সচিবালয়ে এসেছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন তিনি। এর আগে সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। নতুন ১ নম্বর ভবনের তিনতলায় প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত কার্যালয়ে তিনি প্রথম দিনের মতো অফিস করবেন। একই ভবনের তৃতীয় তলায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে বিকেল ৩টায় নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই। বৈঠকটি মূলত পরিচিতিমূলক হলেও সরকারের অগ্রাধিকার বিষয়গুলো নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।
নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের প্রথম অফিস উপলক্ষে সচিবালয়ের প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। করিডোরজুড়ে রাখা হয়েছে নতুন ফুলের টব। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের নামফলক সরিয়ে বসানো হয়েছে নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের নামফলক। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফুল হাতে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের বরণ করে নিতে প্রস্তুত ছিলেন।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল কঠোর। বিশেষ করে নতুন ১ নম্বর ভবন ঘিরে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। ভবনে প্রবেশের আগে বসানো হয় আর্চওয়ে। পরিচয়পত্র যাচাই করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রবেশ করানো হয়। সেনাবাহিনী ও র্যাবের ডগ স্কোয়াডকেও ভবনের নিচতলায় অবস্থান করতে দেখা গেছে। মূল ফটকেও ছিল বাড়তি নিরাপত্তা।
প্রথম দিনের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। বিকেল ৪টায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। সরকারের কার্যক্রমে গতি আনা, প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও সমন্বয় নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করে বিএনপি। মঙ্গলবার বিকেলে নতুন প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেন। এরপর রাতে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রায় দুই দশক পর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করল বিএনপি। দলীয় চেয়ারম্যান হিসেবে এবারই প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করলেন তারেক রহমান। সচিবালয়ে তার প্রথম কর্মদিবস ঘিরে প্রশাসনে ছিল উৎসবমুখর ও সতর্ক—দুই ধরনেরই আবহ।
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:১৩
চাঁদা না দিলে লোক পাঠিয়ে হামলা চালানোর হুমকি। এমনকি হামলা করতে লোক পাঠাতে হলে খরচ ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলেও ভয় দেখানো হয়। চট্টগ্রাম নগরের এক প্রবাসী ব্যবসায়ীর পরিবারের কাছে ফোন করে এভাবে চাঁদা দাবি করার অভিযোগে সাব্বির হোসেন ওরফে সানিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ বলছে, সাব্বির চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী ও বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের সহযোগী। তাঁর বাড়ি সাতক্ষীরায় হলেও দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম নগরের হামজারবাগ এলাকায় থাকতেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টে প্রবাসী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শওকতকে ফোন করেন সাব্বির। শওকতের বাবা মোহাম্মদ ইউসুফও প্রবাসী। ফোনে সাব্বির তাঁকে চাঁদার টাকা পরিশোধের জন্য পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। টাকা না দিলে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার হুমকিও দেন।
ফোনালাপে সাব্বিরকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমার বাবাকে কল দিলাম না। তিনি হার্টের রোগী, আবার মরেটরে যাবে। তাই তোমারে জানালাম।’ একই কথোপকথনে তিনি বলেন, ‘একবার যদি ছেলেপুলে পাঠাতে হয়, ঘটনা ঘটাতে হয়, তবে ৫০ লাখ ১ কোটি হয়ে যাবে, কমবে না।’
পুলিশ জানিয়েছে, ওই ফোনালাপের অডিও রেকর্ড তাদের কাছে রয়েছে। হুমকির পর ইউসুফের ভবনের ফটকে গুলি চালানোর ঘটনাও ঘটে। এরপর থেকেই সাব্বিরকে খুঁজছিল পুলিশ। তবে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে সাব্বির জানিয়েছেন, বড় সাজ্জাদের কাছ থেকে তিনি মাসে ৫০ হাজার টাকা বেতন পেতেন। কারাগারে থাকা ডেভিড ইমনের পরিবর্তে তাঁকে চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। বড় সাজ্জাদ ও তাঁর সহযোগী বোরহান উদ্দিনের নির্দেশে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ফোন করে চাঁদা চাইতেন।
পুলিশ সুপারের ভাষ্য, যেসব ব্যবসায়ী ও শিল্পপতির কাছে চাঁদা চাওয়া হতো, তাঁদের সম্পর্কে আগে থেকেই তথ্য সংগ্রহ করা থাকত। এরপর সাব্বির ফোন করে টাকা দেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দিতেন। টাকা না দিলে লোক পাঠিয়ে হামলা বা গুলি করার হুমকি দিতেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সশস্ত্র হামলাও চালানো হতো।
সাব্বিরের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও হাটহাজারী থানায় দুটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে ভয়ে অনেক ভুক্তভোগী চাঁদা দাবির ঘটনায় মামলা করেননি।
এদিকে গত ২০ জুন নগরের চান্দগাঁওয়ের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় সাব্বিরের অস্ত্র হাতে গুলি ছোড়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে। ৩৭ সেকেন্ডের ওই সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সড়কে দাঁড়িয়ে একটি কারখানার দিকে পিস্তল তাক করে গুলি ছুড়ছেন তিনি। পরে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময়ও তাঁকে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি করতে দেখা যায়।
চাঁদা না দিলে লোক পাঠিয়ে হামলা চালানোর হুমকি। এমনকি হামলা করতে লোক পাঠাতে হলে খরচ ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলেও ভয় দেখানো হয়। চট্টগ্রাম নগরের এক প্রবাসী ব্যবসায়ীর পরিবারের কাছে ফোন করে এভাবে চাঁদা দাবি করার অভিযোগে সাব্বির হোসেন ওরফে সানিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ বলছে, সাব্বির চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী ও বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের সহযোগী। তাঁর বাড়ি সাতক্ষীরায় হলেও দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম নগরের হামজারবাগ এলাকায় থাকতেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টে প্রবাসী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শওকতকে ফোন করেন সাব্বির। শওকতের বাবা মোহাম্মদ ইউসুফও প্রবাসী। ফোনে সাব্বির তাঁকে চাঁদার টাকা পরিশোধের জন্য পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। টাকা না দিলে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলার হুমকিও দেন।
ফোনালাপে সাব্বিরকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমার বাবাকে কল দিলাম না। তিনি হার্টের রোগী, আবার মরেটরে যাবে। তাই তোমারে জানালাম।’ একই কথোপকথনে তিনি বলেন, ‘একবার যদি ছেলেপুলে পাঠাতে হয়, ঘটনা ঘটাতে হয়, তবে ৫০ লাখ ১ কোটি হয়ে যাবে, কমবে না।’
পুলিশ জানিয়েছে, ওই ফোনালাপের অডিও রেকর্ড তাদের কাছে রয়েছে। হুমকির পর ইউসুফের ভবনের ফটকে গুলি চালানোর ঘটনাও ঘটে। এরপর থেকেই সাব্বিরকে খুঁজছিল পুলিশ। তবে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে সাব্বির জানিয়েছেন, বড় সাজ্জাদের কাছ থেকে তিনি মাসে ৫০ হাজার টাকা বেতন পেতেন। কারাগারে থাকা ডেভিড ইমনের পরিবর্তে তাঁকে চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। বড় সাজ্জাদ ও তাঁর সহযোগী বোরহান উদ্দিনের নির্দেশে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ফোন করে চাঁদা চাইতেন।
পুলিশ সুপারের ভাষ্য, যেসব ব্যবসায়ী ও শিল্পপতির কাছে চাঁদা চাওয়া হতো, তাঁদের সম্পর্কে আগে থেকেই তথ্য সংগ্রহ করা থাকত। এরপর সাব্বির ফোন করে টাকা দেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দিতেন। টাকা না দিলে লোক পাঠিয়ে হামলা বা গুলি করার হুমকি দিতেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সশস্ত্র হামলাও চালানো হতো।
সাব্বিরের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও হাটহাজারী থানায় দুটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে ভয়ে অনেক ভুক্তভোগী চাঁদা দাবির ঘটনায় মামলা করেননি।
এদিকে গত ২০ জুন নগরের চান্দগাঁওয়ের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় সাব্বিরের অস্ত্র হাতে গুলি ছোড়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে। ৩৭ সেকেন্ডের ওই সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সড়কে দাঁড়িয়ে একটি কারখানার দিকে পিস্তল তাক করে গুলি ছুড়ছেন তিনি। পরে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময়ও তাঁকে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি করতে দেখা যায়।
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০০
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপার বিষয়ে আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন।
এর আগে, গত ১৭ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ২৪ আগস্ট তাদের আদালতে হাজির করা হলে ট্রাইব্যুনাল তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু শাপলা চত্বর-সংক্রান্ত হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের আদেশে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। অন্যদিকে, সাংবাদিক শ্যামল দত্ত জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত একটি মামলায় নিম্ন আদালতের আদেশে কারাগারে রয়েছেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপার বিষয়ে আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তাদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন।
এর আগে, গত ১৭ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ২৪ আগস্ট তাদের আদালতে হাজির করা হলে ট্রাইব্যুনাল তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু শাপলা চত্বর-সংক্রান্ত হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের আদেশে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। অন্যদিকে, সাংবাদিক শ্যামল দত্ত জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত একটি মামলায় নিম্ন আদালতের আদেশে কারাগারে রয়েছেন।

২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৫৩
মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। মাদরাসার মতো পবিত্র প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের গর্হিত কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে যোগ দেন ধর্মমন্ত্রী। সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, মাদরাসার মতো পবিত্র স্থানে যাতে এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে ইমামদের সচেতনতামূলক বক্তব্য দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে সম্মেলনে সারা দেশ থেকে আসা ইমামদের উদ্দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। কেউ যেন উসকানি দিয়ে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন ধর্মমন্ত্রী।
জুমার খুতবায় মাদক, সন্ত্রাসসহ সব ধরনের সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য তুলে ধরার জন্য ইমামদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ধর্মমন্ত্রীর মতে, সমাজে ইমামদের ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। এই গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে অপরাধ প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন তারা।
এদিকে সম্মেলনে ইমাম সমিতির নেতারা বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং নিজেদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।
মাদরাসায় বলাৎকার ও অশালীন কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। মাদরাসার মতো পবিত্র প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের গর্হিত কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে যোগ দেন ধর্মমন্ত্রী। সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, মাদরাসার মতো পবিত্র স্থানে যাতে এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে ইমামদের সচেতনতামূলক বক্তব্য দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
এর আগে সম্মেলনে সারা দেশ থেকে আসা ইমামদের উদ্দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। কেউ যেন উসকানি দিয়ে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দেন ধর্মমন্ত্রী।
জুমার খুতবায় মাদক, সন্ত্রাসসহ সব ধরনের সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য তুলে ধরার জন্য ইমামদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ধর্মমন্ত্রীর মতে, সমাজে ইমামদের ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। এই গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে অপরাধ প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন তারা।
এদিকে সম্মেলনে ইমাম সমিতির নেতারা বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং নিজেদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৯
সচিবালয়ে এসেছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন তিনি। এর আগে সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। নতুন ১ নম্বর ভবনের তিনতলায় প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত কার্যালয়ে তিনি প্রথম দিনের মতো অফিস করবেন। একই ভবনের তৃতীয় তলায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে বিকেল ৩টায় নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই। বৈঠকটি মূলত পরিচিতিমূলক হলেও সরকারের অগ্রাধিকার বিষয়গুলো নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।
নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের প্রথম অফিস উপলক্ষে সচিবালয়ের প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। করিডোরজুড়ে রাখা হয়েছে নতুন ফুলের টব। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের নামফলক সরিয়ে বসানো হয়েছে নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের নামফলক। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফুল হাতে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের বরণ করে নিতে প্রস্তুত ছিলেন।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল কঠোর। বিশেষ করে নতুন ১ নম্বর ভবন ঘিরে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। ভবনে প্রবেশের আগে বসানো হয় আর্চওয়ে। পরিচয়পত্র যাচাই করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রবেশ করানো হয়। সেনাবাহিনী ও র্যাবের ডগ স্কোয়াডকেও ভবনের নিচতলায় অবস্থান করতে দেখা গেছে। মূল ফটকেও ছিল বাড়তি নিরাপত্তা।
প্রথম দিনের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। বিকেল ৪টায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। সরকারের কার্যক্রমে গতি আনা, প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও সমন্বয় নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করে বিএনপি। মঙ্গলবার বিকেলে নতুন প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেন। এরপর রাতে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রায় দুই দশক পর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করল বিএনপি। দলীয় চেয়ারম্যান হিসেবে এবারই প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করলেন তারেক রহমান। সচিবালয়ে তার প্রথম কর্মদিবস ঘিরে প্রশাসনে ছিল উৎসবমুখর ও সতর্ক—দুই ধরনেরই আবহ।
০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১৬:৫৬
০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১৪:৩৫
০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:৩৬
০২ নভেম্বর, ২০২৬ ১০:১১