
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪২
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিএনপি প্রত্যেকটি বিষয়ে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিবাদের রাস্তা ধরে হাঁটা শুরু করেছে।
তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে আমরা একসময় একসঙ্গে মজলুম ছিলাম। আমি বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই- আপনারা হাজার চেষ্টা করলেও ওই আওয়ামী লীগ হতে পারবেন না; বড়জোর দুর্বল আওয়ামী লীগ হতে পারবেন। যে আওয়ামী লীগ একসময় পুরো জাতিকে নিয়ে কিংবা বিরোধী দলকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করত, আজ তাদের কী দশা? আপনারা ঠিক একই কাজ শুরু করেছেন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, আওয়ামী লীগ তাদের পোষ্য লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরে কর্তৃত্ব কায়েম করেছিল। কিন্তু আজ তাদের সেই দুর্দিনে কোনো লাঠিয়াল পাশে এসে দাঁড়ায়নি।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রের মৌলিক যে সমস্ত জায়গায় পরিবর্তন দরকার, সুশাসন কায়েমের জন্য সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বাদ জনগণকে দেওয়ার জন্য প্রত্যেকটি বিষয়ে বিএনপি বিরোধিতা করে চলছে। এটি জাতির সঙ্গে সুস্পষ্ট প্রতারণা।
তিনি বলেন, বিএনপি তাদের দেওয়া ৩১ তফা কর্মসূচি সংস্কারের তাদের ইশতেহারেই তারা বিরোধিতা করছে। আমার মনে হয়, তারা যে বিরোধিতা করছে এই জ্ঞানটাও বোধহয় তারা হারিয়ে ফেলেছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি ভুলে যাবেন না। এই জুলাই না হলে, এই মায়েদের, এই বাবাদের, এই ভাইদের, এই বোনদের, সন্তান, স্বামী, ভাই, বোন জীবন না দিলে আজকে আপনারা ক্ষমতার এনজয় করতে পারতেন না। ক্ষমতায় আসার আগেই আপনারা ভুলেছিলেন, শহীদ পরিবার যখন বুকে কষ্ট নিয়ে কান্নাকাটি করছিল। শহীদ পরিবারের কাছে তখন আপনাদের ছুটে যাওয়ার সময় ছিল না। আপনারা ৫ আগস্টের পর ৭ আগস্ট পার্টি অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে বললেন আমাদের নির্বাচন দাও আমরা ক্ষমতায় বসতে চাই। শহীদ পরিবারের দুঃখ আপনাদের অন্তরকে স্পর্শ করেনি। আহত বন্ধুদের নিয়ে আপনাদের কোনো কর্মসূচি, ভাবনা জাতি দেখেনি। কিন্তু এই বিপ্লবের বেনিফিশিয়ারি আপনারা।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা বিদেশে ছিলেন, স্বদেশে আসার সুযোগ পেয়েছেন। এই বিপ্লব না হলে আপনারা বোধহয় কল্পনাও করতেন না দেশে ফিরে আসার। আমার জেলের সহকর্মী পার্টনার আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা জেলে ছিলেন একসঙ্গেই ছিলাম তারা হতাশা ব্যক্ত করে বলতেন ৪১ এর আগে হাসিনা এবং আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো সম্ভব না। ২৪ এর অভ্যুত্থানের পরে যখন বঙ্গভবনে শপথ নিলেন উপদেষ্টারা বিএনপির বাংলাদেশে উপস্থিত সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন নেতার আমি পাশাপাশি ছিলাম। উনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন এটা কি হলো? আমি কিছু না বলে আসমানের দিকে আমার এই আঙুলটা উঠলো। তিনি বললেন আসলেই এটা খোদার দান। এটাই মিরাকল। সেই খোদার দান ভুলে গেলেন। এখন কেউ কেউ দাবি করে অমুক আন্দোলনের মাস্টার মাইন্ড। অমুকের নেতৃত্বে আন্দোলন সফল হয়েছে। এগুলো সব ভুয়া।
তিনি বলেন, আমরা কারো ন্যাজ্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে বেড়েছে। জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না। আপামর স্বার্থ সমাজ জীবন বাঁচিয়ে রেখে তখন জাপিয়ে পড়েছিল। শ্রমিকরা পাশে দাঁড়িয়েছিল। মায়েরা রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। স্ত্রী তার স্বামীকে পানি এগিয়ে দিয়েছিল। সন্তান কোলে নিয়ে মা রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। এই দিনগুলো ভুলে যাবেন না।
জামায়াতে আমির আরও বলেন, সংসদে আমরা প্রথম দিনে দাবি তুলেছি, আমরা শপথ নিয়েছি, তারা শপথ নেন নাই। জাতির সঙ্গে দেওয়া ওয়াদা ভঙ্গ করে তারা প্রতারণা করেছে। এরপরে যখন জাতিকে প্রতারিত করা হয়েছে, আমরা নোটিশ দিয়ে আলোচনার ব্যবস্থা করেছি। তারা তার বিরোধিতা করেছে। যে আইনগুলো সংশোধন না হলে অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন না হলে, ফ্যাসিবাদী শাসনের পরিবর্তন হবে না। সবগুলো আগের স্বৈরাচারী সরকারের মতো রাখার পক্ষে তারা অবস্থান নিয়েছে। আমরা বিএনপিকে পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি সম্প্রতি কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায়, জায়গায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, এমনকি এখান থেকে মাত্র কয়েক গোজ দূরে মানুষের আইনের আশ্রয়ের থানার ভেতরে ঢুকে দুঃখজনকভাবে ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপরে হামলা করা হয়েছে। বার্তা পরিষ্কার যেদিন তারা গণভোটের রায় অস্বীকার করেছেন আমি বলেছিলাম বিএনপি আজকে থেকে ফ্যাসিবাদের পথে যাত্রা শুরু করল। এটা ফ্যাসিবাদ।
তিনি বলেন, এ বাংলাদেশ আমরা চাই না। আমরা পরিবর্তনের বাংলাদেশ চাই। যেই বাংলাদেশে শিশু যখন ঘর থেকে বের হবে, কিশোর যখন বের হবে, যুবক যুবতীরা বের হবে, আমার মা বোনেরা বের হবে, তখন কারো বুক কাঁপবে না। নিরাপত্তার সঙ্গে বের হবে। আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমাদের সন্তানদের হাতে দা কুড়াল দেখতে চাই না। আমরা খাতা এবং কলম দেখতে চাই। আমরা কোনো আদুভাই, দাদুভাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে আমাদের সন্তানদের পথ আটকাবে আমরা এটা দেখতে চাই না। এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। যদি বন্ধ না করেন, মনে রাখবেন জুলাই শুধু ২৪ সালে ছিল না। জুলাই প্রত্যেক বসরে আসে। সে জুলাই আবার ফিরে আসবে। তখন ফাইনালি ফ্যাসিবাদের কবর রচনা হবে। শুভ বুদ্ধির উদয় হোক জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখান। ৭০ ভাগ মানুষের রায় মেনে নিন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন যদি না করেন, আমাদের লড়াই সংসদের ভেতরেও চলবে, খোলা ময়দানেও চলবে ইনশাআল্লাহ।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিএনপি প্রত্যেকটি বিষয়ে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিবাদের রাস্তা ধরে হাঁটা শুরু করেছে।
তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে আমরা একসময় একসঙ্গে মজলুম ছিলাম। আমি বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই- আপনারা হাজার চেষ্টা করলেও ওই আওয়ামী লীগ হতে পারবেন না; বড়জোর দুর্বল আওয়ামী লীগ হতে পারবেন। যে আওয়ামী লীগ একসময় পুরো জাতিকে নিয়ে কিংবা বিরোধী দলকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করত, আজ তাদের কী দশা? আপনারা ঠিক একই কাজ শুরু করেছেন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, আওয়ামী লীগ তাদের পোষ্য লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরে কর্তৃত্ব কায়েম করেছিল। কিন্তু আজ তাদের সেই দুর্দিনে কোনো লাঠিয়াল পাশে এসে দাঁড়ায়নি।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রের মৌলিক যে সমস্ত জায়গায় পরিবর্তন দরকার, সুশাসন কায়েমের জন্য সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বাদ জনগণকে দেওয়ার জন্য প্রত্যেকটি বিষয়ে বিএনপি বিরোধিতা করে চলছে। এটি জাতির সঙ্গে সুস্পষ্ট প্রতারণা।
তিনি বলেন, বিএনপি তাদের দেওয়া ৩১ তফা কর্মসূচি সংস্কারের তাদের ইশতেহারেই তারা বিরোধিতা করছে। আমার মনে হয়, তারা যে বিরোধিতা করছে এই জ্ঞানটাও বোধহয় তারা হারিয়ে ফেলেছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি ভুলে যাবেন না। এই জুলাই না হলে, এই মায়েদের, এই বাবাদের, এই ভাইদের, এই বোনদের, সন্তান, স্বামী, ভাই, বোন জীবন না দিলে আজকে আপনারা ক্ষমতার এনজয় করতে পারতেন না। ক্ষমতায় আসার আগেই আপনারা ভুলেছিলেন, শহীদ পরিবার যখন বুকে কষ্ট নিয়ে কান্নাকাটি করছিল। শহীদ পরিবারের কাছে তখন আপনাদের ছুটে যাওয়ার সময় ছিল না। আপনারা ৫ আগস্টের পর ৭ আগস্ট পার্টি অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে বললেন আমাদের নির্বাচন দাও আমরা ক্ষমতায় বসতে চাই। শহীদ পরিবারের দুঃখ আপনাদের অন্তরকে স্পর্শ করেনি। আহত বন্ধুদের নিয়ে আপনাদের কোনো কর্মসূচি, ভাবনা জাতি দেখেনি। কিন্তু এই বিপ্লবের বেনিফিশিয়ারি আপনারা।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা বিদেশে ছিলেন, স্বদেশে আসার সুযোগ পেয়েছেন। এই বিপ্লব না হলে আপনারা বোধহয় কল্পনাও করতেন না দেশে ফিরে আসার। আমার জেলের সহকর্মী পার্টনার আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা জেলে ছিলেন একসঙ্গেই ছিলাম তারা হতাশা ব্যক্ত করে বলতেন ৪১ এর আগে হাসিনা এবং আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো সম্ভব না। ২৪ এর অভ্যুত্থানের পরে যখন বঙ্গভবনে শপথ নিলেন উপদেষ্টারা বিএনপির বাংলাদেশে উপস্থিত সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন নেতার আমি পাশাপাশি ছিলাম। উনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন এটা কি হলো? আমি কিছু না বলে আসমানের দিকে আমার এই আঙুলটা উঠলো। তিনি বললেন আসলেই এটা খোদার দান। এটাই মিরাকল। সেই খোদার দান ভুলে গেলেন। এখন কেউ কেউ দাবি করে অমুক আন্দোলনের মাস্টার মাইন্ড। অমুকের নেতৃত্বে আন্দোলন সফল হয়েছে। এগুলো সব ভুয়া।
তিনি বলেন, আমরা কারো ন্যাজ্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে বেড়েছে। জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না। আপামর স্বার্থ সমাজ জীবন বাঁচিয়ে রেখে তখন জাপিয়ে পড়েছিল। শ্রমিকরা পাশে দাঁড়িয়েছিল। মায়েরা রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। স্ত্রী তার স্বামীকে পানি এগিয়ে দিয়েছিল। সন্তান কোলে নিয়ে মা রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। এই দিনগুলো ভুলে যাবেন না।
জামায়াতে আমির আরও বলেন, সংসদে আমরা প্রথম দিনে দাবি তুলেছি, আমরা শপথ নিয়েছি, তারা শপথ নেন নাই। জাতির সঙ্গে দেওয়া ওয়াদা ভঙ্গ করে তারা প্রতারণা করেছে। এরপরে যখন জাতিকে প্রতারিত করা হয়েছে, আমরা নোটিশ দিয়ে আলোচনার ব্যবস্থা করেছি। তারা তার বিরোধিতা করেছে। যে আইনগুলো সংশোধন না হলে অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন না হলে, ফ্যাসিবাদী শাসনের পরিবর্তন হবে না। সবগুলো আগের স্বৈরাচারী সরকারের মতো রাখার পক্ষে তারা অবস্থান নিয়েছে। আমরা বিএনপিকে পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি সম্প্রতি কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায়, জায়গায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, এমনকি এখান থেকে মাত্র কয়েক গোজ দূরে মানুষের আইনের আশ্রয়ের থানার ভেতরে ঢুকে দুঃখজনকভাবে ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপরে হামলা করা হয়েছে। বার্তা পরিষ্কার যেদিন তারা গণভোটের রায় অস্বীকার করেছেন আমি বলেছিলাম বিএনপি আজকে থেকে ফ্যাসিবাদের পথে যাত্রা শুরু করল। এটা ফ্যাসিবাদ।
তিনি বলেন, এ বাংলাদেশ আমরা চাই না। আমরা পরিবর্তনের বাংলাদেশ চাই। যেই বাংলাদেশে শিশু যখন ঘর থেকে বের হবে, কিশোর যখন বের হবে, যুবক যুবতীরা বের হবে, আমার মা বোনেরা বের হবে, তখন কারো বুক কাঁপবে না। নিরাপত্তার সঙ্গে বের হবে। আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমাদের সন্তানদের হাতে দা কুড়াল দেখতে চাই না। আমরা খাতা এবং কলম দেখতে চাই। আমরা কোনো আদুভাই, দাদুভাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে আমাদের সন্তানদের পথ আটকাবে আমরা এটা দেখতে চাই না। এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। যদি বন্ধ না করেন, মনে রাখবেন জুলাই শুধু ২৪ সালে ছিল না। জুলাই প্রত্যেক বসরে আসে। সে জুলাই আবার ফিরে আসবে। তখন ফাইনালি ফ্যাসিবাদের কবর রচনা হবে। শুভ বুদ্ধির উদয় হোক জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখান। ৭০ ভাগ মানুষের রায় মেনে নিন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন যদি না করেন, আমাদের লড়াই সংসদের ভেতরেও চলবে, খোলা ময়দানেও চলবে ইনশাআল্লাহ।
বরিশাল টাইমস

১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:২৩
স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। আদালত শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে আসেন জাহের আলভী। পরে দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হলে কাঠগড়ায় দাঁড়ান এ অভিনেতা।
শুনানিতে জাহের আলভীর পক্ষে আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া সহ অনেকেই শুনানি করেন। অপরদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আবেদেনের শুনানি করেন।
আলভীর জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধুমাত্র ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটির দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ নেই। আসামি ঈদ উপলক্ষে নাটক নির্মাণের জন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নেপালে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসে বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।
আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন ২০১০ সালে; তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। আদালত শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে আসেন জাহের আলভী। পরে দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হলে কাঠগড়ায় দাঁড়ান এ অভিনেতা।
শুনানিতে জাহের আলভীর পক্ষে আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া সহ অনেকেই শুনানি করেন। অপরদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আবেদেনের শুনানি করেন।
আলভীর জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধুমাত্র ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটির দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ নেই। আসামি ঈদ উপলক্ষে নাটক নির্মাণের জন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নেপালে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসে বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।
আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন ২০১০ সালে; তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:১০
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা) আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৪৮ জন।
এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৬৬ জনে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৩ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে দুটি শিশু মারা গেছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একটি করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এই সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯০৭ জন। তাদের মধ্যে ৩৩১টি শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৭৫) ও বরিশাল (১৩৫)।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ৮১৫ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছেন।
গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৯৫ দিনে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৮৯ হাজার ৯০৪ জনের মধ্যে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৪ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ জনের। এ ছাড়া ৯৫ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫০৩ জন।
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা) আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৪৮ জন।
এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৬৬ জনে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৩ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে দুটি শিশু মারা গেছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একটি করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এই সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯০৭ জন। তাদের মধ্যে ৩৩১টি শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৭৫) ও বরিশাল (১৩৫)।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ৮১৫ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছেন।
গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৯৫ দিনে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৮৯ হাজার ৯০৪ জনের মধ্যে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৪ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ জনের। এ ছাড়া ৯৫ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫০৩ জন।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:০৭
গাইবান্ধা শহরে সরকারি হাসপাতালের বিপুল পরিমাণ ইনজেকশন সিরিঞ্জ বাইরে বিক্রির জন্য বহনকালে রওশনা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন।
এ সময় তার কাছে সরকারি ৩০০ ইনজেকশন সিরিঞ্জ পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা। ওই নারীকে দিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন কাজ করানো হয় বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফ রহমান। বিকেলে শহরের হাসপাতাল রোডের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করছিলেন ওই নারী। এ সময় স্থানীয়রা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বস্তার ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি সিরিঞ্জ পাওয়া যায়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ঝরনা বেগম নামের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নার্স তাকে এসব সিরিঞ্জ দিয়েছেন। তবে তিনি কেন এগুলো বাইরে নিচ্ছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিফ রহমান তত্বাবধায়কের বরাতে বলেন, সরকারি সিরিঞ্জ বাইরে যাওয়ার ঘটনায় একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটির ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিরিঞ্জ প্রথমত স্টোর কিপারের দায়িত্বে থাকে। সেখান থেকে নার্স ইনচার্জ, পরে ডিউটিরত নার্সদেরকে দেওয়া হয়। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে হাসপাতলের ৩০০ সিরিঞ্জ ওই নারী বাহিরে নিয়ে যান। যা ওয়ার্ড থেকে নেওয়া হয়েছে।
গাইবান্ধা শহরে সরকারি হাসপাতালের বিপুল পরিমাণ ইনজেকশন সিরিঞ্জ বাইরে বিক্রির জন্য বহনকালে রওশনা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন।
এ সময় তার কাছে সরকারি ৩০০ ইনজেকশন সিরিঞ্জ পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা। ওই নারীকে দিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন কাজ করানো হয় বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফ রহমান। বিকেলে শহরের হাসপাতাল রোডের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করছিলেন ওই নারী। এ সময় স্থানীয়রা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বস্তার ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি সিরিঞ্জ পাওয়া যায়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ঝরনা বেগম নামের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নার্স তাকে এসব সিরিঞ্জ দিয়েছেন। তবে তিনি কেন এগুলো বাইরে নিচ্ছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিফ রহমান তত্বাবধায়কের বরাতে বলেন, সরকারি সিরিঞ্জ বাইরে যাওয়ার ঘটনায় একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটির ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিরিঞ্জ প্রথমত স্টোর কিপারের দায়িত্বে থাকে। সেখান থেকে নার্স ইনচার্জ, পরে ডিউটিরত নার্সদেরকে দেওয়া হয়। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে হাসপাতলের ৩০০ সিরিঞ্জ ওই নারী বাহিরে নিয়ে যান। যা ওয়ার্ড থেকে নেওয়া হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১