Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২১ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:৩৩
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৭ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঢাকায় ৩ জন, গাজীপুরে ১ জন, নারায়ণগঞ্জে ১ জন এবং নরসিংদীতে ২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। এ ঘটনায় সারা দেশে দুশতাধিক মানুষ আহত এবং বেশ কয়েকটি ভবন ও স্থাপনায় ফাটল দেখা গেছে।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে এই ভূমিকম্প হয়। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭। এর উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর মাধবদী। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) বলছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির তীব্রতা ছিল ৫ দশমিক ৫। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল নরসিংদী। এদিন ভূমিকম্পে সারা দেশে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে—
পুরান ঢাকার বংশালের কসাইটুলীতে ৫ তলা ভবনের রেলিং ধসে ৩ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে বংশাল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সোহেল হোসেন তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন— সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের (মিটফোর্ড) ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাফিউল ইসলাম, হাজি আব্দুর রহিম (৪৭) ও মেহরাব হোসেন রিমন (১২)। তিনজনের মরদেহ মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ভূমিকম্পের সময় হঠাৎ করে পাঁচতলা ভবনের রেলিং ধসে তিন পথচারী ঘটনাস্থলে নিহত হন। তারা সড়ক দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হন।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভূমিকম্পে দেয়াল ধসে ফাতেমা নামের এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নবজাতকের মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগম আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) এ ঘটনা ঘটে। মৃত ফাতেমা গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের ইসলামবাগ ৫ নম্বর ক্যানেল এলাকার আব্দুল হকের মেয়ে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে ভূমিকম্পের সময় ঘটনাস্থলে হয়ে ভুলতা গাউছিয়া যাওয়ার সময় সড়কের পাশের দেয়াল ধসে নবজাতক ফাতেমা, তার মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগমের ওপর পড়ে। এ সময় ঘটনাস্থলেই নবজাতকের মৃত্যু হয়। পরে তারা দেয়ালের নিচ থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেন। আহত অবস্থায় নবজাতকের মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগমকে উদ্ধার করে স্থানীয় প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোখলেসুর রহমান বলেন, ভূমিকম্পে দেয়াল ধসে এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নবজাতকের মা ও প্রতিবেশী গুরুতর আহত হয়েছেন।
গাজীপুরের কালীগঞ্জের নাগরী ইউনিয়নে ভূমিকম্পের গাছ থেকে পড়ে গিয়ে সুজিৎ দাস (৩৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। গাছ থেকে পড়ার পর তাকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এছাড়া শাদেরগাঁও জামে মসজিদের দুটি গম্বুজ কাত হয়ে গেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা গেছে। নবনির্মিত সাদেরগাঁও চারতলা বিশিষ্ট স্কুলে বেশ কয়েকটি ফাটল দেখা গেছে।
নরসিংদীতে ভূমিকম্পের প্রভাবে ভবনের দেয়াল ধসে শিশুসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া জেলার ছয়টি উপজেলায় প্রায় শতাধিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে নরসিংদীর দুই উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, নরসিংদী সদর উপজেলার গাবতলী এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের দেয়াল ধসে ওমর (১২) নামে এক শিশু ও পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের মালিতা গ্রামের কাজম আলী (৭৫) নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম বলেন, ভূমিকম্পে জেলায় বিভিন্ন জায়গায় আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। আমরা একজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। যে কোনো দুর্যোগে জেলা পুলিশ সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে। পুলিশ তাদের নিরাপত্তায় সচেষ্ট রয়েছে।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৭ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঢাকায় ৩ জন, গাজীপুরে ১ জন, নারায়ণগঞ্জে ১ জন এবং নরসিংদীতে ২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। এ ঘটনায় সারা দেশে দুশতাধিক মানুষ আহত এবং বেশ কয়েকটি ভবন ও স্থাপনায় ফাটল দেখা গেছে।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে এই ভূমিকম্প হয়। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭। এর উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর মাধবদী। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) বলছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির তীব্রতা ছিল ৫ দশমিক ৫। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল নরসিংদী। এদিন ভূমিকম্পে সারা দেশে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে—
পুরান ঢাকার বংশালের কসাইটুলীতে ৫ তলা ভবনের রেলিং ধসে ৩ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে বংশাল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সোহেল হোসেন তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন— সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের (মিটফোর্ড) ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাফিউল ইসলাম, হাজি আব্দুর রহিম (৪৭) ও মেহরাব হোসেন রিমন (১২)। তিনজনের মরদেহ মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ভূমিকম্পের সময় হঠাৎ করে পাঁচতলা ভবনের রেলিং ধসে তিন পথচারী ঘটনাস্থলে নিহত হন। তারা সড়ক দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হন।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভূমিকম্পে দেয়াল ধসে ফাতেমা নামের এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নবজাতকের মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগম আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) এ ঘটনা ঘটে। মৃত ফাতেমা গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের ইসলামবাগ ৫ নম্বর ক্যানেল এলাকার আব্দুল হকের মেয়ে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে ভূমিকম্পের সময় ঘটনাস্থলে হয়ে ভুলতা গাউছিয়া যাওয়ার সময় সড়কের পাশের দেয়াল ধসে নবজাতক ফাতেমা, তার মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগমের ওপর পড়ে। এ সময় ঘটনাস্থলেই নবজাতকের মৃত্যু হয়। পরে তারা দেয়ালের নিচ থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেন। আহত অবস্থায় নবজাতকের মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগমকে উদ্ধার করে স্থানীয় প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোখলেসুর রহমান বলেন, ভূমিকম্পে দেয়াল ধসে এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নবজাতকের মা ও প্রতিবেশী গুরুতর আহত হয়েছেন।
গাজীপুরের কালীগঞ্জের নাগরী ইউনিয়নে ভূমিকম্পের গাছ থেকে পড়ে গিয়ে সুজিৎ দাস (৩৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। গাছ থেকে পড়ার পর তাকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এছাড়া শাদেরগাঁও জামে মসজিদের দুটি গম্বুজ কাত হয়ে গেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা গেছে। নবনির্মিত সাদেরগাঁও চারতলা বিশিষ্ট স্কুলে বেশ কয়েকটি ফাটল দেখা গেছে।
নরসিংদীতে ভূমিকম্পের প্রভাবে ভবনের দেয়াল ধসে শিশুসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া জেলার ছয়টি উপজেলায় প্রায় শতাধিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে নরসিংদীর দুই উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, নরসিংদী সদর উপজেলার গাবতলী এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের দেয়াল ধসে ওমর (১২) নামে এক শিশু ও পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের মালিতা গ্রামের কাজম আলী (৭৫) নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম বলেন, ভূমিকম্পে জেলায় বিভিন্ন জায়গায় আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। আমরা একজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। যে কোনো দুর্যোগে জেলা পুলিশ সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে। পুলিশ তাদের নিরাপত্তায় সচেষ্ট রয়েছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৬
বন্ধুর সঙ্গে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এক কলেজছাত্রী। বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে পতেঙ্গা থেকে ফেরার পথে চট্টগ্রামের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আগ্রাবাদ অংশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সায়মা জাহান তানিশা (২৩) নগরীর হাজেরা-তাজু ডিগ্রি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও গাড়ির চালক তার বন্ধু সামি জানান, পতেঙ্গা থেকে ফেরার সময় আগ্রাবাদ এলাকায় পৌঁছালে প্রাইভেট কারটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে তানিশা গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক নুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় তানিশাকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গাড়িচালক ও তার বন্ধু সামিকে আটক করা হয়েছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০১
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অনলাইন গেম খেলার জন্য টাকা না পেয়ে বটকি হাতে নিজের মাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের চুন্নাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মো. জাবেদ (১৮) ওই এলাকার কালা গাজীর বাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত মো. ইয়াকুবের ছেলে। পাঁচ থেকে ছয় বছর আগে তার নিরাপত্তা প্রহরী বাবা মারা যান। এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি পরিবারের একমাত্র ছেলে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ১২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, ঘরের ভেতরে হাতে বটকি নিয়ে জাবেদ তার মায়ের কাছে টাকা দাবি করছেন। একপর্যায়ে তিনি বটকি দিয়ে ভয় দেখাতে দেখাতে মাকে মারধর শুরু করেন। আত্মরক্ষার চেষ্টা করলেও ভুক্তভোগী নারীকে থামতে দেখা যায়নি। ভিডিওতে তাকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলতে শোনা যায়, ‘তোরে আমি টাকা দেবো, তোর মাথা ছুঁয়ে বলছি।’
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, মারধরের সময় মা বারবার ছেলেকে থামার অনুরোধ জানান এবং টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেন। এ সময় আশপাশের লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। ঘটনাটি অভিযুক্তের বোন মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর মন্তব্যের ঘরে অনেকেই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। অনেকে মাদক ও গেম আসক্তিকে যুব সমাজের জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।
জাবেদের চাচা মো. খোকন বলেন, বাবার মৃত্যু আর অভাবের কারণে মা ও ছেলে অনেকটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। এছাড়া জাবেদ মোবাইলে ভিডিও গেমে আসক্ত হয়ে পড়ে। তাই ইন্টারনেটের টাকার জন্য মাকে মারধর করে। তবে ছেলেটা বাহিরের কারো সাথে খারাপ আচরণ করে না।
এদিকে খবর পেয়ে বুধবার রাতেই আনোয়ারা থানা-পুলিশ ভুক্তভোগীর বাড়িতে যায়। পুলিশ জানায়, ফ্রি ফায়ার ও পাবজির মতো অনলাইন গেমে আসক্তির কারণে অভিযুক্ত প্রায়ই পরিবারের কাছে টাকা চাইতেন। সর্বশেষ টাকা না পেয়ে তিনি মাকে মারধর করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে গেমে আসক্তির কারণেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার বাবা মকবুল হোসেন।
তিনি বলেন, ‘আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় যারা আদেশ দিয়েছে সেই বড় বড় পুলিশের কর্মকর্তারাই তো বাঁচি গেলো।’ এ সময় আবু সাঈদ হত্যার সঙ্গে যারা দায়ী তাদের সবার ফাঁসি দাবি করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে শহীদ আবু সাঈদ হত্যায় রায় ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
আবু সাঈদের বাবা বলেন, ‘ছেলে হত্যার ঘটনাটি শুধু কনস্টেবলের ওপর দিয়ে গেল। যাদের আদেশে আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে, তারা বেঁচে গেল। আমরা সব আসামির ফাঁসি চাই।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মকবুল হোসেন বলেন, আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তীকালে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া রায়ে অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
বন্ধুর সঙ্গে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এক কলেজছাত্রী। বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে পতেঙ্গা থেকে ফেরার পথে চট্টগ্রামের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আগ্রাবাদ অংশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সায়মা জাহান তানিশা (২৩) নগরীর হাজেরা-তাজু ডিগ্রি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও গাড়ির চালক তার বন্ধু সামি জানান, পতেঙ্গা থেকে ফেরার সময় আগ্রাবাদ এলাকায় পৌঁছালে প্রাইভেট কারটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে তানিশা গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক নুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় তানিশাকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গাড়িচালক ও তার বন্ধু সামিকে আটক করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অনলাইন গেম খেলার জন্য টাকা না পেয়ে বটকি হাতে নিজের মাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের চুন্নাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মো. জাবেদ (১৮) ওই এলাকার কালা গাজীর বাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত মো. ইয়াকুবের ছেলে। পাঁচ থেকে ছয় বছর আগে তার নিরাপত্তা প্রহরী বাবা মারা যান। এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি পরিবারের একমাত্র ছেলে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ১২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, ঘরের ভেতরে হাতে বটকি নিয়ে জাবেদ তার মায়ের কাছে টাকা দাবি করছেন। একপর্যায়ে তিনি বটকি দিয়ে ভয় দেখাতে দেখাতে মাকে মারধর শুরু করেন। আত্মরক্ষার চেষ্টা করলেও ভুক্তভোগী নারীকে থামতে দেখা যায়নি। ভিডিওতে তাকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলতে শোনা যায়, ‘তোরে আমি টাকা দেবো, তোর মাথা ছুঁয়ে বলছি।’
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, মারধরের সময় মা বারবার ছেলেকে থামার অনুরোধ জানান এবং টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেন। এ সময় আশপাশের লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। ঘটনাটি অভিযুক্তের বোন মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর মন্তব্যের ঘরে অনেকেই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। অনেকে মাদক ও গেম আসক্তিকে যুব সমাজের জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।
জাবেদের চাচা মো. খোকন বলেন, বাবার মৃত্যু আর অভাবের কারণে মা ও ছেলে অনেকটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। এছাড়া জাবেদ মোবাইলে ভিডিও গেমে আসক্ত হয়ে পড়ে। তাই ইন্টারনেটের টাকার জন্য মাকে মারধর করে। তবে ছেলেটা বাহিরের কারো সাথে খারাপ আচরণ করে না।
এদিকে খবর পেয়ে বুধবার রাতেই আনোয়ারা থানা-পুলিশ ভুক্তভোগীর বাড়িতে যায়। পুলিশ জানায়, ফ্রি ফায়ার ও পাবজির মতো অনলাইন গেমে আসক্তির কারণে অভিযুক্ত প্রায়ই পরিবারের কাছে টাকা চাইতেন। সর্বশেষ টাকা না পেয়ে তিনি মাকে মারধর করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে গেমে আসক্তির কারণেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার বাবা মকবুল হোসেন।
তিনি বলেন, ‘আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় যারা আদেশ দিয়েছে সেই বড় বড় পুলিশের কর্মকর্তারাই তো বাঁচি গেলো।’ এ সময় আবু সাঈদ হত্যার সঙ্গে যারা দায়ী তাদের সবার ফাঁসি দাবি করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে শহীদ আবু সাঈদ হত্যায় রায় ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
আবু সাঈদের বাবা বলেন, ‘ছেলে হত্যার ঘটনাটি শুধু কনস্টেবলের ওপর দিয়ে গেল। যাদের আদেশে আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে, তারা বেঁচে গেল। আমরা সব আসামির ফাঁসি চাই।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মকবুল হোসেন বলেন, আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তীকালে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া রায়ে অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১০
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৬