ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মোঃ মমিন উদ্দিন বলেন, ধর্ষণে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াই, অপরাধীকে বয়কট করি। ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ, এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। ধর্ষণ প্রতিরোধে সামাজিক ও পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। ধর্মীয় উপাসনালয়ে এবিষয়ে আলোচনা করে মানুষকে সচেতন করে তুলতে হবে। তিনি আরো বলেন,
ধর্ষণের মতো জঘন্য সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
৪ জুন বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক হলরুমে “ধর্ষণে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াই, অপরাধীকে বয়কট করি। ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ, এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। আমি প্রতিবাদী, আমি সচেতন, আমি চুপ থাকব না”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কাওছার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেগুফতা মেহনাজ, মেডিকেল অফিসার ডা. রিফাত আহমেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো. আলম হোসেন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা দিলারা জামান, জেলা তথ্য অফিসার লেলিন বালা, রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন, সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, সাংবাদিক মানিক রায়, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সাকিনা আলম লিজাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, ধর্ষণ শুধু একটি ফৌজদারি অপরাধ নয়; এটি মানবতা, নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে নৃশংস আঘাত। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। স্থানীয় মাতব্বর ও শালিসদারদের ধর্ষণের ঘটনায় হস্তক্ষেপ বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
সভায় নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কিশোর-কিশোরীদের নৈতিক ও মানবিক শিক্ষা, পারিবারিক মূল্যবোধের চর্চা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে ধর্ষণসহ নারী নির্যাতন প্রতিরোধের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
আলোচকরা বলেন, ধর্ষণমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন, সচেতন নাগরিক ভূমিকা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিবাদ। এ লক্ষ্যে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫২
ঝালকাঠির রাজাপুরে ইমাদ পরিবহনের একটি বাসের চাপায় মো. মতিউর রহমান (৬৫) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের মোল্লারহাট এলাকায় বরিশাল-পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. মতিউর রহমান শুক্তাগড় ইউনিয়নের মোল্লারহাট এলাকার মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস।
প্রত্যক্ষদর্শী মো. কাজল মোল্লা জানান, দুপুরে সড়ক পারাপারের সময় ভান্ডারিয়াগামী ইমাদ পরিবহনের একটি বাস মতিউর রহমানকে চাপা দেয়।
এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে দুর্ঘটনার পর ঘাতক বাসটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা উপজেলা সদরের বাইপাস এলাকায় বাসটি আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। এ সময় বাসটির চালক মো. শামসুল হককেও আটক করা হয়। তিনি ঢাকার কেরানীগঞ্জের দক্ষিণ ধর্মশুর মুগারচর এলাকার সালাম শেখের ছেলে।
রাজাপুর থানার ওসি সুজন বিশ্বাস বলেন, বাস ও চালককে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঝালকাঠির রাজাপুরে ইমাদ পরিবহনের একটি বাসের চাপায় মো. মতিউর রহমান (৬৫) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের মোল্লারহাট এলাকায় বরিশাল-পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. মতিউর রহমান শুক্তাগড় ইউনিয়নের মোল্লারহাট এলাকার মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস।
প্রত্যক্ষদর্শী মো. কাজল মোল্লা জানান, দুপুরে সড়ক পারাপারের সময় ভান্ডারিয়াগামী ইমাদ পরিবহনের একটি বাস মতিউর রহমানকে চাপা দেয়।
এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে দুর্ঘটনার পর ঘাতক বাসটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা উপজেলা সদরের বাইপাস এলাকায় বাসটি আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। এ সময় বাসটির চালক মো. শামসুল হককেও আটক করা হয়। তিনি ঢাকার কেরানীগঞ্জের দক্ষিণ ধর্মশুর মুগারচর এলাকার সালাম শেখের ছেলে।
রাজাপুর থানার ওসি সুজন বিশ্বাস বলেন, বাস ও চালককে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩৫
ঝালকাঠির নলছিটিতে দুই কেজি গাঁজাসহ রাকিব হাসান সরদার (১৯) নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের দপদপিয়া জিরো পয়েন্ট এলাকার অটোস্ট্যান্ডসংলগ্ন সড়কে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রাকিব হাসান সরদার দিনাজপুরের পার্বতীপুর থানার ঘনশ্যামপুর গ্রামের মৃত বাবলু সরদার ওরফে ধলা সরদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদকবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার রাতে দপদপিয়া জিরো পয়েন্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নলছিটি থানা পুলিশ।
অভিযানের সময় অটোস্ট্যান্ডসংলগ্ন সড়কে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করা রাকিব হাসানকে আটক করে পুলিশ। পরে তার কাছে তল্লাশি চালিয়ে দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা গাঁজা জব্দ করে রাকিবকে থানায় নেওয়া হয়।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান সোহাগ বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দপদপিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার মাদক জব্দ করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার রাকিব হাসান সরদারের বিরুদ্ধে নলছিটি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। মামলার পর তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের অবৈধ সরবরাহ ও বিস্তার রোধে নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে দুই কেজি গাঁজাসহ রাকিব হাসান সরদার (১৯) নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের দপদপিয়া জিরো পয়েন্ট এলাকার অটোস্ট্যান্ডসংলগ্ন সড়কে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রাকিব হাসান সরদার দিনাজপুরের পার্বতীপুর থানার ঘনশ্যামপুর গ্রামের মৃত বাবলু সরদার ওরফে ধলা সরদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদকবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার রাতে দপদপিয়া জিরো পয়েন্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নলছিটি থানা পুলিশ।
অভিযানের সময় অটোস্ট্যান্ডসংলগ্ন সড়কে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করা রাকিব হাসানকে আটক করে পুলিশ। পরে তার কাছে তল্লাশি চালিয়ে দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা গাঁজা জব্দ করে রাকিবকে থানায় নেওয়া হয়।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জান সোহাগ বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দপদপিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার মাদক জব্দ করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার রাকিব হাসান সরদারের বিরুদ্ধে নলছিটি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। মামলার পর তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের অবৈধ সরবরাহ ও বিস্তার রোধে নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:১০
ঝালকাঠির রাজাপুরে ট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন। রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার পিংড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ঝালকাঠি-পিরোজপুর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন—রাজাপুর উপজেলার উত্তর বাঘড়ি এলাকার চান্দে আলী খানের ছেলে সিএনজিচালক মো. সুজন খান (৪০), ভান্ডারিয়ার গাজীপুর এলাকার আব্দুস সালাম তালুকদারের ছেলে মো. রুবেল (৩০), কাঁঠালিয়ার বলইবুনিয়া এলাকার ইমরান হোসেনের ছেলে শিশু মো. ইমাম (৩) এবং ইশরাত ফাতিমা (২৫)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল থেকে ভান্ডারিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া সিএনজি অটোরিকশাটি (বরিশাল মেট্রো-থ ১১-১১০৭) পিংড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছাকাছি পৌঁছালে আকস্মিকভাবে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত লেনে ঢুকে পড়ে। ঠিক সেই মুহূর্তে রাজাপুর থেকে ঝালকাঠির দিকে যাওয়া একটি ট্রাকের (ঢাকা মেট্রো-ড ১২-০৬৭২) সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিতে থাকা চালকসহ চারজন গুরুতর আহত হন।
সংঘর্ষের অভিঘাতে সিএনজিতে থাকা চালকসহ চারজন আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করেন। পরে তাদের রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সিএনজিচালক মো. সুজন খান ও যাত্রী ইশরাত ফাতিমার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অপর দুই আহত ব্যক্তি প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে যান।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাজাপুর থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত সিএনজি অটোরিকশাটি চালকের পরিবারের জিম্মায় রাখা হয়েছে।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহত চারজনের মধ্যে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং সিএনজিটি চালকের পরিবারের জিম্মায় রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ঝালকাঠির রাজাপুরে ট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন। রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার পিংড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ঝালকাঠি-পিরোজপুর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন—রাজাপুর উপজেলার উত্তর বাঘড়ি এলাকার চান্দে আলী খানের ছেলে সিএনজিচালক মো. সুজন খান (৪০), ভান্ডারিয়ার গাজীপুর এলাকার আব্দুস সালাম তালুকদারের ছেলে মো. রুবেল (৩০), কাঁঠালিয়ার বলইবুনিয়া এলাকার ইমরান হোসেনের ছেলে শিশু মো. ইমাম (৩) এবং ইশরাত ফাতিমা (২৫)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল থেকে ভান্ডারিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া সিএনজি অটোরিকশাটি (বরিশাল মেট্রো-থ ১১-১১০৭) পিংড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছাকাছি পৌঁছালে আকস্মিকভাবে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত লেনে ঢুকে পড়ে। ঠিক সেই মুহূর্তে রাজাপুর থেকে ঝালকাঠির দিকে যাওয়া একটি ট্রাকের (ঢাকা মেট্রো-ড ১২-০৬৭২) সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিতে থাকা চালকসহ চারজন গুরুতর আহত হন।
সংঘর্ষের অভিঘাতে সিএনজিতে থাকা চালকসহ চারজন আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করেন। পরে তাদের রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সিএনজিচালক মো. সুজন খান ও যাত্রী ইশরাত ফাতিমার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অপর দুই আহত ব্যক্তি প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে যান।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাজাপুর থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত সিএনজি অটোরিকশাটি চালকের পরিবারের জিম্মায় রাখা হয়েছে।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহত চারজনের মধ্যে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং সিএনজিটি চালকের পরিবারের জিম্মায় রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

০৪ জুন, ২০২৬ ১৬:১০
ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মোঃ মমিন উদ্দিন বলেন, ধর্ষণে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াই, অপরাধীকে বয়কট করি। ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ, এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। ধর্ষণ প্রতিরোধে সামাজিক ও পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। ধর্মীয় উপাসনালয়ে এবিষয়ে আলোচনা করে মানুষকে সচেতন করে তুলতে হবে। তিনি আরো বলেন,
ধর্ষণের মতো জঘন্য সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
৪ জুন বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক হলরুমে “ধর্ষণে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াই, অপরাধীকে বয়কট করি। ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ, এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। আমি প্রতিবাদী, আমি সচেতন, আমি চুপ থাকব না”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কাওছার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেগুফতা মেহনাজ, মেডিকেল অফিসার ডা. রিফাত আহমেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো. আলম হোসেন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা দিলারা জামান, জেলা তথ্য অফিসার লেলিন বালা, রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন, সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, সাংবাদিক মানিক রায়, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সাকিনা আলম লিজাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, ধর্ষণ শুধু একটি ফৌজদারি অপরাধ নয়; এটি মানবতা, নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে নৃশংস আঘাত। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। স্থানীয় মাতব্বর ও শালিসদারদের ধর্ষণের ঘটনায় হস্তক্ষেপ বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
সভায় নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কিশোর-কিশোরীদের নৈতিক ও মানবিক শিক্ষা, পারিবারিক মূল্যবোধের চর্চা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে ধর্ষণসহ নারী নির্যাতন প্রতিরোধের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
আলোচকরা বলেন, ধর্ষণমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন, সচেতন নাগরিক ভূমিকা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিবাদ। এ লক্ষ্যে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৩৪
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:৩১
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৪৫
১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৩