
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৪
ভোলার তজুমদ্দিনে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ বীর বিক্রমকে গণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। নিজ নির্বাচনী এলাকা ভোলা-৩ (লালমোহন–-তজুমদ্দিন) সফরের অংশ হিসেবে তিনি এ গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
শুত্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন ভোলা-আসনের সাংসদ ও জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ বীর বিক্রম।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাওলাদার, ভোলা জেলা আইনজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনরি সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ড. এ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাছেদ, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক হাসান মাকসুদুর রহমান, শাহাদাৎ হোসেন পাটওয়ারী, ভোলা জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হাসান সাফা পিন্টু, চাঁদপুর ইউনিয়ন দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি মহিউদ্দিন জুলফিকার, সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি জাকির হোসেন মনু, স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য শাহ শাহিন সাজি, চাঁচড়া বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আল, মলংচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হোসেন পাটওয়ারী প্রমুখ। ১৬ এপ্রিল তিন দিনের সফরে ভোলায় আসেন স্পিকার।
সফরের দ্বিতীয় দিনে তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ হলরুমে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর আগে তিনি বিকাল ৪টায় উপজেলা প্রশাসনের সাথে মত বিনিময় করেন। উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপজেলার সকল দাপ্তরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এ সময় উপজেলা বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, স্বতন্ত্রইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে স্পিকারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। পুরো অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার মেজর হাফিজ বলেন, আমি সংবর্ধনা গ্রহণের জন্য নয়, বরং এলাকার জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেই এসেছেন।
তিনি এলাকার উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতেও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আশ্বাস দেন। তিনি আরও বলেন, ভোলা-৩ আসনের জনগণ সবসময় তার পাশে ছিল এবং তাদের ভালোবাসা ও সমর্থনের কারণেই তিনি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। এজন্য তিনি সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল তার নিজ এলাকায় প্রথম সফর। এ সফরকে ঘিরে লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টু।
ভোলার তজুমদ্দিনে জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ বীর বিক্রমকে গণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। নিজ নির্বাচনী এলাকা ভোলা-৩ (লালমোহন–-তজুমদ্দিন) সফরের অংশ হিসেবে তিনি এ গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
শুত্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন ভোলা-আসনের সাংসদ ও জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ বীর বিক্রম।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাওলাদার, ভোলা জেলা আইনজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনরি সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ড. এ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাছেদ, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক হাসান মাকসুদুর রহমান, শাহাদাৎ হোসেন পাটওয়ারী, ভোলা জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হাসান সাফা পিন্টু, চাঁদপুর ইউনিয়ন দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি মহিউদ্দিন জুলফিকার, সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি জাকির হোসেন মনু, স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য শাহ শাহিন সাজি, চাঁচড়া বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আল, মলংচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হোসেন পাটওয়ারী প্রমুখ। ১৬ এপ্রিল তিন দিনের সফরে ভোলায় আসেন স্পিকার।
সফরের দ্বিতীয় দিনে তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ হলরুমে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর আগে তিনি বিকাল ৪টায় উপজেলা প্রশাসনের সাথে মত বিনিময় করেন। উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপজেলার সকল দাপ্তরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এ সময় উপজেলা বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, স্বতন্ত্রইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে স্পিকারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। পুরো অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার মেজর হাফিজ বলেন, আমি সংবর্ধনা গ্রহণের জন্য নয়, বরং এলাকার জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেই এসেছেন।
তিনি এলাকার উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতেও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আশ্বাস দেন। তিনি আরও বলেন, ভোলা-৩ আসনের জনগণ সবসময় তার পাশে ছিল এবং তাদের ভালোবাসা ও সমর্থনের কারণেই তিনি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। এজন্য তিনি সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল তার নিজ এলাকায় প্রথম সফর। এ সফরকে ঘিরে লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টু।
৩০ মে, ২০২৬ ১১:১২
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:২৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫১

২৭ মে, ২০২৬ ০৮:৫৮
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একটি বাসার গলিতে দুই মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে ফেলে রেখে গেছেন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন শিশুটির পরিবারকে খুঁজছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের সামনের একটি বাসার গলি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ফুটফুটে শিশুটিকে দেখে আঁতকে ওঠেন মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় এক বাসিন্দার বাসার গলির ভিতরে হটাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান অজ্ঞাত শিশুটি পড়ে আছে। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানালে সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা শিশুটিকে উদ্ধার করেন এবং বর্তমানে শিশুটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটির পরিবারের সন্ধানসহ কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলমান রয়েছে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, শিশুটি বর্তমানে নিরাপদে আছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও দেখভালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুটির পরিচয় শনাক্ত এবং পরিবারের সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শিশুটির পরিবারের সন্ধান না পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একটি বাসার গলিতে দুই মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে ফেলে রেখে গেছেন অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখন শিশুটির পরিবারকে খুঁজছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের সামনের একটি বাসার গলি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ফুটফুটে শিশুটিকে দেখে আঁতকে ওঠেন মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় এক বাসিন্দার বাসার গলির ভিতরে হটাৎ শিশুর কান্নার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান অজ্ঞাত শিশুটি পড়ে আছে। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানালে সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা শিশুটিকে উদ্ধার করেন এবং বর্তমানে শিশুটি উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটির পরিবারের সন্ধানসহ কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে ফেলে গেছেন তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলমান রয়েছে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোরঞ্জন বর্মন বলেন, শিশুটি বর্তমানে নিরাপদে আছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও দেখভালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুটির পরিচয় শনাক্ত এবং পরিবারের সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া শিশুটির পরিবারের সন্ধান না পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৬ মে, ২০২৬ ১৬:৩৮
ভোলার মেঘনা নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মো: শাকিল নামে আরও এক জেলে আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে হাজারিগঞ্জের আলম মাছ ঘাট সংলগ্ন নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জেলের নাম মো. সজিব মাঝি (২৫)। তিনি ভোলার চরফ্যাশনের শশীভূষণ থানার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আলম ঘাট সংলগ্ন এলাকার মো. সামছুর হকের ছেলে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সকাল ৮টার দিকে সজিব মাঝি ও শাকিল মাঝি নৌকা নিয়ে ঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে যান। পরে সকাল ১০টায় হঠাৎ বজ্রপাতে দুজনই আহত হন।
পরে অন্য জেলেরা তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা সজিবকে মৃত ঘোষণা করেন। শাকিল মাঝিকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠান। শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বিয়ষটি নিশ্চিত করেন।
ভোলার মেঘনা নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মো: শাকিল নামে আরও এক জেলে আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে হাজারিগঞ্জের আলম মাছ ঘাট সংলগ্ন নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জেলের নাম মো. সজিব মাঝি (২৫)। তিনি ভোলার চরফ্যাশনের শশীভূষণ থানার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আলম ঘাট সংলগ্ন এলাকার মো. সামছুর হকের ছেলে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সকাল ৮টার দিকে সজিব মাঝি ও শাকিল মাঝি নৌকা নিয়ে ঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে যান। পরে সকাল ১০টায় হঠাৎ বজ্রপাতে দুজনই আহত হন।
পরে অন্য জেলেরা তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা সজিবকে মৃত ঘোষণা করেন। শাকিল মাঝিকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠান। শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বিয়ষটি নিশ্চিত করেন।

২৩ মে, ২০২৬ ১৮:২১
ভোলার তজুমদ্দিনে একটি বিশাল আকৃতির গুইসাপ উদ্ধার করেন। শনিবার দুপুর ২টায় উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের আনন্দ বাজার পাশের ঝোপঝাড় থেকে প্রাণীটিকে দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে আতঙ্কিত এলাকাবাসী বন বিভাগকে সংবাদ দিলে বনবিভাগের কর্মিরা সেটি উদ্ধার করে যথাযথ প্রকৃয়া অনুসরণ করে বনে অবমুক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুইসাপটি প্রায় ৫ ফুট লম্বা ছিল। দীর্ঘ সময় ধরে এটি ঝোপের মধ্যে অবস্থান করছিল। পরে উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক ও বিট কর্মকর্তা আবুল মাশারের নেতৃত্বে বনবিভাগের একটি টিম এসে অনেক কৌশলে সেটিকে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় উৎসুক জনতা প্রাণীটিকে এক নজর দেখতে ভিড় করেন।
উপজেলা বন কর্মকর্তা কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, গুইসাপ পরিবেশের জন্য উপকারী একটি বন্যপ্রাণী এবং এটি সাধারণত মানুষকে আক্রমণ করে না। উদ্ধার শেষে প্রাণীটিকে বাসনভাঙ্গা চরে বনবিভাগের সৃজন করা বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্যপ্রাণী রক্ষা করতে জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি এবং কোনো বন্যপ্রাণী দেখা গেলে সেটিকে আঘাত না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানান।
ভোলার তজুমদ্দিনে একটি বিশাল আকৃতির গুইসাপ উদ্ধার করেন। শনিবার দুপুর ২টায় উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের আনন্দ বাজার পাশের ঝোপঝাড় থেকে প্রাণীটিকে দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে আতঙ্কিত এলাকাবাসী বন বিভাগকে সংবাদ দিলে বনবিভাগের কর্মিরা সেটি উদ্ধার করে যথাযথ প্রকৃয়া অনুসরণ করে বনে অবমুক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুইসাপটি প্রায় ৫ ফুট লম্বা ছিল। দীর্ঘ সময় ধরে এটি ঝোপের মধ্যে অবস্থান করছিল। পরে উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক ও বিট কর্মকর্তা আবুল মাশারের নেতৃত্বে বনবিভাগের একটি টিম এসে অনেক কৌশলে সেটিকে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় উৎসুক জনতা প্রাণীটিকে এক নজর দেখতে ভিড় করেন।
উপজেলা বন কর্মকর্তা কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, গুইসাপ পরিবেশের জন্য উপকারী একটি বন্যপ্রাণী এবং এটি সাধারণত মানুষকে আক্রমণ করে না। উদ্ধার শেষে প্রাণীটিকে বাসনভাঙ্গা চরে বনবিভাগের সৃজন করা বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্যপ্রাণী রক্ষা করতে জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি এবং কোনো বন্যপ্রাণী দেখা গেলে সেটিকে আঘাত না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানান।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.