
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫৭
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোলার সাত উপজেলায় পাঠানো হচ্ছে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালেট পেপার। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর মডেল থানা সংলগ্ন ট্রেজারি থেকে নির্বাচনে ব্যবহৃত ভিন্ন সরঞ্জামাদি পাঠানো হয়।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য মতে, জেলার সাত উপজেলার চারটি আসনে নারী, পুরুষ ও তৃতীয় লিঙ্গের মোট ১৬ লাখ ৭২ হাজার ৯৫৮ জন ভোটার রয়েছে।
এর মধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় ৪ লাখ ২ হাজার ৮৬৬, দৌলতখান ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৭২, বোরহানউদ্দিন ২ লাখ ২৬ হাজার ৯১১, লালমেহন ২ লাখ ৭২ হাজার ৭২২, তজুমদ্দিন ১ লাখ ৭ হাজার ৮৪৭, চরফ্যাশন ৪ লাখ ৩০ হাজার ৪৫৭, মনপুরা ৬৭ হাজার ৭৮২ জন ভোটার রয়েছে। এ সকল ভোটারদের জন্য জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট দুটোতে ব্যালেট পেপার পাঠানো হয়েছে ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ৯১৬ টি।
এদিকে, বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হয় জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট পেপার পাঠানোর কার্যক্রম। জেলার নির্বাচন অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নৌবাহিনী ও পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ব্যালেট পেপারসহ নির্বাচনি বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জামাদি কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিটি উপজেলায় কভারভ্যান এর মাধ্যমে প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পাঠানো হয় এ ব্যালট পেপার।
এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন অফিসার মো. আব্দুল হাই আল হাদী জানান, কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ব্যালেট পেপার ও নির্বাচনি বিভিন্ন সরঞ্জামাদি পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করেছি।
পুলিশ ও নৌ বাহিনীর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কভারভ্যান এর মাধ্যমে এগুলো যাবে প্রতিটি উপজেলায়। এরপর নির্বাচনের আগের এখান থেকে তা প্রতিটি কেন্দ্রে যাবে।
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোলার সাত উপজেলায় পাঠানো হচ্ছে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালেট পেপার। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর মডেল থানা সংলগ্ন ট্রেজারি থেকে নির্বাচনে ব্যবহৃত ভিন্ন সরঞ্জামাদি পাঠানো হয়।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য মতে, জেলার সাত উপজেলার চারটি আসনে নারী, পুরুষ ও তৃতীয় লিঙ্গের মোট ১৬ লাখ ৭২ হাজার ৯৫৮ জন ভোটার রয়েছে।
এর মধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় ৪ লাখ ২ হাজার ৮৬৬, দৌলতখান ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৭২, বোরহানউদ্দিন ২ লাখ ২৬ হাজার ৯১১, লালমেহন ২ লাখ ৭২ হাজার ৭২২, তজুমদ্দিন ১ লাখ ৭ হাজার ৮৪৭, চরফ্যাশন ৪ লাখ ৩০ হাজার ৪৫৭, মনপুরা ৬৭ হাজার ৭৮২ জন ভোটার রয়েছে। এ সকল ভোটারদের জন্য জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট দুটোতে ব্যালেট পেপার পাঠানো হয়েছে ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ৯১৬ টি।
এদিকে, বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হয় জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট পেপার পাঠানোর কার্যক্রম। জেলার নির্বাচন অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নৌবাহিনী ও পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ব্যালেট পেপারসহ নির্বাচনি বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জামাদি কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিটি উপজেলায় কভারভ্যান এর মাধ্যমে প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পাঠানো হয় এ ব্যালট পেপার।
এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন অফিসার মো. আব্দুল হাই আল হাদী জানান, কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ব্যালেট পেপার ও নির্বাচনি বিভিন্ন সরঞ্জামাদি পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করেছি।
পুলিশ ও নৌ বাহিনীর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কভারভ্যান এর মাধ্যমে এগুলো যাবে প্রতিটি উপজেলায়। এরপর নির্বাচনের আগের এখান থেকে তা প্রতিটি কেন্দ্রে যাবে।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০১
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখী ফুলের চাষ। কম খরচে অধিক ফলন ও লাভজনক হওয়ায় আলু এবং টমেটোর মতো প্রথাগত চাষাবাদ ছেড়ে সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। ভোজ্যতেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বিকল্প পদ্ধতিতে অধিক লাভের আশায় দিন দিন সূর্যমুখীর চাষ বাড়ছে বলে জানান কৃষক ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজ পাতার মাঝে হলুদ সূর্যমুখী ফুল শোভা ছড়াচ্ছে। প্রতিটি ফুল যেন সূর্যের আলোয় হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। হলুদ ফুল আর সবুজ গাছের এই সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে অপরূপ দৃশ্য। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো লাভের আশায় আছেন চাষিরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এবং কৃষি অফিসের পরামর্শে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সূর্যমুখীর চাষ শুরু হয়। এ বছর পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে ৩টি এবং তেল ফসল প্রকল্পের মাধ্যমে ১৫টি প্রদর্শনীসহ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলায় প্রায় ৮৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে।
লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮২ হেক্টর, অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ হেক্টর বেশি জমিতে চাষ হয়েছে। এ অঞ্চলে সাধারণত ‘প্রজাপতি’ জাতের সূর্যমুখীর চাষ হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
সোনাপুর ইউনিয়নের চরজহিরউদ্দিন গ্রামের চাষি মো. মামুন বলেন, আমি এ বছর ৩৩ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছি। আগে সরিষা চাষ করতাম, তবে গত কয়েক বছর ধরে সূর্যমুখী চাষ করছি। কারণ সরিষার তুলনায় সূর্যমুখী চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশি। তাই এখন অনেকেই সরিষা বাদ দিয়ে সূর্যমুখী চাষ করছেন।
আড়ালিয়া গ্রামের চাষি মেঘনাথ দাস বলেন, আমি গত তিন বছর ধরে সূর্যমুখী চাষ করছি। বিগত বছরগুলোতে যে পরিমাণ ফসল পেয়েছি, তা নিজেদের তেল ব্যবহারের পাশাপাশি বিক্রিও করেছি। কম খরচে অন্য ফসলের তুলনায় ভালো ফলন হওয়ায় এ বছর কৃষি অফিস থেকে বীজ সংগ্রহ করে প্রায় ৩০ শতাংশ জমিতে চাষ করেছি।
জমি চাষ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ৮ থেকে ৯ মণ ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই ফসল ঘরে তুলতে পারব বলে আশা করছি।
মেঘনাথ দাসের চাষাবাদ দেখে একই গ্রামের ভাস্কর চন্দ্র মজুমদার, জকির হোসেন, শ্যামল চন্দ্র দাসসহ অনেকেই সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হয়েছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম আসাদ বলেন, সূর্যমুখী একটি তেলজাতীয় ফসল, যা দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।
প্রণোদনার আওতায় কৃষকদের সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে। এ বছর উচ্চফলনশীল জাত ‘হাইব্রিড চ্যাম’ এবং ‘হাইসান-৩৬’ বেশি চাষ হয়েছে। সূর্যমুখী শুধু লাভজনকই নয়, এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখী ফুলের চাষ। কম খরচে অধিক ফলন ও লাভজনক হওয়ায় আলু এবং টমেটোর মতো প্রথাগত চাষাবাদ ছেড়ে সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। ভোজ্যতেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বিকল্প পদ্ধতিতে অধিক লাভের আশায় দিন দিন সূর্যমুখীর চাষ বাড়ছে বলে জানান কৃষক ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজ পাতার মাঝে হলুদ সূর্যমুখী ফুল শোভা ছড়াচ্ছে। প্রতিটি ফুল যেন সূর্যের আলোয় হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে। হলুদ ফুল আর সবুজ গাছের এই সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে অপরূপ দৃশ্য। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো লাভের আশায় আছেন চাষিরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এবং কৃষি অফিসের পরামর্শে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সূর্যমুখীর চাষ শুরু হয়। এ বছর পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে ৩টি এবং তেল ফসল প্রকল্পের মাধ্যমে ১৫টি প্রদর্শনীসহ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলায় প্রায় ৮৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে।
লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮২ হেক্টর, অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ হেক্টর বেশি জমিতে চাষ হয়েছে। এ অঞ্চলে সাধারণত ‘প্রজাপতি’ জাতের সূর্যমুখীর চাষ হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
সোনাপুর ইউনিয়নের চরজহিরউদ্দিন গ্রামের চাষি মো. মামুন বলেন, আমি এ বছর ৩৩ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছি। আগে সরিষা চাষ করতাম, তবে গত কয়েক বছর ধরে সূর্যমুখী চাষ করছি। কারণ সরিষার তুলনায় সূর্যমুখী চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশি। তাই এখন অনেকেই সরিষা বাদ দিয়ে সূর্যমুখী চাষ করছেন।
আড়ালিয়া গ্রামের চাষি মেঘনাথ দাস বলেন, আমি গত তিন বছর ধরে সূর্যমুখী চাষ করছি। বিগত বছরগুলোতে যে পরিমাণ ফসল পেয়েছি, তা নিজেদের তেল ব্যবহারের পাশাপাশি বিক্রিও করেছি। কম খরচে অন্য ফসলের তুলনায় ভালো ফলন হওয়ায় এ বছর কৃষি অফিস থেকে বীজ সংগ্রহ করে প্রায় ৩০ শতাংশ জমিতে চাষ করেছি।
জমি চাষ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ৮ থেকে ৯ মণ ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই ফসল ঘরে তুলতে পারব বলে আশা করছি।
মেঘনাথ দাসের চাষাবাদ দেখে একই গ্রামের ভাস্কর চন্দ্র মজুমদার, জকির হোসেন, শ্যামল চন্দ্র দাসসহ অনেকেই সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হয়েছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম আসাদ বলেন, সূর্যমুখী একটি তেলজাতীয় ফসল, যা দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।
প্রণোদনার আওতায় কৃষকদের সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে। এ বছর উচ্চফলনশীল জাত ‘হাইব্রিড চ্যাম’ এবং ‘হাইসান-৩৬’ বেশি চাষ হয়েছে। সূর্যমুখী শুধু লাভজনকই নয়, এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৯
ভোলার বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই ঘটনায় দুই ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত সদর উপজেলার খেয়াঘাট এলাকার বিসিক শিল্পনগরীতে খান ফ্লাওয়ার মিলস ও তৃষ্ণা বেকারিতে এই অভিযান চালানো হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন। অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সবাই সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে অবৈধ মজুত রোধে দেশজুড়ে অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রথমে খান ফ্লাওয়ার মিলসে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. জামাল হোসেনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সরেজমিনে দেখা যায়, মিলের সামনে একটি গুদামে কয়েকটি প্লাস্টিকের ড্রামে ডিজেল সংরক্ষণ করা ছিল। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মজুত রাখা ডিজেলসহ গুদামটি সিলগালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযান পরিচালনাকারীরা সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
খান ফ্লাওয়ার মিলসের মালিক মো. জামাল হোসেন দাবি করেন, তাঁর কারখানায় রাখা ডিজেল বৈধ। তিনি বলেন, কারখানা ও যানবাহনে ব্যবহারের জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে তেল সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে এ সময় তিনি জেলা প্রশাসনের কোনো লিখিত অনুমতি দেখাতে পারেননি।
পরে রাত সাড়ে ১১টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত পাশের তৃষ্ণা বেকারিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত রাখা আরও ২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় বেকারির মালিক মো. এনামুল হক জুয়েলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। অভিযানে থানা-পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, তেল বিক্রির লাইসেন্স না থাকায় দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়েছে।’
ভোলার বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই ঘটনায় দুই ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত সদর উপজেলার খেয়াঘাট এলাকার বিসিক শিল্পনগরীতে খান ফ্লাওয়ার মিলস ও তৃষ্ণা বেকারিতে এই অভিযান চালানো হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন। অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সবাই সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে অবৈধ মজুত রোধে দেশজুড়ে অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে বিসিক শিল্পনগরীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রথমে খান ফ্লাওয়ার মিলসে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. জামাল হোসেনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সরেজমিনে দেখা যায়, মিলের সামনে একটি গুদামে কয়েকটি প্লাস্টিকের ড্রামে ডিজেল সংরক্ষণ করা ছিল। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মজুত রাখা ডিজেলসহ গুদামটি সিলগালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান শেষে ফেরার পথে মিলের কিছু শ্রমিক ইট ও বালুর বস্তা ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে রাত ১১টা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশসহ অভিযান পরিচালনাকারীরা সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
খান ফ্লাওয়ার মিলসের মালিক মো. জামাল হোসেন দাবি করেন, তাঁর কারখানায় রাখা ডিজেল বৈধ। তিনি বলেন, কারখানা ও যানবাহনে ব্যবহারের জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে তেল সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে এ সময় তিনি জেলা প্রশাসনের কোনো লিখিত অনুমতি দেখাতে পারেননি।
পরে রাত সাড়ে ১১টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত পাশের তৃষ্ণা বেকারিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত রাখা আরও ২ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এ সময় বেকারির মালিক মো. এনামুল হক জুয়েলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। অভিযানে থানা-পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, তেল বিক্রির লাইসেন্স না থাকায় দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অবৈধভাবে মজুত করা ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়েছে।’

২৯ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১
সারা দেশের সাথে একযোগে ভোলার তজুমদ্দিনে ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি চালু করে সরকার।
রবিবার বেলা ১১ টায় চাঁদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম। চাঁদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জোসেব মিয়ার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রিয়াজুল আলম, সাবেক প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আতিকুল ইসলাম, গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক আজাদ হোসেন, তজুমদ্দিনের এরিয়া ম্যানেজার মোঃ বশির আহমেদসহ শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের অপুষ্টি দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়বে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে। উদ্বোধনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করা হয়।
শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। গণপ্রহাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এ কর্মসূচী মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ণ করছেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা।
গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক আজাদ হোসেন জানান, তার সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা দেশের বিভিন্ন জেলায় মোট ২২ উপজেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ণ করছে তার মধ্যে ভোলাতে ৪টি উপজেলায় বাস্তবায়ণ করছে।
উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যার লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের পুষ্টি উন্নয়ন ও ঝরে পড়া রোধ করা। ছবি ক্যাপশন ঃ তজুমদ্দিনে ১১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। হেলাল
সারা দেশের সাথে একযোগে ভোলার তজুমদ্দিনে ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি চালু করে সরকার।
রবিবার বেলা ১১ টায় চাঁদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম। চাঁদপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জোসেব মিয়ার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রিয়াজুল আলম, সাবেক প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আতিকুল ইসলাম, গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক আজাদ হোসেন, তজুমদ্দিনের এরিয়া ম্যানেজার মোঃ বশির আহমেদসহ শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের অপুষ্টি দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়বে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে। উদ্বোধনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করা হয়।
শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। গণপ্রহাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এ কর্মসূচী মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ণ করছেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা।
গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক আজাদ হোসেন জানান, তার সংস্থা গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা দেশের বিভিন্ন জেলায় মোট ২২ উপজেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ণ করছে তার মধ্যে ভোলাতে ৪টি উপজেলায় বাস্তবায়ণ করছে।
উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যার লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের পুষ্টি উন্নয়ন ও ঝরে পড়া রোধ করা। ছবি ক্যাপশন ঃ তজুমদ্দিনে ১১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। হেলাল
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.