
২১ জুলাই, ২০২৬ ০০:৩২
পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলের মাঠ ও মাছের ঘের
মৌসুমি নিম্নচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে টানা ৭ দিনের ভারী বৃষ্টিতে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জলাবদ্ধতায় প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল, তলিয়ে গেছে আমনের বীজতলা, সবজি ক্ষেত ও মাছের ঘের। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, কৃষক ও মৎস্যচাষিরা।
জেলা আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় পটুয়াখালী জেলায় ৫৯ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌরসভার নিচু এলাকা ছাড়াও কালিশুরী, বগা, কালাইয়া, ধুলিয়া, দাসপাড়া, চন্দ্রদ্বীপ ও কনকদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পানি জমে গেছে। অনেক গ্রামীণ কাঁচা সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় মানুষের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। টানা বৃষ্টির কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যেও স্থবিরতা নেমে এসেছে।
অতিরিক্ত বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন মাছের ঘের ও পুকুরও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। অনেক চাষির মাছ বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় পুকুর ও ঘেরের চারপাশে জাল দিয়ে সুরক্ষার ব্যবস্থা করছেন।
স্থানীয় মৎস্য চাষি ও মৃত্তিকা অ্যাগ্রোর মালিক এম এ হান্নান বলেন, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে তার একাধিক পুকুরের পানি উপচে পড়ার মতো অবস্থায় রয়েছে। তাই চারপাশে নেট জাল লাগানো হয়েছে। বৃষ্টি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকলে মাছ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এ এম পারভেজ বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো মাছচাষি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েননি। তবে সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে পুকুর ও ঘেরের চারপাশে উঁচু করে নেট বসানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভারী বর্ষণে উপজেলার নিচু এলাকার আমন ধানের বীজতলা ও শরৎকালীন সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষকদের আশঙ্কা, দ্রুত পানি না নামলে বীজতলা পচে নষ্ট হতে পারে, যা আগামী আমন মৌসুমে উৎপাদনে প্রভাব ফেলবে।
শৌলা চর এলাকার কৃষক নুরহেসেন বলেন, তিনি ১২ শতক জমিতে আমনের বীজতলা তৈরি করেছিলেন। টানা বৃষ্টিতে পুরো বীজতলাই পানির নিচে চলে গেছে। আরও কয়েকদিন এ অবস্থা থাকলে বীজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মিলন জানান, উপজেলায় ২ হাজার ৬০৮ হেক্টর জমিতে আউশ এবং ৫৮০ হেক্টর জমিতে আমনের বীজতলা রয়েছে। এর বেশিরভাগই পানিতে ডুবে থাকলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। কৃষকদের দ্রুত জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখি জানান, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবেব কারণে আরও কিছুদিন ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।’
পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলের মাঠ ও মাছের ঘের
মৌসুমি নিম্নচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে টানা ৭ দিনের ভারী বৃষ্টিতে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জলাবদ্ধতায় প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল, তলিয়ে গেছে আমনের বীজতলা, সবজি ক্ষেত ও মাছের ঘের। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, কৃষক ও মৎস্যচাষিরা।
জেলা আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় পটুয়াখালী জেলায় ৫৯ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌরসভার নিচু এলাকা ছাড়াও কালিশুরী, বগা, কালাইয়া, ধুলিয়া, দাসপাড়া, চন্দ্রদ্বীপ ও কনকদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পানি জমে গেছে। অনেক গ্রামীণ কাঁচা সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় মানুষের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। টানা বৃষ্টির কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যেও স্থবিরতা নেমে এসেছে।
অতিরিক্ত বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন মাছের ঘের ও পুকুরও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। অনেক চাষির মাছ বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় পুকুর ও ঘেরের চারপাশে জাল দিয়ে সুরক্ষার ব্যবস্থা করছেন।
স্থানীয় মৎস্য চাষি ও মৃত্তিকা অ্যাগ্রোর মালিক এম এ হান্নান বলেন, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে তার একাধিক পুকুরের পানি উপচে পড়ার মতো অবস্থায় রয়েছে। তাই চারপাশে নেট জাল লাগানো হয়েছে। বৃষ্টি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকলে মাছ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এ এম পারভেজ বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো মাছচাষি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েননি। তবে সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে পুকুর ও ঘেরের চারপাশে উঁচু করে নেট বসানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভারী বর্ষণে উপজেলার নিচু এলাকার আমন ধানের বীজতলা ও শরৎকালীন সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষকদের আশঙ্কা, দ্রুত পানি না নামলে বীজতলা পচে নষ্ট হতে পারে, যা আগামী আমন মৌসুমে উৎপাদনে প্রভাব ফেলবে।
শৌলা চর এলাকার কৃষক নুরহেসেন বলেন, তিনি ১২ শতক জমিতে আমনের বীজতলা তৈরি করেছিলেন। টানা বৃষ্টিতে পুরো বীজতলাই পানির নিচে চলে গেছে। আরও কয়েকদিন এ অবস্থা থাকলে বীজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মিলন জানান, উপজেলায় ২ হাজার ৬০৮ হেক্টর জমিতে আউশ এবং ৫৮০ হেক্টর জমিতে আমনের বীজতলা রয়েছে। এর বেশিরভাগই পানিতে ডুবে থাকলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। কৃষকদের দ্রুত জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখি জানান, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবেব কারণে আরও কিছুদিন ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।’

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৪
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির বসতঘর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার পর মালামাল লুট করে আগুন দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত এ হামলা চালানো হয়। ওই বাড়ির বাসিন্দাদের অভিযোগ, পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ছোট ভাই শাহীন চৌধুরী এবং স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনায় জড়িত।
ওই আওয়ামী লীগের নেতার নাম কাজী মিজানুর রহমান (লাভলু), তিনি মাধবখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন। তাঁর জায়গায় ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা।
আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িটি উপজেলার কাঁঠালতলী বাজারসংলগ্ন উত্তর বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কেউ কথা বলতে রাজি হননি।
মির্জাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা মো. ইব্রাহীম সাংবাদিকদের বলেন, শনিবার সকাল ৬টা ৮ মিনিটে ফোন পেয়ে তাঁদের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দেখতে পান, কাজী মিজানুর রহমানের বসতঘরে আগুন জ্বলছে এবং বাড়ির সামনের অংশ ভাঙা। পরে তাঁরা চারটি কক্ষের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
কাজী মিজানুর রহমানের স্ত্রী মেহেরুন্নেছা শিল্পী সাংবাদিকদের জানান, তাঁর বৃদ্ধা শাশুড়ি অসুস্থ থাকায় পরিবার নিয়ে তাঁরা ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। এই সুযোগে মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ওরফে পলাশ হাওলাদার এবং সাবেক সভাপতি মনির খন্দকারের নেতৃত্বে প্রায় আড়াই শ মানুষ বুলডোজার দিয়ে তাঁদের পাকা বসতঘরটি ভেঙে ফেলেন।
তার ভাষ্য, ভবন ভাঙার পর ঘরে থাকা চারটি রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিন, ওভেন, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), স্বর্ণালংকারসহ পরিবারের ব্যবহার্য প্রায় সব মালামাল লুট করা হয়। লুট হওয়া মালামালের মূল্য প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা। এরপর পরে ৬ কক্ষের প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
মেহেরুন্নেছা জানান, এ ঘটনার খবর পেয়ে তিনি রাজধানী ঢাকা থেকে রওনা হয়ে শনিবার ভোরে বাড়িতে পৌঁছান। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, হামলার আগে কাঁঠালতলী বাজার ও আশপাশের এলাকা থেকে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়। কেউ ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে তাঁদের কাছ থেকে মুঠোফোনও ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তিনি বলেন, তাঁদের বাড়ি থেকে প্রায় ৩০ ফুট দূরে কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়ি অবস্থিত। গভীর রাতে বুলডোজারের শব্দ শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে এলেও হামলাকারীরা তাদের ধাওয়া দিলে পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তার কারণে সরে যান। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে মৌখিকভাবে অভিযোগ জানানো হয়েছে।
মিজানুর রহমান মুঠোফোনে সাংবাদিকদের বলেন, জমি কিনে তিনি বাড়ি করেছেন। কী কারণে তাঁর বাড়ি ভাঙা হয়েছে, এ প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘যাঁরা আমার বাড়ি ভাঙায় জড়িত, তাঁদের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই।’
হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিন চৌধুরী। হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কারা জড়িত—এমন প্রশ্নের জবাবে শাহীন চৌধুরী বলেন, শুক্রবার তিনি ঢাকা থেকে এলাকায় ফিরেছেন, তাই ঘটনার বিষয়ে অবগত নন।
অভিযুক্ত মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মনির খন্দকারের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেননি। মনির খন্দকার সাংবাদিকদের বলেন, মিজানুর রহমান পাবলিক লাইব্রেরির জমি দখল করে ঘর তুলেছেন, যা ভূমি অফিসের মাধ্যমে প্রমাণিত, সেখানে তার এক টুকরো জমিও নেই।
প্রশাসনের মাধ্যমে ঘরটি না ভেঙে নিজেরা কেন ভাঙলেন, এমন প্রশ্নে মনির খন্দকার বলেন, ‘বিগত দিনে বিএনপি কিন্তু প্রশাসন ব্যবহার করেননি। তাছাড়া তাঁরা (মিজানুর রহমান ও তাঁর অনুসারীরা) জবরদখল করছেন। এমপি আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বাসায় তিনবার হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। আমরা চাইলে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ঘরটি ভাঙতে পারতাম, সেটি না করে পাহারা দিয়েছি।’ এরপর মুঠোফোনের সংযোগ কেটে দেন তিনি।
এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, ভোররাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা মিজানুর রহমানের বসতঘরে আগুন দেয় এবং বেকু (খনন) মেশিন দিয়ে বাড়ির অংশ ভেঙে ফেলে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘরের ভেতরে কেউ না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখনো ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল সাংবাদিকদের বলেন, ভোররাতে ফায়ার সার্ভিস থেকে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি জানার চেষ্টা করেন। তবে অনেকেই এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। পরে কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়িকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন, জানান ইউএনও।’
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির বসতঘর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার পর মালামাল লুট করে আগুন দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত এ হামলা চালানো হয়। ওই বাড়ির বাসিন্দাদের অভিযোগ, পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরীর ছোট ভাই শাহীন চৌধুরী এবং স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনায় জড়িত।
ওই আওয়ামী লীগের নেতার নাম কাজী মিজানুর রহমান (লাভলু), তিনি মাধবখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন। তাঁর জায়গায় ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা।
আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িটি উপজেলার কাঁঠালতলী বাজারসংলগ্ন উত্তর বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কেউ কথা বলতে রাজি হননি।
মির্জাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা মো. ইব্রাহীম সাংবাদিকদের বলেন, শনিবার সকাল ৬টা ৮ মিনিটে ফোন পেয়ে তাঁদের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দেখতে পান, কাজী মিজানুর রহমানের বসতঘরে আগুন জ্বলছে এবং বাড়ির সামনের অংশ ভাঙা। পরে তাঁরা চারটি কক্ষের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
কাজী মিজানুর রহমানের স্ত্রী মেহেরুন্নেছা শিল্পী সাংবাদিকদের জানান, তাঁর বৃদ্ধা শাশুড়ি অসুস্থ থাকায় পরিবার নিয়ে তাঁরা ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। এই সুযোগে মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ওরফে পলাশ হাওলাদার এবং সাবেক সভাপতি মনির খন্দকারের নেতৃত্বে প্রায় আড়াই শ মানুষ বুলডোজার দিয়ে তাঁদের পাকা বসতঘরটি ভেঙে ফেলেন।
তার ভাষ্য, ভবন ভাঙার পর ঘরে থাকা চারটি রেফ্রিজারেটর, ওয়াশিং মেশিন, ওভেন, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), স্বর্ণালংকারসহ পরিবারের ব্যবহার্য প্রায় সব মালামাল লুট করা হয়। লুট হওয়া মালামালের মূল্য প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা। এরপর পরে ৬ কক্ষের প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
মেহেরুন্নেছা জানান, এ ঘটনার খবর পেয়ে তিনি রাজধানী ঢাকা থেকে রওনা হয়ে শনিবার ভোরে বাড়িতে পৌঁছান। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, হামলার আগে কাঁঠালতলী বাজার ও আশপাশের এলাকা থেকে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়। কেউ ভিডিও ধারণের চেষ্টা করলে তাঁদের কাছ থেকে মুঠোফোনও ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তিনি বলেন, তাঁদের বাড়ি থেকে প্রায় ৩০ ফুট দূরে কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়ি অবস্থিত। গভীর রাতে বুলডোজারের শব্দ শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে এলেও হামলাকারীরা তাদের ধাওয়া দিলে পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তার কারণে সরে যান। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে মৌখিকভাবে অভিযোগ জানানো হয়েছে।
মিজানুর রহমান মুঠোফোনে সাংবাদিকদের বলেন, জমি কিনে তিনি বাড়ি করেছেন। কী কারণে তাঁর বাড়ি ভাঙা হয়েছে, এ প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘যাঁরা আমার বাড়ি ভাঙায় জড়িত, তাঁদের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই।’
হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিন চৌধুরী। হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কারা জড়িত—এমন প্রশ্নের জবাবে শাহীন চৌধুরী বলেন, শুক্রবার তিনি ঢাকা থেকে এলাকায় ফিরেছেন, তাই ঘটনার বিষয়ে অবগত নন।
অভিযুক্ত মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। মাধবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মনির খন্দকারের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেননি। মনির খন্দকার সাংবাদিকদের বলেন, মিজানুর রহমান পাবলিক লাইব্রেরির জমি দখল করে ঘর তুলেছেন, যা ভূমি অফিসের মাধ্যমে প্রমাণিত, সেখানে তার এক টুকরো জমিও নেই।
প্রশাসনের মাধ্যমে ঘরটি না ভেঙে নিজেরা কেন ভাঙলেন, এমন প্রশ্নে মনির খন্দকার বলেন, ‘বিগত দিনে বিএনপি কিন্তু প্রশাসন ব্যবহার করেননি। তাছাড়া তাঁরা (মিজানুর রহমান ও তাঁর অনুসারীরা) জবরদখল করছেন। এমপি আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বাসায় তিনবার হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। আমরা চাইলে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ঘরটি ভাঙতে পারতাম, সেটি না করে পাহারা দিয়েছি।’ এরপর মুঠোফোনের সংযোগ কেটে দেন তিনি।
এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, ভোররাতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা মিজানুর রহমানের বসতঘরে আগুন দেয় এবং বেকু (খনন) মেশিন দিয়ে বাড়ির অংশ ভেঙে ফেলে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘরের ভেতরে কেউ না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখনো ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল সাংবাদিকদের বলেন, ভোররাতে ফায়ার সার্ভিস থেকে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি জানার চেষ্টা করেন। তবে অনেকেই এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। পরে কাঁঠালতলী পুলিশ ফাঁড়িকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন, জানান ইউএনও।’

১৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৭
তাবিজ দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নেওয়া। এরপর ঘরের ভেতরে আটকে এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা—এমন অভিযোগে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের উত্তর চৈতা গ্রাম থেকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব (৪৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মাধবখালি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি, উত্তর চৈতা গ্রামের মৃত জয়নাল মৌলভীর ছেলে এবং পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। বাড়ির পাশেই তার একটি ফার্মেসি রয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ভাইয়ের ছেলেকে তাবিজ দেওয়ার কথা বলে মাহাবুব তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পারিবারিক সমস্যার কারণে ওই নারীর সঙ্গে মাহাবুবের পরিচয় হয়েছিল। বিভিন্ন সময় তিনি তাবিজ নিতে তার কাছে যেতেন। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার দিন সকালে মাহাবুব তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরে সন্ধ্যায় ওই নারীকে বাড়িতে নিয়ে যান। প্রায় দুই ঘণ্টা পর ঘরের ভেতর থেকে নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাহাবুবকে আটক করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম বলেন, "বিষয়টি এখনও আমার জানা নেই। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, "ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।"
তাবিজ দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নেওয়া। এরপর ঘরের ভেতরে আটকে এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা—এমন অভিযোগে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের উত্তর চৈতা গ্রাম থেকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব (৪৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মাধবখালি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি, উত্তর চৈতা গ্রামের মৃত জয়নাল মৌলভীর ছেলে এবং পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। বাড়ির পাশেই তার একটি ফার্মেসি রয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ভাইয়ের ছেলেকে তাবিজ দেওয়ার কথা বলে মাহাবুব তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পারিবারিক সমস্যার কারণে ওই নারীর সঙ্গে মাহাবুবের পরিচয় হয়েছিল। বিভিন্ন সময় তিনি তাবিজ নিতে তার কাছে যেতেন। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার দিন সকালে মাহাবুব তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরে সন্ধ্যায় ওই নারীকে বাড়িতে নিয়ে যান। প্রায় দুই ঘণ্টা পর ঘরের ভেতর থেকে নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাহাবুবকে আটক করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম বলেন, "বিষয়টি এখনও আমার জানা নেই। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, "ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।"

১৭ জুলাই, ২০২৬ ০০:৪৪
পটুয়াখালীর বাউফল পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন স্থানীয় সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র, মাদক এবং মাদক সেবনের উপহরণ উদ্ধার করেছে এসআই মু. ফরাদুজ্জামানের নেতৃত্বতাধীন টিম।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক তিন যুবক কালাইয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের আক্কেল আলী ভূঁইয়ার ছেলে মোহন ভূঁইয়া (৩৫), একই গ্রামের আব্দুল কালামের ছেলে নুর ইসলাম (২৫) এবং পার্শ্ববর্তী দশমিনা উপজেলার চর হোসনাবাদের শাহ আলমের ছেলে শাকি (২৪) দীর্ঘদিন ধরে একত্রিত হয়ে এলাকাভিত্তিক সন্ত্রাস করাসহ মাদক ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাউফলের কালাইয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন একটি বাসা তাদের আটক করা হয়, স্থানটিকে মাদকের ডেরা হিসেবে বিবেচিত করে পুলিশ।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী বাউফল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মু. ফরহাদুজ্জামান নবীন এবং এসআই ইব্রাহিম মোল্লা বরিশালটাইমসকে জানান, চিহ্নিত তিন সন্ত্রাসীর কাছ থেকে দুটি দেশীয় দা, দুটি ধারালো রামদা, তিনটি কাঁচি, দুটি হাতুড়ি, ২৫ গ্রাম গাঁজা, ২০ পিস ইয়াবা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের মধ্যেকার মোহন ভূঁইয়া মাদক বিক্রেতা এবং বাকি দুজন নুর ইসলাম, শাকিল তার কাছ থেকে মাদক সংগ্রহের উদ্দেশে এসেছিলেন।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলছেন, তিন যুবকই মাদক ক্রয়-বিক্রয়সহ বহুমুখী অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও ছিল। বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদে তাদের আটক করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছেন।’
পটুয়াখালীর বাউফল পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন স্থানীয় সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র, মাদক এবং মাদক সেবনের উপহরণ উদ্ধার করেছে এসআই মু. ফরাদুজ্জামানের নেতৃত্বতাধীন টিম।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক তিন যুবক কালাইয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের আক্কেল আলী ভূঁইয়ার ছেলে মোহন ভূঁইয়া (৩৫), একই গ্রামের আব্দুল কালামের ছেলে নুর ইসলাম (২৫) এবং পার্শ্ববর্তী দশমিনা উপজেলার চর হোসনাবাদের শাহ আলমের ছেলে শাকি (২৪) দীর্ঘদিন ধরে একত্রিত হয়ে এলাকাভিত্তিক সন্ত্রাস করাসহ মাদক ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাউফলের কালাইয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন একটি বাসা তাদের আটক করা হয়, স্থানটিকে মাদকের ডেরা হিসেবে বিবেচিত করে পুলিশ।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী বাউফল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মু. ফরহাদুজ্জামান নবীন এবং এসআই ইব্রাহিম মোল্লা বরিশালটাইমসকে জানান, চিহ্নিত তিন সন্ত্রাসীর কাছ থেকে দুটি দেশীয় দা, দুটি ধারালো রামদা, তিনটি কাঁচি, দুটি হাতুড়ি, ২৫ গ্রাম গাঁজা, ২০ পিস ইয়াবা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের মধ্যেকার মোহন ভূঁইয়া মাদক বিক্রেতা এবং বাকি দুজন নুর ইসলাম, শাকিল তার কাছ থেকে মাদক সংগ্রহের উদ্দেশে এসেছিলেন।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলছেন, তিন যুবকই মাদক ক্রয়-বিক্রয়সহ বহুমুখী অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও ছিল। বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদে তাদের আটক করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছেন।’
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:৩৯
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:১৮
২১ জুলাই, ২০২৬ ০৯:৪৫
২১ জুলাই, ২০২৬ ০০:৪২