
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০৩
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও চট্টগ্রাম নগরের আংশিক) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর ছবি ব্যবহার করে ‘ভোটার সম্মানী রসিদের’ ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনার পর ছবিটি নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে আলোচনার ঝড় বইছে।
বিএনপির দাবি, ভুয়া ফেসবুক আইডি দিয়ে এমন ভিত্তিহীন প্রচারণা চালিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীর ইমেজ ক্ষুণ্ন করার চক্রান্ত করছে একটি পক্ষ।
ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ওপরের একপাশে আসলাম চৌধুরীর ছবি, মাঝখানে ভোটার সম্মানী রসিদ ও ডান পাশে সবার আগে বাংলাদেশ লেখা।
বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে আসলাম চৌধুরীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান এজেন্ট স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. মোরসালিন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলামের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, এমডি এএইচ রাকিব ও একাধিক ফেসবুক আইডিতে ‘ভোটার সম্মানীর রসিদ’ পোস্ট করে মিথ্যা ও বানোয়াট প্রচারণা চালানো হচ্ছে। একটি পক্ষ ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর ইমেজ ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও আচরণবিধি পরিপন্থি।
এতে সুবিধাভোগী হিসেবে সাহেদা বেগম নামে একজনের নাম লেখা রয়েছে। তার বিকাশ নম্বর এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দেওয়া আছে। যেখানে দুটি অঙ্ক কালি দিয়ে মোছা রয়েছে। সাহেদা বেগমের ঠিকানা জাহানাবাদ ভাটিয়ারী উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রেস উইং কর্মকর্তা আবু তাহের গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিবৃতিতে জানান, আসলাম চৌধুরীর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি চক্র ফেক আইডির মাধ্যমে অনৈতিক পথ অবলম্বন করেছে। আসলাম চৌধুরীর মতো জনপ্রিয় নেতাকে টাকা দিয়ে ভোট নিতে হবে না। দেশের সাধারণ মানুষ এমন অপপ্রচারকে ঘৃণ্যভাবে প্রত্যাখান করছে।
এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভোটার সম্মানী রসিদ নামে একটি রসিদের ছবি ছড়িয়ে পড়ায় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও চট্টগ্রাম নগরের আংশিক) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর ছবি ব্যবহার করে ‘ভোটার সম্মানী রসিদের’ ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনার পর ছবিটি নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে আলোচনার ঝড় বইছে।
বিএনপির দাবি, ভুয়া ফেসবুক আইডি দিয়ে এমন ভিত্তিহীন প্রচারণা চালিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীর ইমেজ ক্ষুণ্ন করার চক্রান্ত করছে একটি পক্ষ।
ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ওপরের একপাশে আসলাম চৌধুরীর ছবি, মাঝখানে ভোটার সম্মানী রসিদ ও ডান পাশে সবার আগে বাংলাদেশ লেখা।
বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে আসলাম চৌধুরীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান এজেন্ট স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. মোরসালিন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলামের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, এমডি এএইচ রাকিব ও একাধিক ফেসবুক আইডিতে ‘ভোটার সম্মানীর রসিদ’ পোস্ট করে মিথ্যা ও বানোয়াট প্রচারণা চালানো হচ্ছে। একটি পক্ষ ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর ইমেজ ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও আচরণবিধি পরিপন্থি।
এতে সুবিধাভোগী হিসেবে সাহেদা বেগম নামে একজনের নাম লেখা রয়েছে। তার বিকাশ নম্বর এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দেওয়া আছে। যেখানে দুটি অঙ্ক কালি দিয়ে মোছা রয়েছে। সাহেদা বেগমের ঠিকানা জাহানাবাদ ভাটিয়ারী উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রেস উইং কর্মকর্তা আবু তাহের গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিবৃতিতে জানান, আসলাম চৌধুরীর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি চক্র ফেক আইডির মাধ্যমে অনৈতিক পথ অবলম্বন করেছে। আসলাম চৌধুরীর মতো জনপ্রিয় নেতাকে টাকা দিয়ে ভোট নিতে হবে না। দেশের সাধারণ মানুষ এমন অপপ্রচারকে ঘৃণ্যভাবে প্রত্যাখান করছে।
এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভোটার সম্মানী রসিদ নামে একটি রসিদের ছবি ছড়িয়ে পড়ায় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২২:৩৩
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চেয়ার বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে নেওয়ার পথে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন।
বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত মনোনীতি প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল।
বিস্তারিত আসছে...
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চেয়ার বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে নেওয়ার পথে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন।
বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত মনোনীতি প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল।
বিস্তারিত আসছে...

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫১
বগুড়ার গাবতলীতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ায় ও অফিস উদ্বোধন করায় নেপালতলী ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন আলমের বাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে নেপালতলী ইউনিয়নে বুরুজ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার দিনভর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম রব্বানীর পক্ষে নেপালতলী ইউনিয়নে বুরুজ বাজার কদমতলী এলাকায় গণসংযোগ ও নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করা হয়।
রাত আড়াইটার দিকে ইউনিয়ন জামায়াতেরে সেক্রেটারি আলমগীরের বসতবাড়িতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। আগুনে বসতবাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। এলাকাবাসী টের পেয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন আলম বলেন, মঙ্গলবার দিনভর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম রব্বানীর পক্ষে নেপালতলী ইউনিয়নে বুরুজ বাজার কদমতলী এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করার পর রাতেই আমার বাড়িতে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। তবে আমি কাউকে অভিযুক্ত করিনি।
বগুড়া-৭ আসনে জামায়াতের নির্বাচনী পরিচালক মাওলানা আব্দুল হাকিম সরকার বলেন, আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি, কাউকে অভিযুক্ত করতে চাই না। আমাদের কর্মী ও নারী ভোটারদের হয়রানি করা হচ্ছে। আমরা নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড অবশ্যই আশা করি।
গাবতলী মডেল থানার ওসি আনিছুর রহমান বলেন, আগুনের ঘটনায় আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। তবে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বগুড়ার গাবতলীতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ায় ও অফিস উদ্বোধন করায় নেপালতলী ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন আলমের বাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে নেপালতলী ইউনিয়নে বুরুজ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার দিনভর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম রব্বানীর পক্ষে নেপালতলী ইউনিয়নে বুরুজ বাজার কদমতলী এলাকায় গণসংযোগ ও নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করা হয়।
রাত আড়াইটার দিকে ইউনিয়ন জামায়াতেরে সেক্রেটারি আলমগীরের বসতবাড়িতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। আগুনে বসতবাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। এলাকাবাসী টের পেয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন আলম বলেন, মঙ্গলবার দিনভর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম রব্বানীর পক্ষে নেপালতলী ইউনিয়নে বুরুজ বাজার কদমতলী এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করার পর রাতেই আমার বাড়িতে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। তবে আমি কাউকে অভিযুক্ত করিনি।
বগুড়া-৭ আসনে জামায়াতের নির্বাচনী পরিচালক মাওলানা আব্দুল হাকিম সরকার বলেন, আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি, কাউকে অভিযুক্ত করতে চাই না। আমাদের কর্মী ও নারী ভোটারদের হয়রানি করা হচ্ছে। আমরা নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড অবশ্যই আশা করি।
গাবতলী মডেল থানার ওসি আনিছুর রহমান বলেন, আগুনের ঘটনায় আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। তবে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩০
রাজধানীর কদমতলী (ঢাকা-৪) আসনে গণসংযোগকালে কাজি মারিয়া ইসলাম নামের জামায়াতে ইসলামীর এক নারী কর্মীকে মাথায় কোপ দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএসসিসির ৫২ নম্বর ওয়ার্ড মুরাদপুর হাইস্কুল সংলগ্ন মাজেদা গলিতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চাওয়ার জন্য জামায়াতের নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গণসংযোগ করেছিলেন। এ সময় মাজেদা গলির একটি ৫ তলা ভবনের একটি ফ্ল্যাটে ভোট চাইতে কয়েকজন নারী কর্মী ফ্ল্যাটের ভেতরে ঢোকেন।
এ সময় কয়েকজন যুবক তাদের পথরোধ করে জানতে চান, দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী এ জয়নাল আবেদীন কে, তাকে তো কেউ চিনে না, তার জন্য আপনারা ভোট চাইতে আসছেন কেন।
এ নিয়ে উভয়ের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা চলাকালে পেছন থেকে মারিয়া ইসলামের মাথায় কোপ দেয় যুবকদের একজন। পরে তারা পালিয়ে যায়। মারিয়া ইসলাম বর্তমানে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, বিষয়টি শুনেছি। কে বা কারা এ আঘাত করেছে তা আমরা এখনো স্পষ্ট না। আমি মনে করি, এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। তবে নারীদের উপর এমন হামলার নিন্দা জানাই।
কদমতলী থানার ওসি আশরাফুজ্জামান বলেন, এমন একটি ঘটনার কথা শুনেছি। এ বিষয়ে আমরা আরও ভালো করে জানার চেষ্টা করছি, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি।
রাজধানীর কদমতলী (ঢাকা-৪) আসনে গণসংযোগকালে কাজি মারিয়া ইসলাম নামের জামায়াতে ইসলামীর এক নারী কর্মীকে মাথায় কোপ দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএসসিসির ৫২ নম্বর ওয়ার্ড মুরাদপুর হাইস্কুল সংলগ্ন মাজেদা গলিতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চাওয়ার জন্য জামায়াতের নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গণসংযোগ করেছিলেন। এ সময় মাজেদা গলির একটি ৫ তলা ভবনের একটি ফ্ল্যাটে ভোট চাইতে কয়েকজন নারী কর্মী ফ্ল্যাটের ভেতরে ঢোকেন।
এ সময় কয়েকজন যুবক তাদের পথরোধ করে জানতে চান, দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী এ জয়নাল আবেদীন কে, তাকে তো কেউ চিনে না, তার জন্য আপনারা ভোট চাইতে আসছেন কেন।
এ নিয়ে উভয়ের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা চলাকালে পেছন থেকে মারিয়া ইসলামের মাথায় কোপ দেয় যুবকদের একজন। পরে তারা পালিয়ে যায়। মারিয়া ইসলাম বর্তমানে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, বিষয়টি শুনেছি। কে বা কারা এ আঘাত করেছে তা আমরা এখনো স্পষ্ট না। আমি মনে করি, এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। তবে নারীদের উপর এমন হামলার নিন্দা জানাই।
কদমতলী থানার ওসি আশরাফুজ্জামান বলেন, এমন একটি ঘটনার কথা শুনেছি। এ বিষয়ে আমরা আরও ভালো করে জানার চেষ্টা করছি, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.