
০৫ মে, ২০২৬ ১৩:০০
স্ত্রীর অধিকার পেতে থানা পুলিশ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে ধর্না দিয়েও বিচার না পেয়ে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন জান্নাতুন বাবলি (২৯) নামের এক গৃহবধূ। সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গৌরনদী বন্দরে বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুলের বাসার সামনের খালপাড়ে বসে তিনি বিষপান করেন।
এসময় তিনি গৌরনদী থানার ওসিসহ পুলিশেরও বিচার দাবি করেন। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় এক নারী নেত্রী এবং স্থানীয়রা ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাবলি দিনাজপুর সদর থানার গোবরাপাড়া এলাকার জিয়াউর রহমানের কন্যা। তিনি বাবলি শঙ্কা মুক্ত নন বলে জানিয়ে চিকিৎসক।
গৃহবধূর থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানাগেছে, জান্নাতুন বাবলির সাথে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয় বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরিকল গ্রামের বাসিন্দা তরিকুল ইসলাম বাদলের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম আশিকের। পরিচয়ের সূত্রধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সুবাধে ২০২৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর তৌহিদুল ইসলাম আশিকের বাড়িতে আসে জান্নাতুন বাবলি। ওইদিনই তাদের বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকেই যৌতুকের জন্য বাবলির স্বামী তৌহিদুল, ননদ তামিমা ইসলাম, শাশুড়ি ফাহমিদা খানম, শ্বশুর তরিকুল ইসলাম তাকে (বাবলি) শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিল।
নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে স্ত্রী বাবলি ২০২৬ সালের ১৩ জানুয়ারি গৌরনদী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ১৩/২৬)। পরে পুলিশ এবং স্থানীয়দের মধ্যস্ততায় সালিশ মিমাংসার পর নির্যাতন না করার শর্তে স্বামীসহ মামলার অন্য আসামিদের জামিন করান বাবলি। জামিনে এসে ফের বাবলির ওপর অমানুসিক নির্যাতন চালায় স্বামী তৌহিদুল ও তার পরিবারের লোকেরা।
এতে হতাশাগ্রস্থ হয়ে গত ১৪ মার্চ স্বামী তৌহিদুল ও তার পরিবারের লোকজনকে অভিযুক্ত করে গৌরনদী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন জান্নাতুন বাবলি। কিন্তু রহস্যজনক কারণে থানা পুলিশ থেকে শুরু করে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের কাছে স্ত্রীর অধিকার এবং নির্যাতন থেকে মুক্তি পেতে অসহায় বাবলি অসংখ্যবার ধর্না দিয়েও ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হন।
সর্বশেষ সোমবার (৪ মে) বাবলি বিচারের আশায় বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুলের গৌরনদী বন্দরের বাসার সামনে খালপাড়ে বসে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বাবলি।
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক টিপু সুলতান বলেন, বর্তমানে ওই যুবতী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এখন পর্যন্ত তিনি শঙ্কামুক্ত নন। তাকে ২৪ ঘণ্টার জন্য পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
রাতে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল ও গৌরনদী থানার অফিসার ইনচার্জ তারিক হাসান রাকিবকে কল করা হলেও তারা রিসিভ করেননি।
স্ত্রীর অধিকার পেতে থানা পুলিশ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে ধর্না দিয়েও বিচার না পেয়ে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন জান্নাতুন বাবলি (২৯) নামের এক গৃহবধূ। সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গৌরনদী বন্দরে বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুলের বাসার সামনের খালপাড়ে বসে তিনি বিষপান করেন।
এসময় তিনি গৌরনদী থানার ওসিসহ পুলিশেরও বিচার দাবি করেন। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় এক নারী নেত্রী এবং স্থানীয়রা ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাবলি দিনাজপুর সদর থানার গোবরাপাড়া এলাকার জিয়াউর রহমানের কন্যা। তিনি বাবলি শঙ্কা মুক্ত নন বলে জানিয়ে চিকিৎসক।
গৃহবধূর থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানাগেছে, জান্নাতুন বাবলির সাথে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয় বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরিকল গ্রামের বাসিন্দা তরিকুল ইসলাম বাদলের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম আশিকের। পরিচয়ের সূত্রধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সুবাধে ২০২৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর তৌহিদুল ইসলাম আশিকের বাড়িতে আসে জান্নাতুন বাবলি। ওইদিনই তাদের বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকেই যৌতুকের জন্য বাবলির স্বামী তৌহিদুল, ননদ তামিমা ইসলাম, শাশুড়ি ফাহমিদা খানম, শ্বশুর তরিকুল ইসলাম তাকে (বাবলি) শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিল।
নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে স্ত্রী বাবলি ২০২৬ সালের ১৩ জানুয়ারি গৌরনদী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ১৩/২৬)। পরে পুলিশ এবং স্থানীয়দের মধ্যস্ততায় সালিশ মিমাংসার পর নির্যাতন না করার শর্তে স্বামীসহ মামলার অন্য আসামিদের জামিন করান বাবলি। জামিনে এসে ফের বাবলির ওপর অমানুসিক নির্যাতন চালায় স্বামী তৌহিদুল ও তার পরিবারের লোকেরা।
এতে হতাশাগ্রস্থ হয়ে গত ১৪ মার্চ স্বামী তৌহিদুল ও তার পরিবারের লোকজনকে অভিযুক্ত করে গৌরনদী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন জান্নাতুন বাবলি। কিন্তু রহস্যজনক কারণে থানা পুলিশ থেকে শুরু করে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের কাছে স্ত্রীর অধিকার এবং নির্যাতন থেকে মুক্তি পেতে অসহায় বাবলি অসংখ্যবার ধর্না দিয়েও ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হন।
সর্বশেষ সোমবার (৪ মে) বাবলি বিচারের আশায় বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুলের গৌরনদী বন্দরের বাসার সামনে খালপাড়ে বসে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বাবলি।
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক টিপু সুলতান বলেন, বর্তমানে ওই যুবতী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এখন পর্যন্ত তিনি শঙ্কামুক্ত নন। তাকে ২৪ ঘণ্টার জন্য পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
রাতে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল ও গৌরনদী থানার অফিসার ইনচার্জ তারিক হাসান রাকিবকে কল করা হলেও তারা রিসিভ করেননি।
১৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১

১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:২৩
স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। আদালত শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে আসেন জাহের আলভী। পরে দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হলে কাঠগড়ায় দাঁড়ান এ অভিনেতা।
শুনানিতে জাহের আলভীর পক্ষে আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া সহ অনেকেই শুনানি করেন। অপরদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আবেদেনের শুনানি করেন।
আলভীর জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধুমাত্র ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটির দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ নেই। আসামি ঈদ উপলক্ষে নাটক নির্মাণের জন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নেপালে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসে বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।
আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন ২০১০ সালে; তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। আদালত শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে আসেন জাহের আলভী। পরে দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হলে কাঠগড়ায় দাঁড়ান এ অভিনেতা।
শুনানিতে জাহের আলভীর পক্ষে আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া সহ অনেকেই শুনানি করেন। অপরদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আবেদেনের শুনানি করেন।
আলভীর জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধুমাত্র ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটির দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ নেই। আসামি ঈদ উপলক্ষে নাটক নির্মাণের জন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নেপালে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসে বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।
আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন ২০১০ সালে; তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:১০
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা) আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৪৮ জন।
এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৬৬ জনে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৩ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে দুটি শিশু মারা গেছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একটি করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এই সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯০৭ জন। তাদের মধ্যে ৩৩১টি শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৭৫) ও বরিশাল (১৩৫)।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ৮১৫ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছেন।
গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৯৫ দিনে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৮৯ হাজার ৯০৪ জনের মধ্যে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৪ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ জনের। এ ছাড়া ৯৫ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫০৩ জন।
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা) আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৪৮ জন।
এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৬৬ জনে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৩ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে দুটি শিশু মারা গেছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একটি করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এই সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯০৭ জন। তাদের মধ্যে ৩৩১টি শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৭৫) ও বরিশাল (১৩৫)।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ৮১৫ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছেন।
গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৯৫ দিনে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৮৯ হাজার ৯০৪ জনের মধ্যে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৪ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ জনের। এ ছাড়া ৯৫ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫০৩ জন।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:০৭
গাইবান্ধা শহরে সরকারি হাসপাতালের বিপুল পরিমাণ ইনজেকশন সিরিঞ্জ বাইরে বিক্রির জন্য বহনকালে রওশনা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন।
এ সময় তার কাছে সরকারি ৩০০ ইনজেকশন সিরিঞ্জ পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা। ওই নারীকে দিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন কাজ করানো হয় বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফ রহমান। বিকেলে শহরের হাসপাতাল রোডের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করছিলেন ওই নারী। এ সময় স্থানীয়রা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বস্তার ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি সিরিঞ্জ পাওয়া যায়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ঝরনা বেগম নামের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নার্স তাকে এসব সিরিঞ্জ দিয়েছেন। তবে তিনি কেন এগুলো বাইরে নিচ্ছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিফ রহমান তত্বাবধায়কের বরাতে বলেন, সরকারি সিরিঞ্জ বাইরে যাওয়ার ঘটনায় একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটির ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিরিঞ্জ প্রথমত স্টোর কিপারের দায়িত্বে থাকে। সেখান থেকে নার্স ইনচার্জ, পরে ডিউটিরত নার্সদেরকে দেওয়া হয়। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে হাসপাতলের ৩০০ সিরিঞ্জ ওই নারী বাহিরে নিয়ে যান। যা ওয়ার্ড থেকে নেওয়া হয়েছে।
গাইবান্ধা শহরে সরকারি হাসপাতালের বিপুল পরিমাণ ইনজেকশন সিরিঞ্জ বাইরে বিক্রির জন্য বহনকালে রওশনা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন।
এ সময় তার কাছে সরকারি ৩০০ ইনজেকশন সিরিঞ্জ পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা। ওই নারীকে দিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন কাজ করানো হয় বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফ রহমান। বিকেলে শহরের হাসপাতাল রোডের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করছিলেন ওই নারী। এ সময় স্থানীয়রা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বস্তার ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি সিরিঞ্জ পাওয়া যায়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ঝরনা বেগম নামের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নার্স তাকে এসব সিরিঞ্জ দিয়েছেন। তবে তিনি কেন এগুলো বাইরে নিচ্ছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিফ রহমান তত্বাবধায়কের বরাতে বলেন, সরকারি সিরিঞ্জ বাইরে যাওয়ার ঘটনায় একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটির ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিরিঞ্জ প্রথমত স্টোর কিপারের দায়িত্বে থাকে। সেখান থেকে নার্স ইনচার্জ, পরে ডিউটিরত নার্সদেরকে দেওয়া হয়। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে হাসপাতলের ৩০০ সিরিঞ্জ ওই নারী বাহিরে নিয়ে যান। যা ওয়ার্ড থেকে নেওয়া হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.