Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২১
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার ও জমির সীমানা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোর ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ তিন ঘণ্টা পর পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বর্তমানে উক্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
জানা গেছে, ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে হাবিবুর রহমান তালুকদার ও কবির খান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত দুদিন আগে কবির খানের পক্ষের লোক শহীদ খানকে গ্রামের রাস্তার ওপরে প্রতিপক্ষ বেদম মারধর করে।
এ ঘটনায় গত দুদিন এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে। এ সময় বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। গত দুদিনের উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে আজ মঙ্গলবার ভোর ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র, ঢাল-সড়কি নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়।
তুজারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওলিউর রহমান বলেন, ‘জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সরইবাড়ী গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে আজকের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে আমরা প্রশাসনকে অবহিত করি। পরে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।’
ভাঙ্গা থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার ও জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার ও জমির সীমানা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোর ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ তিন ঘণ্টা পর পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বর্তমানে উক্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
জানা গেছে, ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে হাবিবুর রহমান তালুকদার ও কবির খান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত দুদিন আগে কবির খানের পক্ষের লোক শহীদ খানকে গ্রামের রাস্তার ওপরে প্রতিপক্ষ বেদম মারধর করে।
এ ঘটনায় গত দুদিন এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে। এ সময় বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। গত দুদিনের উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে আজ মঙ্গলবার ভোর ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র, ঢাল-সড়কি নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়।
তুজারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওলিউর রহমান বলেন, ‘জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সরইবাড়ী গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে আজকের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে আমরা প্রশাসনকে অবহিত করি। পরে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।’
ভাঙ্গা থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার ও জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২১

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা বাইপাস সড়ক সংলগ্ন একটি বাড়ির সীমানার বাইরে ঝোপঝাড় থেকে এক নারীর মাথার খুলি ও কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ মার্চ) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এগুলো উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তার পাশের ঘন ঝোপের মধ্যে মানুষের দেহাবশেষ পড়ে থাকতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে কঙ্কালটি উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকৃত কঙ্কালের পাশে লম্বা চুল পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর দেহাবশেষ এবং দীর্ঘদিন আগে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছিল। কঙ্কালটি আংশিকভাবে মাটির সঙ্গে মিশে ছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, ‘কঙ্কালটি বেশ পুরোনো মনে হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’
বিশ্বনাথ থানার ওসি গাজী মাহবুবুর রহমান জানান, ‘সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে কঙ্কালটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কি না এবং কতদিন আগে মৃত্যু হয়েছে তা ফরেনসিক রিপোর্ট পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।’

০২ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৮
সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে বসতবাড়ির আঙিনায় ১২ ফুট উচ্চতার ৫ কেজি ওজনের গাঁজার গাছসহ মাহবুবুর রহমান (৪৫) নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চালিতাডাঙ্গা দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মাহবুবুর রহমান ওই গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে ও উপজেলা উপজেলা যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক। বর্তমানে তিনি স্থানীয় একটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে। কাজীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাইদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বাড়ির আঙিনায় গাঁজার চাষ করা করা হয় এমন এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ১২ ফুট উচ্চতার ৫ কেজি ওজনের গাঁজার গাছটি মাহবুবুর রহমান পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করেছেন।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ স্বীকার করায় নিয়মিত মামলায় সোমবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযানকালে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম ও পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন খান উপস্থিত ছিলেন।
পথে পথে চাঁদাবাজি যেন সবজির দাম নিয়ন্ত্রণ করছে। যে বেগুন উৎপাদনে আড়ত পর্যায়ে ৩৭ টাকা, ঢাকায় এসে তা হয়ে যাচ্ছে ১শ’ টাকা। সব-ই যেন একটি চাঁদাবাজির শৃঙ্খলে আবদ্ধ।
৩শ’ বছরের ঐতিহ্যবাহী উত্তরের সবচেয়ে বড় সবজির বাজার বগুড়ার মহাস্থান হাটে সবজি আর কাঁচা তরকারি নিয়ে আসেন কৃষক। এখানেই ঠিক হয় দর। ধরণভেদে এক মন বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১৪ থেকে ১৫শ’ টাকায়। কেজির হিসাব ধরলে তা ৩৫ থেকে ৩৭ টাকা। শসার দামও কেজিতে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা।
কৃষকের বিক্রি করা সবজি পাইকারি আর খুচরা বাজারে না গিয়ে খোদ হাটেই ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে একটি স্লিপ। প্রতি মণের জন্য দিতে হচ্ছে ২০ টাকা চাঁদা। খাজনার নামে এই চাঁদা থেকে বাঁচতে কেউ কেউ সরাসরি মাঠ থেকে কৃষিপণ্য ট্রাকে তোলেন। তাতেও যেন রক্ষা নেই। এখানেও হাজির চাঁদা আদায়কারীরা।
একজন ব্যবসায়ী বলেন, বাজারের যে খরচটা দিবো এর থেকে চাঁদার পরিমাণটা বেশি। বাজারে পণ্য খালাস করার খরচ ৫শ’ টাকা কিন্ত চাঁদা দিতে হচ্ছে ১০০০ টাকা।
সবজি পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ভোক্তভোগী ট্রাক চালক কাশেম বলেন, পথে পথে হুট করে ট্রাক দাঁড় করিয়ে একটি স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে টাকা নেয়া হয়। তা না হলে কেউ যেতে পারে না।
শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইজারাদার তাহেরুল ইসলামের নামে স্লিপে নেওয়া হচ্ছে টাকা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাঁদার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি জানান, কোথায় সেটা? আমাদের লোকজন কোনো খাজনা আদায় করে না। আমার নামে কুৎসা রটাতে স্লিপ বানিয়ে এটা করা হতে পারে।
একই চিত্র সিরাজগঞ্জে-ও। ব্যবসায়ী কিংবা ট্রাক চালক, সকলের কাছ থেকেই নেওয়া হচ্ছে স্লিপ দিয়ে চাঁদা। এটি কী সমঝোতার চাঁদা, এই প্রশ্নের কোনো উত্তর মেলেনি।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, এখানে কোনো সমঝোতার বিষয় নেই। আমাদের কাছে এ বিষয়ে কেউ কোনো কিছু বলে নাই। আমরা এগুলোকে প্রশ্রয়ও দিচ্ছি না। আমাদের কথা হচ্ছে চাঁদাবাজি হলেই সেটা বন্ধ। এখানে সমঝোতা বলে কিছু নাই। যারা রাস্তায় বিভিন্ন জায়গায় টাকা সংগ্রহ করছে তারা চাঁদাবাজি করছে।
পথের চিত্র লক্ষ্য করতে গেলে দেখা যায়, সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী সবজির ট্রাক হতে গাজীপুর পার হতেই ব্রিজের দোহাই দিয়ে নেয়া হচ্ছে ট্রাক প্রতি দুইশ টাকা। সড়ক ও জনপদের টোল নামে ম্যানুয়ালি এ চাঁদা নেয়া হয় একেক সময় একেক স্পট থেকে।
ঢাকার পাইকারি আড়তে আসার পর নগরবাসীর জন্য পণ্যের দর ঠিক করেন আড়তদাররা। পথে পথে সমঝোতার চাঁদাবাজির ফলে সবজির দাম বেড়ে দ্বিগুণ, তিনগুণ।
প্রশ্ন আসে, হাটে-বাজারে-আড়তে-সড়কে আর মহাসড়কে চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য কি কমেছে আদৌ? সমঝোতায় নেয়া টাকাকে চাঁদা বলতে না চাইলেও এর প্রভাব কি পণ্যমূল্যে পড়ে না? কতটা পড়ে?
বরিশাল টাইমস
পথে পথে চাঁদাবাজি যেন সবজির দাম নিয়ন্ত্রণ করছে। যে বেগুন উৎপাদনে আড়ত পর্যায়ে ৩৭ টাকা, ঢাকায় এসে তা হয়ে যাচ্ছে ১শ’ টাকা। সব-ই যেন একটি চাঁদাবাজির শৃঙ্খলে আবদ্ধ।
৩শ’ বছরের ঐতিহ্যবাহী উত্তরের সবচেয়ে বড় সবজির বাজার বগুড়ার মহাস্থান হাটে সবজি আর কাঁচা তরকারি নিয়ে আসেন কৃষক। এখানেই ঠিক হয় দর। ধরণভেদে এক মন বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১৪ থেকে ১৫শ’ টাকায়। কেজির হিসাব ধরলে তা ৩৫ থেকে ৩৭ টাকা। শসার দামও কেজিতে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা।
কৃষকের বিক্রি করা সবজি পাইকারি আর খুচরা বাজারে না গিয়ে খোদ হাটেই ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে একটি স্লিপ। প্রতি মণের জন্য দিতে হচ্ছে ২০ টাকা চাঁদা। খাজনার নামে এই চাঁদা থেকে বাঁচতে কেউ কেউ সরাসরি মাঠ থেকে কৃষিপণ্য ট্রাকে তোলেন। তাতেও যেন রক্ষা নেই। এখানেও হাজির চাঁদা আদায়কারীরা।
একজন ব্যবসায়ী বলেন, বাজারের যে খরচটা দিবো এর থেকে চাঁদার পরিমাণটা বেশি। বাজারে পণ্য খালাস করার খরচ ৫শ’ টাকা কিন্ত চাঁদা দিতে হচ্ছে ১০০০ টাকা।
সবজি পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ভোক্তভোগী ট্রাক চালক কাশেম বলেন, পথে পথে হুট করে ট্রাক দাঁড় করিয়ে একটি স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে টাকা নেয়া হয়। তা না হলে কেউ যেতে পারে না।
শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইজারাদার তাহেরুল ইসলামের নামে স্লিপে নেওয়া হচ্ছে টাকা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাঁদার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি জানান, কোথায় সেটা? আমাদের লোকজন কোনো খাজনা আদায় করে না। আমার নামে কুৎসা রটাতে স্লিপ বানিয়ে এটা করা হতে পারে।
একই চিত্র সিরাজগঞ্জে-ও। ব্যবসায়ী কিংবা ট্রাক চালক, সকলের কাছ থেকেই নেওয়া হচ্ছে স্লিপ দিয়ে চাঁদা। এটি কী সমঝোতার চাঁদা, এই প্রশ্নের কোনো উত্তর মেলেনি।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, এখানে কোনো সমঝোতার বিষয় নেই। আমাদের কাছে এ বিষয়ে কেউ কোনো কিছু বলে নাই। আমরা এগুলোকে প্রশ্রয়ও দিচ্ছি না। আমাদের কথা হচ্ছে চাঁদাবাজি হলেই সেটা বন্ধ। এখানে সমঝোতা বলে কিছু নাই। যারা রাস্তায় বিভিন্ন জায়গায় টাকা সংগ্রহ করছে তারা চাঁদাবাজি করছে।
পথের চিত্র লক্ষ্য করতে গেলে দেখা যায়, সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী সবজির ট্রাক হতে গাজীপুর পার হতেই ব্রিজের দোহাই দিয়ে নেয়া হচ্ছে ট্রাক প্রতি দুইশ টাকা। সড়ক ও জনপদের টোল নামে ম্যানুয়ালি এ চাঁদা নেয়া হয় একেক সময় একেক স্পট থেকে।
ঢাকার পাইকারি আড়তে আসার পর নগরবাসীর জন্য পণ্যের দর ঠিক করেন আড়তদাররা। পথে পথে সমঝোতার চাঁদাবাজির ফলে সবজির দাম বেড়ে দ্বিগুণ, তিনগুণ।
প্রশ্ন আসে, হাটে-বাজারে-আড়তে-সড়কে আর মহাসড়কে চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য কি কমেছে আদৌ? সমঝোতায় নেয়া টাকাকে চাঁদা বলতে না চাইলেও এর প্রভাব কি পণ্যমূল্যে পড়ে না? কতটা পড়ে?
বরিশাল টাইমস
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা বাইপাস সড়ক সংলগ্ন একটি বাড়ির সীমানার বাইরে ঝোপঝাড় থেকে এক নারীর মাথার খুলি ও কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ মার্চ) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এগুলো উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তার পাশের ঘন ঝোপের মধ্যে মানুষের দেহাবশেষ পড়ে থাকতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে কঙ্কালটি উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকৃত কঙ্কালের পাশে লম্বা চুল পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর দেহাবশেষ এবং দীর্ঘদিন আগে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছিল। কঙ্কালটি আংশিকভাবে মাটির সঙ্গে মিশে ছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, ‘কঙ্কালটি বেশ পুরোনো মনে হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’
বিশ্বনাথ থানার ওসি গাজী মাহবুবুর রহমান জানান, ‘সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে কঙ্কালটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কি না এবং কতদিন আগে মৃত্যু হয়েছে তা ফরেনসিক রিপোর্ট পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।’
সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে বসতবাড়ির আঙিনায় ১২ ফুট উচ্চতার ৫ কেজি ওজনের গাঁজার গাছসহ মাহবুবুর রহমান (৪৫) নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চালিতাডাঙ্গা দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মাহবুবুর রহমান ওই গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে ও উপজেলা উপজেলা যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক। বর্তমানে তিনি স্থানীয় একটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে। কাজীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাইদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বাড়ির আঙিনায় গাঁজার চাষ করা করা হয় এমন এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ১২ ফুট উচ্চতার ৫ কেজি ওজনের গাঁজার গাছটি মাহবুবুর রহমান পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করেছেন।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ স্বীকার করায় নিয়মিত মামলায় সোমবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযানকালে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম ও পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন খান উপস্থিত ছিলেন।