসলিমা বেগম।
তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের গুয়াবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় তিন বছর আগে পাশের পেয়ারপুর গ্রামে একটি বরই বাগান দেখে অনুপ্রাণিত হন তাসলিমা। স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে সেই বাগান ঘুরে দেখেন এবং তখনই সিদ্ধান্ত নেন নিজেও বরই চাষ শুরু করবেন। এরপর বাড়ির সামনে নদীর তীরবর্তী পতিত জমিতেই শুরু হয় তার স্বপ্নযাত্রা।
যশোর থেকে থাই আপেল কুল, কাশ্মিরি আপেল কুল, বলসুন্দরীসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের মোট ১০০টি কলম সংগ্রহ করে নদীর চরের জমিতে রোপণ করেন তিনি। সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মিত যত্নের মাধ্যমে মাত্র এক বছরের মধ্যেই বড়ই বাগান থেকে ফলন পেতে শুরু করেন। অল্প সময়েই তিনি নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন।
তাসলিমা বেগম বলেন, ‘প্রথমে এক বিঘা জমিতে চারা রোপণ করি। সার, ওষুধ ও নিয়মিত পরিচর্যার ফলে কয়েক মাসের মধ্যেই গাছগুলো বড় হয়ে ওঠে। প্রথম বছরে লাভ কম হলেও দ্বিতীয় বছরে প্রায় এক লাখ টাকার মতো লাভ হয়েছিল। আশা করছি, চলতি মৌসুমে প্রায় দেড় লাখ টাকার বরই বিক্রি করতে পারব। এ বছর মোট খরচ হয়েছে মাত্র ২০ হাজার টাকা। ধারণা করছি, বাকি সবটাই লাভ হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বড়ই চাষে প্রথম বছরে খরচ একটু বেশি হলেও পরবর্তীতে তেমন খরচ লাগে না। একবার চারা রোপণের পর নতুন করে চারা লাগানোর প্রয়োজন হয় না। একই গাছ থেকে বারবার ফলন পাওয়া যায়। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি বড়ই ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আশা করছি, প্রতিটি গাছ থেকে ২০ থেকে ২৫ কেজি বরই পাওয়া যাবে, যা বিক্রির মাধ্যমে ভালো লাভ হবে।’
স্থানীয় বাসিন্দা মাকসুদা বেগম বলেন, তাসলিমা আপার গাছের বরই গুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে। প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গার মানুষজন এখান থেকে বড়ই কিনতে আসেন। বড়ই গুলো খুবই মিষ্টি।
জানা গেছে, তাসলিমা বেগমের স্বামী ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন এবং তার একমাত্র ছেলে সৌদি আরবে প্রবাসী। এর আগে তাসলিমা নিজেও কর্মসূত্রে ঢাকায় অবস্থান করতেন। বর্তমানে বাড়িতে থেকেই কৃষিকাজে যুক্ত হয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি।
তাসলিমার সাফল্য দেখে গ্রামের অন্যান্য নারী-পুরুষরাও বড়ই চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। অনেকেই তার কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন এবং নিজ নিজ জমিতে বড়ই চাষ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
পটুয়াখালী সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম মজুমদার বলেন, ‘গত বছর উপজেলায় ৩৬ হেক্টর জমিতে বড়ই চাষ হলেও এ বছর তা বেড়ে ৪০ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। এখানে বরই কুল, আপেল কুল, বাউ কুল, বলসুন্দরীসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের বড়ই চাষ হচ্ছে।
এ অঞ্চল বরই চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষকরা আমাদের কাছে পরামর্শ নিতে এলে আমরা সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে থাকি।’ িনারী উদ্যোক্তা তাসলিমা বেগমের এই সফলতা পটুয়াখালী অঞ্চলে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৯
পটুয়াখালীর কুয়াকাটার পর্যটন খাতের অন্যতম সংগঠন ট্যুর অপারেটস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক)-এর দ্বি-বার্ষিক সভায় আগামী দুই বছরের জন্য নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে রুমান ইমতিয়াজ তুষার এবং সেক্রেটারি জেনারেল পদে আসাদুজ্জামান মিরাজ নির্বাচিত হয়েছেন।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) চর হেয়ার-এ আয়োজিত দিনব্যাপী এ সভায় সদস্যদের সরাসরি ভোটে ১৩টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সাঈদুর রহমান সাঈদ ও সহযোগী রেদওয়ানুল ইসলাম রাসেল এবং আইয়ুব খান।
তাদের তত্ত্বাবধানে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। ভোট শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হলে উপস্থিত সদস্যরা নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন জানান।
নির্বাচনে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হন জহিরুল ইসলাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে মাসুম আল-বেলাল, জয়েন্ট সেক্রেটারি পদে আবুল হোসেন রাজু, সেক্রেটারি (ফিন্যান্স) পদে শামিম রেজা এবং সেক্রেটারি (ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স) পদে এইচ এম রাসেল, ডিরেক্টর পিআর ইব্রাহিম ওয়াহিদ, ডিরেক্টর ট্রেড অ্যান্ড ফেয়ার সাঈদুর রহমান শাহিন।
এছাড়াও ডিরেক্টর পদে এসএম আলমাস ও সোহেল মাহমুদ নির্বাচিত হন। সব সদস্যরাও প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে আগামী দুই বছরের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সভায় বক্তারা বলেন, টোয়াক গত ১২ বছর ধরে কুয়াকাটাসহ দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন, ট্যুর অপারেটরদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে আসছে। সংগঠনটি স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমন্বয় সৃষ্টি, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা এবং দেশি-বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে।
নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, কুয়াকাটার পর্যটন খাতকে আরও সুসংগঠিত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে নতুন কমিটি সম্মিলিতভাবে কাজ করবে।
সেক্রেটারি জেনারেল আসাদুজ্জামান মিরাজও সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সময়োপযোগী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে কুয়াকাটার পর্যটন শিল্প আরও সমৃদ্ধ হবে এবং জাতীয় পর্যায়ে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটার পর্যটন খাতের অন্যতম সংগঠন ট্যুর অপারেটস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক)-এর দ্বি-বার্ষিক সভায় আগামী দুই বছরের জন্য নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে রুমান ইমতিয়াজ তুষার এবং সেক্রেটারি জেনারেল পদে আসাদুজ্জামান মিরাজ নির্বাচিত হয়েছেন।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) চর হেয়ার-এ আয়োজিত দিনব্যাপী এ সভায় সদস্যদের সরাসরি ভোটে ১৩টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সাঈদুর রহমান সাঈদ ও সহযোগী রেদওয়ানুল ইসলাম রাসেল এবং আইয়ুব খান।
তাদের তত্ত্বাবধানে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। ভোট শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হলে উপস্থিত সদস্যরা নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন জানান।
নির্বাচনে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হন জহিরুল ইসলাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে মাসুম আল-বেলাল, জয়েন্ট সেক্রেটারি পদে আবুল হোসেন রাজু, সেক্রেটারি (ফিন্যান্স) পদে শামিম রেজা এবং সেক্রেটারি (ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স) পদে এইচ এম রাসেল, ডিরেক্টর পিআর ইব্রাহিম ওয়াহিদ, ডিরেক্টর ট্রেড অ্যান্ড ফেয়ার সাঈদুর রহমান শাহিন।
এছাড়াও ডিরেক্টর পদে এসএম আলমাস ও সোহেল মাহমুদ নির্বাচিত হন। সব সদস্যরাও প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে আগামী দুই বছরের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সভায় বক্তারা বলেন, টোয়াক গত ১২ বছর ধরে কুয়াকাটাসহ দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন, ট্যুর অপারেটরদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে আসছে। সংগঠনটি স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমন্বয় সৃষ্টি, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা এবং দেশি-বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে।
নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, কুয়াকাটার পর্যটন খাতকে আরও সুসংগঠিত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে নতুন কমিটি সম্মিলিতভাবে কাজ করবে।
সেক্রেটারি জেনারেল আসাদুজ্জামান মিরাজও সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সময়োপযোগী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে কুয়াকাটার পর্যটন শিল্প আরও সমৃদ্ধ হবে এবং জাতীয় পর্যায়ে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪১
পটুয়াখালীর বাউফলে পুকুর থেকে হাত পা বাঁধা অবস্থায় এক যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টার দিকে উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত ব্যক্তির নাম শাকিল মৃধা (২৫)। সে মহাশ্রাদ্ধি গ্রামের হাতেম মৃধা বাড়ির মৃত ছোবহান মৃধার ছেলে। নিহতের আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়রা বলেন, স্থানীয় মীলঘর এলাকায় ঢাকাগামী একটি বাস কাউন্টারে টিকিট বিক্রির কাজ করতেন শাকিল। প্রায় সাত মাস আগে সে বিয়ে করে।
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। দুপুরের দিকে ইউনিয়ন পরিষদের সামনের পুকুরে একটি লাশ ভাসতে দেখা যায় । এ সময় স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান জানান, উদ্ধারের পর শাকিলের লাশ শনাক্ত করে পরিবারের লোকজন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে পুকুর থেকে হাত পা বাঁধা অবস্থায় এক যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টার দিকে উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত ব্যক্তির নাম শাকিল মৃধা (২৫)। সে মহাশ্রাদ্ধি গ্রামের হাতেম মৃধা বাড়ির মৃত ছোবহান মৃধার ছেলে। নিহতের আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়রা বলেন, স্থানীয় মীলঘর এলাকায় ঢাকাগামী একটি বাস কাউন্টারে টিকিট বিক্রির কাজ করতেন শাকিল। প্রায় সাত মাস আগে সে বিয়ে করে।
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। দুপুরের দিকে ইউনিয়ন পরিষদের সামনের পুকুরে একটি লাশ ভাসতে দেখা যায় । এ সময় স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান জানান, উদ্ধারের পর শাকিলের লাশ শনাক্ত করে পরিবারের লোকজন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৯
পটুয়াখালী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট চৌরাস্তার মুন্সিবাড়ি এলাকায় আগুন লেগে এক ব্যবসায়ীর বসতবাড়ি পুড়ে গেছে। সোমবার সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে আগুন লাগে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কামরুল মুন্সি একজন ব্যবসায়ী এবং মিনিবাস মালিক সমিতির সদস্য। তার মালিকানাধীন যানবাহনের মধ্যে রয়েছে ‘সিহাব’ ও ‘মুবিন ক্লাসিক’ নামের মিনিবাস।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঘটনার সময় বাজার থেকে ফিরে ধোঁয়া উঠতে দেখে বাড়ির মালিক স্থানীয়দের ডাকাডাকি শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন বাড়ির পেছন দিক থেকে সামনের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
কামরুল মুন্সি বলেন, ‘সন্তানদের স্কুলে দিয়ে বাসায় ফিরে স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলছিলাম। এ সময় রান্নাঘরের দিক থেকে শব্দ শুনে উঁকি দিয়ে দেখি আগুন লেগেছে। দ্রুত স্ত্রীকে নিয়ে খালি হাতে ঘর থেকে বের হয়ে যাই। এর মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। সব মালামাল পুড়ে যায়। নগদ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’
পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. রাজিব হোসেন জানান, ‘ফোনকল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ির পেছনের রান্নাঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত। আগুনে আনুমানিক পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’
পটুয়াখালী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট চৌরাস্তার মুন্সিবাড়ি এলাকায় আগুন লেগে এক ব্যবসায়ীর বসতবাড়ি পুড়ে গেছে। সোমবার সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে আগুন লাগে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কামরুল মুন্সি একজন ব্যবসায়ী এবং মিনিবাস মালিক সমিতির সদস্য। তার মালিকানাধীন যানবাহনের মধ্যে রয়েছে ‘সিহাব’ ও ‘মুবিন ক্লাসিক’ নামের মিনিবাস।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঘটনার সময় বাজার থেকে ফিরে ধোঁয়া উঠতে দেখে বাড়ির মালিক স্থানীয়দের ডাকাডাকি শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন বাড়ির পেছন দিক থেকে সামনের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
কামরুল মুন্সি বলেন, ‘সন্তানদের স্কুলে দিয়ে বাসায় ফিরে স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলছিলাম। এ সময় রান্নাঘরের দিক থেকে শব্দ শুনে উঁকি দিয়ে দেখি আগুন লেগেছে। দ্রুত স্ত্রীকে নিয়ে খালি হাতে ঘর থেকে বের হয়ে যাই। এর মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। সব মালামাল পুড়ে যায়। নগদ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’
পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. রাজিব হোসেন জানান, ‘ফোনকল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ির পেছনের রান্নাঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত। আগুনে আনুমানিক পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.