
২৭ মে, ২০২৫ ১৬:২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চার দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। এ সফরে তিনি ৩০তম নিক্কেই ফোরামে যোগদান এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার সঙ্গে বৈঠক করবেন।
গতকাল সোমবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী এই সফরের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
সচিব বলেন, সফরে বিনিয়োগ, জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতার সাতটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে।
তিনি বলেন, বাজেট সহায়তা প্রদান এবং জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী রেলপথকে ডুয়েল-গেজ ডাবল-ট্র্যাকে উন্নীত করার বিষয়ে নোট বিনিময় করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেছেন, সফরসূচি অনুযায়ী প্রধান উপদেষ্টা মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টা ১০ মিনিটে ক্যাথে প্যাসিফিকের একটি ফ্লাইটে হংকং হয়ে টোকিওর উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন।
স্থানীয় সময় বুধবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে তিনি নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সেখানে জাপানের প্রটোকল প্রধান, ঊর্ধ্বতন জাপানি কর্মকর্তা এবং জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মানে অভ্যর্থনা জানাবেন।
টোকিওতে পৌঁছানোর পর প্রধান উপদেষ্টা বিকেল ৫টায় জাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ লীগের প্রেসিডেন্ট তারো আসোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
সন্ধ্যায় অধ্যাপক ইউনূস তার সম্মানে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়া আয়োজিত এক নৈশভোজে যোগ দেবেন। এরপর জাপানের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা করবেন।
নিক্কেই ফোরামের আগে ২৯ মে নিক্কেই ইনকর্পোরেটেডের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
এরপর তিনি ৩০তম নিক্কেই ফোরাম: এশিয়ার ভবিষ্যৎ-এর উদ্বোধনী পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে মূল বক্তৃতা দেবেন। সেখানে তিনি ‘অশান্ত বিশ্বে এশিয়ার চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক বক্তব্য দেবেন।
ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, প্রধান উপদেষ্টার তার ভাষণে আরও টেকসই ও ন্যায়সঙ্গত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য এশিয়ান দেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগিতামূলক পদক্ষেপের ওপর জোর দেবেন।
ফোরামে উচ্চপদস্থ অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থাকবেন লাওস ও পালাউয়ের প্রেসিডেন্ট, জাপান ও কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ভিয়েতনাম ও সিঙ্গাপুরের উপ-প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, নীতি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা।
দিনের শেষে প্রধান উপদেষ্টা টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত একটি মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সেমিনারে যোগ দিবেন। সেমিনারে ৩০০ জনেরও বেশি অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি জাপানের দক্ষ কর্মীবাহিনীর চাহিদা পূরণে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনা তুলে ধরে একটি বিশেষ ভাষণ দেবেন।
অধ্যাপক ইউনূস জাপানের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন, যাদের মধ্যে জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকোও থাকবেন। সেখানে বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন সহযোগিতা এবং জাইকার অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে।
তিনি জাপানের শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া হাউস, যেমন-নিক্কেই, এনএইচকে, আসাহি শিম্বুন, আসাহি টিভি এবং নিপ্পন টিভিকে একান্ত সাক্ষাৎকারও দেবেন।
২৯ মে সন্ধ্যায় তিনি সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিশিষ্ট বক্তাদের সম্মানে নিক্কেই ফোরাম আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দেবেন।
সফরের উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে ৩০ মে সকালে টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার মধ্যে আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক।
বৈঠকের আগে অধ্যাপক ইউনূসকে লাল গালিচা সংবর্ধনা এবং গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে।
ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি সহযোগিতা, মানবসম্পদ এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিস্তৃত কৌশলগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টা জাপানের বৃহত্তম সংবাদপত্র ইয়োমিউরি শিম্বুনকে একান্ত সাক্ষাতকারও দেবেন।
দিন শেষে ড. ইউনূস দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করতে জেট্রোর প্রেসিডেন্ট কিমুরা ফুকুনারির সঙ্গে বৈঠক করবেন।
তিনি জাপানি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে একটি গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন এবং ‘বাংলাদেশ বিজনেস সেমিনার’-এ যোগ দেবেন। সেখানে তিনি বিশ্বব্যাপী সিইও, সামাজিক ব্যবসা সার্কেলের সদস্য ও উভয় দেশের তরুণ পেশাদারদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
সামাজিক উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সোকা বিশ্ববিদ্যালয় বিকেলে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করবে। তিনি সেখানে বিশিষ্ট দর্শক-শ্রোতাদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।
সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত একটি কমিউনিটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখানে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে কথা বলবেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ হাউসে জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেবেন।
প্রধান উপদেষ্টা তার সফর শেষ করে ৩১ মে সকালে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে টোকিও ত্যাগ করবেন এবং সিঙ্গাপুর হয়ে ওই রাতেই ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চার দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। এ সফরে তিনি ৩০তম নিক্কেই ফোরামে যোগদান এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার সঙ্গে বৈঠক করবেন।
গতকাল সোমবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী এই সফরের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
সচিব বলেন, সফরে বিনিয়োগ, জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতার সাতটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে।
তিনি বলেন, বাজেট সহায়তা প্রদান এবং জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী রেলপথকে ডুয়েল-গেজ ডাবল-ট্র্যাকে উন্নীত করার বিষয়ে নোট বিনিময় করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেছেন, সফরসূচি অনুযায়ী প্রধান উপদেষ্টা মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টা ১০ মিনিটে ক্যাথে প্যাসিফিকের একটি ফ্লাইটে হংকং হয়ে টোকিওর উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন।
স্থানীয় সময় বুধবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে তিনি নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সেখানে জাপানের প্রটোকল প্রধান, ঊর্ধ্বতন জাপানি কর্মকর্তা এবং জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মানে অভ্যর্থনা জানাবেন।
টোকিওতে পৌঁছানোর পর প্রধান উপদেষ্টা বিকেল ৫টায় জাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ লীগের প্রেসিডেন্ট তারো আসোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
সন্ধ্যায় অধ্যাপক ইউনূস তার সম্মানে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়া আয়োজিত এক নৈশভোজে যোগ দেবেন। এরপর জাপানের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা করবেন।
নিক্কেই ফোরামের আগে ২৯ মে নিক্কেই ইনকর্পোরেটেডের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
এরপর তিনি ৩০তম নিক্কেই ফোরাম: এশিয়ার ভবিষ্যৎ-এর উদ্বোধনী পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে মূল বক্তৃতা দেবেন। সেখানে তিনি ‘অশান্ত বিশ্বে এশিয়ার চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক বক্তব্য দেবেন।
ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, প্রধান উপদেষ্টার তার ভাষণে আরও টেকসই ও ন্যায়সঙ্গত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য এশিয়ান দেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগিতামূলক পদক্ষেপের ওপর জোর দেবেন।
ফোরামে উচ্চপদস্থ অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থাকবেন লাওস ও পালাউয়ের প্রেসিডেন্ট, জাপান ও কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ভিয়েতনাম ও সিঙ্গাপুরের উপ-প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, নীতি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা।
দিনের শেষে প্রধান উপদেষ্টা টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত একটি মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সেমিনারে যোগ দিবেন। সেমিনারে ৩০০ জনেরও বেশি অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি জাপানের দক্ষ কর্মীবাহিনীর চাহিদা পূরণে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনা তুলে ধরে একটি বিশেষ ভাষণ দেবেন।
অধ্যাপক ইউনূস জাপানের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন, যাদের মধ্যে জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকোও থাকবেন। সেখানে বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন সহযোগিতা এবং জাইকার অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে।
তিনি জাপানের শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া হাউস, যেমন-নিক্কেই, এনএইচকে, আসাহি শিম্বুন, আসাহি টিভি এবং নিপ্পন টিভিকে একান্ত সাক্ষাৎকারও দেবেন।
২৯ মে সন্ধ্যায় তিনি সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিশিষ্ট বক্তাদের সম্মানে নিক্কেই ফোরাম আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দেবেন।
সফরের উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে ৩০ মে সকালে টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার মধ্যে আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক।
বৈঠকের আগে অধ্যাপক ইউনূসকে লাল গালিচা সংবর্ধনা এবং গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে।
ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি সহযোগিতা, মানবসম্পদ এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিস্তৃত কৌশলগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টা জাপানের বৃহত্তম সংবাদপত্র ইয়োমিউরি শিম্বুনকে একান্ত সাক্ষাতকারও দেবেন।
দিন শেষে ড. ইউনূস দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করতে জেট্রোর প্রেসিডেন্ট কিমুরা ফুকুনারির সঙ্গে বৈঠক করবেন।
তিনি জাপানি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে একটি গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন এবং ‘বাংলাদেশ বিজনেস সেমিনার’-এ যোগ দেবেন। সেখানে তিনি বিশ্বব্যাপী সিইও, সামাজিক ব্যবসা সার্কেলের সদস্য ও উভয় দেশের তরুণ পেশাদারদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
সামাজিক উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সোকা বিশ্ববিদ্যালয় বিকেলে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করবে। তিনি সেখানে বিশিষ্ট দর্শক-শ্রোতাদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।
সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত একটি কমিউনিটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখানে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে কথা বলবেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ হাউসে জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেবেন।
প্রধান উপদেষ্টা তার সফর শেষ করে ৩১ মে সকালে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে টোকিও ত্যাগ করবেন এবং সিঙ্গাপুর হয়ে ওই রাতেই ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

০৬ জুন, ২০২৬ ১৫:৩০
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

০৬ জুন, ২০২৬ ১৪:২৬
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চুরি ও অর্থপাচারের কারণেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়ে চাপে জনগণ বলে অভিযোগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
শনিবার (০৬ জুন) সকালে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ে আয়োজিত জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আগের সরকারের সময়ে যে চুরি ও অর্থপাচার হয়েছে, তার আর্থিক বোঝা বর্তমান সরকারকেও বহন করতে হচ্ছে।
তবে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব থেকে দেশের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষকে সুরক্ষা দিতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্নীতির চক্র থেকে পুরোপুরি বের হয়ে আসা সহজ নয় এবং এ প্রক্রিয়ায় সময় লাগবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করলেও সরকারের অনুরোধে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করে শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করা হয়েছে। অর্থাৎ এসব গ্রাহককে অতিরিক্ত কোনো মূল্য পরিশোধ করতে হবে না।
তিনি আরও বলেন, একই বিবেচনায় অকটেন ও পেট্রোলের দাম বাড়ানো হলেও ডিজেলের মূল্য দ্বিতীয় দফায় বাড়ানো হয়নি। ডা. জাহেদ অভিযোগ করেন, অতীতে কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে দেশের বিদ্যুৎ খাতকে আমদানিনির্ভর করে রাখা হয়েছিল, যার প্রভাব এখনো অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে বিদ্যমান।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৬:১৮
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী কারাগারে থাকার সময় নিয়মিত গানের আসর বসতো, আর সেই আসরের প্রধান শিল্পী ছিলেন সংগীতশিল্পী ও সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর নিজ বাসভবনে জেলজীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরতে গিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছেন আইভী।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে স্কুলজীবনের কয়েকজন পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে আলাপকালে আইভী জানান, কারাগারে প্রায়ই সাংস্কৃতিক পরিবেশে সময় কাটতো। সেখানে মমতাজ বেগম বিভিন্ন গান পরিবেশন করতেন এবং বন্দিদের মন ভালো রাখার চেষ্টা করতেন।
তবে একটি নির্দিষ্ট গান গাইতে মমতাজকে বারণ করেছিলেন আইভী। ‘আমার ভাইয়েরে কইও নাইওর আনতো গিয়া’ গানটি শুনলেই তার মনে পড়ে যেত সদ্যপ্রয়াত ছোট ভাই আহমদ আলী রেজা রিপনের কথা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান রিপন। এরপর এক মাসের ব্যবধানে গ্রেফতার হন আইভী।
আইভী জানান, ভাইয়ের মৃত্যুর স্মৃতি এতটাই তীব্র ছিল যে ওই গান শুনলেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়তেন। তাই তিনি মমতাজকে বলেছিলেন, কারামুক্তির দিন চাইলে গানটি গাইতে পারবেন। কাকতালীয়ভাবে তার মুক্তির দিন বিকেলেই কারাগারের গানের আসরে মমতাজ সেই গানটি পরিবেশন করেন। তখনও আইভী জানতেন না, কয়েক ঘণ্টা পরই তিনি মুক্তি পেতে যাচ্ছেন।
জেলজীবনে তিনি একটি কবিতাও লিখেছেন বলে জানা গেছে। সেই কবিতায় সুর দিয়েছেন মমতাজ বেগম। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, উপযুক্ত সময়ে গানটি জনসমক্ষে পরিবেশন করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কবিতা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইভী হেসে বলেন, ‘আমি আবার কী কবিতা লিখি! খুব সাধারণ কিছু লেখা। মমতাজ আপা গুণী শিল্পী বলেই সেটাকে গান বানানোর চেষ্টা করেছেন।’
এদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আইভীর বাসভবনে দেখা করতে যান সাবেক নারী কাউন্সিলর মিনুয়ারা বেগমসহ কয়েকজন নেতাকর্মী। তাদের সঙ্গে আলাপচারিতার এক পর্যায়ে ছোট ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আইভী। একসময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চুরি ও অর্থপাচারের কারণেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়ে চাপে জনগণ বলে অভিযোগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
শনিবার (০৬ জুন) সকালে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ে আয়োজিত জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আগের সরকারের সময়ে যে চুরি ও অর্থপাচার হয়েছে, তার আর্থিক বোঝা বর্তমান সরকারকেও বহন করতে হচ্ছে।
তবে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব থেকে দেশের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষকে সুরক্ষা দিতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্নীতির চক্র থেকে পুরোপুরি বের হয়ে আসা সহজ নয় এবং এ প্রক্রিয়ায় সময় লাগবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করলেও সরকারের অনুরোধে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করে শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করা হয়েছে। অর্থাৎ এসব গ্রাহককে অতিরিক্ত কোনো মূল্য পরিশোধ করতে হবে না।
তিনি আরও বলেন, একই বিবেচনায় অকটেন ও পেট্রোলের দাম বাড়ানো হলেও ডিজেলের মূল্য দ্বিতীয় দফায় বাড়ানো হয়নি। ডা. জাহেদ অভিযোগ করেন, অতীতে কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে দেশের বিদ্যুৎ খাতকে আমদানিনির্ভর করে রাখা হয়েছিল, যার প্রভাব এখনো অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে বিদ্যমান।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী কারাগারে থাকার সময় নিয়মিত গানের আসর বসতো, আর সেই আসরের প্রধান শিল্পী ছিলেন সংগীতশিল্পী ও সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর নিজ বাসভবনে জেলজীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরতে গিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছেন আইভী।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে স্কুলজীবনের কয়েকজন পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে আলাপকালে আইভী জানান, কারাগারে প্রায়ই সাংস্কৃতিক পরিবেশে সময় কাটতো। সেখানে মমতাজ বেগম বিভিন্ন গান পরিবেশন করতেন এবং বন্দিদের মন ভালো রাখার চেষ্টা করতেন।
তবে একটি নির্দিষ্ট গান গাইতে মমতাজকে বারণ করেছিলেন আইভী। ‘আমার ভাইয়েরে কইও নাইওর আনতো গিয়া’ গানটি শুনলেই তার মনে পড়ে যেত সদ্যপ্রয়াত ছোট ভাই আহমদ আলী রেজা রিপনের কথা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান রিপন। এরপর এক মাসের ব্যবধানে গ্রেফতার হন আইভী।
আইভী জানান, ভাইয়ের মৃত্যুর স্মৃতি এতটাই তীব্র ছিল যে ওই গান শুনলেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়তেন। তাই তিনি মমতাজকে বলেছিলেন, কারামুক্তির দিন চাইলে গানটি গাইতে পারবেন। কাকতালীয়ভাবে তার মুক্তির দিন বিকেলেই কারাগারের গানের আসরে মমতাজ সেই গানটি পরিবেশন করেন। তখনও আইভী জানতেন না, কয়েক ঘণ্টা পরই তিনি মুক্তি পেতে যাচ্ছেন।
জেলজীবনে তিনি একটি কবিতাও লিখেছেন বলে জানা গেছে। সেই কবিতায় সুর দিয়েছেন মমতাজ বেগম। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, উপযুক্ত সময়ে গানটি জনসমক্ষে পরিবেশন করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কবিতা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইভী হেসে বলেন, ‘আমি আবার কী কবিতা লিখি! খুব সাধারণ কিছু লেখা। মমতাজ আপা গুণী শিল্পী বলেই সেটাকে গান বানানোর চেষ্টা করেছেন।’
এদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আইভীর বাসভবনে দেখা করতে যান সাবেক নারী কাউন্সিলর মিনুয়ারা বেগমসহ কয়েকজন নেতাকর্মী। তাদের সঙ্গে আলাপচারিতার এক পর্যায়ে ছোট ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আইভী। একসময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
বরিশাল টাইমস