
২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৯
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গণভোটের প্রচারণার অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে পটুয়াখালী ডিসি স্কয়ার মাঠে আয়োজন করা হয়েছে তারুণ্যের সমাবেশ ও কনসার্ট। ভিন্নধর্মী এ আয়োজন নানা বয়সি মানুষের অংশগ্রহণে মুখর হয়ে ওঠে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেল গড়াতেই মাঠ ও আশপাশের এলাকায় দর্শনার্থীদের ভিড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তরুণ-তরুণীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে ও সাংস্কৃতিক আবহে গণভোটের গুরুত্ব সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ড. শহীদ হোসেন চৌধুরী, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, সিভিল সার্জন ডা. খালেদুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জুয়েল রানা, সিনিয়র নির্বাচন অফিসার ওয়াহিদুজ্জামান মুন্সিসহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, পেশাজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সুধীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও জনসাধারণের নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
শুরুতে গণভোট বিষয়ক প্রচারণামূলক সংগীত, টিভিসি ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শনের মাধ্যমে নাগরিকদের সচেতন করা হয়। এরপর জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির শিল্পীদের পরিবেশনায় নাটক, ভাওয়াইয়া ও ঐতিহ্যবাহী গম্ভীরা গান পরিবেশিত হয়, যা দর্শকদের মধ্যে দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ ও গণতান্ত্রিক চেতনা জাগ্রত করে।
সন্ধ্যার পর কনসার্ট পর্বে শিল্পী রাজিব ও সানিয়া সুলতানা লিজার পরিবেশনায় দর্শকরা উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন। পরে জনপ্রিয় ব্যান্ড আর্কের কণ্ঠশিল্পী হাসানের পরিবেশনায় পুরো মাঠজুড়ে তারুণ্যের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে। করতালি, আলোর ঝলকানি ও দর্শকদের সমবেত কণ্ঠে ডিসি স্কয়ার মাঠ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
জেলা প্রশাসক ড. শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, তরুণ সমাজকে গণভোটে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র বিনির্মাণে তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকার গুরুত্ব অনেক।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবু ইউসুফ বলেন, বড় পরিসরের জনসমাগম সত্ত্বেও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা সম্পর্কে অবহিত করেন।
বিনোদন, সংস্কৃতি ও নাগরিক সচেতনতার সমন্বয়ে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন পটুয়াখালীতে গণভোট প্রচারণায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিপুল জনসমাগম ও তরুণদের উৎসাহ গণতান্ত্রিক চর্চায় জনসম্পৃক্ততা বাড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গণভোটের প্রচারণার অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে পটুয়াখালী ডিসি স্কয়ার মাঠে আয়োজন করা হয়েছে তারুণ্যের সমাবেশ ও কনসার্ট। ভিন্নধর্মী এ আয়োজন নানা বয়সি মানুষের অংশগ্রহণে মুখর হয়ে ওঠে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেল গড়াতেই মাঠ ও আশপাশের এলাকায় দর্শনার্থীদের ভিড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তরুণ-তরুণীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে ও সাংস্কৃতিক আবহে গণভোটের গুরুত্ব সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ড. শহীদ হোসেন চৌধুরী, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, সিভিল সার্জন ডা. খালেদুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জুয়েল রানা, সিনিয়র নির্বাচন অফিসার ওয়াহিদুজ্জামান মুন্সিসহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, পেশাজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সুধীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও জনসাধারণের নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
শুরুতে গণভোট বিষয়ক প্রচারণামূলক সংগীত, টিভিসি ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শনের মাধ্যমে নাগরিকদের সচেতন করা হয়। এরপর জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির শিল্পীদের পরিবেশনায় নাটক, ভাওয়াইয়া ও ঐতিহ্যবাহী গম্ভীরা গান পরিবেশিত হয়, যা দর্শকদের মধ্যে দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ ও গণতান্ত্রিক চেতনা জাগ্রত করে।
সন্ধ্যার পর কনসার্ট পর্বে শিল্পী রাজিব ও সানিয়া সুলতানা লিজার পরিবেশনায় দর্শকরা উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন। পরে জনপ্রিয় ব্যান্ড আর্কের কণ্ঠশিল্পী হাসানের পরিবেশনায় পুরো মাঠজুড়ে তারুণ্যের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে। করতালি, আলোর ঝলকানি ও দর্শকদের সমবেত কণ্ঠে ডিসি স্কয়ার মাঠ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
জেলা প্রশাসক ড. শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, তরুণ সমাজকে গণভোটে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র বিনির্মাণে তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকার গুরুত্ব অনেক।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবু ইউসুফ বলেন, বড় পরিসরের জনসমাগম সত্ত্বেও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা সম্পর্কে অবহিত করেন।
বিনোদন, সংস্কৃতি ও নাগরিক সচেতনতার সমন্বয়ে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন পটুয়াখালীতে গণভোট প্রচারণায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিপুল জনসমাগম ও তরুণদের উৎসাহ গণতান্ত্রিক চর্চায় জনসম্পৃক্ততা বাড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১২
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নব যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল, ২০২৬) উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত ভবন এর কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা নবাগত ইউএনও-কে মির্জাগঞ্জে স্বাগত জানান। আলোচনায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া,সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও হয়রানিমুক্ত করা, যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখা সহ উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বেশ কিছু দাবি ও প্রত্যাশা উঠে আসে।
নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল সকলের সহযোগিতা কামনা করে উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে নব যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল, ২০২৬) উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত ভবন এর কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা নবাগত ইউএনও-কে মির্জাগঞ্জে স্বাগত জানান। আলোচনায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া,সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও হয়রানিমুক্ত করা, যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখা সহ উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বেশ কিছু দাবি ও প্রত্যাশা উঠে আসে।
নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল সকলের সহযোগিতা কামনা করে উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে কোন অনিয়ম কিংবা আত্মসাত করা হয়নি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার।
রোববার রাত ৮ টায় কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি হল রুমে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার জেলেদের মধ্যে বিতরনের চাল শ্রমিকদের বুজিয়ে দেওয়ার আগেই ৪/৫ জন স্থানীয় সাংবাদিক এসে আমাকে প্রশ্ন করেন, ভাই আপনি কী চাল নিয়ে আসছেন ? তখন আমি বলি, হ্যাঁ সব চালই নিয়ে আসছি।
এ কথা বলার পরে সাংবাদিকরা চালের বস্তা গননা শুরু করেন। তখন দুপুরে না খাওয়া ৯২১ জন জেলে ধৈর্য হারা হয়ে উত্তেজিত হয়ে যায় এবং বিশৃংখলার সৃষ্টি করেন।
যার কারণে আমরা সর্বশেষ চালের ট্রলিতে আসা ২০০ বস্তা চাল মেম্বারদের মাঝে বুঝিয়ে না দিয়ে ওই চালের ট্রলি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ক্লাবসিবল গেইটের সামনে রাখি।
তখন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আপনি এখানে চাল রাখছেন কেন? আমি বলি, এটা আমি পরে বিতরণ করব। সাংবাদিকরা চালের যে হিসেব করেছে ওই ট্রলির চাল সেই হিসেবের মধ্যে আসে নাই।
যার ফলে তাঁরা (সাংবাদিকরা) যে ১৯২ বস্তা চাল নেই বলে উল্লেখ করেছেন সেখানে সেই ট্রলির চাল গননা করা হয়নি। এরপরে ওই ট্রলিতে থাকা চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করি।
এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বকর ছিদ্দিক, ইউপি সদস্যগন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, এর আগে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে কোন অনিয়ম কিংবা আত্মসাত করা হয়নি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার।
রোববার রাত ৮ টায় কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের একটি হল রুমে অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার জেলেদের মধ্যে বিতরনের চাল শ্রমিকদের বুজিয়ে দেওয়ার আগেই ৪/৫ জন স্থানীয় সাংবাদিক এসে আমাকে প্রশ্ন করেন, ভাই আপনি কী চাল নিয়ে আসছেন ? তখন আমি বলি, হ্যাঁ সব চালই নিয়ে আসছি।
এ কথা বলার পরে সাংবাদিকরা চালের বস্তা গননা শুরু করেন। তখন দুপুরে না খাওয়া ৯২১ জন জেলে ধৈর্য হারা হয়ে উত্তেজিত হয়ে যায় এবং বিশৃংখলার সৃষ্টি করেন।
যার কারণে আমরা সর্বশেষ চালের ট্রলিতে আসা ২০০ বস্তা চাল মেম্বারদের মাঝে বুঝিয়ে না দিয়ে ওই চালের ট্রলি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ক্লাবসিবল গেইটের সামনে রাখি।
তখন সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আপনি এখানে চাল রাখছেন কেন? আমি বলি, এটা আমি পরে বিতরণ করব। সাংবাদিকরা চালের যে হিসেব করেছে ওই ট্রলির চাল সেই হিসেবের মধ্যে আসে নাই।
যার ফলে তাঁরা (সাংবাদিকরা) যে ১৯২ বস্তা চাল নেই বলে উল্লেখ করেছেন সেখানে সেই ট্রলির চাল গননা করা হয়নি। এরপরে ওই ট্রলিতে থাকা চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করি।
এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু বকর ছিদ্দিক, ইউপি সদস্যগন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, এর আগে জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৫
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে তার কক্ষে তালা ঝুলিয়েছেন একই কলেজের শিক্ষকরা। সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদের কক্ষে এ তালা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০২৫ সালের ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, যা তাদের কাছে অপ্রত্যাশিত।
একই কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, শিক্ষকদের সিনিয়রিটির তালিকায় তিনি সপ্তম হলেও জোরপূর্বক চাপ সৃষ্টি করে দায়িত্ব নিয়েছেন। এ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিক্ষকরা অন্যায়ভাবে তাকে কক্ষ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। কনিষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে তিনি জানান, অন্য শিক্ষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে লিখিতভাবে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে কলেজ পরিচালনা পর্ষদও তাকে দায়িত্ব প্রদান করে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে তার কক্ষে তালা ঝুলিয়েছেন একই কলেজের শিক্ষকরা। সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদের কক্ষে এ তালা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০২৫ সালের ৩০ জুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, যা তাদের কাছে অপ্রত্যাশিত।
একই কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, শিক্ষকদের সিনিয়রিটির তালিকায় তিনি সপ্তম হলেও জোরপূর্বক চাপ সৃষ্টি করে দায়িত্ব নিয়েছেন। এ ছাড়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিক্ষকরা অন্যায়ভাবে তাকে কক্ষ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। কনিষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে তিনি জানান, অন্য শিক্ষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে লিখিতভাবে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন। পরবর্তীতে কলেজ পরিচালনা পর্ষদও তাকে দায়িত্ব প্রদান করে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.