ভোলায় ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী দুই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে।
পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে গুরুতর জখম ৩ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর জেনারেল হাসপাতাল থেকে বরিশাল ও ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের মাদরাসা বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া দুই ইউনিয়ন হলো- আলীনগর ও চরসামাইয়া।
সংঘর্ষে আলীনগর ইউনিয়নের আহতরা হলেন- মো. ছালেম,ইউসুফ, মহিন হাওলাদার, নুর ইসলাম, মাসুম, সজিব ও আল আমিন। তাদের মধ্যে ছালেম ও ইউসুফকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে চরসামাইয়া ইউনিয়নের আহতরা হলেন- ফেরদৌস, জুলু তালুকদার, হিরন হাওলাদার, সুমন ও বাবুল। তাদের মধ্যে জুলু তালুকদারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চরসামাইয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের হাসিব ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির মালিক ফেরদৌস ও একই ইউনিয়নের স-মিল ব্যবসায়ী মো. আব্বাসের মধ্যে ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল।
সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী ফেরদৌস স-মিল ব্যবসায়ী আব্বাসকে ফোন করে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডেকে আনেন। একপর্যায়ে ফেরদৌসের ম্যানেজার চরসামাইয়া ইউনিয়নের মো. পিন্টু ও আব্বাসের ম্যানেজার আলীনগর ইউনিয়নের মহিন হাওলাদারের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।
এর কিছুক্ষণ পর ঘটনাটির মিমাংসার জন্য বসার প্রস্তুতির একপর্যায়ে ওই দুই ইউনিয়নের শতাধিক বাসিন্দা দা, রড ও লাঠিসোঁটা হাতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
আলীনগর ইউনিয়নের রাসেল অভিযোগ করে বলেন, ব্যবসায়িক কাজে ফেরদৌস ক্ষিপ্ত হয়ে আব্বাসকে হুমকি ধামকি দেয়। এ ঘটনায় আজকে ফেরদৌসের ম্যানেজার পিন্টু আব্বাসের সঙ্গে অশোভনীয় আচরণ করলে আব্বাসের সঙ্গে থাকা ম্যানেজার মহিন হাওলাদার প্রতিবাদ করেন।
মহিন প্রতিবাদ করায় তাকে তারা মারধর করে। পরবর্তীতে মহিনকে মারধরের খবর পার্শ্ববর্তী মাদরাসা বাজারে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে রক্ষা করতে গেলে ফেরদৌস মেম্বারের লোকজন হাওলাদার বাড়ির সামনে আমাদের ওপর হামলা চালায়। তাদের হামলায় আমাদের ১০-১৫ জন আহত হয়েছে।তাদের মধ্যে ২ জনকে বরিশাল নেওয়া হচ্ছে।
তবে উল্টো অভিযোগ করে চরসামাইয়ার পিন্টু বলেন, গত ২-৩ মাস ধরে বাকিতে স-মিল মালিক আব্বাস প্রতিদিন ফেরদৌস মেম্বারের ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ডিজিটাল স্কেলে তার স-মিলের লাকড়ি ও ভূসির গাড়ির ওজন মাপ দেন।
আজকে ফোন দিয়ে বাকি টাকা চাওয়াতে আলীনগর ইউনিয়নের লোকজন অতর্কিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের ১০-১৫ আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে জুলু তালুকদারকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে এ ঘটনায় ভোলা সদর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শাহাদাৎ হাচনাইন পারভেজ বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৩
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:৪৯
ভোলায় ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী দুই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে।
পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে গুরুতর জখম ৩ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর জেনারেল হাসপাতাল থেকে বরিশাল ও ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের মাদরাসা বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া দুই ইউনিয়ন হলো- আলীনগর ও চরসামাইয়া।
সংঘর্ষে আলীনগর ইউনিয়নের আহতরা হলেন- মো. ছালেম,ইউসুফ, মহিন হাওলাদার, নুর ইসলাম, মাসুম, সজিব ও আল আমিন। তাদের মধ্যে ছালেম ও ইউসুফকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে চরসামাইয়া ইউনিয়নের আহতরা হলেন- ফেরদৌস, জুলু তালুকদার, হিরন হাওলাদার, সুমন ও বাবুল। তাদের মধ্যে জুলু তালুকদারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চরসামাইয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের হাসিব ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির মালিক ফেরদৌস ও একই ইউনিয়নের স-মিল ব্যবসায়ী মো. আব্বাসের মধ্যে ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল।
সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী ফেরদৌস স-মিল ব্যবসায়ী আব্বাসকে ফোন করে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডেকে আনেন। একপর্যায়ে ফেরদৌসের ম্যানেজার চরসামাইয়া ইউনিয়নের মো. পিন্টু ও আব্বাসের ম্যানেজার আলীনগর ইউনিয়নের মহিন হাওলাদারের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।
এর কিছুক্ষণ পর ঘটনাটির মিমাংসার জন্য বসার প্রস্তুতির একপর্যায়ে ওই দুই ইউনিয়নের শতাধিক বাসিন্দা দা, রড ও লাঠিসোঁটা হাতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
আলীনগর ইউনিয়নের রাসেল অভিযোগ করে বলেন, ব্যবসায়িক কাজে ফেরদৌস ক্ষিপ্ত হয়ে আব্বাসকে হুমকি ধামকি দেয়। এ ঘটনায় আজকে ফেরদৌসের ম্যানেজার পিন্টু আব্বাসের সঙ্গে অশোভনীয় আচরণ করলে আব্বাসের সঙ্গে থাকা ম্যানেজার মহিন হাওলাদার প্রতিবাদ করেন।
মহিন প্রতিবাদ করায় তাকে তারা মারধর করে। পরবর্তীতে মহিনকে মারধরের খবর পার্শ্ববর্তী মাদরাসা বাজারে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে রক্ষা করতে গেলে ফেরদৌস মেম্বারের লোকজন হাওলাদার বাড়ির সামনে আমাদের ওপর হামলা চালায়। তাদের হামলায় আমাদের ১০-১৫ জন আহত হয়েছে।তাদের মধ্যে ২ জনকে বরিশাল নেওয়া হচ্ছে।
তবে উল্টো অভিযোগ করে চরসামাইয়ার পিন্টু বলেন, গত ২-৩ মাস ধরে বাকিতে স-মিল মালিক আব্বাস প্রতিদিন ফেরদৌস মেম্বারের ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ডিজিটাল স্কেলে তার স-মিলের লাকড়ি ও ভূসির গাড়ির ওজন মাপ দেন।
আজকে ফোন দিয়ে বাকি টাকা চাওয়াতে আলীনগর ইউনিয়নের লোকজন অতর্কিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের ১০-১৫ আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে জুলু তালুকদারকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে এ ঘটনায় ভোলা সদর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শাহাদাৎ হাচনাইন পারভেজ বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১