
০৪ জুন, ২০২৬ ১৬:১০
ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মোঃ মমিন উদ্দিন বলেন, ধর্ষণে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াই, অপরাধীকে বয়কট করি। ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ, এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। ধর্ষণ প্রতিরোধে সামাজিক ও পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। ধর্মীয় উপাসনালয়ে এবিষয়ে আলোচনা করে মানুষকে সচেতন করে তুলতে হবে। তিনি আরো বলেন,
ধর্ষণের মতো জঘন্য সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
৪ জুন বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক হলরুমে “ধর্ষণে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াই, অপরাধীকে বয়কট করি। ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ, এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। আমি প্রতিবাদী, আমি সচেতন, আমি চুপ থাকব না”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কাওছার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেগুফতা মেহনাজ, মেডিকেল অফিসার ডা. রিফাত আহমেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো. আলম হোসেন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা দিলারা জামান, জেলা তথ্য অফিসার লেলিন বালা, রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন, সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, সাংবাদিক মানিক রায়, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সাকিনা আলম লিজাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, ধর্ষণ শুধু একটি ফৌজদারি অপরাধ নয়; এটি মানবতা, নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে নৃশংস আঘাত। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। স্থানীয় মাতব্বর ও শালিসদারদের ধর্ষণের ঘটনায় হস্তক্ষেপ বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
সভায় নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কিশোর-কিশোরীদের নৈতিক ও মানবিক শিক্ষা, পারিবারিক মূল্যবোধের চর্চা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে ধর্ষণসহ নারী নির্যাতন প্রতিরোধের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
আলোচকরা বলেন, ধর্ষণমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন, সচেতন নাগরিক ভূমিকা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিবাদ। এ লক্ষ্যে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মোঃ মমিন উদ্দিন বলেন, ধর্ষণে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াই, অপরাধীকে বয়কট করি। ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ, এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। ধর্ষণ প্রতিরোধে সামাজিক ও পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। ধর্মীয় উপাসনালয়ে এবিষয়ে আলোচনা করে মানুষকে সচেতন করে তুলতে হবে। তিনি আরো বলেন,
ধর্ষণের মতো জঘন্য সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
৪ জুন বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক হলরুমে “ধর্ষণে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াই, অপরাধীকে বয়কট করি। ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ, এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। আমি প্রতিবাদী, আমি সচেতন, আমি চুপ থাকব না”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কাওছার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেগুফতা মেহনাজ, মেডিকেল অফিসার ডা. রিফাত আহমেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো. আলম হোসেন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা দিলারা জামান, জেলা তথ্য অফিসার লেলিন বালা, রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন, সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, সাংবাদিক মানিক রায়, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সাকিনা আলম লিজাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, ধর্ষণ শুধু একটি ফৌজদারি অপরাধ নয়; এটি মানবতা, নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে নৃশংস আঘাত। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। স্থানীয় মাতব্বর ও শালিসদারদের ধর্ষণের ঘটনায় হস্তক্ষেপ বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
সভায় নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কিশোর-কিশোরীদের নৈতিক ও মানবিক শিক্ষা, পারিবারিক মূল্যবোধের চর্চা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে ধর্ষণসহ নারী নির্যাতন প্রতিরোধের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
আলোচকরা বলেন, ধর্ষণমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন, সচেতন নাগরিক ভূমিকা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিবাদ। এ লক্ষ্যে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

০৭ জুন, ২০২৬ ১৪:১৯
একসময় ছিল জনবসতিপূর্ণ একটি গ্রাম। বিস্তীর্ণ কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি আর স্বাভাবিক গ্রামীণ জীবনের চিত্র ছিল চারদিকে। কিন্তু বিষখালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে সেই চিত্র এখন অতীত। ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়নের চর ইসলামাবাদ গ্রামের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়ে বর্তমানে বিচ্ছিন্ন এক দ্বীপে পরিণত হয়েছে। নদীর বুকের মাঝে টিকে থাকা এই ছোট্ট জনপদটি এখন অস্তিত্ব সংকটে। প্রতিনিয়ত নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটছে বাসিন্দাদের। নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম ভোগান্তির মধ্যে জীবনযাপন করছেন তারা।
জানা যায়, ২০১৬ সালে ভয়াবহ নদীভাঙনের ফলে ইসলামাবাদ গ্রামের এই অংশটি মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর থেকে গ্রামটির চারপাশে বিষখালী নদীর পানি বেষ্টিত অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে নৌকা ও ট্রলারই এখানকার মানুষের একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম। জরুরি প্রয়োজনে উপজেলা সদর কিংবা জেলা শহরে যেতে হলে তাদের নদীপথেই নির্ভর করতে হয়।
স্থানীয়রা জানান, একসময় এই এলাকায় শত শত একর আবাদি জমি ছিল। নদীভাঙনে ধীরে ধীরে সেই জমি হারিয়ে গেছে। অনেক পরিবার একাধিকবার ভাঙনের শিকার হয়ে বসতভিটা হারিয়েছে। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে অন্যত্র চলে গেলেও যারা এখনো টিকে আছেন, তারা প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তা নিয়ে বসবাস করছেন।
বর্তমানে দ্বীপটিতে প্রায় ৫৪টি পরিবার বসবাস করছে। জনসংখ্যা আনুমানিক ৫২০ জন। উত্তর-দক্ষিণে প্রায় দুই কিলোমিটারের বেশি এবং পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় এক কিলোমিটার বিস্তৃত এই দ্বীপের আয়তনও বছর বছর কমে আসছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে অদূর ভবিষ্যতে পুরো জনপদটিই নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে পারে।
চর ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কাইউম বাদশাহ বলেন, ‘একসময় আমাদের বিদ্যালয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী ছিল। এখন শিক্ষার্থী সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৪০ জনে। শিক্ষকও ছিল পর্যাপ্ত। বর্তমানে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র দুজন। এলাকার মানুষ একের পর এক ভাঙনের শিকার হওয়ায় অনেকে অন্যত্র চলে গেছেন। ফলে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমে গেছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা আবদুস ছালাম বলেন, ‘আমরা সবসময় ভাঙনের ভয় নিয়ে থাকি। কখন ঘরবাড়ি নদীতে চলে যায়, সেই আতঙ্কে রাত কাটে। নদীভাঙনের কারণে বহু মানুষ এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। যারা আছি, তারাও জানি না কতদিন টিকে থাকতে পারব।
রানাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ও বর্তমানে দ্বীপের বাসিন্দা খলিলুর রহমান বলেন, ‘নদীভাঙনে এই এলাকার মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। একসময় যাদের অনেক জমিজমা ছিল, এখন তাদের অনেকেই ভূমিহীন হয়ে পড়েছেন। আমরা বারবার ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানালেও কার্যকর উদ্যোগ দেখতে পাইনি।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর তলদেশ থেকে অপরিকল্পিত ও অবৈধ বালু উত্তোলন ভাঙনের গতি বাড়িয়ে দিয়েছে। নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রকৃতি পরিবর্তিত হওয়ায় তীরবর্তী এলাকায় স্রোতের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে প্রতিবছর নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) রিজভী আহমেদ সবুজ বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। নদীভাঙন রোধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম নিলয় পাশা এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
বরিশাল টাইমস
একসময় ছিল জনবসতিপূর্ণ একটি গ্রাম। বিস্তীর্ণ কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি আর স্বাভাবিক গ্রামীণ জীবনের চিত্র ছিল চারদিকে। কিন্তু বিষখালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে সেই চিত্র এখন অতীত। ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়নের চর ইসলামাবাদ গ্রামের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়ে বর্তমানে বিচ্ছিন্ন এক দ্বীপে পরিণত হয়েছে। নদীর বুকের মাঝে টিকে থাকা এই ছোট্ট জনপদটি এখন অস্তিত্ব সংকটে। প্রতিনিয়ত নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটছে বাসিন্দাদের। নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম ভোগান্তির মধ্যে জীবনযাপন করছেন তারা।
জানা যায়, ২০১৬ সালে ভয়াবহ নদীভাঙনের ফলে ইসলামাবাদ গ্রামের এই অংশটি মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর থেকে গ্রামটির চারপাশে বিষখালী নদীর পানি বেষ্টিত অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে নৌকা ও ট্রলারই এখানকার মানুষের একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম। জরুরি প্রয়োজনে উপজেলা সদর কিংবা জেলা শহরে যেতে হলে তাদের নদীপথেই নির্ভর করতে হয়।
স্থানীয়রা জানান, একসময় এই এলাকায় শত শত একর আবাদি জমি ছিল। নদীভাঙনে ধীরে ধীরে সেই জমি হারিয়ে গেছে। অনেক পরিবার একাধিকবার ভাঙনের শিকার হয়ে বসতভিটা হারিয়েছে। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে অন্যত্র চলে গেলেও যারা এখনো টিকে আছেন, তারা প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তা নিয়ে বসবাস করছেন।
বর্তমানে দ্বীপটিতে প্রায় ৫৪টি পরিবার বসবাস করছে। জনসংখ্যা আনুমানিক ৫২০ জন। উত্তর-দক্ষিণে প্রায় দুই কিলোমিটারের বেশি এবং পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় এক কিলোমিটার বিস্তৃত এই দ্বীপের আয়তনও বছর বছর কমে আসছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে অদূর ভবিষ্যতে পুরো জনপদটিই নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে পারে।
চর ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কাইউম বাদশাহ বলেন, ‘একসময় আমাদের বিদ্যালয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী ছিল। এখন শিক্ষার্থী সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৪০ জনে। শিক্ষকও ছিল পর্যাপ্ত। বর্তমানে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র দুজন। এলাকার মানুষ একের পর এক ভাঙনের শিকার হওয়ায় অনেকে অন্যত্র চলে গেছেন। ফলে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমে গেছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা আবদুস ছালাম বলেন, ‘আমরা সবসময় ভাঙনের ভয় নিয়ে থাকি। কখন ঘরবাড়ি নদীতে চলে যায়, সেই আতঙ্কে রাত কাটে। নদীভাঙনের কারণে বহু মানুষ এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। যারা আছি, তারাও জানি না কতদিন টিকে থাকতে পারব।
রানাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ও বর্তমানে দ্বীপের বাসিন্দা খলিলুর রহমান বলেন, ‘নদীভাঙনে এই এলাকার মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। একসময় যাদের অনেক জমিজমা ছিল, এখন তাদের অনেকেই ভূমিহীন হয়ে পড়েছেন। আমরা বারবার ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানালেও কার্যকর উদ্যোগ দেখতে পাইনি।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর তলদেশ থেকে অপরিকল্পিত ও অবৈধ বালু উত্তোলন ভাঙনের গতি বাড়িয়ে দিয়েছে। নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রকৃতি পরিবর্তিত হওয়ায় তীরবর্তী এলাকায় স্রোতের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে প্রতিবছর নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) রিজভী আহমেদ সবুজ বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। নদীভাঙন রোধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম নিলয় পাশা এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
বরিশাল টাইমস

০৫ জুন, ২০২৬ ১৮:০৩
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ঝালকাঠি শহরের লিচুবাগানে মানববৃক্ষ তৈরি করলো ঝালকাঠি গাছপালা-নদীনালা রক্ষা আন্দোলন। ৫ জুন শুক্রবার বেলা ১২টায় সংগঠনটি জেলার পরিবেশপ্রেমী নাগরিকদের নিয়ে হাতে-হাত মিলিয়ে একটি বৃক্ষের আদলে মানববৃক্ষ তৈরি করে।
মানববৃক্ষ থেকে লিচুবাগানের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার দাবি করা হয়। ঝালকাঠি শহরের ফুসফুস-খ্যাত লিচুবাগান এলাকার জায়গা দুইটি কলেজের নামে হওয়া বরাদ্দ বাতিল করে আবারও লিচুবাগানের প্রকৃতি ফিরিয়ে আনার দাবি করা হয়। এ সময় পরিবেশবাদীরা স্লোগান দেন "এক দফা এক দাবি- দুই কলেজ সরে যাবি" ; আমরা চাই আমরা চাই- লিচুবাগান ফিরে চাই"
গাছ লাগানোর উপযোগী সময় না হওয়ায় একটি লিচুগাছকে প্রতিকী হিসেবে দাঁড় করিয়ে শিগগিরই লিচুসহ পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন জাতের গাছ লাগানোর ঘোষণা দেওয়া হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি গাছপালা-নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের উপদেষ্টা মল্লিক মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন কবির, ইলিয়াস সিকদার ফরহাদ, সাকিনা আলম লীজা, ফাইয়াজ ইফতেখার রনি, সহসভাপতি আজমীর হোসেন তালুকদার, মুনশি রেজাউল হক আজিম ও নির্বাহী সদস্য শফিউল আজম টুটুলসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের ৫০ জন সদস্য। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকিরুল হক সরকার।
ঝালকাঠি গাছপালা নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ইসমাঈল মুসাফির বলেন, সারাদেশে সবুজ বেষ্টনীতে ঝালকাঠি জেলা এক নম্বরে আছে, এটি ধরে রাখতে হবে। পরিবেশের বিরুদ্ধে আসা যেকোনো উদ্যোগকে সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে হবে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ঝালকাঠি শহরের লিচুবাগানে মানববৃক্ষ তৈরি করলো ঝালকাঠি গাছপালা-নদীনালা রক্ষা আন্দোলন। ৫ জুন শুক্রবার বেলা ১২টায় সংগঠনটি জেলার পরিবেশপ্রেমী নাগরিকদের নিয়ে হাতে-হাত মিলিয়ে একটি বৃক্ষের আদলে মানববৃক্ষ তৈরি করে।
মানববৃক্ষ থেকে লিচুবাগানের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার দাবি করা হয়। ঝালকাঠি শহরের ফুসফুস-খ্যাত লিচুবাগান এলাকার জায়গা দুইটি কলেজের নামে হওয়া বরাদ্দ বাতিল করে আবারও লিচুবাগানের প্রকৃতি ফিরিয়ে আনার দাবি করা হয়। এ সময় পরিবেশবাদীরা স্লোগান দেন "এক দফা এক দাবি- দুই কলেজ সরে যাবি" ; আমরা চাই আমরা চাই- লিচুবাগান ফিরে চাই"
গাছ লাগানোর উপযোগী সময় না হওয়ায় একটি লিচুগাছকে প্রতিকী হিসেবে দাঁড় করিয়ে শিগগিরই লিচুসহ পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন জাতের গাছ লাগানোর ঘোষণা দেওয়া হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি গাছপালা-নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের উপদেষ্টা মল্লিক মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন কবির, ইলিয়াস সিকদার ফরহাদ, সাকিনা আলম লীজা, ফাইয়াজ ইফতেখার রনি, সহসভাপতি আজমীর হোসেন তালুকদার, মুনশি রেজাউল হক আজিম ও নির্বাহী সদস্য শফিউল আজম টুটুলসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের ৫০ জন সদস্য। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকিরুল হক সরকার।
ঝালকাঠি গাছপালা নদীনালা রক্ষা আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ইসমাঈল মুসাফির বলেন, সারাদেশে সবুজ বেষ্টনীতে ঝালকাঠি জেলা এক নম্বরে আছে, এটি ধরে রাখতে হবে। পরিবেশের বিরুদ্ধে আসা যেকোনো উদ্যোগকে সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করতে হবে।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৫:১৩
পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়িতে অটোরিকশার চার্জার খুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শহিদুল ইসলাম (৬০) নামে এক অটো চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ৭টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শহিদুল ইসলাম উপজেলার জগন্নাথকাঠি গ্রামের মৃত আব্দুল গনির ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সারা রাত অটোরিকশা চার্জে রাখার পর সকালে চার্জার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
ঘটনাটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে পরিবারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়িতে অটোরিকশার চার্জার খুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শহিদুল ইসলাম (৬০) নামে এক অটো চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ৭টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শহিদুল ইসলাম উপজেলার জগন্নাথকাঠি গ্রামের মৃত আব্দুল গনির ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সারা রাত অটোরিকশা চার্জে রাখার পর সকালে চার্জার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
ঘটনাটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে পরিবারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৭ জুন, ২০২৬ ২২:৩২
০৭ জুন, ২০২৬ ১৯:০১
০৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৩৮
০৭ জুন, ২০২৬ ১৬:২১