Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪২
সারাদেশে বজ্রপাতে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত দুইজন।
এর মধ্যে গাইবান্ধায় পাঁচজন, সিরাজগঞ্জে দুইজন, জামালপুরে দুইজন, বগুড়ায়ে একজন, নাটোরের সিংড়ায় একজন ও পঞ্চগড়ে একজন মারা গেছেন।
গাইবান্ধা
গাইবান্ধার সদর, সুন্দরগঞ্জ ও মেলান্দহ উপজেলায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে এক শিক্ষার্থীসহ তিনজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন। পাশাপাশি বজ্রপাতে একটি গরুও মারা গেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোকলেছুর রহমান মন্ডল।
বজ্রপাতে নিহতরা হলেন, দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সুজা চৌধুরীর ছেলে ফুয়াদ (১৪), আল মোজাহিদ চৌধুরী ছোটন মিয়ার ছেলে রাফি (১২) এবং নবীন হোসেনের ছেলে মিজানুর (২০)। এ ঘটনায় আহত শামীম (১৮) একই গ্রামের আব্দুল হাই মিয়ার ছেলে। নিহত রাফি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়। এ সময় ওই দুই তরুণ ও শিশু শিক্ষার্থী বাড়ির পাশের রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎ তাদের ওপর সরাসরি বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তারা তিনজন মারা যায়। একই সময়ে পাশে থাকা একটি গরুও মারা যায়। আহত শামীমকে স্বজনরা উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে বলেন, সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে তিনজন মারা গেছে। একটি গরুও মারা গেছে এবং একজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
এ ছাড়া, সদর উপজেলা ও মেলান্দহ উপজেলায় বজ্রপাতে গৃহবধূসহ আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতরা হলেন, সদর উপজেলার লক্ষীরচর ইউনিয়নের চরযথার্থপুর এলাকার হাবিবুর রহমান হাবিবের ছেলে হাসমত আলী হাসু (৫৫) ও মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী পৌর এলাকার কড়ইচুড়া গ্রামের রাজিব কুলির স্ত্রী মর্জিনা আক্তার (২২)।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজির কুলির নিজ বাড়ি ও শরিফপুর নদী পাড়ের চরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মর্জিনা আক্তারের স্বামী রাজিব কুলি বলেন, রোববার বিকেলে বাড়ির উঠানে খোলা আকাশের নিচে চুলায় রান্না করছিল তার স্ত্রী মর্জিনা আক্তার। এমন সময় পাশেই বজ্রপাত হয়। এতে মাটিতে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যান মর্জিনা। পরে বাড়ির আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। অপর আহত ব্যক্তি শেফালী বেগমকে আহত অবস্থায় জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত হাসুর ভাই রুহুল আমীন (৪৮) বলেন, হাসু রোববার সকালে তার গৃহপালিত গরুকে ঘাস খাওয়ানোর জন্য নদী পাড়ে যান। তারপর বিকেলে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে বজ্রপাতে হাসু গুরুতর আহত হয়। তার একটি গরু মারা যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে এখনো আমি কোনো তথ্য পাইনি। আপনাদের মাধ্যমেই শুনতে পেলাম।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, বজ্রপাতে মর্জিনা আক্তার নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ তার মতো করে কাজ করছে।
সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় পৃথক দুটি বজ্রপাতের ঘটনায় এক কৃষক ও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
এর মধ্যে, তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের বেত্রাশীন গ্রামে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বজ্রপাতে আব্দুল হামিদ (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। নিহত আব্দুল হামিদ ওই গ্রামের মৃত গফুর আলীর ছেলে।
তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো হাবিবুর রহমান বলেন, বজ্রপাতে কৃষক মারা যাওয়ার খবর পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
একই দিন বিকেল ৫টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের মল্লিকচান এলাকায় বজ্রপাতে হাসান শেখ (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। নিহত হাসান শেখ ওই এলাকার আব্দুল হালিম শেখের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিজ জমিতে কাটা ধান এক পাশে জড়ো করছিলেন হাসান। এ সময় হঠাৎ আকাশে মেঘ জমে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয় এবং বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
রায়গঞ্জ থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বগুড়া
বগুড়ার গাবতলীতে জমি থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতে সুমন (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার বিকেলে উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের মুচিখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমন মুচিখালী গ্রামের মো. আবদুল করিমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল পৌনে ৪টার দিকে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় বাড়ির পাশের একটি জমিতে থাকা নিজের ছাগল আনতে যান সুমন। কিছুক্ষণ পর বজ্রপাতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
গাবতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু মুসা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, খবর পেয়ে এসআই মো. মাহবুবের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নাটোর
নাটোরের সিংড়ায় চলনবিলে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে সম্রাট হোসেন (২৬) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার বিকেলে উপজেলার ঠ্যাঙ্গা পাকুরিয়া গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সম্রাট হোসেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার নগরডালা গ্রামের সাজা ফকিরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্রাট হোসেনসহ বেশ কয়েকজন শ্রমিক ঠ্যাঙ্গা পাকুরিয়া গ্রামের মাঠে ধান কাটছিলেন। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তারা পাশেই একটি ঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় বজ্রপাতের আঘাতে সম্রাট গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। অন্য শ্রমিকরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, সিরাজগঞ্জ থেকে সিংড়ায় ধান কাটতে এসে বজ্রপাতে সম্রাটের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মরদেহ নাটোর সদর হাসপাতালে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
বিস্তারিত আসছে...
সারাদেশে বজ্রপাতে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত দুইজন।
এর মধ্যে গাইবান্ধায় পাঁচজন, সিরাজগঞ্জে দুইজন, জামালপুরে দুইজন, বগুড়ায়ে একজন, নাটোরের সিংড়ায় একজন ও পঞ্চগড়ে একজন মারা গেছেন।
গাইবান্ধা
গাইবান্ধার সদর, সুন্দরগঞ্জ ও মেলান্দহ উপজেলায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে এক শিক্ষার্থীসহ তিনজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন। পাশাপাশি বজ্রপাতে একটি গরুও মারা গেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোকলেছুর রহমান মন্ডল।
বজ্রপাতে নিহতরা হলেন, দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সুজা চৌধুরীর ছেলে ফুয়াদ (১৪), আল মোজাহিদ চৌধুরী ছোটন মিয়ার ছেলে রাফি (১২) এবং নবীন হোসেনের ছেলে মিজানুর (২০)। এ ঘটনায় আহত শামীম (১৮) একই গ্রামের আব্দুল হাই মিয়ার ছেলে। নিহত রাফি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়। এ সময় ওই দুই তরুণ ও শিশু শিক্ষার্থী বাড়ির পাশের রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎ তাদের ওপর সরাসরি বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তারা তিনজন মারা যায়। একই সময়ে পাশে থাকা একটি গরুও মারা যায়। আহত শামীমকে স্বজনরা উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে বলেন, সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে তিনজন মারা গেছে। একটি গরুও মারা গেছে এবং একজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
এ ছাড়া, সদর উপজেলা ও মেলান্দহ উপজেলায় বজ্রপাতে গৃহবধূসহ আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতরা হলেন, সদর উপজেলার লক্ষীরচর ইউনিয়নের চরযথার্থপুর এলাকার হাবিবুর রহমান হাবিবের ছেলে হাসমত আলী হাসু (৫৫) ও মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী পৌর এলাকার কড়ইচুড়া গ্রামের রাজিব কুলির স্ত্রী মর্জিনা আক্তার (২২)।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজির কুলির নিজ বাড়ি ও শরিফপুর নদী পাড়ের চরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মর্জিনা আক্তারের স্বামী রাজিব কুলি বলেন, রোববার বিকেলে বাড়ির উঠানে খোলা আকাশের নিচে চুলায় রান্না করছিল তার স্ত্রী মর্জিনা আক্তার। এমন সময় পাশেই বজ্রপাত হয়। এতে মাটিতে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যান মর্জিনা। পরে বাড়ির আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। অপর আহত ব্যক্তি শেফালী বেগমকে আহত অবস্থায় জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত হাসুর ভাই রুহুল আমীন (৪৮) বলেন, হাসু রোববার সকালে তার গৃহপালিত গরুকে ঘাস খাওয়ানোর জন্য নদী পাড়ে যান। তারপর বিকেলে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে বজ্রপাতে হাসু গুরুতর আহত হয়। তার একটি গরু মারা যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে এখনো আমি কোনো তথ্য পাইনি। আপনাদের মাধ্যমেই শুনতে পেলাম।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, বজ্রপাতে মর্জিনা আক্তার নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ তার মতো করে কাজ করছে।
সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় পৃথক দুটি বজ্রপাতের ঘটনায় এক কৃষক ও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
এর মধ্যে, তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের বেত্রাশীন গ্রামে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বজ্রপাতে আব্দুল হামিদ (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। নিহত আব্দুল হামিদ ওই গ্রামের মৃত গফুর আলীর ছেলে।
তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো হাবিবুর রহমান বলেন, বজ্রপাতে কৃষক মারা যাওয়ার খবর পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
একই দিন বিকেল ৫টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের মল্লিকচান এলাকায় বজ্রপাতে হাসান শেখ (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। নিহত হাসান শেখ ওই এলাকার আব্দুল হালিম শেখের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিজ জমিতে কাটা ধান এক পাশে জড়ো করছিলেন হাসান। এ সময় হঠাৎ আকাশে মেঘ জমে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয় এবং বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
রায়গঞ্জ থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বগুড়া
বগুড়ার গাবতলীতে জমি থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতে সুমন (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার বিকেলে উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের মুচিখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমন মুচিখালী গ্রামের মো. আবদুল করিমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল পৌনে ৪টার দিকে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় বাড়ির পাশের একটি জমিতে থাকা নিজের ছাগল আনতে যান সুমন। কিছুক্ষণ পর বজ্রপাতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
গাবতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু মুসা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, খবর পেয়ে এসআই মো. মাহবুবের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নাটোর
নাটোরের সিংড়ায় চলনবিলে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে সম্রাট হোসেন (২৬) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার বিকেলে উপজেলার ঠ্যাঙ্গা পাকুরিয়া গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সম্রাট হোসেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার নগরডালা গ্রামের সাজা ফকিরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্রাট হোসেনসহ বেশ কয়েকজন শ্রমিক ঠ্যাঙ্গা পাকুরিয়া গ্রামের মাঠে ধান কাটছিলেন। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তারা পাশেই একটি ঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় বজ্রপাতের আঘাতে সম্রাট গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। অন্য শ্রমিকরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, সিরাজগঞ্জ থেকে সিংড়ায় ধান কাটতে এসে বজ্রপাতে সম্রাটের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মরদেহ নাটোর সদর হাসপাতালে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
বিস্তারিত আসছে...

১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:২৩
স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। আদালত শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে আসেন জাহের আলভী। পরে দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হলে কাঠগড়ায় দাঁড়ান এ অভিনেতা।
শুনানিতে জাহের আলভীর পক্ষে আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া সহ অনেকেই শুনানি করেন। অপরদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আবেদেনের শুনানি করেন।
আলভীর জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধুমাত্র ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটির দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ নেই। আসামি ঈদ উপলক্ষে নাটক নির্মাণের জন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নেপালে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসে বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।
আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন ২০১০ সালে; তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:১০
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা) আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৪৮ জন।
এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৬৬ জনে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৩ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে দুটি শিশু মারা গেছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একটি করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এই সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯০৭ জন। তাদের মধ্যে ৩৩১টি শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৭৫) ও বরিশাল (১৩৫)।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ৮১৫ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছেন।
গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৯৫ দিনে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৮৯ হাজার ৯০৪ জনের মধ্যে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৪ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ জনের। এ ছাড়া ৯৫ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫০৩ জন।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:০৭
গাইবান্ধা শহরে সরকারি হাসপাতালের বিপুল পরিমাণ ইনজেকশন সিরিঞ্জ বাইরে বিক্রির জন্য বহনকালে রওশনা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন।
এ সময় তার কাছে সরকারি ৩০০ ইনজেকশন সিরিঞ্জ পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা। ওই নারীকে দিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন কাজ করানো হয় বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফ রহমান। বিকেলে শহরের হাসপাতাল রোডের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করছিলেন ওই নারী। এ সময় স্থানীয়রা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বস্তার ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি সিরিঞ্জ পাওয়া যায়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ঝরনা বেগম নামের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নার্স তাকে এসব সিরিঞ্জ দিয়েছেন। তবে তিনি কেন এগুলো বাইরে নিচ্ছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিফ রহমান তত্বাবধায়কের বরাতে বলেন, সরকারি সিরিঞ্জ বাইরে যাওয়ার ঘটনায় একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটির ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিরিঞ্জ প্রথমত স্টোর কিপারের দায়িত্বে থাকে। সেখান থেকে নার্স ইনচার্জ, পরে ডিউটিরত নার্সদেরকে দেওয়া হয়। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে হাসপাতলের ৩০০ সিরিঞ্জ ওই নারী বাহিরে নিয়ে যান। যা ওয়ার্ড থেকে নেওয়া হয়েছে।
স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। আদালত শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে আসেন জাহের আলভী। পরে দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে শুনানি শুরু হলে কাঠগড়ায় দাঁড়ান এ অভিনেতা।
শুনানিতে জাহের আলভীর পক্ষে আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া সহ অনেকেই শুনানি করেন। অপরদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আবেদেনের শুনানি করেন।
আলভীর জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধুমাত্র ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটির দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ নেই। আসামি ঈদ উপলক্ষে নাটক নির্মাণের জন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নেপালে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসে বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি।
আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন ২০১০ সালে; তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল আটটা) আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৪৮ জন।
এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৬৬ জনে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৩ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে দুটি শিশু মারা গেছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একটি করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এই সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯০৭ জন। তাদের মধ্যে ৩৩১টি শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৭৫) ও বরিশাল (১৩৫)।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ৮১৫ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছেন।
গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৯৫ দিনে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৮৯ হাজার ৯০৪ জনের মধ্যে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৪ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ জনের। এ ছাড়া ৯৫ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫০৩ জন।
গাইবান্ধা শহরে সরকারি হাসপাতালের বিপুল পরিমাণ ইনজেকশন সিরিঞ্জ বাইরে বিক্রির জন্য বহনকালে রওশনা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে আটক করেছে স্থানীয় লোকজন।
এ সময় তার কাছে সরকারি ৩০০ ইনজেকশন সিরিঞ্জ পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা। ওই নারীকে দিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন কাজ করানো হয় বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আসিফ রহমান। বিকেলে শহরের হাসপাতাল রোডের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে সন্দেহজনকভাবে একটি বস্তা বহন করছিলেন ওই নারী। এ সময় স্থানীয়রা তাকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বস্তার ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি সিরিঞ্জ পাওয়া যায়।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি দাবি করেন, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ঝরনা বেগম নামের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নার্স তাকে এসব সিরিঞ্জ দিয়েছেন। তবে তিনি কেন এগুলো বাইরে নিচ্ছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আসিফ রহমান তত্বাবধায়কের বরাতে বলেন, সরকারি সিরিঞ্জ বাইরে যাওয়ার ঘটনায় একটি কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটির ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিরিঞ্জ প্রথমত স্টোর কিপারের দায়িত্বে থাকে। সেখান থেকে নার্স ইনচার্জ, পরে ডিউটিরত নার্সদেরকে দেওয়া হয়। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে হাসপাতলের ৩০০ সিরিঞ্জ ওই নারী বাহিরে নিয়ে যান। যা ওয়ার্ড থেকে নেওয়া হয়েছে।
১৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১