গাজীপুরের শ্রীপুরে স্কুল ছুটির পর অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রকে ফিল্মি স্টাইলে ‘অস্ত্রের মুখে’ তুলে নিয়ে গেছে অস্ত্রধারীরা। স্কুলছাত্রকে তুলে নেওয়ার ২২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ধনুয়া গ্রামের হাজী প্রি ক্যাডেট স্কুলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পরপরই ২২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্র মো. ফেরদৌস আহমেদ (১৪) উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে। অভিযুক্ত অস্ত্রধারী মো. কাওসার আহমেদ (৩০) শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ধনুয়া গ্রামের মৃত ইমান আলীর ছেলে। এ ছাড়া এমদাদুল হক, নূরুল হক, মোস্তফাসহ আরও কয়েকজন স্কুলছাত্রকে তুলে নিতে সহযোগিতা করে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, সাদা শার্ট পরা এক স্কুলছাত্রকে কয়েকজন যুবক মারতে মারতে নিয়ে যাচ্ছে। স্কুলশিক্ষক রুবেলসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে রক্ষা করতে চেষ্টা করেন। এ সময় টিশার্ট পরা অস্ত্রধারী ক্ষিপ্ত হয়ে স্কুলশিক্ষক রুবেল হোসেনের দিকে পিস্তল তাক করে ভয় দেখায়। এ সময় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদের সহপাঠীকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসে।
নবম শ্রেণির ছাত্র হৃদয় বলেন, স্কুল ছুটি হওয়ার পরপরই আমরা বাইরে যাই। হঠাৎ কয়েকজন যুবক এসে ফেরদৌসকে ধরে মারতে মারতে নিয়ে যায়। এ সময় আমরা চিৎকার দিলে শিক্ষকরা এগিয়ে আসেন। এরপর আমরা তাকে রক্ষা করতে চেষ্টা করি। হঠাৎ করে একজন রুবেল স্যারের দিকে পিস্তল তাক করে। এরপর সবাই ভয় পেয়ে এদিক সেদিক ছোটাছুটি শুরু করে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূরুন্নাহার বলেন, ঘটনার পরপরই আমরা সবাই ছুটে যাই। কিন্তু অস্ত্র তাক করার পরপরই সবাই ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তবে কী কারণে তারা স্কুলছাত্রকে তুলে নিল, এ বিষয়ে জানতে পারিনি। স্কুল ছুটি হওয়ার পরপরই স্কুল গেট থেকে তাকে তুলে নেয়। অনেক মারধর করে তাকে। স্বজনদের সহযোগিতায় দুই ঘণ্টা পর অস্ত্রধারীরা ছেড়ে দেয়।
অপহৃত স্কুলছাত্রের মামা নাদিম মাহমুদ বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই আমরা সবাই ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। তুলে নেওয়ার পর থেকে অস্ত্রধারীর স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে দুই ঘণ্টা পর ফেরদৌস আহমেদকে আমাদের হাতে তুলে দেয়।
তবে কী কারণে তাকে তুলে নিল সেটি জানতে পারিনি। শ্রীপুর থানার ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারের পর জানা যাবে পিস্তলটি আসল নাকি নকল।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৪
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৩১
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১২
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

০৯ জুলাই, ২০২৫ ১২:৪৯
গাজীপুরের শ্রীপুরে স্কুল ছুটির পর অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রকে ফিল্মি স্টাইলে ‘অস্ত্রের মুখে’ তুলে নিয়ে গেছে অস্ত্রধারীরা। স্কুলছাত্রকে তুলে নেওয়ার ২২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ধনুয়া গ্রামের হাজী প্রি ক্যাডেট স্কুলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পরপরই ২২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্র মো. ফেরদৌস আহমেদ (১৪) উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে। অভিযুক্ত অস্ত্রধারী মো. কাওসার আহমেদ (৩০) শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ধনুয়া গ্রামের মৃত ইমান আলীর ছেলে। এ ছাড়া এমদাদুল হক, নূরুল হক, মোস্তফাসহ আরও কয়েকজন স্কুলছাত্রকে তুলে নিতে সহযোগিতা করে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, সাদা শার্ট পরা এক স্কুলছাত্রকে কয়েকজন যুবক মারতে মারতে নিয়ে যাচ্ছে। স্কুলশিক্ষক রুবেলসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে রক্ষা করতে চেষ্টা করেন। এ সময় টিশার্ট পরা অস্ত্রধারী ক্ষিপ্ত হয়ে স্কুলশিক্ষক রুবেল হোসেনের দিকে পিস্তল তাক করে ভয় দেখায়। এ সময় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদের সহপাঠীকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসে।
নবম শ্রেণির ছাত্র হৃদয় বলেন, স্কুল ছুটি হওয়ার পরপরই আমরা বাইরে যাই। হঠাৎ কয়েকজন যুবক এসে ফেরদৌসকে ধরে মারতে মারতে নিয়ে যায়। এ সময় আমরা চিৎকার দিলে শিক্ষকরা এগিয়ে আসেন। এরপর আমরা তাকে রক্ষা করতে চেষ্টা করি। হঠাৎ করে একজন রুবেল স্যারের দিকে পিস্তল তাক করে। এরপর সবাই ভয় পেয়ে এদিক সেদিক ছোটাছুটি শুরু করে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূরুন্নাহার বলেন, ঘটনার পরপরই আমরা সবাই ছুটে যাই। কিন্তু অস্ত্র তাক করার পরপরই সবাই ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তবে কী কারণে তারা স্কুলছাত্রকে তুলে নিল, এ বিষয়ে জানতে পারিনি। স্কুল ছুটি হওয়ার পরপরই স্কুল গেট থেকে তাকে তুলে নেয়। অনেক মারধর করে তাকে। স্বজনদের সহযোগিতায় দুই ঘণ্টা পর অস্ত্রধারীরা ছেড়ে দেয়।
অপহৃত স্কুলছাত্রের মামা নাদিম মাহমুদ বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই আমরা সবাই ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। তুলে নেওয়ার পর থেকে অস্ত্রধারীর স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে দুই ঘণ্টা পর ফেরদৌস আহমেদকে আমাদের হাতে তুলে দেয়।
তবে কী কারণে তাকে তুলে নিল সেটি জানতে পারিনি। শ্রীপুর থানার ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারের পর জানা যাবে পিস্তলটি আসল নাকি নকল।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১১
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৪
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:১৬
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৪