
০৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৭
নেত্রকোনা জেলার হাওরবেষ্টিত মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুড়ি ও মদন উপজেলা। বর্ষাকালে প্রকৃতি ধারণ করে মোহনীয় রূপ। গ্রামগুলোকে তখন মনে হয় ছোট ছোট দ্বীপ। আবার হেমন্তে পানি সরে গেলে চোখে পড়ে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। প্রকৃতির এই সুন্দর হেঁয়ালিপনার সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িত এখানকার মানুষের জীবনযাত্রা।
এই তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত জাতীয় সংসদের আসন নেত্রকোনা-৪। আসনটিতে মোট ভোটারসংখ্যা তিন লাখ ৭৫ হাজার ৩১২ জন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন ঘিরে রাজনীতিতে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন বিএনপির সাবেক প্রভাবশালী স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।
দলে বর্তমানে তার কোনো সাংগঠনিক পদ না থাকলেও ভোটের মাঠে তিনি এখনো শক্তিশালী প্রার্থী। ১৯৯১ সালে এই আসন থেকে প্রথমবার বিএনপির টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বাবর। ২০০১ সালে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে জায়গা করে নেন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের মন্ত্রিসভায়। ওই সময় তিনি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী। একই সময় তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বাবরকে মনোনয়ন না দিলেও কারাগারে থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন তিনি। এ সময় তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাবর, যেখানে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন অনেক পেছনে। পরে বিএনপি তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করলেও বাবর আর কেন্দ্রীয় বা জেলা বিএনপির কোনো পদ পাননি।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা ও একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বাবর মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে এসব মামলায় তাঁকে খালাস দেন হাইকোর্ট। দীর্ঘ ১৭ বছর কারাভোগের পর মুক্তি পেলেও বিএনপির কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে তাঁর পুনর্বাসন হয়নি।
কারাবন্দি থাকা অবস্থায় স্থানীয় বিএনপিতে বাবরের অনুসারীদের নেতৃত্ব দেন তাঁর স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তাঁকেই মনোনয়ন দিয়েছিল বিএনপি। তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন লুৎফুজ্জামান বাবর। একই সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাঁর স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একই আসনে স্বামী-স্ত্রীর মনোনয়ন দাখিল একটি কৌশল। যথাসময়ে তাহমিনা জামান শ্রাবণী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে বাবরের পক্ষে অবস্থান নেবেন।
এই আসনে আরো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার, সিপিবির মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় সিপিবির সদস্য জলি তালুকদার এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মুখলেছুর রহমান।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেকেই বাবরকে এই আসনে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখছেন। একাধিক ভোটার বলছেন, বাবর এর আগে এমপি থাকাকালে এই এলাকার অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছেন। আমরা এলাকার উন্নয়নের জন্য আবার তাঁকে সংসদে পাঠাতে চাই। আমরা কোনো মার্কা বুঝি না। আমরা বুঝি মার্কা মানেই বাবর। এই আসনে বাবরের জয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অধ্যাপনার সঙ্গে যুক্ত এবং এলাকায় ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন সময়ে সামাজিক ও বিভিন্ন আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ভোটের মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।
জামায়াতের প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার বলেন, ‘আমরা ভোটের মাঠে ভালো সাড়া পাচ্ছি। জনগণ এখন পরিবর্তন চায়। মাদক, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম আওয়াজ তুলছে। তরুণরা অতীতের মতো এসব আর চায় না। তরুণরা আমাদের সঙ্গে আছে। আশা করছি, এ আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হব ইনশাল্লাহ।’
অন্য প্রার্থীরা মাঠে সক্রিয় থাকলেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, নেত্রকোণা-৪ আসনে মূল লড়াই হবে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে। তবে সব মিলিয়ে ভোটের মাঠে এখন পর্যন্ত আধিপত্য ধরে রেখেছেন লুৎফুজ্জামান বাবর।
নেত্রকোনা জেলার হাওরবেষ্টিত মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুড়ি ও মদন উপজেলা। বর্ষাকালে প্রকৃতি ধারণ করে মোহনীয় রূপ। গ্রামগুলোকে তখন মনে হয় ছোট ছোট দ্বীপ। আবার হেমন্তে পানি সরে গেলে চোখে পড়ে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। প্রকৃতির এই সুন্দর হেঁয়ালিপনার সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িত এখানকার মানুষের জীবনযাত্রা।
এই তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত জাতীয় সংসদের আসন নেত্রকোনা-৪। আসনটিতে মোট ভোটারসংখ্যা তিন লাখ ৭৫ হাজার ৩১২ জন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন ঘিরে রাজনীতিতে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন বিএনপির সাবেক প্রভাবশালী স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।
দলে বর্তমানে তার কোনো সাংগঠনিক পদ না থাকলেও ভোটের মাঠে তিনি এখনো শক্তিশালী প্রার্থী। ১৯৯১ সালে এই আসন থেকে প্রথমবার বিএনপির টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বাবর। ২০০১ সালে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে জায়গা করে নেন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের মন্ত্রিসভায়। ওই সময় তিনি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী। একই সময় তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বাবরকে মনোনয়ন না দিলেও কারাগারে থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন তিনি। এ সময় তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাবর, যেখানে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন অনেক পেছনে। পরে বিএনপি তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করলেও বাবর আর কেন্দ্রীয় বা জেলা বিএনপির কোনো পদ পাননি।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা ও একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বাবর মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে এসব মামলায় তাঁকে খালাস দেন হাইকোর্ট। দীর্ঘ ১৭ বছর কারাভোগের পর মুক্তি পেলেও বিএনপির কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে তাঁর পুনর্বাসন হয়নি।
কারাবন্দি থাকা অবস্থায় স্থানীয় বিএনপিতে বাবরের অনুসারীদের নেতৃত্ব দেন তাঁর স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তাঁকেই মনোনয়ন দিয়েছিল বিএনপি। তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন লুৎফুজ্জামান বাবর। একই সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাঁর স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একই আসনে স্বামী-স্ত্রীর মনোনয়ন দাখিল একটি কৌশল। যথাসময়ে তাহমিনা জামান শ্রাবণী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে বাবরের পক্ষে অবস্থান নেবেন।
এই আসনে আরো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার, সিপিবির মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় সিপিবির সদস্য জলি তালুকদার এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মুখলেছুর রহমান।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেকেই বাবরকে এই আসনে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখছেন। একাধিক ভোটার বলছেন, বাবর এর আগে এমপি থাকাকালে এই এলাকার অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছেন। আমরা এলাকার উন্নয়নের জন্য আবার তাঁকে সংসদে পাঠাতে চাই। আমরা কোনো মার্কা বুঝি না। আমরা বুঝি মার্কা মানেই বাবর। এই আসনে বাবরের জয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অধ্যাপনার সঙ্গে যুক্ত এবং এলাকায় ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন সময়ে সামাজিক ও বিভিন্ন আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ভোটের মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।
জামায়াতের প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার বলেন, ‘আমরা ভোটের মাঠে ভালো সাড়া পাচ্ছি। জনগণ এখন পরিবর্তন চায়। মাদক, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম আওয়াজ তুলছে। তরুণরা অতীতের মতো এসব আর চায় না। তরুণরা আমাদের সঙ্গে আছে। আশা করছি, এ আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হব ইনশাল্লাহ।’
অন্য প্রার্থীরা মাঠে সক্রিয় থাকলেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, নেত্রকোণা-৪ আসনে মূল লড়াই হবে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে। তবে সব মিলিয়ে ভোটের মাঠে এখন পর্যন্ত আধিপত্য ধরে রেখেছেন লুৎফুজ্জামান বাবর।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৯
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবৈধভাবে ঘোড়া জবাই করে মাংস সরবরাহ করে এমন একটি চক্রের সন্ধান মিলেছে। স্থানীয়দের ধাওয়া খেয়ে চক্রের সদস্যরা ১৪টি জবাইকৃত ঘোড়া ফেলে পালিয়ে যায়।
বুধবার (৮ মার্চ) ভোরে উপজেলার আনারপুরা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তিতাস গ্যাসের সাবস্টেশনের পেছনের একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে জবাইকৃত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়। এ সময় জবাইয়ের উদ্দেশ্যে আনা একটি জীবিত ঘোড়াও উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত ঘোড়াগুলো থেকে প্রায় ৩০ মণ মাংস পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় গভীর রাতে সন্দেহজনক কার্যক্রম চলছিল। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে গ্রামবাসী নজরদারি শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হাসান জানান, বুধবার ভোরে গ্রামবাসী ওঁৎ পেতে থেকে চক্রটিকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাদের ধাওয়া দিলে মো. তিতাস ও রাজিবসহ কয়েকজন পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চক্রটি নিয়মিত ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস হিসেবে বিভিন্ন হোটেল ও কসাইদের কাছে সরবরাহ করত। প্রমাণ গোপন করতে তারা চামড়া, হাড় ও নাড়িভুঁড়ি মাটিতে পুঁতে রাখত। ঘটনাস্থলে অন্তত ২০টি গর্ত এবং ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা হাড়গোড়ের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সপ্তাহে কয়েকদিন গভীর রাতে সেখানে গাড়ি আসত। সকালে রক্ত ও হাড় পড়ে থাকতে দেখা যেত। যা সন্দেহ আরও বাড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তার আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। গজারিয়া থানার ওসি মো. হাসান আলী বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান জানান, পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১’ অনুযায়ী ঘোড়া জবাই বৈধ নয়।
তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া না যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জবাইকৃত ঘোড়াগুলো প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মাটিতে পুঁতে ফেলার ব্যবস্থা করা হবে।
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবৈধভাবে ঘোড়া জবাই করে মাংস সরবরাহ করে এমন একটি চক্রের সন্ধান মিলেছে। স্থানীয়দের ধাওয়া খেয়ে চক্রের সদস্যরা ১৪টি জবাইকৃত ঘোড়া ফেলে পালিয়ে যায়।
বুধবার (৮ মার্চ) ভোরে উপজেলার আনারপুরা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তিতাস গ্যাসের সাবস্টেশনের পেছনের একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে জবাইকৃত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়। এ সময় জবাইয়ের উদ্দেশ্যে আনা একটি জীবিত ঘোড়াও উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত ঘোড়াগুলো থেকে প্রায় ৩০ মণ মাংস পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় গভীর রাতে সন্দেহজনক কার্যক্রম চলছিল। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে গ্রামবাসী নজরদারি শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হাসান জানান, বুধবার ভোরে গ্রামবাসী ওঁৎ পেতে থেকে চক্রটিকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাদের ধাওয়া দিলে মো. তিতাস ও রাজিবসহ কয়েকজন পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চক্রটি নিয়মিত ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস হিসেবে বিভিন্ন হোটেল ও কসাইদের কাছে সরবরাহ করত। প্রমাণ গোপন করতে তারা চামড়া, হাড় ও নাড়িভুঁড়ি মাটিতে পুঁতে রাখত। ঘটনাস্থলে অন্তত ২০টি গর্ত এবং ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা হাড়গোড়ের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সপ্তাহে কয়েকদিন গভীর রাতে সেখানে গাড়ি আসত। সকালে রক্ত ও হাড় পড়ে থাকতে দেখা যেত। যা সন্দেহ আরও বাড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও তার আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। গজারিয়া থানার ওসি মো. হাসান আলী বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান জানান, পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১’ অনুযায়ী ঘোড়া জবাই বৈধ নয়।
তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া না যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জবাইকৃত ঘোড়াগুলো প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মাটিতে পুঁতে ফেলার ব্যবস্থা করা হবে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৮
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ উঠেছে। তার নাম মো. জাকির হোসেন জেকে। তিনি উপজেলার চরবানিপাকুরিয়া ইউনিয়নের রান্ধুনীগাছা গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
অভিযোগে বলা হয়, গত ৩০ মার্চ রাত আনুমানিক ৪টার দিকে ভাংগুনী ডাংগা গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের বাড়িতে চুরি হয়।এ ঘটনায় ৫ এপ্রিল ভুক্তভোগীর স্ত্রী পিপাসা মেলান্দহ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, আব্দুল কুদ্দুস পরিবারসহ জামালপুর শহরে বাস করলেও গ্রামের বাড়িতে তার মা ও স্বজনরা থাকেন। তিনি মাঝে মাঝে গ্রামের বাড়ি আসেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার রাতে তাদের বাড়ির আশপাশে জাকির হোসেনকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। ওই রাতে তাদের ঘরে চুরি হয়। পরবর্তী সময়ে চুরি হওয়া একটি শাড়ি একই এলাকার শহীদের স্ত্রী নাছিমার কাছে পাওয়া যায়। চুরি হওয়া শাড়ির বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশে নাছিমা চুরির মালামাল কেনার কথা স্বীকার করেন এবং এতে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা উঠে আসে।
জাকির হোসেনকে সালিশে উপস্থিত হতে বলা হলেও তিনি উপস্থিত হননি। সলিশ সরাসরি কোনো পদক্ষেপ নিতে না পেয়ে ভুক্তভোগী পরিবারকে থানায় অভিযোগ করার পরামর্শ দেন।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী পিপাসা বলেন, ‘আমি অনেক কষ্ট করে মেয়ের জন্য গহনা ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহ করেছি। সব কিছু চুরি হয়ে গেছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।’
গ্রামবাসীরা জানান, জাকিরের মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি তার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নেওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জোর্তিময় সরকার জানান, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে চুরির আংশিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্ত চলমান রয়েছে এবং অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে জাকির হোসেন রান্ধুনীগাছা গ্রামে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার কথা বলেন। এ ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। ওই সময় তিনি নিজেই ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।’
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ উঠেছে। তার নাম মো. জাকির হোসেন জেকে। তিনি উপজেলার চরবানিপাকুরিয়া ইউনিয়নের রান্ধুনীগাছা গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
অভিযোগে বলা হয়, গত ৩০ মার্চ রাত আনুমানিক ৪টার দিকে ভাংগুনী ডাংগা গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের বাড়িতে চুরি হয়।এ ঘটনায় ৫ এপ্রিল ভুক্তভোগীর স্ত্রী পিপাসা মেলান্দহ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, আব্দুল কুদ্দুস পরিবারসহ জামালপুর শহরে বাস করলেও গ্রামের বাড়িতে তার মা ও স্বজনরা থাকেন। তিনি মাঝে মাঝে গ্রামের বাড়ি আসেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ঘটনার রাতে তাদের বাড়ির আশপাশে জাকির হোসেনকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। ওই রাতে তাদের ঘরে চুরি হয়। পরবর্তী সময়ে চুরি হওয়া একটি শাড়ি একই এলাকার শহীদের স্ত্রী নাছিমার কাছে পাওয়া যায়। চুরি হওয়া শাড়ির বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশে নাছিমা চুরির মালামাল কেনার কথা স্বীকার করেন এবং এতে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা উঠে আসে।
জাকির হোসেনকে সালিশে উপস্থিত হতে বলা হলেও তিনি উপস্থিত হননি। সলিশ সরাসরি কোনো পদক্ষেপ নিতে না পেয়ে ভুক্তভোগী পরিবারকে থানায় অভিযোগ করার পরামর্শ দেন।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী পিপাসা বলেন, ‘আমি অনেক কষ্ট করে মেয়ের জন্য গহনা ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহ করেছি। সব কিছু চুরি হয়ে গেছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।’
গ্রামবাসীরা জানান, জাকিরের মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি তার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নেওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জোর্তিময় সরকার জানান, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে চুরির আংশিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্ত চলমান রয়েছে এবং অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে জাকির হোসেন রান্ধুনীগাছা গ্রামে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার কথা বলেন। এ ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। ওই সময় তিনি নিজেই ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।’

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১১
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের একটি পাম্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও নিয়ম না মেনে তেল নেওয়ার দায়ে মোবারক হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালাউদ্দিন বিশ্বাস। দণ্ডপ্রাপ্ত মোবারকের বাড়ি উপজেলার তারুন্দিয়া ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে। সে ওই গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে আসা শত শত বাইকারদের ৫শ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছিল। বাইকার মোবারক হোসেনকেও ৫শ টাকার তেল দেওয়ার পরেও তিনি লাইন থেকে মোটরসাইকেল সরিয়ে নেননি।
তিনি আরও ৫শ টাকার তেল দাবি করেন। এসময় নিয়মের বাইরে তেল দিতে অপারগতা প্রকাশ করে পাম্প কর্তৃপক্ষ। এতে পাম্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় মোবারক হোসেনের।
বিষয়টি তৎক্ষণাৎ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমানকে জানায় পাম্প কর্তৃপক্ষ। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাম্প গিয়ে ওই যুবককে বুঝানোর চেষ্টা করলে সে ইউএনওর সঙ্গেও বাকবিতণ্ডা ও অশোভন আচরণ করেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালাউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর-১৮৮ ধারা মোতাবেক সরকারি কর্মচারীর যথাযথভাবে জারিকৃত আদেশ অমান্য করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আইন অমান্য করে পাম্পে তেল গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দায়ে মোবারককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল আজম বলেন, সরকারি বিধি মোতাবেক ১৫ দিনের সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোবারক হোসেনকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের একটি পাম্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও নিয়ম না মেনে তেল নেওয়ার দায়ে মোবারক হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালাউদ্দিন বিশ্বাস। দণ্ডপ্রাপ্ত মোবারকের বাড়ি উপজেলার তারুন্দিয়া ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে। সে ওই গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে আসা শত শত বাইকারদের ৫শ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছিল। বাইকার মোবারক হোসেনকেও ৫শ টাকার তেল দেওয়ার পরেও তিনি লাইন থেকে মোটরসাইকেল সরিয়ে নেননি।
তিনি আরও ৫শ টাকার তেল দাবি করেন। এসময় নিয়মের বাইরে তেল দিতে অপারগতা প্রকাশ করে পাম্প কর্তৃপক্ষ। এতে পাম্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় মোবারক হোসেনের।
বিষয়টি তৎক্ষণাৎ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা রহমানকে জানায় পাম্প কর্তৃপক্ষ। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাম্প গিয়ে ওই যুবককে বুঝানোর চেষ্টা করলে সে ইউএনওর সঙ্গেও বাকবিতণ্ডা ও অশোভন আচরণ করেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালাউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর-১৮৮ ধারা মোতাবেক সরকারি কর্মচারীর যথাযথভাবে জারিকৃত আদেশ অমান্য করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আইন অমান্য করে পাম্পে তেল গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দায়ে মোবারককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল আজম বলেন, সরকারি বিধি মোতাবেক ১৫ দিনের সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোবারক হোসেনকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.