
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২২:২৯
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে সুকিরাম (২৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া সীমান্তের দশটেকি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুকিরাম ওই এলাকার মুরইছড়া বস্তির দাসনু উরাংয়ের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মুরইছড়া সীমান্ত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৪৬ ব্যাটালিয়নের আওতাভুক্ত। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও সুকিরামসহ কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ১ হাজার ৮৪৪ ও ১ হাজার ৮৪৫ নম্বর সীমান্ত খুঁটির কাছে গরু চরাচ্ছিলেন।
এ সময় সুকিরামের একটি গরু ভারতের ১৯৯ নম্বর হিরাছড়া বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় ঢুকে পড়ে। গরুটি আনতে সীমান্তের দিকে এগোতেই বিএসএফ সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে সুকিরাম পিঠে গুলিবিদ্ধ হন।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. শারমিন ফারহানা জেরিন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসক শারমিন ফারহানা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই সুকিরামের মৃত্যু হয়েছিল। তার পিঠে গুলির চিহ্ন ছিল।
কুলাউড়া থানার ওসি মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘সুকিরাম গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।’
বিজিবির ৪৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এস এম জাকারিয়া জানান, সীমান্তের শূন্যরেখা অতিক্রমের সময় বিএসএফের গুলিতে সুকিরাম নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে সুকিরাম (২৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া সীমান্তের দশটেকি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুকিরাম ওই এলাকার মুরইছড়া বস্তির দাসনু উরাংয়ের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মুরইছড়া সীমান্ত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৪৬ ব্যাটালিয়নের আওতাভুক্ত। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও সুকিরামসহ কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ১ হাজার ৮৪৪ ও ১ হাজার ৮৪৫ নম্বর সীমান্ত খুঁটির কাছে গরু চরাচ্ছিলেন।
এ সময় সুকিরামের একটি গরু ভারতের ১৯৯ নম্বর হিরাছড়া বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় ঢুকে পড়ে। গরুটি আনতে সীমান্তের দিকে এগোতেই বিএসএফ সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে সুকিরাম পিঠে গুলিবিদ্ধ হন।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. শারমিন ফারহানা জেরিন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসক শারমিন ফারহানা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই সুকিরামের মৃত্যু হয়েছিল। তার পিঠে গুলির চিহ্ন ছিল।
কুলাউড়া থানার ওসি মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘সুকিরাম গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।’
বিজিবির ৪৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এস এম জাকারিয়া জানান, সীমান্তের শূন্যরেখা অতিক্রমের সময় বিএসএফের গুলিতে সুকিরাম নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৬
মোবাইল ফোনের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে আমদানিতে শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ মঙ্গলবার শুল্ক কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এনবিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি জানায়। এতে বলা হয়েছে, মোবাইল ফোনের মূল্য ক্রেতা সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশক করে আজ প্রজ্ঞাপণ জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
এতে মোবাইল ফোন আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমেছে। কাস্টমস ডিউটি হাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৫০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
এনবিআর জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন দুটি জারির ফলে-৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের আমদানি হওয়া প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ৫,৫০০ টাকা হ্রাস পাবে। ৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের দেশে সংযোজিত প্রতিটি মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ১৫০০ টাকা কমবে।
সরকার কর্তৃক মোবাইল ফোন আমদানি এবং মোবাইল ফোন সংযোজন শিল্পের উপকরণ আমদানিতে উল্লেখযোগ্য পরিমান শুল্ক হাসের ফলে সকল ধরণের মোবাইল ফোনের মূল্য সর্বসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে এবং দেশের নাগরিকগণের পক্ষে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ সহজতর হবে মর্মে সরকার আশা করে। মোবাইল ফোনের মূল্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে এনবিআরের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
মোবাইল ফোনের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে আমদানিতে শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ মঙ্গলবার শুল্ক কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এনবিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি জানায়। এতে বলা হয়েছে, মোবাইল ফোনের মূল্য ক্রেতা সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশক করে আজ প্রজ্ঞাপণ জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
এতে মোবাইল ফোন আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমেছে। কাস্টমস ডিউটি হাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৫০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
এনবিআর জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন দুটি জারির ফলে-৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের আমদানি হওয়া প্রতিটি পূর্ণাঙ্গ মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ৫,৫০০ টাকা হ্রাস পাবে। ৩০ হাজার টাকার অধিক মূল্যের দেশে সংযোজিত প্রতিটি মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ১৫০০ টাকা কমবে।
সরকার কর্তৃক মোবাইল ফোন আমদানি এবং মোবাইল ফোন সংযোজন শিল্পের উপকরণ আমদানিতে উল্লেখযোগ্য পরিমান শুল্ক হাসের ফলে সকল ধরণের মোবাইল ফোনের মূল্য সর্বসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে এবং দেশের নাগরিকগণের পক্ষে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ সহজতর হবে মর্মে সরকার আশা করে। মোবাইল ফোনের মূল্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে এনবিআরের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৬
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং বিএনপি নেতা মাসুদ অরুনের পর এবার ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় গানম্যান পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন দায়িত্বশীল একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে রোববার (১২ জানুয়ারি) ডা. শফিকুর রহমানকে গানম্যান দেওয়ার জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে একটি পত্র পাঠানো হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডা. শফিকুর রহমানের ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ঝুঁকি বা হুমকি বিদ্যমান। এ কারণে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একজন গানম্যান নিয়োগ এবং বাসভবনে নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ডা. শফিকুর রহমানের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি পত্র পাঠায়। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং বিএনপি নেতা মাসুদ অরুনের পর এবার ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় গানম্যান পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন দায়িত্বশীল একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে রোববার (১২ জানুয়ারি) ডা. শফিকুর রহমানকে গানম্যান দেওয়ার জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে একটি পত্র পাঠানো হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডা. শফিকুর রহমানের ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ঝুঁকি বা হুমকি বিদ্যমান। এ কারণে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একজন গানম্যান নিয়োগ এবং বাসভবনে নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ডা. শফিকুর রহমানের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি পত্র পাঠায়। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৪
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট ও গণভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা–২০২৬’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
ড. ইউনূস বলেন, শিক্ষা শুধু চাকরি পাওয়ার হাতিয়ার হিসেবে দেখলে তার প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের সৃজনশীলতা জাগ্রত করা এবং তাকে স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে শেখানো।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, বরং চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। উদ্যোক্তা মানসিকতা, কল্পনাশক্তি ও নতুন কিছু তৈরির সাহস এই গুণগুলো শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে বিকশিত হওয়া জরুরি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দক্ষিণ এশিয়া একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক বিভাজন ও ভুল নীতির কারণে এই অঞ্চলের সম্ভাবনাগুলো অনেক সময় কাজে লাগানো যায় না। শিক্ষা হতে পারে সেই শক্তি, যা এই অঞ্চলের তরুণদের পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে সক্ষম করে তুলবে।
তিনি বলেন, তরুণদের রাজনৈতিক দল রয়েছে। তাদের অনেকে নির্বাচনে জিতে আসবেন এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। এ সময় তরুণদের স্বপ্নবাজ হওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এবং বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিসহ মোট ৩০ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
ইউজিসির বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট)’ প্রকল্পের আওতায় ইউজিসি এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট ও গণভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা–২০২৬’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
ড. ইউনূস বলেন, শিক্ষা শুধু চাকরি পাওয়ার হাতিয়ার হিসেবে দেখলে তার প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের সৃজনশীলতা জাগ্রত করা এবং তাকে স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে শেখানো।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, বরং চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। উদ্যোক্তা মানসিকতা, কল্পনাশক্তি ও নতুন কিছু তৈরির সাহস এই গুণগুলো শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে বিকশিত হওয়া জরুরি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দক্ষিণ এশিয়া একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক বিভাজন ও ভুল নীতির কারণে এই অঞ্চলের সম্ভাবনাগুলো অনেক সময় কাজে লাগানো যায় না। শিক্ষা হতে পারে সেই শক্তি, যা এই অঞ্চলের তরুণদের পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে সক্ষম করে তুলবে।
তিনি বলেন, তরুণদের রাজনৈতিক দল রয়েছে। তাদের অনেকে নির্বাচনে জিতে আসবেন এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। এ সময় তরুণদের স্বপ্নবাজ হওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এবং বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিসহ মোট ৩০ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
ইউজিসির বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট)’ প্রকল্পের আওতায় ইউজিসি এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.