
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:০৩
ময়মনসিংহের ফুলপুরে ধানের শীষের প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করার অভিযোগে কৃষকদলের সহসভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল বাশার আকন্দের গাড়ি ভাঙচুর করেছেন দলের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফুলপুর পৌর শহরের বালিয়া মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে বালিয়া রোডে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্বাধীন মিয়ার তুলার গুদাম পরিদর্শনে যান আবুল বাশার আকন্দ। সেখানে উপস্থিত বিএনপির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা তার গাড়িতে হামলা চালান এবং তাকে একটি ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
এ ঘটনার প্রতিবাদে আবুল বাশার আকন্দের সমর্থকরা ময়মনসিংহ–শেরপুর সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা অবরোধকারীদের ওপর হামলা চালিয়ে দ্বিতীয় দফায় তার গাড়ি ভাঙচুর করেন। এতে গাড়িচালক আরমানসহ দুজন আহত হন। হামলাকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ভাঙচুর করা গাড়িটি থানায় নিয়ে যায়।
ধানের শীষের প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদারের বিপক্ষে কাজ করার অভিযোগ এনে আবুল বাশার আকন্দসহ মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জোবায়েদ হোসেন শাকিলের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। অনেকেই বিএনপি প্রার্থীর পরাজয়ের জন্য দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে দায়ী করছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোতাহার হোসেন তালুকদার বলেন, আবুল বাশার কোন দল করেন, তা আমার জানা নেই। তিনি যদি বিএনপি নেতা হতেন, তাহলে অবশ্যই পাশে থাকতেন। তবে তার গাড়ি ভাঙচুরের বিষয়ে আমার জানা নেই।
হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে আবুল বাশার আকন্দ বলেন, আমি একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। যুবদল নেতা মিঠুনের নেতৃত্বে এরশাদুলসহ কয়েকজন আমার গাড়ি ভাঙচুর করেন। আমার ওপর অন্যায়ভাবে হামলা হয়েছে।
ফুলপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. রাশেদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
উল্লেখ্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার আকন্দ ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের বিপক্ষে কাজ করার অভিযোগে তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদসহ দল থেকে বহিষ্কৃত হন।
পরে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হলে তিনি কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহসভাপতিসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করছেন। গত সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন, তবে মনোনয়ন পাননি।
ময়মনসিংহের ফুলপুরে ধানের শীষের প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করার অভিযোগে কৃষকদলের সহসভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল বাশার আকন্দের গাড়ি ভাঙচুর করেছেন দলের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফুলপুর পৌর শহরের বালিয়া মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে বালিয়া রোডে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্বাধীন মিয়ার তুলার গুদাম পরিদর্শনে যান আবুল বাশার আকন্দ। সেখানে উপস্থিত বিএনপির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা তার গাড়িতে হামলা চালান এবং তাকে একটি ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
এ ঘটনার প্রতিবাদে আবুল বাশার আকন্দের সমর্থকরা ময়মনসিংহ–শেরপুর সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা অবরোধকারীদের ওপর হামলা চালিয়ে দ্বিতীয় দফায় তার গাড়ি ভাঙচুর করেন। এতে গাড়িচালক আরমানসহ দুজন আহত হন। হামলাকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ভাঙচুর করা গাড়িটি থানায় নিয়ে যায়।
ধানের শীষের প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদারের বিপক্ষে কাজ করার অভিযোগ এনে আবুল বাশার আকন্দসহ মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জোবায়েদ হোসেন শাকিলের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। অনেকেই বিএনপি প্রার্থীর পরাজয়ের জন্য দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে দায়ী করছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোতাহার হোসেন তালুকদার বলেন, আবুল বাশার কোন দল করেন, তা আমার জানা নেই। তিনি যদি বিএনপি নেতা হতেন, তাহলে অবশ্যই পাশে থাকতেন। তবে তার গাড়ি ভাঙচুরের বিষয়ে আমার জানা নেই।
হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে আবুল বাশার আকন্দ বলেন, আমি একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। যুবদল নেতা মিঠুনের নেতৃত্বে এরশাদুলসহ কয়েকজন আমার গাড়ি ভাঙচুর করেন। আমার ওপর অন্যায়ভাবে হামলা হয়েছে।
ফুলপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. রাশেদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
উল্লেখ্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার আকন্দ ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের বিপক্ষে কাজ করার অভিযোগে তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদসহ দল থেকে বহিষ্কৃত হন।
পরে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হলে তিনি কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহসভাপতিসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করছেন। গত সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন, তবে মনোনয়ন পাননি।

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:০৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস

২২ জুন, ২০২৬ ১৩:৫২
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের বাহাত্তরকাহন গ্রামে বিদ্যুৎস্পর্শে বাচ্চু খান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাচ্চু খান ওই গ্রামের মৃত আবাল হোসেন খানের ছেলে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ শর্টসার্কিটের ঘটনায় তিনি বিদ্যুৎস্পর্শ হন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শৌভিক শ্রাবণ দত্ত বলেন, বাচ্চু খানকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। আজ রাতেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

২১ জুন, ২০২৬ ২৩:২৯
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের বাহাত্তরকাহন গ্রামে বিদ্যুৎস্পর্শে বাচ্চু খান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাচ্চু খান ওই গ্রামের মৃত আবাল হোসেন খানের ছেলে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ শর্টসার্কিটের ঘটনায় তিনি বিদ্যুৎস্পর্শ হন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শৌভিক শ্রাবণ দত্ত বলেন, বাচ্চু খানকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। আজ রাতেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।