
০২ নভেম্বর, ২০২৫ ২০:১৮
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হবে না, সংস্কার হলেই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে। আজ রোববার ভোলা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে সকালে ভোলার সাত উপজেলার সমন্বয়ক, নেতা-কর্মীদের নিয়ে এনসিপির জেলা সমন্বয় সভা শুরু হয়। সভা চলে বেলা দুইটা পর্যন্ত। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
এনসিপির সমন্বয়কারী মেহেদী হাসানের (শরীফ) সভাপতিত্বে সমন্বয় সভায় আরও বক্তব্য দেন বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়ক মুজাহিদুল ইসলাম (শাহিন), যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মাহমুদা আলম (মিতু), আরিফুর রহমান (তুহিন), মেসবাহ কামাল, যুগ্ম সদস্যসচিব ও শিক্ষা গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ (শান্ত), কেন্দ্রীয় সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন (ফয়সাল), কেন্দ্রীয় সদস্য রফিকুল ইসলাম (কনক), আবু সাঈদ (মুসা) প্রমুখ।
পরে দুইটার দিকে সংবাদ সম্মেলন করেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘এই সমন্বয় সভা না হলে যেমন প্রেস কনফারেন্স হতো না, তেমনি সংস্কার না হলে নির্বাচন হতে পারে না। এই সরকারের যদি সংস্কারের ম্যান্ডেট না থাকে, এই সরকারের জুলাই সনদ ঘোষণার ম্যান্ডেট না থাকে, তাহলে এই সরকার কোন ম্যান্ডেটে নির্বাচন দেবে। নির্বাচন অবশ্যই ফেব্রুয়ারিতে হওয়া উচিত। নির্বাচনকে তারাই পিছিয়ে দিতে চায়, যারা এই সরকারের সঙ্গে জুলাই সনদকে মুখোমুখি দাঁড় করাতে চায়। এ সরকারের যেমন নির্বাচনের ম্যান্ডেট রয়েছে, এই সরকারের জুলাই সনদের ম্যান্ডেট রয়েছে, তেমনি সংস্কারেরও ম্যান্ডেট রয়েছে। সুতরাং সংস্কার যথাসময়ে হলে ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে।’
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আরও বলেন, ‘আমরা উচ্চকক্ষে পিআর চাই, তবে জামায়াতের মতো পিআর চাই না। আমাদের অবস্থান দৃঢ় ও স্পষ্ট—বাংলাদেশের পুনর্গঠনে ঐক্যবদ্ধ রাজনীতির বিকল্প নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘদিন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীরা রক্ত দিয়েছেন, গুম-হত্যার শিকার হয়েছেন। তাঁদের রক্ত ও ত্যাগকে অসম্মান করা মানে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। আসুন, আমরা মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ পুনর্গঠন করি।’
ভোলায় জেলার সাত উপজেলার সমন্বয়কদের নিয়ে আয়োজিত সভায় জেলার বিভিন্ন সমস্যা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এসব বিষয় তুলে ধরে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা সাংগঠনিক সমস্যাগুলো শুনেছি, সমাধানের পথ নির্ধারণ করেছি। শিগগিরই আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে। পাশাপাশি ভোলার সমস্যা যেমন নদীভাঙন প্রতিরোধ, গ্যাস ব্যবহার করে শিল্প স্থাপন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, চিকিৎসকসংকট ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এসব যৌক্তিক দাবিতে এনসিপি ভোলাবাসীর পাশে থাকবে।’
আগামী নির্বাচনে এনসিপি কারও সঙ্গে জোট গঠন করবে কি না, এমন প্রশ্নে দলটির এই নেতা বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে জোট হবে কেবল সংস্কারের পক্ষে থাকা দলগুলোর সঙ্গে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যাঁরা লড়েছেন, তাঁরাই এনসিপির প্রকৃত সহযোদ্ধা।’
হাসনাত আবদুল্লাহ জানান, গণভোটের আদেশ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের মাধ্যমে তাঁর দল পেতে চায় না। তিনি বলেন, ‘গণভোটের আদেশ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। যারা ফ্যাসিবাদের প্রতীক চুপ্পুর (রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন) কাছ থেকে সনদ নিতে চায়, তারা দেশকে বিপথে নিতে চায়। আমাদের লক্ষ্য, গণ-আকাঙ্ক্ষার রাষ্ট্র গড়া, তৃণমূলের রক্ত ও ত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করা।’
‘প্রধান উপদেষ্টাকেই আদেশ জারি করতে হবে’
ভোলার পর আজ বিকেলে বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এনসিপির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সমন্বয় সভা করেন হাসনাত আবদুল্লাহ। সভার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গণভোটের পাশাপাশি জুলাই সনদসংক্রান্ত আদেশ প্রধান উপদেষ্টাকেই জারি করতে হবে। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আদেশ দিলে জুলাই বিপ্লব প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, গণভোটের পাশাপাশি জুলাই সনদের আদেশ জারি করতে হবে। এই আদেশ অবশ্যই প্রধান উপদেষ্টাকে জারি করতে হবে। যদি চুপ্পুর (রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন) কাছ থেকে নিতে হয়, সেটি হবে বিপ্লবের কফিনে শেষ পেরেক। যিনি ‘হেড অফিস ফ্যাসিজম’, তাঁর কাছ থেকে যদি অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি নিতে হয়, এর চেয়ে লজ্জাজনক কিছু হতে পারে না।
এ বিষয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, ‘কোনো অধ্যাদেশ নয়, অর্ডার জারি করতে হবে এবং তা অবশ্যই প্রধান উপদেষ্টাকেই দিতে হবে। আমরা আমাদের জায়গা থেকে আমাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছি। কোনো অধ্যাদেশ বা প্রজ্ঞাপন নয়, আদেশ (অর্ডার) জারি করতে হবে। এটি অবশ্যই প্রধান উপদেষ্টাকে জারি করতে হবে। অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকারের যে ম্যান্ডেটে এই সরকার গঠিত হয়েছে, সেই একই ম্যান্ডেটেই প্রধান উপদেষ্টা অর্ডার দিতে পারেন।’
আগামী জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রসঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের সাংগঠনিক বিস্তার পরিকল্পনা সেই ভিত্তিতেই নীতি নির্ধারণ করব। আমরা এমন পলিসি তৈরি করছি, যাতে ৩০০ আসনেই আমাদের সাংগঠনিক উপস্থিতি সুসংহত থাকে এবং তা নিশ্চিত করা যায়।’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হবে না, সংস্কার হলেই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে। আজ রোববার ভোলা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে সকালে ভোলার সাত উপজেলার সমন্বয়ক, নেতা-কর্মীদের নিয়ে এনসিপির জেলা সমন্বয় সভা শুরু হয়। সভা চলে বেলা দুইটা পর্যন্ত। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
এনসিপির সমন্বয়কারী মেহেদী হাসানের (শরীফ) সভাপতিত্বে সমন্বয় সভায় আরও বক্তব্য দেন বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়ক মুজাহিদুল ইসলাম (শাহিন), যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মাহমুদা আলম (মিতু), আরিফুর রহমান (তুহিন), মেসবাহ কামাল, যুগ্ম সদস্যসচিব ও শিক্ষা গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ (শান্ত), কেন্দ্রীয় সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন (ফয়সাল), কেন্দ্রীয় সদস্য রফিকুল ইসলাম (কনক), আবু সাঈদ (মুসা) প্রমুখ।
পরে দুইটার দিকে সংবাদ সম্মেলন করেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘এই সমন্বয় সভা না হলে যেমন প্রেস কনফারেন্স হতো না, তেমনি সংস্কার না হলে নির্বাচন হতে পারে না। এই সরকারের যদি সংস্কারের ম্যান্ডেট না থাকে, এই সরকারের জুলাই সনদ ঘোষণার ম্যান্ডেট না থাকে, তাহলে এই সরকার কোন ম্যান্ডেটে নির্বাচন দেবে। নির্বাচন অবশ্যই ফেব্রুয়ারিতে হওয়া উচিত। নির্বাচনকে তারাই পিছিয়ে দিতে চায়, যারা এই সরকারের সঙ্গে জুলাই সনদকে মুখোমুখি দাঁড় করাতে চায়। এ সরকারের যেমন নির্বাচনের ম্যান্ডেট রয়েছে, এই সরকারের জুলাই সনদের ম্যান্ডেট রয়েছে, তেমনি সংস্কারেরও ম্যান্ডেট রয়েছে। সুতরাং সংস্কার যথাসময়ে হলে ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে।’
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আরও বলেন, ‘আমরা উচ্চকক্ষে পিআর চাই, তবে জামায়াতের মতো পিআর চাই না। আমাদের অবস্থান দৃঢ় ও স্পষ্ট—বাংলাদেশের পুনর্গঠনে ঐক্যবদ্ধ রাজনীতির বিকল্প নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘদিন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীরা রক্ত দিয়েছেন, গুম-হত্যার শিকার হয়েছেন। তাঁদের রক্ত ও ত্যাগকে অসম্মান করা মানে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। আসুন, আমরা মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ পুনর্গঠন করি।’
ভোলায় জেলার সাত উপজেলার সমন্বয়কদের নিয়ে আয়োজিত সভায় জেলার বিভিন্ন সমস্যা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এসব বিষয় তুলে ধরে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা সাংগঠনিক সমস্যাগুলো শুনেছি, সমাধানের পথ নির্ধারণ করেছি। শিগগিরই আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে। পাশাপাশি ভোলার সমস্যা যেমন নদীভাঙন প্রতিরোধ, গ্যাস ব্যবহার করে শিল্প স্থাপন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, চিকিৎসকসংকট ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এসব যৌক্তিক দাবিতে এনসিপি ভোলাবাসীর পাশে থাকবে।’
আগামী নির্বাচনে এনসিপি কারও সঙ্গে জোট গঠন করবে কি না, এমন প্রশ্নে দলটির এই নেতা বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে জোট হবে কেবল সংস্কারের পক্ষে থাকা দলগুলোর সঙ্গে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যাঁরা লড়েছেন, তাঁরাই এনসিপির প্রকৃত সহযোদ্ধা।’
হাসনাত আবদুল্লাহ জানান, গণভোটের আদেশ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের মাধ্যমে তাঁর দল পেতে চায় না। তিনি বলেন, ‘গণভোটের আদেশ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। যারা ফ্যাসিবাদের প্রতীক চুপ্পুর (রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন) কাছ থেকে সনদ নিতে চায়, তারা দেশকে বিপথে নিতে চায়। আমাদের লক্ষ্য, গণ-আকাঙ্ক্ষার রাষ্ট্র গড়া, তৃণমূলের রক্ত ও ত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করা।’
‘প্রধান উপদেষ্টাকেই আদেশ জারি করতে হবে’
ভোলার পর আজ বিকেলে বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এনসিপির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সমন্বয় সভা করেন হাসনাত আবদুল্লাহ। সভার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গণভোটের পাশাপাশি জুলাই সনদসংক্রান্ত আদেশ প্রধান উপদেষ্টাকেই জারি করতে হবে। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আদেশ দিলে জুলাই বিপ্লব প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, গণভোটের পাশাপাশি জুলাই সনদের আদেশ জারি করতে হবে। এই আদেশ অবশ্যই প্রধান উপদেষ্টাকে জারি করতে হবে। যদি চুপ্পুর (রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন) কাছ থেকে নিতে হয়, সেটি হবে বিপ্লবের কফিনে শেষ পেরেক। যিনি ‘হেড অফিস ফ্যাসিজম’, তাঁর কাছ থেকে যদি অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি নিতে হয়, এর চেয়ে লজ্জাজনক কিছু হতে পারে না।
এ বিষয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, ‘কোনো অধ্যাদেশ নয়, অর্ডার জারি করতে হবে এবং তা অবশ্যই প্রধান উপদেষ্টাকেই দিতে হবে। আমরা আমাদের জায়গা থেকে আমাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছি। কোনো অধ্যাদেশ বা প্রজ্ঞাপন নয়, আদেশ (অর্ডার) জারি করতে হবে। এটি অবশ্যই প্রধান উপদেষ্টাকে জারি করতে হবে। অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকারের যে ম্যান্ডেটে এই সরকার গঠিত হয়েছে, সেই একই ম্যান্ডেটেই প্রধান উপদেষ্টা অর্ডার দিতে পারেন।’
আগামী জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রসঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের সাংগঠনিক বিস্তার পরিকল্পনা সেই ভিত্তিতেই নীতি নির্ধারণ করব। আমরা এমন পলিসি তৈরি করছি, যাতে ৩০০ আসনেই আমাদের সাংগঠনিক উপস্থিতি সুসংহত থাকে এবং তা নিশ্চিত করা যায়।’

১৭ মার্চ, ২০২৬ ০০:৩৯
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:১৭
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।