
১৮ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:২৪
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় ডাকযোগে চিঠি পাঠিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-সংশ্লিষ্ট দুই নেতাকে রাজনীতি ছাড়ার হুমকি ও চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নেতারা পৃথকভাবে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
নেছারাবাদ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বনি আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শনিবার (১৬ আগস্ট) নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মো. আব্দুর রহমান ডাকযোগে একটি রেজিস্ট্রিকৃত চিঠি পান।
ওই চিঠিতে তাকে জামায়াতের রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় এবং ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চিঠির খামের প্রেরকের নাম লেখা ছিল “মো. কবির মিয়া”, যার ঠিকানা হিসেবে নেছারাবাদ উপজেলার কামারকাঠী গ্রামের নাম উল্লেখ করা হয়।
এর আগে, গত বুধবার একই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের জামায়াতে ইসলামী ওলামা বিভাগের সভাপতি মো. শরিফুল ইসলামও ডাকযোগে হুমকিমূলক চিঠি পান। ওই চিঠিতেও তাকে রাজনীতি ছাড়তে বলা হয়। খামের প্রেরক হিসেবে উল্লেখ করা হয় নেছারাবাদ উপজেলার স্বরূপকাঠি পৌরসভার বাসিন্দা মো. জাহিদ সিকদারের নাম।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী স্বরূপকাঠি পৌর শাখার আমির মাওলানা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, আমাদের ইউনিয়নের দুই নেতা ডাকযোগে চিঠি পেয়ে রাজনীতি ছাড়ার হুমকি ও চাঁদার দাবির শিকার হয়েছেন। আমরা চিঠিতে দেওয়া নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছি।
নেছারাবাদ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বনি আমিন বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। চিঠিতে দেওয়া মোবাইল নম্বরগুলো ট্র্যাক করে দেখা গেছে, এগুলো চট্টগ্রামের। এ বিষয়ে আমাদের তদন্ত চলমান আছে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় ডাকযোগে চিঠি পাঠিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-সংশ্লিষ্ট দুই নেতাকে রাজনীতি ছাড়ার হুমকি ও চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নেতারা পৃথকভাবে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
নেছারাবাদ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বনি আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শনিবার (১৬ আগস্ট) নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মো. আব্দুর রহমান ডাকযোগে একটি রেজিস্ট্রিকৃত চিঠি পান।
ওই চিঠিতে তাকে জামায়াতের রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় এবং ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চিঠির খামের প্রেরকের নাম লেখা ছিল “মো. কবির মিয়া”, যার ঠিকানা হিসেবে নেছারাবাদ উপজেলার কামারকাঠী গ্রামের নাম উল্লেখ করা হয়।
এর আগে, গত বুধবার একই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের জামায়াতে ইসলামী ওলামা বিভাগের সভাপতি মো. শরিফুল ইসলামও ডাকযোগে হুমকিমূলক চিঠি পান। ওই চিঠিতেও তাকে রাজনীতি ছাড়তে বলা হয়। খামের প্রেরক হিসেবে উল্লেখ করা হয় নেছারাবাদ উপজেলার স্বরূপকাঠি পৌরসভার বাসিন্দা মো. জাহিদ সিকদারের নাম।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী স্বরূপকাঠি পৌর শাখার আমির মাওলানা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, আমাদের ইউনিয়নের দুই নেতা ডাকযোগে চিঠি পেয়ে রাজনীতি ছাড়ার হুমকি ও চাঁদার দাবির শিকার হয়েছেন। আমরা চিঠিতে দেওয়া নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছি।
নেছারাবাদ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বনি আমিন বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। চিঠিতে দেওয়া মোবাইল নম্বরগুলো ট্র্যাক করে দেখা গেছে, এগুলো চট্টগ্রামের। এ বিষয়ে আমাদের তদন্ত চলমান আছে।

০৩ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৬
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতাররা হলেন মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নি.) রাধা রমন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি দল কদমতলা বাজারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিল। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৪৬ রাউন্ড গুলি তারা ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকায় তেজদাসকাঠী গ্রামের আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।
এই তথ্য পাওয়ার পরপরই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ টিম আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে ১টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (The Arms Act, 1878) ১৯-A ও ১৯-F ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, জেলা পুলিশের মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যে 'জিরো টলারেন্স' নীতি রয়েছে, এই অভিযান তারই একটি অংশ। আমরা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতাররা হলেন মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নি.) রাধা রমন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি দল কদমতলা বাজারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিল। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৪৬ রাউন্ড গুলি তারা ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকায় তেজদাসকাঠী গ্রামের আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।
এই তথ্য পাওয়ার পরপরই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ টিম আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে ১টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (The Arms Act, 1878) ১৯-A ও ১৯-F ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, জেলা পুলিশের মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যে 'জিরো টলারেন্স' নীতি রয়েছে, এই অভিযান তারই একটি অংশ। আমরা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’

০৩ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৪
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতাররা হলেন মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নি.) রাধা রমন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি দল কদমতলা বাজারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিল। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৪৬ রাউন্ড গুলি তারা ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকায় তেজদাসকাঠী গ্রামের আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।
এই তথ্য পাওয়ার পরপরই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ টিম আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে ১টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (The Arms Act, 1878) ১৯-A ও ১৯-F ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, জেলা পুলিশের মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যে 'জিরো টলারেন্স' নীতি রয়েছে, এই অভিযান তারই একটি অংশ। আমরা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতাররা হলেন মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নি.) রাধা রমন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি দল কদমতলা বাজারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিল। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৪৬ রাউন্ড গুলি তারা ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকায় তেজদাসকাঠী গ্রামের আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।
এই তথ্য পাওয়ার পরপরই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ টিম আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে ১টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (The Arms Act, 1878) ১৯-A ও ১৯-F ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, জেলা পুলিশের মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যে 'জিরো টলারেন্স' নীতি রয়েছে, এই অভিযান তারই একটি অংশ। আমরা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ২১:৪৩
পিরোজপুরের কাউখালীতে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাঁজা গাছসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোররাতে উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কাউখালী থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামের শাজাহান হাওলাদারের ছেলে বাবু হাওলাদার (২৫) দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়ির পশ্চিম পাশে গাঁজা গাছ রোপণ করে তা পরিচর্যা করছিলেন।
পরবর্তীতে ওই গাঁজা প্রক্রিয়াজাত করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সংবাদের ভিত্তিতে কাউখালী থানার এসআই মহিউদ্দিন ও এসআই মাসুদ আল মামুনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স বৃহস্পতিবার ভোররাতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বাবু হাওলাদারকে গাঁজা গাছসহ আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় কাউখালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন আজ বিকালে এই প্রতিবেদককে জানান, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে গাঁজা গাছসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের পাশাপাশি জনসাধারণের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের কাউখালীতে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাঁজা গাছসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোররাতে উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কাউখালী থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামের শাজাহান হাওলাদারের ছেলে বাবু হাওলাদার (২৫) দীর্ঘদিন ধরে নিজ বাড়ির পশ্চিম পাশে গাঁজা গাছ রোপণ করে তা পরিচর্যা করছিলেন।
পরবর্তীতে ওই গাঁজা প্রক্রিয়াজাত করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সংবাদের ভিত্তিতে কাউখালী থানার এসআই মহিউদ্দিন ও এসআই মাসুদ আল মামুনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স বৃহস্পতিবার ভোররাতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বাবু হাওলাদারকে গাঁজা গাছসহ আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় কাউখালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন আজ বিকালে এই প্রতিবেদককে জানান, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারিদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে গাঁজা গাছসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের পাশাপাশি জনসাধারণের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৫ জুলাই, ২০২৬ ০০:২৪
০৪ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৫
০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২২
০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭