
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৮
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
রোববার (২৬ এপ্রিল) উপজেলার পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে। এদিন ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ১৭টি কক্ষে ৮৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে সকাল থেকেই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের। বাধ্য হয়ে মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা নেয় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ।
কেন্দ্রটির সচিব ও ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মাহেদুল আলম বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকার কথা থাকলেও বারবার বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করেও সমাধান পাওয়া যায়নি। পরে ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে বড় মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়।
রংপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান জানান, কেন্দ্রটি বলদিপুকুর সাবস্টেশনের আওতাধীন রংপুর গ্রিড লাইনের সঙ্গে যুক্ত। গ্রিডের একটি লাইন পুড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বিকল্প হিসেবে শঠিবাড়ী গ্রিড থেকে সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ বলেন, কেন্দ্রসচিব আগে থেকে বিষয়টি তাকে জানাননি। পরে জানানো হলে তিনি দ্রুত বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি কেন্দ্রে এলইডি লাইট, মোমবাতি ও চার্জার লাইটের মতো বিকল্প ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
রোববার (২৬ এপ্রিল) উপজেলার পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে। এদিন ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দ বেগম রোকেয়া স্মৃতি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ১৭টি কক্ষে ৮৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে সকাল থেকেই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের। বাধ্য হয়ে মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা নেয় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ।
কেন্দ্রটির সচিব ও ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মাহেদুল আলম বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকার কথা থাকলেও বারবার বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করেও সমাধান পাওয়া যায়নি। পরে ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে বড় মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়।
রংপুর পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন খান জানান, কেন্দ্রটি বলদিপুকুর সাবস্টেশনের আওতাধীন রংপুর গ্রিড লাইনের সঙ্গে যুক্ত। গ্রিডের একটি লাইন পুড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বিকল্প হিসেবে শঠিবাড়ী গ্রিড থেকে সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ বলেন, কেন্দ্রসচিব আগে থেকে বিষয়টি তাকে জানাননি। পরে জানানো হলে তিনি দ্রুত বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি কেন্দ্রে এলইডি লাইট, মোমবাতি ও চার্জার লাইটের মতো বিকল্প ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৫৭
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পেট্রোল পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় লাবনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর থেকে লাবনী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিতরণ করা হচ্ছিল। জ্বালানি তেলের জন্য প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মিনিট্রাক ও স্থানীয় কৃষকরা দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় এক ব্যক্তি পাম্প থেকে প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় লাইনে অপেক্ষমান লোকজন প্রতিবাদ করে। এক পর্যায়ে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয় এবং লোকজন উত্তেজিত হয়ে ফিলিং স্টেশন লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং গাড়ির মালিকদের সঙ্গে মারামারি বেঁধে যায়। এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করেন। তবে এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হয়নি।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রাহকরাই ঝামেলা সৃষ্টি করেছে এবং কিছু মানুষ রাস্তার বিপরীত দিক থেকে ঢিল ছুড়েছে। আজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পেট্রোল পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় লাবনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর থেকে লাবনী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিতরণ করা হচ্ছিল। জ্বালানি তেলের জন্য প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মিনিট্রাক ও স্থানীয় কৃষকরা দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় এক ব্যক্তি পাম্প থেকে প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় লাইনে অপেক্ষমান লোকজন প্রতিবাদ করে। এক পর্যায়ে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয় এবং লোকজন উত্তেজিত হয়ে ফিলিং স্টেশন লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং গাড়ির মালিকদের সঙ্গে মারামারি বেঁধে যায়। এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করেন। তবে এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হয়নি।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রাহকরাই ঝামেলা সৃষ্টি করেছে এবং কিছু মানুষ রাস্তার বিপরীত দিক থেকে ঢিল ছুড়েছে। আজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৩
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিদ্যুদ্বিভ্রাটের কারণে চলমান এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনালের ১১টি কেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় ৪ হাজার ৪৭৪ জন পরীক্ষার্থী মোমবাতির আলোয় দিচ্ছে পরীক্ষা।
নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, নবীনগর ইচ্ছাময়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে চলছে এসএসসি এবং নারায়ণপুর ডিএস কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষা। ওই কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
জানা যায়, আজ সকাল থেকে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে নবীনগরে পল্লী বিদ্যুতের ৩৩ কেভি লাইন ট্রিপ করার কারণে গোটা নবীনগরে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। এতে কক্ষে পর্যাপ্ত আলো না থাকায় শিক্ষার্থীরা মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে।
পরীক্ষার হল অন্ধকার হয়ে পড়ায় আলোর অভাবে অনেকেই উত্তরপত্রে লেখার সময় সমস্যায় পড়ে। এ বছর নবীনগর উপজেলায় এসএসসি ৮টি, দাখিল ২টি ও ভোকেশনাল ১টি— মোট ১১টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৪৭৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরীক্ষার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও মাঠ পর্যায়ে তার অভাব দেখা যাচ্ছে, যা পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য উদ্বেগজনক।
নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান আমার দেশকে বলেন, বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, ঝড়-বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন জায়গায় তারের ওপর গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ে থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে মোমবাতি ও চার্জলাইটের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আবদুল ওয়াদুদ হোসেন আমার দেশকে বলেন, সকাল থেকে বৃষ্টিপাত ও ঝোড়ো বাতাসের কারণে বিভিন্ন জায়গায় গাছপালা ভেঙে তারের ওপর পড়ে থাকায় ৩৩ কেভি লাইন ট্রিপ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে । আমরা কাজ শুরু করেছি, দ্রুতই সমাধানের চেষ্টা চলছে।
বিদ্যুৎ না থাকায় অভিভাবকেরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিদ্যুতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারায় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের গাফিলতিকে দায়ী করছেন অভিভাবকেরা। বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন ছিল প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্র।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিদ্যুদ্বিভ্রাটের কারণে চলমান এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনালের ১১টি কেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় ৪ হাজার ৪৭৪ জন পরীক্ষার্থী মোমবাতির আলোয় দিচ্ছে পরীক্ষা।
নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, নবীনগর ইচ্ছাময়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে চলছে এসএসসি এবং নারায়ণপুর ডিএস কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষা। ওই কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
জানা যায়, আজ সকাল থেকে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে নবীনগরে পল্লী বিদ্যুতের ৩৩ কেভি লাইন ট্রিপ করার কারণে গোটা নবীনগরে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। এতে কক্ষে পর্যাপ্ত আলো না থাকায় শিক্ষার্থীরা মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে।
পরীক্ষার হল অন্ধকার হয়ে পড়ায় আলোর অভাবে অনেকেই উত্তরপত্রে লেখার সময় সমস্যায় পড়ে। এ বছর নবীনগর উপজেলায় এসএসসি ৮টি, দাখিল ২টি ও ভোকেশনাল ১টি— মোট ১১টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৪৭৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরীক্ষার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও মাঠ পর্যায়ে তার অভাব দেখা যাচ্ছে, যা পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য উদ্বেগজনক।
নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান আমার দেশকে বলেন, বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, ঝড়-বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন জায়গায় তারের ওপর গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ে থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে মোমবাতি ও চার্জলাইটের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আবদুল ওয়াদুদ হোসেন আমার দেশকে বলেন, সকাল থেকে বৃষ্টিপাত ও ঝোড়ো বাতাসের কারণে বিভিন্ন জায়গায় গাছপালা ভেঙে তারের ওপর পড়ে থাকায় ৩৩ কেভি লাইন ট্রিপ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে । আমরা কাজ শুরু করেছি, দ্রুতই সমাধানের চেষ্টা চলছে।
বিদ্যুৎ না থাকায় অভিভাবকেরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিদ্যুতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারায় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের গাফিলতিকে দায়ী করছেন অভিভাবকেরা। বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন ছিল প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্র।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৫৫
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে একটি মাইক্রোবাস। এতে ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৯টার দিকে উপজেলার চুনতি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বিস্তারিত আসছে …
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে একটি মাইক্রোবাস। এতে ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৯টার দিকে উপজেলার চুনতি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বিস্তারিত আসছে …
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৫৭
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০১
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৪৫
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৪