Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৩ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:১৩
উত্তরের জেলাগুলোর খুব কাছেই হিমালয়। ফলে এ জেলাগুলোয় শীত অনুভূত হয় একটু আগেভাগেই। দিনে গরম, রাতে ঠাণ্ডা, ভোরের স্নিগ্ধ বাতাস আর হালকা কুয়াশায় ঘাস-পাতার ওপর জমে থাকা শিশির বিন্দু এখানে জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। তাই শুরু হয়েছে শীত নিবারণের প্রস্তুতিও।
এরসঙ্গে ব্যাস্ততা বেড়েছে লেপ-তোষক কারিগর ও বিক্রেতাদের।
অন্যান্যবারের তুলনায় এবার শীত নেমেছে একটু আগে থেকেই। তাই শীত নিবারণে জমে উঠছে গরম কাপড়ের বেচাকেনা। শীত মোকাবেলায় বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ছুটছে লেপ-তোষকের দোকানগুলোতে।
তাই লেপ-তোষকের কারিগর ও বিক্রেতারা এখন ভীষণ ব্যস্ত। শীতের সময়টুকু কাজে লাগিয়ে পুরো বছরের খোড়াক যোগনোর চেষ্টা কারিগরদের। কিন্তু বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তাদের পারিশ্রমিক নিয়ে সস্তুষ্ট নন তারা।
লেপ কারিগর আব্দুল মোতাল্লেব বলেন, শীতের সময় নভেম্বর থেকে জানুয়ারি- এই তিন মাস ছাড়া বছরের অন্য সময় তেমন কাজ থাকে না। সারা বছর বসেই থাকতে হয়। তিনি বলেন, পাঁচ বছর আগে একটি লেপ তৈরির পারিশ্রমিক ছিল ২০০ টাকা। আর বর্তমানেও একটি লেপ তৈরি করে ২০০ টাকা মজুরি পাওয়া যায়।
আরেক কারিগর প্রণয় বর্মণ বলেন, ‘বাজারে সব জিনিস-পত্রের দাম বেড়ে গেছে। কিন্তু আমাদের পারিশ্রমিক তেমন বাড়েনি। বর্তমানে যে মজুরি পাই তা দিয়ে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ ও সংসারের সারা মাসের খরচ কুলানো যায় না।’
নাজমুল ইসলাম নামের এক কারিগর আক্ষেপ করে বলেন, দেশে পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু শ্রমিকদের ভাগ্যের উন্নয়ন হয় নাই। এখনও আগের মজুরিতে কাজ করতে হচ্ছে। এই মৌসুমে বাজার ভালো থাকলে সারা দিনে পাঁচ থেকে ছয়টি লেপ তৈরি করতে পারি। তিন মাস কাজ করে কিছু টাকা সঞ্চয় করি, তা দিয়ে বছরের অন্য সময় এনজিও থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করি। মালিকরা যদি মজুরি একটু বাড়াতো, তাহলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হতো।
এদিকে, শীত মোকাবেলায় পছন্দের লেপ-তোষক কিনতে ক্রেতারা ভিড় করছেন দোকানে। তবে অভিযোগ, দাম বেশি নিচ্ছেন ব্যাবসায়ীরা। আর ব্যাবসায়ীরা জানাচ্ছেন তাঁদের সীমাবদ্ধতার কথা।
সদর উপজেলা নিশ্চিন্তপুরের বাসিন্দা নূরে আলম বলেন, উত্তরের সীমান্তবর্তী এ জেলায় শীত একটু অগ্রিম শুরু হয়। তাই তিনি শীতের ঠাণ্ডা মোকাবেলায় লেপ তৈরি করতে এসেছেন। তবে এবছর লেপের দাম অনেক বেশি নিচ্ছেন দোকানিরা।
পৌর শহরের বাজার পাড়ার ইসরাফিল জানান, গত বছর পুরনো লেপ নতুন করে ধোলাই ও নতুন কাপড় দিয়ে শেলাই করতে খরচ পড়েছে এক হাজার টাকা। কিন্তু এবছর সেই একই লেপে খরচ পড়েছে সাড়ে ১২০০ টাকা। হাজিপাড়ার বাসিন্দা জাহানারা বেগম জানান, সাত-পাঁচ হাতের একটি নতুন লেপ তৈরি করাতে গত বছর খরচ হয়েছে ১৪০০ টাকা। এবছর একই মাপের লেপ তৈরি করতে লাগছে ২২০০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি লেপে ৮০০ টাকা বাড়তি গুণতে হচ্ছে।
ক্রেতাদের এসব অভিযোগ স্বীকার করে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার শাহজালাল ক্লথস্টোরের স্বত্বাধিকারী বজলুর রহমান বলেন, গত বছরের চেয়ে এবছর সব ধরনের তুলা ও কাপড়ের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় লেপের দামও কিছুটা বেড়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়েই একটু দাম বাড়িয়েছেন তারা। তাছাড়া লেপ তৈরির কাঁচামাল ঢাকা থেকে আনতে হয়। এতে পরিবহন খরচ দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় লেপের দামও কিছুটা বেড়েছে। তার পরও একটি লেপ বিক্রি করে মাত্র লাভ থাকে দেড় শ থেকে ২০০ টাকা।
একই কথা বলেন পুরনো বাসস্ট্যান্ড এলাকার লেপ ব্যবসায়ী নবী ইসলাম। তিনি বলেন, গত বছর এই মৌসুমে বেচাকেনা তেমন হয়নি। এ বছর আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করছে শীত কতদিন স্থায়ী হবে। এখন পর্যন্ত আশা করা যাচ্ছে ব্যবসা ভালোই হবে।
আরেক ব্যবসায়ী মনসুর আলী বলেন, জিনিসপত্রের দাম ও কারিগরদের মজুরি দিয়ে লেপ বিক্রি করে খুব বেশি লাভ হয় না। ক্রেতারা যেন সাধ্যের মধ্যে লেপ কিনতে পারেন, সেজন্য লেপ ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সীমিত লাভেই লেপ বিক্রি করার ব্যাবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে, শীত মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতির কথা জানালেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা। তিনি বলেন, প্রতিবছরের মতো এবছরও শীত মোকাবেলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এছাড়া বেসরকারিভাবে কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে কম্বল পাওয়া গেছে। ছিন্নমূল মানুষদের মধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ শুরু হয়েছে। সেইসঙ্গে ইউনিয়নপর্যায়ে তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।
উত্তরের জেলাগুলোর খুব কাছেই হিমালয়। ফলে এ জেলাগুলোয় শীত অনুভূত হয় একটু আগেভাগেই। দিনে গরম, রাতে ঠাণ্ডা, ভোরের স্নিগ্ধ বাতাস আর হালকা কুয়াশায় ঘাস-পাতার ওপর জমে থাকা শিশির বিন্দু এখানে জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। তাই শুরু হয়েছে শীত নিবারণের প্রস্তুতিও।
এরসঙ্গে ব্যাস্ততা বেড়েছে লেপ-তোষক কারিগর ও বিক্রেতাদের।
অন্যান্যবারের তুলনায় এবার শীত নেমেছে একটু আগে থেকেই। তাই শীত নিবারণে জমে উঠছে গরম কাপড়ের বেচাকেনা। শীত মোকাবেলায় বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ছুটছে লেপ-তোষকের দোকানগুলোতে।
তাই লেপ-তোষকের কারিগর ও বিক্রেতারা এখন ভীষণ ব্যস্ত। শীতের সময়টুকু কাজে লাগিয়ে পুরো বছরের খোড়াক যোগনোর চেষ্টা কারিগরদের। কিন্তু বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তাদের পারিশ্রমিক নিয়ে সস্তুষ্ট নন তারা।
লেপ কারিগর আব্দুল মোতাল্লেব বলেন, শীতের সময় নভেম্বর থেকে জানুয়ারি- এই তিন মাস ছাড়া বছরের অন্য সময় তেমন কাজ থাকে না। সারা বছর বসেই থাকতে হয়। তিনি বলেন, পাঁচ বছর আগে একটি লেপ তৈরির পারিশ্রমিক ছিল ২০০ টাকা। আর বর্তমানেও একটি লেপ তৈরি করে ২০০ টাকা মজুরি পাওয়া যায়।
আরেক কারিগর প্রণয় বর্মণ বলেন, ‘বাজারে সব জিনিস-পত্রের দাম বেড়ে গেছে। কিন্তু আমাদের পারিশ্রমিক তেমন বাড়েনি। বর্তমানে যে মজুরি পাই তা দিয়ে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ ও সংসারের সারা মাসের খরচ কুলানো যায় না।’
নাজমুল ইসলাম নামের এক কারিগর আক্ষেপ করে বলেন, দেশে পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু শ্রমিকদের ভাগ্যের উন্নয়ন হয় নাই। এখনও আগের মজুরিতে কাজ করতে হচ্ছে। এই মৌসুমে বাজার ভালো থাকলে সারা দিনে পাঁচ থেকে ছয়টি লেপ তৈরি করতে পারি। তিন মাস কাজ করে কিছু টাকা সঞ্চয় করি, তা দিয়ে বছরের অন্য সময় এনজিও থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করি। মালিকরা যদি মজুরি একটু বাড়াতো, তাহলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হতো।
এদিকে, শীত মোকাবেলায় পছন্দের লেপ-তোষক কিনতে ক্রেতারা ভিড় করছেন দোকানে। তবে অভিযোগ, দাম বেশি নিচ্ছেন ব্যাবসায়ীরা। আর ব্যাবসায়ীরা জানাচ্ছেন তাঁদের সীমাবদ্ধতার কথা।
সদর উপজেলা নিশ্চিন্তপুরের বাসিন্দা নূরে আলম বলেন, উত্তরের সীমান্তবর্তী এ জেলায় শীত একটু অগ্রিম শুরু হয়। তাই তিনি শীতের ঠাণ্ডা মোকাবেলায় লেপ তৈরি করতে এসেছেন। তবে এবছর লেপের দাম অনেক বেশি নিচ্ছেন দোকানিরা।
পৌর শহরের বাজার পাড়ার ইসরাফিল জানান, গত বছর পুরনো লেপ নতুন করে ধোলাই ও নতুন কাপড় দিয়ে শেলাই করতে খরচ পড়েছে এক হাজার টাকা। কিন্তু এবছর সেই একই লেপে খরচ পড়েছে সাড়ে ১২০০ টাকা। হাজিপাড়ার বাসিন্দা জাহানারা বেগম জানান, সাত-পাঁচ হাতের একটি নতুন লেপ তৈরি করাতে গত বছর খরচ হয়েছে ১৪০০ টাকা। এবছর একই মাপের লেপ তৈরি করতে লাগছে ২২০০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি লেপে ৮০০ টাকা বাড়তি গুণতে হচ্ছে।
ক্রেতাদের এসব অভিযোগ স্বীকার করে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার শাহজালাল ক্লথস্টোরের স্বত্বাধিকারী বজলুর রহমান বলেন, গত বছরের চেয়ে এবছর সব ধরনের তুলা ও কাপড়ের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় লেপের দামও কিছুটা বেড়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়েই একটু দাম বাড়িয়েছেন তারা। তাছাড়া লেপ তৈরির কাঁচামাল ঢাকা থেকে আনতে হয়। এতে পরিবহন খরচ দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় লেপের দামও কিছুটা বেড়েছে। তার পরও একটি লেপ বিক্রি করে মাত্র লাভ থাকে দেড় শ থেকে ২০০ টাকা।
একই কথা বলেন পুরনো বাসস্ট্যান্ড এলাকার লেপ ব্যবসায়ী নবী ইসলাম। তিনি বলেন, গত বছর এই মৌসুমে বেচাকেনা তেমন হয়নি। এ বছর আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করছে শীত কতদিন স্থায়ী হবে। এখন পর্যন্ত আশা করা যাচ্ছে ব্যবসা ভালোই হবে।
আরেক ব্যবসায়ী মনসুর আলী বলেন, জিনিসপত্রের দাম ও কারিগরদের মজুরি দিয়ে লেপ বিক্রি করে খুব বেশি লাভ হয় না। ক্রেতারা যেন সাধ্যের মধ্যে লেপ কিনতে পারেন, সেজন্য লেপ ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সীমিত লাভেই লেপ বিক্রি করার ব্যাবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে, শীত মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতির কথা জানালেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা। তিনি বলেন, প্রতিবছরের মতো এবছরও শীত মোকাবেলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এছাড়া বেসরকারিভাবে কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে কম্বল পাওয়া গেছে। ছিন্নমূল মানুষদের মধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ শুরু হয়েছে। সেইসঙ্গে ইউনিয়নপর্যায়ে তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৬
বন্ধুর সঙ্গে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এক কলেজছাত্রী। বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে পতেঙ্গা থেকে ফেরার পথে চট্টগ্রামের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আগ্রাবাদ অংশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সায়মা জাহান তানিশা (২৩) নগরীর হাজেরা-তাজু ডিগ্রি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও গাড়ির চালক তার বন্ধু সামি জানান, পতেঙ্গা থেকে ফেরার সময় আগ্রাবাদ এলাকায় পৌঁছালে প্রাইভেট কারটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে তানিশা গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক নুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় তানিশাকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গাড়িচালক ও তার বন্ধু সামিকে আটক করা হয়েছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০১
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অনলাইন গেম খেলার জন্য টাকা না পেয়ে বটকি হাতে নিজের মাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের চুন্নাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মো. জাবেদ (১৮) ওই এলাকার কালা গাজীর বাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত মো. ইয়াকুবের ছেলে। পাঁচ থেকে ছয় বছর আগে তার নিরাপত্তা প্রহরী বাবা মারা যান। এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি পরিবারের একমাত্র ছেলে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ১২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, ঘরের ভেতরে হাতে বটকি নিয়ে জাবেদ তার মায়ের কাছে টাকা দাবি করছেন। একপর্যায়ে তিনি বটকি দিয়ে ভয় দেখাতে দেখাতে মাকে মারধর শুরু করেন। আত্মরক্ষার চেষ্টা করলেও ভুক্তভোগী নারীকে থামতে দেখা যায়নি। ভিডিওতে তাকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলতে শোনা যায়, ‘তোরে আমি টাকা দেবো, তোর মাথা ছুঁয়ে বলছি।’
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, মারধরের সময় মা বারবার ছেলেকে থামার অনুরোধ জানান এবং টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেন। এ সময় আশপাশের লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। ঘটনাটি অভিযুক্তের বোন মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর মন্তব্যের ঘরে অনেকেই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। অনেকে মাদক ও গেম আসক্তিকে যুব সমাজের জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।
জাবেদের চাচা মো. খোকন বলেন, বাবার মৃত্যু আর অভাবের কারণে মা ও ছেলে অনেকটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। এছাড়া জাবেদ মোবাইলে ভিডিও গেমে আসক্ত হয়ে পড়ে। তাই ইন্টারনেটের টাকার জন্য মাকে মারধর করে। তবে ছেলেটা বাহিরের কারো সাথে খারাপ আচরণ করে না।
এদিকে খবর পেয়ে বুধবার রাতেই আনোয়ারা থানা-পুলিশ ভুক্তভোগীর বাড়িতে যায়। পুলিশ জানায়, ফ্রি ফায়ার ও পাবজির মতো অনলাইন গেমে আসক্তির কারণে অভিযুক্ত প্রায়ই পরিবারের কাছে টাকা চাইতেন। সর্বশেষ টাকা না পেয়ে তিনি মাকে মারধর করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে গেমে আসক্তির কারণেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার বাবা মকবুল হোসেন।
তিনি বলেন, ‘আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় যারা আদেশ দিয়েছে সেই বড় বড় পুলিশের কর্মকর্তারাই তো বাঁচি গেলো।’ এ সময় আবু সাঈদ হত্যার সঙ্গে যারা দায়ী তাদের সবার ফাঁসি দাবি করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে শহীদ আবু সাঈদ হত্যায় রায় ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
আবু সাঈদের বাবা বলেন, ‘ছেলে হত্যার ঘটনাটি শুধু কনস্টেবলের ওপর দিয়ে গেল। যাদের আদেশে আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে, তারা বেঁচে গেল। আমরা সব আসামির ফাঁসি চাই।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মকবুল হোসেন বলেন, আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তীকালে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া রায়ে অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
বন্ধুর সঙ্গে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এক কলেজছাত্রী। বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে পতেঙ্গা থেকে ফেরার পথে চট্টগ্রামের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আগ্রাবাদ অংশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সায়মা জাহান তানিশা (২৩) নগরীর হাজেরা-তাজু ডিগ্রি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও গাড়ির চালক তার বন্ধু সামি জানান, পতেঙ্গা থেকে ফেরার সময় আগ্রাবাদ এলাকায় পৌঁছালে প্রাইভেট কারটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে তানিশা গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক নুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় তানিশাকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গাড়িচালক ও তার বন্ধু সামিকে আটক করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অনলাইন গেম খেলার জন্য টাকা না পেয়ে বটকি হাতে নিজের মাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের চুন্নাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত মো. জাবেদ (১৮) ওই এলাকার কালা গাজীর বাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত মো. ইয়াকুবের ছেলে। পাঁচ থেকে ছয় বছর আগে তার নিরাপত্তা প্রহরী বাবা মারা যান। এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি পরিবারের একমাত্র ছেলে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ১২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, ঘরের ভেতরে হাতে বটকি নিয়ে জাবেদ তার মায়ের কাছে টাকা দাবি করছেন। একপর্যায়ে তিনি বটকি দিয়ে ভয় দেখাতে দেখাতে মাকে মারধর শুরু করেন। আত্মরক্ষার চেষ্টা করলেও ভুক্তভোগী নারীকে থামতে দেখা যায়নি। ভিডিওতে তাকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলতে শোনা যায়, ‘তোরে আমি টাকা দেবো, তোর মাথা ছুঁয়ে বলছি।’
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, মারধরের সময় মা বারবার ছেলেকে থামার অনুরোধ জানান এবং টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেন। এ সময় আশপাশের লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। ঘটনাটি অভিযুক্তের বোন মোবাইল ফোনে ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর মন্তব্যের ঘরে অনেকেই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। অনেকে মাদক ও গেম আসক্তিকে যুব সমাজের জন্য বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।
জাবেদের চাচা মো. খোকন বলেন, বাবার মৃত্যু আর অভাবের কারণে মা ও ছেলে অনেকটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। এছাড়া জাবেদ মোবাইলে ভিডিও গেমে আসক্ত হয়ে পড়ে। তাই ইন্টারনেটের টাকার জন্য মাকে মারধর করে। তবে ছেলেটা বাহিরের কারো সাথে খারাপ আচরণ করে না।
এদিকে খবর পেয়ে বুধবার রাতেই আনোয়ারা থানা-পুলিশ ভুক্তভোগীর বাড়িতে যায়। পুলিশ জানায়, ফ্রি ফায়ার ও পাবজির মতো অনলাইন গেমে আসক্তির কারণে অভিযুক্ত প্রায়ই পরিবারের কাছে টাকা চাইতেন। সর্বশেষ টাকা না পেয়ে তিনি মাকে মারধর করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আনোয়ারা থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে গেমে আসক্তির কারণেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার বাবা মকবুল হোসেন।
তিনি বলেন, ‘আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় যারা আদেশ দিয়েছে সেই বড় বড় পুলিশের কর্মকর্তারাই তো বাঁচি গেলো।’ এ সময় আবু সাঈদ হত্যার সঙ্গে যারা দায়ী তাদের সবার ফাঁসি দাবি করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে শহীদ আবু সাঈদ হত্যায় রায় ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
আবু সাঈদের বাবা বলেন, ‘ছেলে হত্যার ঘটনাটি শুধু কনস্টেবলের ওপর দিয়ে গেল। যাদের আদেশে আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে, তারা বেঁচে গেল। আমরা সব আসামির ফাঁসি চাই।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মকবুল হোসেন বলেন, আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তীকালে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া রায়ে অন্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১০
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৬