বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে ঝালকাঠির বিভিন্ন নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে জেলার সবগুলো উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। নদীর পানি প্রবল স্রোতে খালে ঢুকে এবং তীর উপচে গ্রামাঞ্চলে প্রবেশ করায় দেখা দিয়েছে বন্যার শঙ্কা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, সুগন্ধা, বিষখালী, হলতা, বাসন্ডা, ধানসিঁড়ি নদী ও গাবখান চ্যানেলের পানি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এসব নদীর পানির উচ্চতা বেড়েছে ২-৩ মিটার। ইতোমধ্যে জেলার চার উপজেলার ৪০টিরও বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
বিশেষভাবে ঝালকাঠি সদরের কেওড়া, কৃত্তিপাশা, পোনাবালিয়া ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রাম, রাজাপুরের বড়ইয়া, নিজামিয়া, পালট, বাদুরতলা, নলছিটির নাচনমহল ও ভবানিপুর এবং কাঁঠালিয়ার আমুয়া ও পাটিকালঘাটা এলাকার ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
বিষখালীর জোয়ারের পানি সদর উপজেলার বৈদারাপুর, ভাটারাকান্দা, সাচিলাপুর, কিস্তাকাঠি, মানকিসুন্দর, নাপিতেরহাট এবং কাঁঠালিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরসহ বিভিন্ন স্থানে প্রবেশ করেছে। কাঁঠালিয়ার চিংড়াখালী, জয়খালী, মশাবুনিয়া, ছৈলারচর, কচুয়া, রঘুয়ারদরি চর ও জাঙ্গালিয়া গ্রাম সম্পূর্ণ পানির নিচে। ডুবে গেছে আউরা ও শৌলজালিয়া আশ্রয়ণ এলাকা, কাঁঠালিয়া গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বর।
এতে কৃষিজমি, মাছের ঘের এবং কাঁচা-পাকা সড়কের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া ঝালকাঠি শহরের পুরাতন কলাবাগ, লঞ্চঘাট ও পৌর মিনিপার্ক এলাকা থেকেও সুগন্ধা নদীর পানি উপচে লোকালয়ে প্রবেশ করছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী একেএম নিলয় পাশা বলেন, শুধুমাত্র বিষখালী নদীর পানির উচ্চতা গত ২৪ ঘণ্টায় ২ মিটার বেড়েছে। বর্তমানে পানি বিপৎসীমার ৭ থেকে ১০ সেন্টিমিটার ওপরে। জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমান বলেন, পানি আরও বাড়লে প্লাবিত এলাকার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:১৯
ঝালকাঠিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে ৯ টি দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসার মধ্যে কয়েকটিতে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী নেই বলে অভিযোগ উঠেছে। কোথাও নিয়মিত পাঠদান হচ্ছে না। এরপরও এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীরা বেতন-ভাতা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঝালকাঠি জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার চার উপজেলার মধ্যে ঝালকাঠি সদর উপজেলায় তিনটি, নলছিটিতে দুটি, রাজাপুরে দুটি এবং কাঁঠালিয়ায় দুটি।
সদর উপজেলার দক্ষিণ পিপলিতা মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী, কল্যাণকাঠী মাদরাসায় তিনজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এবং হাজরাগাতী মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী রয়েছেন। রাজাপুরের পশ্চিম ইন্দ্রপাশা ও পুটিয়াখালী মাদরাসায় দুজন করে শিক্ষক ও একজন করে কর্মচারী রয়েছেন।
কাঁঠালিয়ার দক্ষিণ মরিচবুনিয়া মাদরাসায় একজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এবং কৈখালী মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী রয়েছেন। নলছিটির রানাপাশা মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এবং কুলকাঠি বারইকরন মাদরাসায় একজন শিক্ষক রয়েছেন।
সদর উপজেলার পিপলিতা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন মাদরাসাটি বন্ধ ছিল। কয়েক মাস ধরে আবার শিক্ষকরা আসছেন। তবে কোনো শিক্ষার্থীকে তিনি সেখানে যেতে দেখেননি। তাঁর ভাষ্য, শিক্ষকরা এসে হাজিরা দিয়ে চলে যান।
কাঁঠালিয়ার মরিচবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেন তালুকদার বলেন, ‘দেখি শিক্ষক এসে চলে যান, কিন্তু কোনো শিক্ষার্থী দেখা যায় না। এভাবে সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও কার্যক্রমের সুফল মিলছে না।’
দক্ষিণ মরিচবুনিয়া দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষক মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, মাদরাসার পাশেই একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সেখানে শিক্ষার্থীদের খাবারের ব্যবস্থা থাকায় শিশুরা মাদরাসায় আসে না। বিষয়টি জানিয়ে মাদরাসার কার্যক্রম স্থগিত করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ঝালকাঠির উপপরিচালক আলম হোসেনকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
দক্ষিণ পিপলিতা দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষক জসিম উদ্দিন বলেন, ‘দীর্ঘদিন আমাদের বেতন-ভাতা বন্ধ ছিল। সম্প্রতি বকেয়া বেতন দেওয়া হয়েছে। এখন মাদরাসায় শিক্ষার্থী বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঝালকাঠির উপপরিচালক আলম হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি প্রশ্নের জবাব না দিয়ে বাথরুমে চলে যান এবং ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে তাঁর বক্তব্য নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করা হলেও তিনি আর কোনো বক্তব্য দেননি।
এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক কৃষিবিদ নুরুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরিবারের একজন সদস্য অসুস্থ থাকার কথা জানিয়ে ফোন কেটে দেন। পরে তাঁর বক্তব্য নেওয়ার সুযোগ হয়নি।
ঝালকাঠিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে ৯ টি দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসার মধ্যে কয়েকটিতে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী নেই বলে অভিযোগ উঠেছে। কোথাও নিয়মিত পাঠদান হচ্ছে না। এরপরও এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীরা বেতন-ভাতা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঝালকাঠি জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার চার উপজেলার মধ্যে ঝালকাঠি সদর উপজেলায় তিনটি, নলছিটিতে দুটি, রাজাপুরে দুটি এবং কাঁঠালিয়ায় দুটি।
সদর উপজেলার দক্ষিণ পিপলিতা মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী, কল্যাণকাঠী মাদরাসায় তিনজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এবং হাজরাগাতী মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী রয়েছেন। রাজাপুরের পশ্চিম ইন্দ্রপাশা ও পুটিয়াখালী মাদরাসায় দুজন করে শিক্ষক ও একজন করে কর্মচারী রয়েছেন।
কাঁঠালিয়ার দক্ষিণ মরিচবুনিয়া মাদরাসায় একজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এবং কৈখালী মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী রয়েছেন। নলছিটির রানাপাশা মাদরাসায় দুজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এবং কুলকাঠি বারইকরন মাদরাসায় একজন শিক্ষক রয়েছেন।
সদর উপজেলার পিপলিতা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন মাদরাসাটি বন্ধ ছিল। কয়েক মাস ধরে আবার শিক্ষকরা আসছেন। তবে কোনো শিক্ষার্থীকে তিনি সেখানে যেতে দেখেননি। তাঁর ভাষ্য, শিক্ষকরা এসে হাজিরা দিয়ে চলে যান।
কাঁঠালিয়ার মরিচবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেন তালুকদার বলেন, ‘দেখি শিক্ষক এসে চলে যান, কিন্তু কোনো শিক্ষার্থী দেখা যায় না। এভাবে সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও কার্যক্রমের সুফল মিলছে না।’
দক্ষিণ মরিচবুনিয়া দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষক মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, মাদরাসার পাশেই একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সেখানে শিক্ষার্থীদের খাবারের ব্যবস্থা থাকায় শিশুরা মাদরাসায় আসে না। বিষয়টি জানিয়ে মাদরাসার কার্যক্রম স্থগিত করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ঝালকাঠির উপপরিচালক আলম হোসেনকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
দক্ষিণ পিপলিতা দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষক জসিম উদ্দিন বলেন, ‘দীর্ঘদিন আমাদের বেতন-ভাতা বন্ধ ছিল। সম্প্রতি বকেয়া বেতন দেওয়া হয়েছে। এখন মাদরাসায় শিক্ষার্থী বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঝালকাঠির উপপরিচালক আলম হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি প্রশ্নের জবাব না দিয়ে বাথরুমে চলে যান এবং ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে তাঁর বক্তব্য নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করা হলেও তিনি আর কোনো বক্তব্য দেননি।
এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক কৃষিবিদ নুরুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরিবারের একজন সদস্য অসুস্থ থাকার কথা জানিয়ে ফোন কেটে দেন। পরে তাঁর বক্তব্য নেওয়ার সুযোগ হয়নি।

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:১৫
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আটটি দোকান পুড়ে গেছে। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় দোকানের সব মালামাল পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দোকান মালিকরা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির দাবি করলেও ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে ক্ষতির পরিমাণ ২৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোর পাঁচটার দিকে উপজেলার কাঁঠালিয়া কৈখালী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ভোরে বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মতিউর রহমান বলেন, ‘দোকানটি ছিল আমাদের সংসার চালানোর একমাত্র ভরসা। আগুনে সবকিছু পুড়ে গেছে। এখন কীভাবে আবার ব্যবসা শুরু করব, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’
আরেক ব্যবসায়ী আব্দুর রব খান মন্টু বলেন, ‘সকালে এসে দেখি দোকানে কিছুই নেই। সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম এক মুহূর্তে শেষ হয়ে গেছে।’

কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা খলিলুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এর আগেই আটটি দোকান পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে ২৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মকবুল হোসেন বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তা করা হবে। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আটটি দোকান পুড়ে গেছে। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় দোকানের সব মালামাল পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দোকান মালিকরা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির দাবি করলেও ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে ক্ষতির পরিমাণ ২৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোর পাঁচটার দিকে উপজেলার কাঁঠালিয়া কৈখালী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ভোরে বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মতিউর রহমান বলেন, ‘দোকানটি ছিল আমাদের সংসার চালানোর একমাত্র ভরসা। আগুনে সবকিছু পুড়ে গেছে। এখন কীভাবে আবার ব্যবসা শুরু করব, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’
আরেক ব্যবসায়ী আব্দুর রব খান মন্টু বলেন, ‘সকালে এসে দেখি দোকানে কিছুই নেই। সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম এক মুহূর্তে শেষ হয়ে গেছে।’

কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা খলিলুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এর আগেই আটটি দোকান পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে ২৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মকবুল হোসেন বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তা করা হবে। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:১৬
বর্ষা এলেই জমিতে পানি জমে থাকত। আবার শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির জন্য কৃষকদের ছুটতে হতো অন্য উৎসের কাছে। পলি ও মাটিতে ভরাট হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের পাঁচটি খাল দিয়ে ঠিকমতো পানি চলাচল করছিল না। এতে পানি নিষ্কাশন ও সেচ দুই ক্ষেত্রেই ভোগান্তিতে ছিলেন কৃষকেরা।
দীর্ঘদিন পর খালগুলো পুনঃখনন করায় সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। পানি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে কয়েক হাজার কৃষকের মধ্যে। তাঁরা বলছেন, বর্ষায় জলাবদ্ধতা কমার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির সংকটও অনেকটা কমবে।
পোনাবালিয়া ইউনিয়নের দিয়াকুল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের আওতাধীন দিয়াকুল ড্রেনেজ উপ প্রকল্পের মাধ্যমে খালগুলো পুনঃখনন করা হয়েছে। পাঁচটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ১০ দশমিক ২৫ কিলোমিটার।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন পলি জমে খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষার পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হতো না। ফলে কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকত। অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে খালে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় সেচের জন্য বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হতো। পুনঃখননের পর খালে পানি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় কৃষকেরা দুই ধরনের সমস্যারই সমাধান আশা করছেন।
রাজাপুর এলাকার কৃষক আবদুর রব হাওলাদার বলেন, ‘আগে বৃষ্টি হলে জমির পানি সহজে নামত না। খাল ভরাট থাকায় পানি আটকে থাকত। এখন খাল পুনঃখনন হওয়ায় পানি দ্রুত নামবে। এতে ফসলের ক্ষতির ঝুঁকি কমবে।’
মহাদিপুর এলাকার কৃষক বাদল খান বলেন, সেচের জন্য অনেক সময় বাড়তি টাকা খরচ করতে হয়েছে। খালে পানি থাকলে সেই খরচ কমবে। সময়মতো জমিতে পানি দেওয়া যাবে। এতে কৃষিকাজ সহজ হবে।
নাগপাড়া এলাকার কৃষক ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এখন আবার খাল সচল হয়েছে। বর্ষায় অতিরিক্ত পানি দ্রুত বের হয়ে যাবে, আর শুকনো মৌসুমে সেচের পানিও পাওয়া যাবে। এতে আমরা কৃষকেরা উপকৃত হব।’
দিয়াকুল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, পলি জমে খালগুলো দীর্ঘদিন ভরাট থাকায় পানি নিষ্কাশন ও সেচ দুই ক্ষেত্রেই কৃষকেরা সমস্যায় ছিলেন। পুনঃখননের ফলে পানি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। প্রয়োজনের সময় কৃষকেরা সেচের পানি পাবেন এবং বর্ষায় অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশন করা সম্ভব হবে। তবে এই সুফল ধরে রাখতে খালগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন।
পোনাবালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান মাস্টার বলেন, কৃষির জন্য পানি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খালগুলো পুনঃখননের ফলে কৃষকদের দীর্ঘদিনের সমস্যা কমবে। এর সুফল ধরে রাখতে খালগুলো দখল ও ভরাট হওয়া থেকে রক্ষা করা দরকার।
সদর উপজেলা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী সনজিৎ কুমার বলেন, পোনাবালিয়া ইউনিয়নের কৃষকদের পানি নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যেই খালগুলো পুনঃখনন করা হয়েছে। এতে বর্ষায় দ্রুত পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে কৃষকেরা সেচের সুবিধা পাবেন। খালগুলোর সুফল দীর্ঘদিন ধরে রাখতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ প্রয়োজন।
বর্ষা এলেই জমিতে পানি জমে থাকত। আবার শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির জন্য কৃষকদের ছুটতে হতো অন্য উৎসের কাছে। পলি ও মাটিতে ভরাট হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের পাঁচটি খাল দিয়ে ঠিকমতো পানি চলাচল করছিল না। এতে পানি নিষ্কাশন ও সেচ দুই ক্ষেত্রেই ভোগান্তিতে ছিলেন কৃষকেরা।
দীর্ঘদিন পর খালগুলো পুনঃখনন করায় সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। পানি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে কয়েক হাজার কৃষকের মধ্যে। তাঁরা বলছেন, বর্ষায় জলাবদ্ধতা কমার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির সংকটও অনেকটা কমবে।
পোনাবালিয়া ইউনিয়নের দিয়াকুল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের আওতাধীন দিয়াকুল ড্রেনেজ উপ প্রকল্পের মাধ্যমে খালগুলো পুনঃখনন করা হয়েছে। পাঁচটি খালের মোট দৈর্ঘ্য ১০ দশমিক ২৫ কিলোমিটার।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন পলি জমে খালগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষার পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হতো না। ফলে কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকত। অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে খালে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় সেচের জন্য বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হতো। পুনঃখননের পর খালে পানি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় কৃষকেরা দুই ধরনের সমস্যারই সমাধান আশা করছেন।
রাজাপুর এলাকার কৃষক আবদুর রব হাওলাদার বলেন, ‘আগে বৃষ্টি হলে জমির পানি সহজে নামত না। খাল ভরাট থাকায় পানি আটকে থাকত। এখন খাল পুনঃখনন হওয়ায় পানি দ্রুত নামবে। এতে ফসলের ক্ষতির ঝুঁকি কমবে।’
মহাদিপুর এলাকার কৃষক বাদল খান বলেন, সেচের জন্য অনেক সময় বাড়তি টাকা খরচ করতে হয়েছে। খালে পানি থাকলে সেই খরচ কমবে। সময়মতো জমিতে পানি দেওয়া যাবে। এতে কৃষিকাজ সহজ হবে।
নাগপাড়া এলাকার কৃষক ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এখন আবার খাল সচল হয়েছে। বর্ষায় অতিরিক্ত পানি দ্রুত বের হয়ে যাবে, আর শুকনো মৌসুমে সেচের পানিও পাওয়া যাবে। এতে আমরা কৃষকেরা উপকৃত হব।’
দিয়াকুল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, পলি জমে খালগুলো দীর্ঘদিন ভরাট থাকায় পানি নিষ্কাশন ও সেচ দুই ক্ষেত্রেই কৃষকেরা সমস্যায় ছিলেন। পুনঃখননের ফলে পানি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। প্রয়োজনের সময় কৃষকেরা সেচের পানি পাবেন এবং বর্ষায় অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশন করা সম্ভব হবে। তবে এই সুফল ধরে রাখতে খালগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন।
পোনাবালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান মাস্টার বলেন, কৃষির জন্য পানি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খালগুলো পুনঃখননের ফলে কৃষকদের দীর্ঘদিনের সমস্যা কমবে। এর সুফল ধরে রাখতে খালগুলো দখল ও ভরাট হওয়া থেকে রক্ষা করা দরকার।
সদর উপজেলা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী সনজিৎ কুমার বলেন, পোনাবালিয়া ইউনিয়নের কৃষকদের পানি নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যেই খালগুলো পুনঃখনন করা হয়েছে। এতে বর্ষায় দ্রুত পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে কৃষকেরা সেচের সুবিধা পাবেন। খালগুলোর সুফল দীর্ঘদিন ধরে রাখতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ প্রয়োজন।

২৬ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৪০
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে ঝালকাঠির বিভিন্ন নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে জেলার সবগুলো উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। নদীর পানি প্রবল স্রোতে খালে ঢুকে এবং তীর উপচে গ্রামাঞ্চলে প্রবেশ করায় দেখা দিয়েছে বন্যার শঙ্কা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, সুগন্ধা, বিষখালী, হলতা, বাসন্ডা, ধানসিঁড়ি নদী ও গাবখান চ্যানেলের পানি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এসব নদীর পানির উচ্চতা বেড়েছে ২-৩ মিটার। ইতোমধ্যে জেলার চার উপজেলার ৪০টিরও বেশি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
বিশেষভাবে ঝালকাঠি সদরের কেওড়া, কৃত্তিপাশা, পোনাবালিয়া ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রাম, রাজাপুরের বড়ইয়া, নিজামিয়া, পালট, বাদুরতলা, নলছিটির নাচনমহল ও ভবানিপুর এবং কাঁঠালিয়ার আমুয়া ও পাটিকালঘাটা এলাকার ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
বিষখালীর জোয়ারের পানি সদর উপজেলার বৈদারাপুর, ভাটারাকান্দা, সাচিলাপুর, কিস্তাকাঠি, মানকিসুন্দর, নাপিতেরহাট এবং কাঁঠালিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরসহ বিভিন্ন স্থানে প্রবেশ করেছে। কাঁঠালিয়ার চিংড়াখালী, জয়খালী, মশাবুনিয়া, ছৈলারচর, কচুয়া, রঘুয়ারদরি চর ও জাঙ্গালিয়া গ্রাম সম্পূর্ণ পানির নিচে। ডুবে গেছে আউরা ও শৌলজালিয়া আশ্রয়ণ এলাকা, কাঁঠালিয়া গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বর।
এতে কৃষিজমি, মাছের ঘের এবং কাঁচা-পাকা সড়কের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া ঝালকাঠি শহরের পুরাতন কলাবাগ, লঞ্চঘাট ও পৌর মিনিপার্ক এলাকা থেকেও সুগন্ধা নদীর পানি উপচে লোকালয়ে প্রবেশ করছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী একেএম নিলয় পাশা বলেন, শুধুমাত্র বিষখালী নদীর পানির উচ্চতা গত ২৪ ঘণ্টায় ২ মিটার বেড়েছে। বর্তমানে পানি বিপৎসীমার ৭ থেকে ১০ সেন্টিমিটার ওপরে। জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমান বলেন, পানি আরও বাড়লে প্লাবিত এলাকার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:৪৯
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১১
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৪
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:১৬