ভোলায় ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী দুই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে।
পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে গুরুতর জখম ৩ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর জেনারেল হাসপাতাল থেকে বরিশাল ও ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের মাদরাসা বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া দুই ইউনিয়ন হলো- আলীনগর ও চরসামাইয়া।
সংঘর্ষে আলীনগর ইউনিয়নের আহতরা হলেন- মো. ছালেম,ইউসুফ, মহিন হাওলাদার, নুর ইসলাম, মাসুম, সজিব ও আল আমিন। তাদের মধ্যে ছালেম ও ইউসুফকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে চরসামাইয়া ইউনিয়নের আহতরা হলেন- ফেরদৌস, জুলু তালুকদার, হিরন হাওলাদার, সুমন ও বাবুল। তাদের মধ্যে জুলু তালুকদারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চরসামাইয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের হাসিব ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির মালিক ফেরদৌস ও একই ইউনিয়নের স-মিল ব্যবসায়ী মো. আব্বাসের মধ্যে ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল।
সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী ফেরদৌস স-মিল ব্যবসায়ী আব্বাসকে ফোন করে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডেকে আনেন। একপর্যায়ে ফেরদৌসের ম্যানেজার চরসামাইয়া ইউনিয়নের মো. পিন্টু ও আব্বাসের ম্যানেজার আলীনগর ইউনিয়নের মহিন হাওলাদারের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।
এর কিছুক্ষণ পর ঘটনাটির মিমাংসার জন্য বসার প্রস্তুতির একপর্যায়ে ওই দুই ইউনিয়নের শতাধিক বাসিন্দা দা, রড ও লাঠিসোঁটা হাতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
আলীনগর ইউনিয়নের রাসেল অভিযোগ করে বলেন, ব্যবসায়িক কাজে ফেরদৌস ক্ষিপ্ত হয়ে আব্বাসকে হুমকি ধামকি দেয়। এ ঘটনায় আজকে ফেরদৌসের ম্যানেজার পিন্টু আব্বাসের সঙ্গে অশোভনীয় আচরণ করলে আব্বাসের সঙ্গে থাকা ম্যানেজার মহিন হাওলাদার প্রতিবাদ করেন।
মহিন প্রতিবাদ করায় তাকে তারা মারধর করে। পরবর্তীতে মহিনকে মারধরের খবর পার্শ্ববর্তী মাদরাসা বাজারে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে রক্ষা করতে গেলে ফেরদৌস মেম্বারের লোকজন হাওলাদার বাড়ির সামনে আমাদের ওপর হামলা চালায়। তাদের হামলায় আমাদের ১০-১৫ জন আহত হয়েছে।তাদের মধ্যে ২ জনকে বরিশাল নেওয়া হচ্ছে।
তবে উল্টো অভিযোগ করে চরসামাইয়ার পিন্টু বলেন, গত ২-৩ মাস ধরে বাকিতে স-মিল মালিক আব্বাস প্রতিদিন ফেরদৌস মেম্বারের ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ডিজিটাল স্কেলে তার স-মিলের লাকড়ি ও ভূসির গাড়ির ওজন মাপ দেন।
আজকে ফোন দিয়ে বাকি টাকা চাওয়াতে আলীনগর ইউনিয়নের লোকজন অতর্কিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের ১০-১৫ আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে জুলু তালুকদারকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে এ ঘটনায় ভোলা সদর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শাহাদাৎ হাচনাইন পারভেজ বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:২০
ভোলার ইলিশায় সড়ক দুর্ঘটনায় মাওলানা ইউনুস (৬০) নামে এক মসজিদের ইমামের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে ভোলা-ইলিশা সড়কের পাকার মাথা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মাওলানা ইউনুস ইলিশা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর বাবার নাম মৃত মজিবুল হক হাওলাদার। তিনি ইলিশা বাজার জামে মসজিদে ইমামতির দায়িত্বে ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, সকালে পাকার মাথা এলাকায় সড়ক অতিক্রম করার সময় একটি দ্রুতগতির সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হন ইউনুস। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির মরদেহের ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বর্তমানে মরদেহটি ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ভোলার ইলিশায় সড়ক দুর্ঘটনায় মাওলানা ইউনুস (৬০) নামে এক মসজিদের ইমামের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে ভোলা-ইলিশা সড়কের পাকার মাথা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মাওলানা ইউনুস ইলিশা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর বাবার নাম মৃত মজিবুল হক হাওলাদার। তিনি ইলিশা বাজার জামে মসজিদে ইমামতির দায়িত্বে ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, সকালে পাকার মাথা এলাকায় সড়ক অতিক্রম করার সময় একটি দ্রুতগতির সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হন ইউনুস। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির মরদেহের ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বর্তমানে মরদেহটি ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:১৫
ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে মেঘনা নদীর নির্ধারিত এলাকায় শুরু হচ্ছে ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা। আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা চলবে। এ সময়ে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রি নিষিদ্ধ থাকবে।
নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও পুলিশের পক্ষ থেকে নদী ও মাছঘাটগুলোতে প্রচারণা চালানো হয়েছে। জেলেদের সচেতন করতে বিভিন্ন এলাকায় সভা ও মাইকিং করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদীতে মাছ ধরতে না যাওয়ার জন্য জেলেদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, বছরের এই সময়ে নদীতে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাদের আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে যায়। অনেক জেলে পরিবার দৈনন্দিন জীবিকা নিয়ে সংকটে পড়েন। তবে ইলিশের প্রজনন ও ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার কথাও স্বীকার করেন তারা।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন বলেন, নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ মাছ ধরলে তার বিরুদ্ধে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জেলেরা যাতে নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদীতে না নামেন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে। একই সঙ্গে মাছ আহরণ, পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের জন্য সরকারি সহায়তা যথাযথভাবে বিতরণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জেলেরা। তাদের মতে, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে হলে জেলেদের খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
মৎস্য বিভাগ বলছে, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি নদীতে ইলিশের প্রাচুর্য আরও বাড়বে।
ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে মেঘনা নদীর নির্ধারিত এলাকায় শুরু হচ্ছে ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা। আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা চলবে। এ সময়ে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রি নিষিদ্ধ থাকবে।
নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও পুলিশের পক্ষ থেকে নদী ও মাছঘাটগুলোতে প্রচারণা চালানো হয়েছে। জেলেদের সচেতন করতে বিভিন্ন এলাকায় সভা ও মাইকিং করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদীতে মাছ ধরতে না যাওয়ার জন্য জেলেদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, বছরের এই সময়ে নদীতে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাদের আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে যায়। অনেক জেলে পরিবার দৈনন্দিন জীবিকা নিয়ে সংকটে পড়েন। তবে ইলিশের প্রজনন ও ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার কথাও স্বীকার করেন তারা।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন বলেন, নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ মাছ ধরলে তার বিরুদ্ধে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জেলেরা যাতে নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদীতে না নামেন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে। একই সঙ্গে মাছ আহরণ, পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের জন্য সরকারি সহায়তা যথাযথভাবে বিতরণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জেলেরা। তাদের মতে, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে হলে জেলেদের খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
মৎস্য বিভাগ বলছে, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি নদীতে ইলিশের প্রাচুর্য আরও বাড়বে।

০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:০৮
ভোলার লালমোহনে ২৭ ড্রাম সয়াবিন তেলসহ একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের ফায়ার সার্ভিস এলাকার খান সাহেব সড়কে কাভার্ড ভ্যানটি রেখে চালক পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে লালমোহন থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে। কাভার্ড ভ্যানটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ন ১৯-৫৬৪৬।
স্থানীয়দের ধারণা, ভ্যানে থাকা তেল চোরাই। বৈধ তেল হলে চালক পালাতো না।
লালমোহন থানার ওসি (তদন্ত) মো. ফিরোজ আলম জানান, আমাদের অভিযান এখনো চলছে। তেলভর্তি কাভার্ড ভ্যান রেখে চালক পালিয়ে গেছে। ভ্যানের ভেতরে ২৭টি ড্রাম রয়েছে। এগুলো খালি না ভর্তি তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কতটুকু তেল রয়েছে এবং গাড়িটি কোথা থেকে এসেছে ও কোথায় যাচ্ছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো যাবে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
ভোলার লালমোহনে ২৭ ড্রাম সয়াবিন তেলসহ একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের ফায়ার সার্ভিস এলাকার খান সাহেব সড়কে কাভার্ড ভ্যানটি রেখে চালক পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে লালমোহন থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে। কাভার্ড ভ্যানটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ন ১৯-৫৬৪৬।
স্থানীয়দের ধারণা, ভ্যানে থাকা তেল চোরাই। বৈধ তেল হলে চালক পালাতো না।
লালমোহন থানার ওসি (তদন্ত) মো. ফিরোজ আলম জানান, আমাদের অভিযান এখনো চলছে। তেলভর্তি কাভার্ড ভ্যান রেখে চালক পালিয়ে গেছে। ভ্যানের ভেতরে ২৭টি ড্রাম রয়েছে। এগুলো খালি না ভর্তি তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কতটুকু তেল রয়েছে এবং গাড়িটি কোথা থেকে এসেছে ও কোথায় যাচ্ছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো যাবে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:৪৯
ভোলায় ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী দুই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে।
পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে গুরুতর জখম ৩ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর জেনারেল হাসপাতাল থেকে বরিশাল ও ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের মাদরাসা বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া দুই ইউনিয়ন হলো- আলীনগর ও চরসামাইয়া।
সংঘর্ষে আলীনগর ইউনিয়নের আহতরা হলেন- মো. ছালেম,ইউসুফ, মহিন হাওলাদার, নুর ইসলাম, মাসুম, সজিব ও আল আমিন। তাদের মধ্যে ছালেম ও ইউসুফকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে চরসামাইয়া ইউনিয়নের আহতরা হলেন- ফেরদৌস, জুলু তালুকদার, হিরন হাওলাদার, সুমন ও বাবুল। তাদের মধ্যে জুলু তালুকদারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চরসামাইয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের হাসিব ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির মালিক ফেরদৌস ও একই ইউনিয়নের স-মিল ব্যবসায়ী মো. আব্বাসের মধ্যে ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল।
সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী ফেরদৌস স-মিল ব্যবসায়ী আব্বাসকে ফোন করে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডেকে আনেন। একপর্যায়ে ফেরদৌসের ম্যানেজার চরসামাইয়া ইউনিয়নের মো. পিন্টু ও আব্বাসের ম্যানেজার আলীনগর ইউনিয়নের মহিন হাওলাদারের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।
এর কিছুক্ষণ পর ঘটনাটির মিমাংসার জন্য বসার প্রস্তুতির একপর্যায়ে ওই দুই ইউনিয়নের শতাধিক বাসিন্দা দা, রড ও লাঠিসোঁটা হাতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
আলীনগর ইউনিয়নের রাসেল অভিযোগ করে বলেন, ব্যবসায়িক কাজে ফেরদৌস ক্ষিপ্ত হয়ে আব্বাসকে হুমকি ধামকি দেয়। এ ঘটনায় আজকে ফেরদৌসের ম্যানেজার পিন্টু আব্বাসের সঙ্গে অশোভনীয় আচরণ করলে আব্বাসের সঙ্গে থাকা ম্যানেজার মহিন হাওলাদার প্রতিবাদ করেন।
মহিন প্রতিবাদ করায় তাকে তারা মারধর করে। পরবর্তীতে মহিনকে মারধরের খবর পার্শ্ববর্তী মাদরাসা বাজারে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে রক্ষা করতে গেলে ফেরদৌস মেম্বারের লোকজন হাওলাদার বাড়ির সামনে আমাদের ওপর হামলা চালায়। তাদের হামলায় আমাদের ১০-১৫ জন আহত হয়েছে।তাদের মধ্যে ২ জনকে বরিশাল নেওয়া হচ্ছে।
তবে উল্টো অভিযোগ করে চরসামাইয়ার পিন্টু বলেন, গত ২-৩ মাস ধরে বাকিতে স-মিল মালিক আব্বাস প্রতিদিন ফেরদৌস মেম্বারের ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ডিজিটাল স্কেলে তার স-মিলের লাকড়ি ও ভূসির গাড়ির ওজন মাপ দেন।
আজকে ফোন দিয়ে বাকি টাকা চাওয়াতে আলীনগর ইউনিয়নের লোকজন অতর্কিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের ১০-১৫ আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে জুলু তালুকদারকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে এ ঘটনায় ভোলা সদর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শাহাদাৎ হাচনাইন পারভেজ বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:০৭
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩২
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:২২
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:০৬