
১১ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:২০
তবে নৌযানটি ‘পর্যটক সার্ভিস’ হিসেবে বাণিজ্যিক পরিচালনে যুক্ত হচ্ছে ২১ নভেম্বর থেকে। সিদ্ধান্তনুযায়ী প্রতি শুক্রবার ঢাকা থেকে সকাল সাড়ে ৮টায় ছেড়ে পিএস মাসুদ বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে বরিশালে পৌছবে। আবার প্রতি শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বরিশাল থেকে ছেড়ে সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকায় পৌছার কথা রয়েছে।
১৮৭৪ সালে বাষ্পীয় প্যাডেল হুইল জাহাজের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ-চাঁদপুর-বরিশাল-ঝালকাঠি খুলনা রুটে যে রকেট স্টিমার সার্ভিস চালু হয়েছিল, পর্যাপ্ত নৌযান থাকার পরেও ২০২০ সালের আগেই তা অনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, সরকারী সংস্থাটির বহরে নৌযান আর বড় বড় কর্মকর্তার অভাব না থাকলেও শুধু তা জনসেবায় নেই।
তবে ২১ নভেম্বর থেকে পিএস মাহসুদ বাণিজ্যিক পরিচালনে আসলেও ঢাকা-বরিশাল নৌপথে যাত্রীভাড়া এখনো নির্ধারণ হয়নি। নৌযানটিতে প্রথম শ্রেণীতে বাতানুকূল ১২টি কক্ষে ২৪টি শয্যা ও দ্বিতীয় শ্রেণীতে সাধারণ ২৪টি শয্যা থাকলেও সোমবার বিকেল পর্যন্ত কোন শ্রেণিরই ভাড়া নির্ধারণ হয়নি। তবে সংস্থাটির একটি সূত্রের মতে, নৌযানটির পরিচালন ব্যয়ের হিসেবে প্রথম শ্রেণীর একজন যাত্রী প্রতি ব্যয় ৪ হাজার টাকার ওপরে পড়তে পারে।
কিন্তু ২০২০ সালে রকেট স্টিমার সার্ভিস বন্ধের সময় ঢাকা-বরিশাল নৌপথে প্রথম শ্রেণীতে জনপ্রতি ভাড়া ছিল ১২শ টাকার মত। বর্তমানে ঢাকা-বরিশাল বেসরকারি নৌযানে বাতানুকূল প্রথম শ্রেণীতে জনপ্রতি ভাড়া ১ হাজার টাকা। আর দ্বৈত শয্যার সংযুক্ত শৌচাগার সহ ভিআইপি শ্রেণীতে ভাড়া ৫ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে ঐসব ভিআইপি শ্রেণিতে ৩-৪ জন যাত্রী ভ্রমণেরও সুযোগ রয়েছে। সে নিরিখে বিআইডব্লিউটিসি’র এ পর্যটক সার্ভিসে প্রথম শ্রেণিতে যাত্রীভাড়া আগের ১২শ টাকা থেকে ৫০ ভাগের বেশী বৃদ্ধি না করার অনুরোধ করেছেন বরিশালের একাধিক মহল।
এসব কিছুর পরেও বিশ্ব ঐতিহ্যের প্যাডেল স্টিমার আবার ফিরছে ঢাকার বুড়িগঙ্গা থেকে চাঁদপুরের মেঘনা-পদ্মা হয়ে বরিশালের কীর্তনখোলায়। কিন্তু তা সার্বজনীন যাত্রী পরিবহনে না আসায় কিছুটা হতাশা থাকছে বরিশাল বাসীর মনে। অতি সম্প্রতি নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) সাখাওয়াত হোসেন বরিশাল সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বিআইডব্লিউটিসি’র হাতে থাকা ৪টি প্যাডেল স্টিমারের অন্তত দুটি খুব শীঘ্রই সচল করার কথা জানিয়ে তা ঢাকা-চাঁদপুর-বরিশাল রুটে যাত্রী পরিবহন করবে বলেও জানিয়েছিলেন। ঐ সভায় সংস্থাটির চেয়ারম্যানও উপস্থিত ছিলেন।
করোনা মহামারী শুরু এবং পদ্মা সেতু যানবাহন চলাচলের অনেক আগেই নানা অজুহাতে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি অনানুষ্ঠানিক ভাবে ঐতিহ্যবাহী রকেট স্টিমার সার্ভিসটি বন্ধ করে দিয়েছিল।
বিশ্বের কয়েকটি দেশের মত বাংলাদেশেও এখন হাতেগোনা ৪টি প্যাডেল জাহাজ অবশিষ্ট থাকলেও তা যথাযথ সংরক্ষণে রাষ্ট্রীয় জাহাজ চলাচল প্রতিষ্ঠান, বিআইডব্লিউটিসি’র এতদিনের উদাসীনতা ও রহস্যঘেরা কর্মকান্ডে হতাশ ও ক্ষুব্ধ দক্ষিণাঞ্চলের আমজনতা।
এমনকি ঐতিহ্যবাহী প্যাডেল স্টিমার ‘পিএস অষ্ট্রিচ’ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেয়ার পরে ইজারাদার নৌযানটির উপরিকাঠামোর প্রায় পুরোটাই ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে। নির্ধারিত ভাড়াও পরিশোধ করেনি। শেষ পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ নিয়ে নৌযানটি উদ্ধার করতে হয়েছে। বকেয়া আদায়ে আদালতে মামলা চললেও নৌযানটি পুনরায় ইজারা প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এমনকি যে ইজারাদার নৌযানটির ব্যাপক ক্ষতি সাধন সহ ভাড়া পরিশোধ করেনি, তারাও পুনরায় অষ্ট্রিচ’কে ভাড়া নেয়ার তদবির শুরু করেছ বলেও জানা গেছে। এসব নৌযান যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে ইউনেস্কোর মাধ্যমে ‘বিশ^ ঐতিহ্য’ হিসেবে ঘোষণার সুযোগ রয়েছে বলেও মনে করছেন একাধিক ইতিহাসবিদ।
তবে নৌযানটি ‘পর্যটক সার্ভিস’ হিসেবে বাণিজ্যিক পরিচালনে যুক্ত হচ্ছে ২১ নভেম্বর থেকে। সিদ্ধান্তনুযায়ী প্রতি শুক্রবার ঢাকা থেকে সকাল সাড়ে ৮টায় ছেড়ে পিএস মাসুদ বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে বরিশালে পৌছবে। আবার প্রতি শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বরিশাল থেকে ছেড়ে সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকায় পৌছার কথা রয়েছে।
১৮৭৪ সালে বাষ্পীয় প্যাডেল হুইল জাহাজের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ-চাঁদপুর-বরিশাল-ঝালকাঠি খুলনা রুটে যে রকেট স্টিমার সার্ভিস চালু হয়েছিল, পর্যাপ্ত নৌযান থাকার পরেও ২০২০ সালের আগেই তা অনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, সরকারী সংস্থাটির বহরে নৌযান আর বড় বড় কর্মকর্তার অভাব না থাকলেও শুধু তা জনসেবায় নেই।
তবে ২১ নভেম্বর থেকে পিএস মাহসুদ বাণিজ্যিক পরিচালনে আসলেও ঢাকা-বরিশাল নৌপথে যাত্রীভাড়া এখনো নির্ধারণ হয়নি। নৌযানটিতে প্রথম শ্রেণীতে বাতানুকূল ১২টি কক্ষে ২৪টি শয্যা ও দ্বিতীয় শ্রেণীতে সাধারণ ২৪টি শয্যা থাকলেও সোমবার বিকেল পর্যন্ত কোন শ্রেণিরই ভাড়া নির্ধারণ হয়নি। তবে সংস্থাটির একটি সূত্রের মতে, নৌযানটির পরিচালন ব্যয়ের হিসেবে প্রথম শ্রেণীর একজন যাত্রী প্রতি ব্যয় ৪ হাজার টাকার ওপরে পড়তে পারে।
কিন্তু ২০২০ সালে রকেট স্টিমার সার্ভিস বন্ধের সময় ঢাকা-বরিশাল নৌপথে প্রথম শ্রেণীতে জনপ্রতি ভাড়া ছিল ১২শ টাকার মত। বর্তমানে ঢাকা-বরিশাল বেসরকারি নৌযানে বাতানুকূল প্রথম শ্রেণীতে জনপ্রতি ভাড়া ১ হাজার টাকা। আর দ্বৈত শয্যার সংযুক্ত শৌচাগার সহ ভিআইপি শ্রেণীতে ভাড়া ৫ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে ঐসব ভিআইপি শ্রেণিতে ৩-৪ জন যাত্রী ভ্রমণেরও সুযোগ রয়েছে। সে নিরিখে বিআইডব্লিউটিসি’র এ পর্যটক সার্ভিসে প্রথম শ্রেণিতে যাত্রীভাড়া আগের ১২শ টাকা থেকে ৫০ ভাগের বেশী বৃদ্ধি না করার অনুরোধ করেছেন বরিশালের একাধিক মহল।
এসব কিছুর পরেও বিশ্ব ঐতিহ্যের প্যাডেল স্টিমার আবার ফিরছে ঢাকার বুড়িগঙ্গা থেকে চাঁদপুরের মেঘনা-পদ্মা হয়ে বরিশালের কীর্তনখোলায়। কিন্তু তা সার্বজনীন যাত্রী পরিবহনে না আসায় কিছুটা হতাশা থাকছে বরিশাল বাসীর মনে। অতি সম্প্রতি নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) সাখাওয়াত হোসেন বরিশাল সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বিআইডব্লিউটিসি’র হাতে থাকা ৪টি প্যাডেল স্টিমারের অন্তত দুটি খুব শীঘ্রই সচল করার কথা জানিয়ে তা ঢাকা-চাঁদপুর-বরিশাল রুটে যাত্রী পরিবহন করবে বলেও জানিয়েছিলেন। ঐ সভায় সংস্থাটির চেয়ারম্যানও উপস্থিত ছিলেন।
করোনা মহামারী শুরু এবং পদ্মা সেতু যানবাহন চলাচলের অনেক আগেই নানা অজুহাতে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি অনানুষ্ঠানিক ভাবে ঐতিহ্যবাহী রকেট স্টিমার সার্ভিসটি বন্ধ করে দিয়েছিল।
বিশ্বের কয়েকটি দেশের মত বাংলাদেশেও এখন হাতেগোনা ৪টি প্যাডেল জাহাজ অবশিষ্ট থাকলেও তা যথাযথ সংরক্ষণে রাষ্ট্রীয় জাহাজ চলাচল প্রতিষ্ঠান, বিআইডব্লিউটিসি’র এতদিনের উদাসীনতা ও রহস্যঘেরা কর্মকান্ডে হতাশ ও ক্ষুব্ধ দক্ষিণাঞ্চলের আমজনতা।
এমনকি ঐতিহ্যবাহী প্যাডেল স্টিমার ‘পিএস অষ্ট্রিচ’ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেয়ার পরে ইজারাদার নৌযানটির উপরিকাঠামোর প্রায় পুরোটাই ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে। নির্ধারিত ভাড়াও পরিশোধ করেনি। শেষ পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ নিয়ে নৌযানটি উদ্ধার করতে হয়েছে। বকেয়া আদায়ে আদালতে মামলা চললেও নৌযানটি পুনরায় ইজারা প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এমনকি যে ইজারাদার নৌযানটির ব্যাপক ক্ষতি সাধন সহ ভাড়া পরিশোধ করেনি, তারাও পুনরায় অষ্ট্রিচ’কে ভাড়া নেয়ার তদবির শুরু করেছ বলেও জানা গেছে। এসব নৌযান যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে ইউনেস্কোর মাধ্যমে ‘বিশ^ ঐতিহ্য’ হিসেবে ঘোষণার সুযোগ রয়েছে বলেও মনে করছেন একাধিক ইতিহাসবিদ।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৬
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে জননন্দিত এ নেতা তার দীর্ঘ ৪০ বছরের বিএনপির রাজনীতির ইতি টানলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) সকালে তিনি বরিশাল জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা শাখার সহসভাপতি পদ থেকে লিখিত অব্যাহতি পত্র জমা দেন।
তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতেও এ পদত্যাগপত্র পোষ্ট করেন। পদত্যাগের কারন হিসেবে তিনি অব্যাহতি পত্রে উল্লেখ করেন দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি সুনাম ও নিষ্ঠার সঙ্গে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে রাজনীতি করেছেন।
এ দীর্ঘ সময় বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি মামলা-হামলা,জেল,জুলুম, নীপিড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজ দলে লাঞ্চিত, বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
তাই দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রসঙ্গত গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার এর আগে বানারীপাড়া পৌর ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গত বছর জুলাইতে অনুষ্ঠিত বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ছিলেন। সেই কাউন্সিলে তাকে ২ নম্বর সহসভাপতি পদ দেওয়া হয়।
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে জননন্দিত এ নেতা তার দীর্ঘ ৪০ বছরের বিএনপির রাজনীতির ইতি টানলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) সকালে তিনি বরিশাল জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা শাখার সহসভাপতি পদ থেকে লিখিত অব্যাহতি পত্র জমা দেন।
তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডিতেও এ পদত্যাগপত্র পোষ্ট করেন। পদত্যাগের কারন হিসেবে তিনি অব্যাহতি পত্রে উল্লেখ করেন দীর্ঘ চার দশক ধরে তিনি সুনাম ও নিষ্ঠার সঙ্গে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে রাজনীতি করেছেন।
এ দীর্ঘ সময় বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি মামলা-হামলা,জেল,জুলুম, নীপিড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজ দলে লাঞ্চিত, বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
তাই দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রসঙ্গত গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার এর আগে বানারীপাড়া পৌর ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গত বছর জুলাইতে অনুষ্ঠিত বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ছিলেন। সেই কাউন্সিলে তাকে ২ নম্বর সহসভাপতি পদ দেওয়া হয়।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৯
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের ছোট লক্ষীপুর গ্রাম সংক্রান্ত বিরোধী ১৩ জন নিরীহ চাষাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায় গত ২০ শে জানুয়ারি হিজলা থানায় আমির হোসেন গাজী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মিথ্যা মামলার বিষয়ে সরোজমিনে গেলে জানাযায় আব্দুল হাকিম গাজি গং ও আব্দুল গনি গাজী গং দীর্ঘ ৪০ বছর তাদের প্রায় ২১ একর পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছে।
এ জমির মালিকানা আমির হোসেন গাজী দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করলে এখনো মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনা স্থানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ঘটনার দিন সকাল এগারোটায় আমির হোসেন গাজী ৫০ /৬০ জন মানুষ ও ৪ টি ট্রাক্টর নিয়ে সয়াবিন চাষ করা জমিতে পূণরায় সয়াবিন চাষ করা করতে আসে।
তখন দ্রুত গতিতে ট্রাক্টর চালানোর কারণে উল্টে পড়ে যায়। ট্রাক্টর ড্রাইভার ছিটকে নিচে পড়ে।তাতে ধারালো ব্লেড পায়ে ঢুকে পরে।পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কিছু দিন পর চাষারা জানতে পারেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হাওলাদারের স্ত্রী সেলিনা জানান সেদিন বিরোধী জমিতে কোনো মারামারি হয়নি। অনেক গুলো ট্রাক্টর একসাথে জোরে চালানোর কারণে উল্টে পড়ে এই দুর্ঘটনা হয়। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আনোয়ার হোসেন বলেন আমির হোসেন গাজী লক্ষীপুর মৌজায় ২১ একর পৈতৃক সম্পত্তির মালিক।এ জমি হাকিম গাজি গং ও গনি গাজী গং জোর দখল ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার দিন আমির গাজী চাষাবাদ করতে গেলে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন ট্রাক্টর ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আদিল হোসেন জানান জমি বিরোধ কে কেন্দ্র করে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে মর্মে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের ছোট লক্ষীপুর গ্রাম সংক্রান্ত বিরোধী ১৩ জন নিরীহ চাষাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায় গত ২০ শে জানুয়ারি হিজলা থানায় আমির হোসেন গাজী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মিথ্যা মামলার বিষয়ে সরোজমিনে গেলে জানাযায় আব্দুল হাকিম গাজি গং ও আব্দুল গনি গাজী গং দীর্ঘ ৪০ বছর তাদের প্রায় ২১ একর পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছে।
এ জমির মালিকানা আমির হোসেন গাজী দাবি করে আদালতে মামলা দায়ের করলে এখনো মামলা চলমান রয়েছে। ঘটনা স্থানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ঘটনার দিন সকাল এগারোটায় আমির হোসেন গাজী ৫০ /৬০ জন মানুষ ও ৪ টি ট্রাক্টর নিয়ে সয়াবিন চাষ করা জমিতে পূণরায় সয়াবিন চাষ করা করতে আসে।
তখন দ্রুত গতিতে ট্রাক্টর চালানোর কারণে উল্টে পড়ে যায়। ট্রাক্টর ড্রাইভার ছিটকে নিচে পড়ে।তাতে ধারালো ব্লেড পায়ে ঢুকে পরে।পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কিছু দিন পর চাষারা জানতে পারেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হাওলাদারের স্ত্রী সেলিনা জানান সেদিন বিরোধী জমিতে কোনো মারামারি হয়নি। অনেক গুলো ট্রাক্টর একসাথে জোরে চালানোর কারণে উল্টে পড়ে এই দুর্ঘটনা হয়। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
মামলার বাদী পক্ষের আনোয়ার হোসেন বলেন আমির হোসেন গাজী লক্ষীপুর মৌজায় ২১ একর পৈতৃক সম্পত্তির মালিক।এ জমি হাকিম গাজি গং ও গনি গাজী গং জোর দখল ভোগদখল করে আসছে। ঘটনার দিন আমির গাজী চাষাবাদ করতে গেলে তাদের ধাওয়া দেয়। তখন ট্রাক্টর ড্রাইভার গুরুতর আহত হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আদিল হোসেন জানান জমি বিরোধ কে কেন্দ্র করে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে মর্মে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫০
সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিনা বেগমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, সেলিনা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাবেক এক কালচারাল কর্মকর্তাকে অফিসকক্ষে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমন বলেন, আদালত ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি করায় আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ীই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
সাইবার মামলায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিনা বেগমের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মামলার নথিপত্রে জানা গেছে, সেলিনা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
এছাড়া সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাবেক এক কালচারাল কর্মকর্তাকে অফিসকক্ষে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমন বলেন, আদালত ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি করায় আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সে অনুযায়ীই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৮
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৬
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০১
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৯