
২৭ মে, ২০২৫ ১৬:২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চার দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। এ সফরে তিনি ৩০তম নিক্কেই ফোরামে যোগদান এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার সঙ্গে বৈঠক করবেন।
গতকাল সোমবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী এই সফরের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
সচিব বলেন, সফরে বিনিয়োগ, জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতার সাতটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে।
তিনি বলেন, বাজেট সহায়তা প্রদান এবং জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী রেলপথকে ডুয়েল-গেজ ডাবল-ট্র্যাকে উন্নীত করার বিষয়ে নোট বিনিময় করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেছেন, সফরসূচি অনুযায়ী প্রধান উপদেষ্টা মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টা ১০ মিনিটে ক্যাথে প্যাসিফিকের একটি ফ্লাইটে হংকং হয়ে টোকিওর উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন।
স্থানীয় সময় বুধবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে তিনি নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সেখানে জাপানের প্রটোকল প্রধান, ঊর্ধ্বতন জাপানি কর্মকর্তা এবং জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মানে অভ্যর্থনা জানাবেন।
টোকিওতে পৌঁছানোর পর প্রধান উপদেষ্টা বিকেল ৫টায় জাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ লীগের প্রেসিডেন্ট তারো আসোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
সন্ধ্যায় অধ্যাপক ইউনূস তার সম্মানে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়া আয়োজিত এক নৈশভোজে যোগ দেবেন। এরপর জাপানের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা করবেন।
নিক্কেই ফোরামের আগে ২৯ মে নিক্কেই ইনকর্পোরেটেডের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
এরপর তিনি ৩০তম নিক্কেই ফোরাম: এশিয়ার ভবিষ্যৎ-এর উদ্বোধনী পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে মূল বক্তৃতা দেবেন। সেখানে তিনি ‘অশান্ত বিশ্বে এশিয়ার চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক বক্তব্য দেবেন।
ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, প্রধান উপদেষ্টার তার ভাষণে আরও টেকসই ও ন্যায়সঙ্গত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য এশিয়ান দেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগিতামূলক পদক্ষেপের ওপর জোর দেবেন।
ফোরামে উচ্চপদস্থ অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থাকবেন লাওস ও পালাউয়ের প্রেসিডেন্ট, জাপান ও কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ভিয়েতনাম ও সিঙ্গাপুরের উপ-প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, নীতি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা।
দিনের শেষে প্রধান উপদেষ্টা টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত একটি মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সেমিনারে যোগ দিবেন। সেমিনারে ৩০০ জনেরও বেশি অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি জাপানের দক্ষ কর্মীবাহিনীর চাহিদা পূরণে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনা তুলে ধরে একটি বিশেষ ভাষণ দেবেন।
অধ্যাপক ইউনূস জাপানের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন, যাদের মধ্যে জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকোও থাকবেন। সেখানে বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন সহযোগিতা এবং জাইকার অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে।
তিনি জাপানের শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া হাউস, যেমন-নিক্কেই, এনএইচকে, আসাহি শিম্বুন, আসাহি টিভি এবং নিপ্পন টিভিকে একান্ত সাক্ষাৎকারও দেবেন।
২৯ মে সন্ধ্যায় তিনি সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিশিষ্ট বক্তাদের সম্মানে নিক্কেই ফোরাম আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দেবেন।
সফরের উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে ৩০ মে সকালে টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার মধ্যে আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক।
বৈঠকের আগে অধ্যাপক ইউনূসকে লাল গালিচা সংবর্ধনা এবং গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে।
ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি সহযোগিতা, মানবসম্পদ এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিস্তৃত কৌশলগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টা জাপানের বৃহত্তম সংবাদপত্র ইয়োমিউরি শিম্বুনকে একান্ত সাক্ষাতকারও দেবেন।
দিন শেষে ড. ইউনূস দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করতে জেট্রোর প্রেসিডেন্ট কিমুরা ফুকুনারির সঙ্গে বৈঠক করবেন।
তিনি জাপানি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে একটি গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন এবং ‘বাংলাদেশ বিজনেস সেমিনার’-এ যোগ দেবেন। সেখানে তিনি বিশ্বব্যাপী সিইও, সামাজিক ব্যবসা সার্কেলের সদস্য ও উভয় দেশের তরুণ পেশাদারদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
সামাজিক উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সোকা বিশ্ববিদ্যালয় বিকেলে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করবে। তিনি সেখানে বিশিষ্ট দর্শক-শ্রোতাদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।
সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত একটি কমিউনিটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখানে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে কথা বলবেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ হাউসে জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেবেন।
প্রধান উপদেষ্টা তার সফর শেষ করে ৩১ মে সকালে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে টোকিও ত্যাগ করবেন এবং সিঙ্গাপুর হয়ে ওই রাতেই ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চার দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। এ সফরে তিনি ৩০তম নিক্কেই ফোরামে যোগদান এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার সঙ্গে বৈঠক করবেন।
গতকাল সোমবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী এই সফরের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
সচিব বলেন, সফরে বিনিয়োগ, জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতার সাতটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে।
তিনি বলেন, বাজেট সহায়তা প্রদান এবং জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী রেলপথকে ডুয়েল-গেজ ডাবল-ট্র্যাকে উন্নীত করার বিষয়ে নোট বিনিময় করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেছেন, সফরসূচি অনুযায়ী প্রধান উপদেষ্টা মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টা ১০ মিনিটে ক্যাথে প্যাসিফিকের একটি ফ্লাইটে হংকং হয়ে টোকিওর উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন।
স্থানীয় সময় বুধবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে তিনি নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সেখানে জাপানের প্রটোকল প্রধান, ঊর্ধ্বতন জাপানি কর্মকর্তা এবং জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মানে অভ্যর্থনা জানাবেন।
টোকিওতে পৌঁছানোর পর প্রধান উপদেষ্টা বিকেল ৫টায় জাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ লীগের প্রেসিডেন্ট তারো আসোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
সন্ধ্যায় অধ্যাপক ইউনূস তার সম্মানে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়া আয়োজিত এক নৈশভোজে যোগ দেবেন। এরপর জাপানের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা করবেন।
নিক্কেই ফোরামের আগে ২৯ মে নিক্কেই ইনকর্পোরেটেডের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
এরপর তিনি ৩০তম নিক্কেই ফোরাম: এশিয়ার ভবিষ্যৎ-এর উদ্বোধনী পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে মূল বক্তৃতা দেবেন। সেখানে তিনি ‘অশান্ত বিশ্বে এশিয়ার চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক বক্তব্য দেবেন।
ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, প্রধান উপদেষ্টার তার ভাষণে আরও টেকসই ও ন্যায়সঙ্গত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য এশিয়ান দেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগিতামূলক পদক্ষেপের ওপর জোর দেবেন।
ফোরামে উচ্চপদস্থ অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থাকবেন লাওস ও পালাউয়ের প্রেসিডেন্ট, জাপান ও কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ভিয়েতনাম ও সিঙ্গাপুরের উপ-প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, নীতি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা।
দিনের শেষে প্রধান উপদেষ্টা টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত একটি মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সেমিনারে যোগ দিবেন। সেমিনারে ৩০০ জনেরও বেশি অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি জাপানের দক্ষ কর্মীবাহিনীর চাহিদা পূরণে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনা তুলে ধরে একটি বিশেষ ভাষণ দেবেন।
অধ্যাপক ইউনূস জাপানের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন, যাদের মধ্যে জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকোও থাকবেন। সেখানে বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন সহযোগিতা এবং জাইকার অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে।
তিনি জাপানের শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া হাউস, যেমন-নিক্কেই, এনএইচকে, আসাহি শিম্বুন, আসাহি টিভি এবং নিপ্পন টিভিকে একান্ত সাক্ষাৎকারও দেবেন।
২৯ মে সন্ধ্যায় তিনি সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিশিষ্ট বক্তাদের সম্মানে নিক্কেই ফোরাম আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দেবেন।
সফরের উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে ৩০ মে সকালে টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার মধ্যে আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক।
বৈঠকের আগে অধ্যাপক ইউনূসকে লাল গালিচা সংবর্ধনা এবং গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে।
ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি সহযোগিতা, মানবসম্পদ এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিস্তৃত কৌশলগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টা জাপানের বৃহত্তম সংবাদপত্র ইয়োমিউরি শিম্বুনকে একান্ত সাক্ষাতকারও দেবেন।
দিন শেষে ড. ইউনূস দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করতে জেট্রোর প্রেসিডেন্ট কিমুরা ফুকুনারির সঙ্গে বৈঠক করবেন।
তিনি জাপানি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে একটি গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন এবং ‘বাংলাদেশ বিজনেস সেমিনার’-এ যোগ দেবেন। সেখানে তিনি বিশ্বব্যাপী সিইও, সামাজিক ব্যবসা সার্কেলের সদস্য ও উভয় দেশের তরুণ পেশাদারদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
সামাজিক উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সোকা বিশ্ববিদ্যালয় বিকেলে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করবে। তিনি সেখানে বিশিষ্ট দর্শক-শ্রোতাদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।
সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত একটি কমিউনিটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখানে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে কথা বলবেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ হাউসে জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেবেন।
প্রধান উপদেষ্টা তার সফর শেষ করে ৩১ মে সকালে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে টোকিও ত্যাগ করবেন এবং সিঙ্গাপুর হয়ে ওই রাতেই ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষ নেবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ বাংলাদেশের জনগণের সিদ্ধান্ত। জনগণ যে সরকার নির্বাচিত করবে, তাদের সঙ্গেই কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এসব কথা বলেন।
এর আগে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না। এই নির্বাচনের ফল কী হবে, তা নির্ধারণ করবেন কেবল বাংলাদেশের জনগণ।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যে সরকারকে নির্বাচিত করবে, আমরা তাদের সঙ্গেই ভবিষ্যতে কাজ করতে প্রস্তুত। নির্বাচন প্রস্তুতি প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশন কীভাবে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, সে বিষয়ে সিইসি তাকে বিস্তারিত অবহিত করেন। এ তথ্যগুলো নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট বলেও জানান।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে তার নিশ্চিতকরণ শুনানির সময় থেকেই তিনি বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আগ্রহী ছিলেন। বলেন, আমি নির্বাচনের দিনটির দিকে তাকিয়ে আছি এবং এর ফলাফল দেখার অপেক্ষায়।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি জানতে পেরেছেন যে নির্বাচনকে একটি উৎসবমুখর দিনে পরিণত করার প্রত্যাশা রয়েছে। আমিও আশা করি, এটি একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হবে, যেখানে বাংলাদেশের জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে। তবে এ সময় জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন কোনো প্রশ্ন নেবেন না জানিয়ে ‘সরি’ বলে চলে যান।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষ নেবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ বাংলাদেশের জনগণের সিদ্ধান্ত। জনগণ যে সরকার নির্বাচিত করবে, তাদের সঙ্গেই কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এসব কথা বলেন।
এর আগে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না। এই নির্বাচনের ফল কী হবে, তা নির্ধারণ করবেন কেবল বাংলাদেশের জনগণ।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যে সরকারকে নির্বাচিত করবে, আমরা তাদের সঙ্গেই ভবিষ্যতে কাজ করতে প্রস্তুত। নির্বাচন প্রস্তুতি প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশন কীভাবে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, সে বিষয়ে সিইসি তাকে বিস্তারিত অবহিত করেন। এ তথ্যগুলো নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট বলেও জানান।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে তার নিশ্চিতকরণ শুনানির সময় থেকেই তিনি বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আগ্রহী ছিলেন। বলেন, আমি নির্বাচনের দিনটির দিকে তাকিয়ে আছি এবং এর ফলাফল দেখার অপেক্ষায়।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি জানতে পেরেছেন যে নির্বাচনকে একটি উৎসবমুখর দিনে পরিণত করার প্রত্যাশা রয়েছে। আমিও আশা করি, এটি একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হবে, যেখানে বাংলাদেশের জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে। তবে এ সময় জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন কোনো প্রশ্ন নেবেন না জানিয়ে ‘সরি’ বলে চলে যান।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৪
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের দিন এবং এর আগে-পরে নির্দিষ্ট কিছু যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির সিদ্ধান্ত অনুসারে, ভোটগ্রহণের দিন ট্রাক, মাইক্রোবাস ও ট্যাক্সি ক্যাবসহ চার ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর তিন দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন পরিচালনা অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এক চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টা ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। অন্যদিকে ১০ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা বা তিনদিন মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
জরুরি সেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে; আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসন। অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সংবাদপত্রের গাড়ি।
জরুরি সেবা যেমন—ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত যানবাহন। বিমানবন্দরে যাওয়া-আসা করার যাত্রী বা আত্মীয়স্বজনের গাড়ি (টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে)।
দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনি এজেন্টের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে একটি গাড়ি (জিপ/কার/মাইক্রোবাস)। টেলিযোগাযোগ সেবায় নিয়োজিত বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এবং আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এছাড়া স্থানীয় বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা চাইলে আরও কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবেন বা শিথিল করতে পারবেন।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের দিন এবং এর আগে-পরে নির্দিষ্ট কিছু যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির সিদ্ধান্ত অনুসারে, ভোটগ্রহণের দিন ট্রাক, মাইক্রোবাস ও ট্যাক্সি ক্যাবসহ চার ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর তিন দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন পরিচালনা অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এক চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টা ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। অন্যদিকে ১০ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা বা তিনদিন মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
জরুরি সেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে; আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসন। অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সংবাদপত্রের গাড়ি।
জরুরি সেবা যেমন—ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত যানবাহন। বিমানবন্দরে যাওয়া-আসা করার যাত্রী বা আত্মীয়স্বজনের গাড়ি (টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে)।
দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনি এজেন্টের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে একটি গাড়ি (জিপ/কার/মাইক্রোবাস)। টেলিযোগাযোগ সেবায় নিয়োজিত বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এবং আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এছাড়া স্থানীয় বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা চাইলে আরও কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবেন বা শিথিল করতে পারবেন।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৯
রমজান মাসকে সামনে রেখে সরকার প্রায় ১৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এক কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল কিনবে বলে জানা গেছে।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে দেশের ২টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল প্যাকেজের ১০টি লটের ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮৫ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
সুপার অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৯২ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি লিটারের দাম পড়বে ১৮৫ টাকা ৯৫ পয়সা।
এছাড়া শবনম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড থেকে টিসিবির জন্য আরো ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনা হবে । এতে মোট ব্যয় হবে ৯২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। প্রতি লিটারের দাম পড়বে ১৮৫ টাকা ৯০ পয়সা। সভায় সয়াবিন তেল ছাড়াও সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।
রমজান মাসকে সামনে রেখে সরকার প্রায় ১৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এক কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল কিনবে বলে জানা গেছে।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে দেশের ২টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল প্যাকেজের ১০টি লটের ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮৫ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
সুপার অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৯২ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি লিটারের দাম পড়বে ১৮৫ টাকা ৯৫ পয়সা।
এছাড়া শবনম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড থেকে টিসিবির জন্য আরো ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনা হবে । এতে মোট ব্যয় হবে ৯২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। প্রতি লিটারের দাম পড়বে ১৮৫ টাকা ৯০ পয়সা। সভায় সয়াবিন তেল ছাড়াও সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৯
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫১