
১৯ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:২০
বরগুনার আমতলী উপজেলার উত্তর সোনাখালী এলাকার তাফালবাড়িয়া নদী সংলগ্ন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ তৈরির কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) তদন্ত করে বাঁধ নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসি অভিযোগ করেন, প্রাক্কলন অনুযায়ী বালু ও সিমেন্টের সঠিক অনুপাত বজায় না রেখে নিম্নমানের জিও ব্যাগ তৈরি করা হচ্ছে।
জানা গেছে, গত ৩০বছর ধরে তাফালবাড়িয়া নদীর ভয়াবহ ভাঙনে বিপর্যস্ত উত্তর সোনাখালী এলাকার মানুষের জীবনযাপন। প্রতি বছর বন্যা ও জোয়ারের পানিতে বাঁধ ভেঙে প্রায় ১০হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন। ২০২২ সালে পাউবো জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনলেও ঠিকাদারি কাজের অনিয়মের কারণে দুই বছরের মধ্যেই ব্যাগ সরে গিয়ে আবারও ভাঙন দেখা দেয়।
চলতি বছরের জুনে জরুরি ভিত্তিতে ১২০ মিটার এলাকায় পুনরায় জিও ব্যাগ স্থাপনের কাজ দেওয়া হয় ঠিকাদার পটুয়াখালী জেলা কৃষকদল আহবায়ক ও মরিচবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান টিটুকে। কিন্তু শুরু থেকেই নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠতে থাকে।
স্থানীয়রা জানান, প্রাক্কলনে ১ হাজার ৮৯৫টি জিও ব্যাগ তৈরির কথা থাকলেও ঠিকাদার ইতোমধ্যে তৈরি করেন ৪৯৫টি ব্যাগ। এর মধ্যে ১৩৮টি ব্যাগে কোনো সিমেন্টই দেওয়া হয়নি, আর বাকি ব্যাগগুলোতে প্রয়োজনের তুলনায় খুব কম সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। যেখানে ছয় ফারা বালুর সঙ্গে এক বস্তা সিমেন্ট মেশানোর কথা, সেখানে এক বস্তা সিমেন্ট দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ১৫টি ব্যাগ। চুক্তি অনুযায়ী পাইলিংয়ের কথা থাকলেও নিম্নমানের ড্রাম সিট ও গাছের গুঁড়ি ব্যবহার করে দায়সারা কাজ করা হচ্ছে। এমনকি ঠিকাদার ভাঙনস্থল নদী থেকেই বালু উত্তোলন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় ইউনুস হাওলাদার বলেন, ৪৯৫টি ব্যাগের মধ্যে ১৩৮টিতে কোনো সিমেন্ট নেই। বাকিগুলোতেও সঠিক নিয়মে সিমেন্ট দেওয়া হয়নি। কাজের মান খুবই খারাপ।
আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবু জাফর জানান, আমরা অভিযোগ করার পর পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা এসে অনিয়ম দেখতে পেয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার মনিরুজ্জামান টিটু জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। আমি সঠিকভাবে তদারকি করতে না পারায় এমন অনিয়ম হতে পারে।
পাউবোর উপ-সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগের পরপরই ঘটনাস্থলে গিয়ে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় জিও ব্যাগ তৈরির কাজ বন্ধ করা হয়েছে।
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হান্নান প্রধান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি যে সব অনিয়ম পাওয়া গেছে সেগুলো সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বরগুনার আমতলী উপজেলার উত্তর সোনাখালী এলাকার তাফালবাড়িয়া নদী সংলগ্ন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ তৈরির কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) তদন্ত করে বাঁধ নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসি অভিযোগ করেন, প্রাক্কলন অনুযায়ী বালু ও সিমেন্টের সঠিক অনুপাত বজায় না রেখে নিম্নমানের জিও ব্যাগ তৈরি করা হচ্ছে।
জানা গেছে, গত ৩০বছর ধরে তাফালবাড়িয়া নদীর ভয়াবহ ভাঙনে বিপর্যস্ত উত্তর সোনাখালী এলাকার মানুষের জীবনযাপন। প্রতি বছর বন্যা ও জোয়ারের পানিতে বাঁধ ভেঙে প্রায় ১০হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন। ২০২২ সালে পাউবো জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনলেও ঠিকাদারি কাজের অনিয়মের কারণে দুই বছরের মধ্যেই ব্যাগ সরে গিয়ে আবারও ভাঙন দেখা দেয়।
চলতি বছরের জুনে জরুরি ভিত্তিতে ১২০ মিটার এলাকায় পুনরায় জিও ব্যাগ স্থাপনের কাজ দেওয়া হয় ঠিকাদার পটুয়াখালী জেলা কৃষকদল আহবায়ক ও মরিচবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান টিটুকে। কিন্তু শুরু থেকেই নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠতে থাকে।
স্থানীয়রা জানান, প্রাক্কলনে ১ হাজার ৮৯৫টি জিও ব্যাগ তৈরির কথা থাকলেও ঠিকাদার ইতোমধ্যে তৈরি করেন ৪৯৫টি ব্যাগ। এর মধ্যে ১৩৮টি ব্যাগে কোনো সিমেন্টই দেওয়া হয়নি, আর বাকি ব্যাগগুলোতে প্রয়োজনের তুলনায় খুব কম সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। যেখানে ছয় ফারা বালুর সঙ্গে এক বস্তা সিমেন্ট মেশানোর কথা, সেখানে এক বস্তা সিমেন্ট দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ১৫টি ব্যাগ। চুক্তি অনুযায়ী পাইলিংয়ের কথা থাকলেও নিম্নমানের ড্রাম সিট ও গাছের গুঁড়ি ব্যবহার করে দায়সারা কাজ করা হচ্ছে। এমনকি ঠিকাদার ভাঙনস্থল নদী থেকেই বালু উত্তোলন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় ইউনুস হাওলাদার বলেন, ৪৯৫টি ব্যাগের মধ্যে ১৩৮টিতে কোনো সিমেন্ট নেই। বাকিগুলোতেও সঠিক নিয়মে সিমেন্ট দেওয়া হয়নি। কাজের মান খুবই খারাপ।
আঠারোগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবু জাফর জানান, আমরা অভিযোগ করার পর পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা এসে অনিয়ম দেখতে পেয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার মনিরুজ্জামান টিটু জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। আমি সঠিকভাবে তদারকি করতে না পারায় এমন অনিয়ম হতে পারে।
পাউবোর উপ-সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগের পরপরই ঘটনাস্থলে গিয়ে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় জিও ব্যাগ তৈরির কাজ বন্ধ করা হয়েছে।
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হান্নান প্রধান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি যে সব অনিয়ম পাওয়া গেছে সেগুলো সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৪
বরগুনার তালতলীতে গৃহবধূ আছিয়া আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা আছিয়ার চার বছরের শিশু সন্তান উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মৌরভী এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘আছিয়া হত্যার বিচার চাই’ এবং ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন নিহত আছিয়ার বাবা মজিবর জমাদ্দার, চাচা জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, বোন মনিরা বেগম, স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ গ্রামবাসী। বক্তারা অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন আছিয়া আক্তার। সামান্য ঈদের কাপড়চোপড়ের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ যখন মৃতদেহ উদ্ধার করতে যায়, তখনই আসামিরা পালিয়ে যায়, যা প্রমাণ করে তারা প্রকৃতপক্ষে হত্যাকারী।
নিহত আছিয়ার শিশু সন্তান যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিল, তাতে লেখা ছিল, ‘বাবা, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। আমার মা কেন কবরে? প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।’ হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
[125311
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ‘এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী তালতলী থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’
তালতলী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
বরিশাল টাইমস
বরগুনার তালতলীতে গৃহবধূ আছিয়া আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা আছিয়ার চার বছরের শিশু সন্তান উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মৌরভী এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘আছিয়া হত্যার বিচার চাই’ এবং ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন নিহত আছিয়ার বাবা মজিবর জমাদ্দার, চাচা জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, বোন মনিরা বেগম, স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ গ্রামবাসী। বক্তারা অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন আছিয়া আক্তার। সামান্য ঈদের কাপড়চোপড়ের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ যখন মৃতদেহ উদ্ধার করতে যায়, তখনই আসামিরা পালিয়ে যায়, যা প্রমাণ করে তারা প্রকৃতপক্ষে হত্যাকারী।
নিহত আছিয়ার শিশু সন্তান যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিল, তাতে লেখা ছিল, ‘বাবা, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। আমার মা কেন কবরে? প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।’ হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
[125311
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ‘এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী তালতলী থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’
তালতলী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
বরিশাল টাইমস

১০ মার্চ, ২০২৬ ২১:৫৪
পাথরঘাটায় টেকসই কার্যক্রম নিশ্চিতকরণের ধরণসমূহ এবং প্রকল্প সমাপ্তি পরিকল্পনা বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে পাথরঘাটা সংকল্প ট্রাস্ট সেমিনার কক্ষে-এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস এবং একশনএইড বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় এফোরটি প্রকল্পের আওতায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এনএসএস-এর পরিচালক (কার্যক্রম) মো: শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, শিক্ষক, নেটওয়ার্ক প্রতিনিধি, এনজিও কর্মী, সাংবাদিক ও কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের স্টেকহোল্ডাররা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালার উদ্দেশ্য ও বিগত বছরের অর্জনসমূহ তুলে ধরে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো:মনিরুজ্জামান। এছাড়া কর্মশালা থেকে প্রত্যাশা ও টেকসই কার্যক্রম নিশ্চিতকরণের বিভিন্ন ধরণ নিয়ে আলোচনা করেন একশন এইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার (ইয়ুথ হাব মোবিলাইজেশন এন্ড ক্লাইমেট একশান) মো: মাসুদ পারভেজ। কর্মশালায় সার্বিক সহায়তা করেন একশানএইড’র ইন্সপিরেটর মো: রোকনুজ্জামান।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিমেল আল ইসলাম, সমাজসেবা দপ্তরের শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তা সৈকত চন্দ্র হাওলাদার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো.কবির আহমেদ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার জিন্নাত জাহান, পরিবেশ নেটওয়ার্কের সভাপতি মো.শফিকুল ইসলাম খোকন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো: মেহেদী হাসান এবং প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরীসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান, সচিববৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধি ও যুব সদস্যরা।
কর্মশালার উদ্দেশ্য ছিল উন্নয়ন স্থায়িত্ব সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের ধারণা সুদৃঢ় করা এবং এর ব্যবহারিক প্রয়োগে যৌথ বোঝাপড়া তৈরি করা। আলোচনায় প্রাতিষ্ঠানিক, আর্থিক, নেতৃত্ব ও নেটওয়ার্কভিত্তিক স্থায়িত্বের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। প্রকল্প-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের ভূমিকা ও দায়িত্ব চিহ্নিত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়।
কর্মশালায় একটি যৌথ টেকসইতা ভিশন ও রূপান্তর রোডম্যাপ প্রণয়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন যুব সদস্য মো: জাকির হোসেন নাইম ও মুক্তি রানী।
পাথরঘাটায় টেকসই কার্যক্রম নিশ্চিতকরণের ধরণসমূহ এবং প্রকল্প সমাপ্তি পরিকল্পনা বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে পাথরঘাটা সংকল্প ট্রাস্ট সেমিনার কক্ষে-এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস এবং একশনএইড বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় এফোরটি প্রকল্পের আওতায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এনএসএস-এর পরিচালক (কার্যক্রম) মো: শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, শিক্ষক, নেটওয়ার্ক প্রতিনিধি, এনজিও কর্মী, সাংবাদিক ও কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের স্টেকহোল্ডাররা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালার উদ্দেশ্য ও বিগত বছরের অর্জনসমূহ তুলে ধরে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো:মনিরুজ্জামান। এছাড়া কর্মশালা থেকে প্রত্যাশা ও টেকসই কার্যক্রম নিশ্চিতকরণের বিভিন্ন ধরণ নিয়ে আলোচনা করেন একশন এইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অফিসার (ইয়ুথ হাব মোবিলাইজেশন এন্ড ক্লাইমেট একশান) মো: মাসুদ পারভেজ। কর্মশালায় সার্বিক সহায়তা করেন একশানএইড’র ইন্সপিরেটর মো: রোকনুজ্জামান।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিমেল আল ইসলাম, সমাজসেবা দপ্তরের শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তা সৈকত চন্দ্র হাওলাদার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো.কবির আহমেদ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার জিন্নাত জাহান, পরিবেশ নেটওয়ার্কের সভাপতি মো.শফিকুল ইসলাম খোকন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো: মেহেদী হাসান এবং প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরীসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান, সচিববৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধি ও যুব সদস্যরা।
কর্মশালার উদ্দেশ্য ছিল উন্নয়ন স্থায়িত্ব সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের ধারণা সুদৃঢ় করা এবং এর ব্যবহারিক প্রয়োগে যৌথ বোঝাপড়া তৈরি করা। আলোচনায় প্রাতিষ্ঠানিক, আর্থিক, নেতৃত্ব ও নেটওয়ার্কভিত্তিক স্থায়িত্বের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। প্রকল্প-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের ভূমিকা ও দায়িত্ব চিহ্নিত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়।
কর্মশালায় একটি যৌথ টেকসইতা ভিশন ও রূপান্তর রোডম্যাপ প্রণয়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন যুব সদস্য মো: জাকির হোসেন নাইম ও মুক্তি রানী।

১০ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৩
বরগুনার তালতলীতে গৃহবধূ আছিয়া আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা আছিয়ার চার বছরের শিশু সন্তান উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মৌরভী এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘আছিয়া হত্যার বিচার চাই’ এবং ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন নিহত আছিয়ার বাবা মজিবর জমাদ্দার, চাচা জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, বোন মনিরা বেগম, স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ গ্রামবাসী। বক্তারা অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন আছিয়া আক্তার। সামান্য ঈদের কাপড়চোপড়ের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ যখন মৃতদেহ উদ্ধার করতে যায়, তখনই আসামিরা পালিয়ে যায়, যা প্রমাণ করে তারা প্রকৃতপক্ষে হত্যাকারী।
নিহত আছিয়ার শিশু সন্তান যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিল, তাতে লেখা ছিল, ‘বাবা, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। আমার মা কেন কবরে? প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।’ হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ‘এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী তালতলী থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’
তালতলী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
বরগুনার তালতলীতে গৃহবধূ আছিয়া আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা আছিয়ার চার বছরের শিশু সন্তান উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মৌরভী এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘আছিয়া হত্যার বিচার চাই’ এবং ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন নিহত আছিয়ার বাবা মজিবর জমাদ্দার, চাচা জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, বোন মনিরা বেগম, স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ গ্রামবাসী। বক্তারা অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন আছিয়া আক্তার। সামান্য ঈদের কাপড়চোপড়ের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ যখন মৃতদেহ উদ্ধার করতে যায়, তখনই আসামিরা পালিয়ে যায়, যা প্রমাণ করে তারা প্রকৃতপক্ষে হত্যাকারী।
নিহত আছিয়ার শিশু সন্তান যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিল, তাতে লেখা ছিল, ‘বাবা, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। আমার মা কেন কবরে? প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।’ হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ‘এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী তালতলী থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’
তালতলী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.