ভোলার চরফ্যাশনে কোটি টাকা আত্মসাতের চেষ্টায় দক্ষিণ আইচা ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংক ও প্রয়োজন সমবায় সমিতির মালিক পিংকি বেগমকে আটক করেছেন জনতা। শনিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আইচা বাজারে অবস্থিত ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংক শাখা থেকে আসবাবপত্র সরিয়ে পালানোর সময় স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নারী উদ্যোক্তা পরিচয়ে পিংকি বেগম দক্ষিণ আইচা থানার বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহকদের বিভিন্ন প্রকল্পে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা সংগ্রহ করে আসছিলেন; কিন্তু পরবর্তীতে গ্রাহকরা টাকা ফেরত চাইলে তিনি নানা অজুহাতে টাকা না দিয়ে টালবাহানা করতে থাকেন।
শনিবার দুপুরে পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা বাধা দেন এবং তাকে ব্যাংক শাখায় আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও উত্তেজিত জনতা দাবি জানান টাকা ফেরত না দিলে পিংকিকে ছাড়ব না।
এদিকে খবর ছড়িয়ে পড়লে শতাধিক ভুক্তভোগী গ্রাহক ঘটনাস্থলে জড়ো হন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ভুক্তভোগী রহিমা বেগম বলেন, আমার ১৪ হাজার টাকা আটকা রয়েছে। আমরা শুধু আমাদের টাকাটা ফেরত চাই।
আরেক গ্রাহক আলোকতাজ বেগম জানান, আমার ৭ হাজার টাকা আছে। সে পালিয়ে যাবে শুনে আমি ছুটে এসেছি।
বিউটি বেগম জানান, লাভের আশায় আমিও ১৬ হাজার টাকা পিংকিকে দিয়েছি।
সাজেদা বেগম বলেন, আমার ২৫ হাজার টাকা তাকে দিয়েছি। সে বলেছে লাভ দেবে। এখন নাকি সে পালিয়ে যাচ্ছে। তাই টাকা ফেরত নিতে এসেছি।
আইয়ুব আলী বলেন, আমার ৭০ হাজার টাকা পিংকিকে দিয়েছি। সে বলেছে লভ্যাংশ দিবে।
আখতার ঘরামী বলেন, আমার ৭ লাখ টাকা তার কাছে আছে। সে এখন আমার টাকা নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে।
রুমা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার ২৫ লাখ টাকা তার কাছে আটকা রয়েছে। আমরা আর ধৈর্য রাখতে পারছি না।
ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে আটক পিংকি বেগম জানান, আমি এখনো আটকা আছি, সরাসরি কিছু বলতে পারিনি। তবে দ্রুত গ্রাহকদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করব।
দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল হক ভূঁইয়া বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৩
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

০১ নভেম্বর, ২০২৫ ২২:৪৭
ভোলার চরফ্যাশনে কোটি টাকা আত্মসাতের চেষ্টায় দক্ষিণ আইচা ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংক ও প্রয়োজন সমবায় সমিতির মালিক পিংকি বেগমকে আটক করেছেন জনতা। শনিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আইচা বাজারে অবস্থিত ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংক শাখা থেকে আসবাবপত্র সরিয়ে পালানোর সময় স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নারী উদ্যোক্তা পরিচয়ে পিংকি বেগম দক্ষিণ আইচা থানার বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহকদের বিভিন্ন প্রকল্পে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা সংগ্রহ করে আসছিলেন; কিন্তু পরবর্তীতে গ্রাহকরা টাকা ফেরত চাইলে তিনি নানা অজুহাতে টাকা না দিয়ে টালবাহানা করতে থাকেন।
শনিবার দুপুরে পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা বাধা দেন এবং তাকে ব্যাংক শাখায় আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও উত্তেজিত জনতা দাবি জানান টাকা ফেরত না দিলে পিংকিকে ছাড়ব না।
এদিকে খবর ছড়িয়ে পড়লে শতাধিক ভুক্তভোগী গ্রাহক ঘটনাস্থলে জড়ো হন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ভুক্তভোগী রহিমা বেগম বলেন, আমার ১৪ হাজার টাকা আটকা রয়েছে। আমরা শুধু আমাদের টাকাটা ফেরত চাই।
আরেক গ্রাহক আলোকতাজ বেগম জানান, আমার ৭ হাজার টাকা আছে। সে পালিয়ে যাবে শুনে আমি ছুটে এসেছি।
বিউটি বেগম জানান, লাভের আশায় আমিও ১৬ হাজার টাকা পিংকিকে দিয়েছি।
সাজেদা বেগম বলেন, আমার ২৫ হাজার টাকা তাকে দিয়েছি। সে বলেছে লাভ দেবে। এখন নাকি সে পালিয়ে যাচ্ছে। তাই টাকা ফেরত নিতে এসেছি।
আইয়ুব আলী বলেন, আমার ৭০ হাজার টাকা পিংকিকে দিয়েছি। সে বলেছে লভ্যাংশ দিবে।
আখতার ঘরামী বলেন, আমার ৭ লাখ টাকা তার কাছে আছে। সে এখন আমার টাকা নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে।
রুমা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার ২৫ লাখ টাকা তার কাছে আটকা রয়েছে। আমরা আর ধৈর্য রাখতে পারছি না।
ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে আটক পিংকি বেগম জানান, আমি এখনো আটকা আছি, সরাসরি কিছু বলতে পারিনি। তবে দ্রুত গ্রাহকদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করব।
দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল হক ভূঁইয়া বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১