বাংলাদেশের আতিথেয়তা শিল্পকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন ভোলা জেলার দ্বীপ উপজেলা মনপুরার ছেলে মোঃ শাখাওয়াত হোসেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ ‘আমেরিকান কারি অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫’-এ তিনি অর্জন করেছেন ‘বেস্ট হসপিটালিটি আইকন’ খেতাব।
খালিল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ইউএসএ এবং আশা গ্রুপ ইউএসএ-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে বিশ্বের শীর্ষ হোটেলিয়ার, রন্ধনশিল্পী ও আতিথেয়তা পেশাজীবীরা একত্রিত হন। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই আয়োজনে ১৮টি বিভাগে পুরস্কার প্রদান করা হয়, যেখানে শাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বগুণ, উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গি এবং আতিথেয়তা শিল্পে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
শাখাওয়াত হোসেনের জন্ম ভোলা জেলার মেঘনা বেস্টিত দ্বীপ মনপুরা উপজেলায়। তিনি উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক মোঃ শাজাহান মাষ্টারের জেষ্ঠ্য পুত্র। শৈশবে তিনি এখানেই বেড়ে ওঠেন। স্থানীয় বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শেষ করে তিনি উপজেলার হাজীর হাট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন। পরবর্তিতে উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকায় পাড়ি জমান। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাফল্যের সাথে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করেন। এবং চাকরি জীবনে প্রবেশ করেন।
শাখাওয়াত হোসেন বর্তমানে দেশের শীর্ষস্থানীয় হোটেলসমূহ—দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা, শেরাটন ঢাকা এবং হানসা: আ প্রিমিয়াম রেসিডেন্স—এর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস পিএলসি-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আতিথেয়তা শিল্পে ফুড কস্ট অপ্টিমাইজেশন ও পরিচালন দক্ষতায় তার বৈপ্লবিক অবদান দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে।
করপোরেট নেতৃত্বের পাশাপাশি শাখাওয়াত হোসেন একাডেমিক অঙ্গনেও সমানভাবে উজ্জ্বল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে পিএইচডি করছেন এবং একই বিভাগে অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠদান করছেন।
তার উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক অর্জনের মধ্যে রয়েছে এশিয়ান কারি অ্যাওয়ার্ড ২০২১ – এশিয়ান ক্যাটারিং ফেডারেশন, ট্যুরিজম ফেস অব সাউথ এশিয়া ২০২৪ – সাউথ এশিয়ান ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডস, বাংলাদেশের সেরা হোটেলিয়ার – হোটেল ইন্ডাস্ট্রি আর্কিটেকচার অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনফারেন্স, আন্তর্জাতিক বিচারক, শেফস ক্যুলিনারি কাপ, কোরিয়া ২০২৪–২৫ পুরস্কার। এছাড়াও বাংলাদেশ মনিটর আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল’, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি অ্যাওয়ার্ডস থেকে ‘হোটেলিয়ার অব দ্য ইয়ার-২০২৪ পুরস্কার’, ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ‘হসপিটালিটি প্রফেশনাল অব বাংলাদেশ-২০২৪’, হোটেল ইন্ডাস্ট্রি আর্কিটেকচার, ইন্টেরিয়র্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনফারেন্সের পক্ষ থেকে ‘বেস্ট হোটেলিয়ার অব বাংলাদেশ’ পুরস্কার।
বর্তমানে তিনি শেফস ফেডারেশন অব বাংলাদেশ-এর প্রধান উপদেষ্টা, ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম নেটওয়ার্ক (ঢাকা চ্যাপ্টার)-এর পরিচালক এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রি স্কিল কাউন্সিল বাংলাদেশ-এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।
গত ২৪ মে নিউইয়র্কের কুইন্সে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের সিনেটর শেখ রহমান তার হাতে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার তুলে দেন।

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

২১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৬
জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন দেওয়ানি বিরোধ আদালতে মামলা দায়েরের আগেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষে ভোলা-পটুয়াখালীসহ দেশের ১০ জেলায় একযোগে বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোলায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় বিচার, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের কনফারেন্স রুম থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধিত) আইন, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত কিছু বিরোধের ক্ষেত্রে আদালতে মামলা দায়েরের আগে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিতে হবে। এসব বিরোধের মধ্যে রয়েছে জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধ, বাড়ি ভাড়া, পিতামাতার ভরণপোষণ এবং যৌতুক নিরোধ আইনের আওতাধীন নির্দিষ্ট বিষয়।
এ উপলক্ষে ভোলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেমিনার কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা জজ শরীফ এ. এম. রেজা জাকের।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইব্রাহীম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেল্লাল হোসেন, মো. এনায়েত উল্লাহ ও এ. এস. এম. তারিক শামস, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম, ভোলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ফরিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাসেতসহ বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালুর ফলে বিচারপ্রার্থীরা আদালতে মামলা দায়েরের আগেই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন। এতে একদিকে যেমন আদালতের মামলার চাপ কমবে, অন্যদিকে দ্রুত, সহজ ও কম ব্যয়সাপেক্ষে বিরোধ নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন দেওয়ানি বিরোধ আদালতে মামলা দায়েরের আগেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষে ভোলা-পটুয়াখালীসহ দেশের ১০ জেলায় একযোগে বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোলায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় বিচার, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের কনফারেন্স রুম থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধিত) আইন, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত কিছু বিরোধের ক্ষেত্রে আদালতে মামলা দায়েরের আগে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিতে হবে। এসব বিরোধের মধ্যে রয়েছে জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধ, বাড়ি ভাড়া, পিতামাতার ভরণপোষণ এবং যৌতুক নিরোধ আইনের আওতাধীন নির্দিষ্ট বিষয়।
এ উপলক্ষে ভোলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেমিনার কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা জজ শরীফ এ. এম. রেজা জাকের।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইব্রাহীম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেল্লাল হোসেন, মো. এনায়েত উল্লাহ ও এ. এস. এম. তারিক শামস, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম, ভোলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ফরিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাসেতসহ বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালুর ফলে বিচারপ্রার্থীরা আদালতে মামলা দায়েরের আগেই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন। এতে একদিকে যেমন আদালতের মামলার চাপ কমবে, অন্যদিকে দ্রুত, সহজ ও কম ব্যয়সাপেক্ষে বিরোধ নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি বসতঘরের খাটের নিচ থেকে জেলেদের সরকারি খাদ্য সহায়তার ১ হাজার ১৭০ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কিশোরগঞ্জ এলাকার দিদার মসজিদ সংলগ্ন মো. জসিম সর্দারের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে ৩৪ টি বস্তা ভর্তি এসব চাল উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ঘর মালিক মো. জসিম সর্দার। তিনি স্থানীয় একটি বাজারের মুদি দোকানদার। পরে উদ্ধারকৃত চাল উপজেলা মৎস্য অফিসের জিম্মায় রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই বসতঘর থেকে জেলেদের খাদ্য সহায়তার ৩০ কেজি ওজনের ২৪ বস্তা এবং ৫০ কেজি ওজনের ৯ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। চালগুলো অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে জেলেদের চাল বিক্রি বা মজুদ করার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া কোনো ব্যক্তির কাছে এত চাল থাকারও কথা না। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ এই কর্মকর্তা।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি বসতঘরের খাটের নিচ থেকে জেলেদের সরকারি খাদ্য সহায়তার ১ হাজার ১৭০ কেজি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কিশোরগঞ্জ এলাকার দিদার মসজিদ সংলগ্ন মো. জসিম সর্দারের বসতঘরের খাটের নিচ থেকে ৩৪ টি বস্তা ভর্তি এসব চাল উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ঘর মালিক মো. জসিম সর্দার। তিনি স্থানীয় একটি বাজারের মুদি দোকানদার। পরে উদ্ধারকৃত চাল উপজেলা মৎস্য অফিসের জিম্মায় রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই বসতঘর থেকে জেলেদের খাদ্য সহায়তার ৩০ কেজি ওজনের ২৪ বস্তা এবং ৫০ কেজি ওজনের ৯ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। চালগুলো অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে জেলেদের চাল বিক্রি বা মজুদ করার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া কোনো ব্যক্তির কাছে এত চাল থাকারও কথা না। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ এই কর্মকর্তা।

১১ জুন, ২০২৫ ১৭:৫৭
বাংলাদেশের আতিথেয়তা শিল্পকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন ভোলা জেলার দ্বীপ উপজেলা মনপুরার ছেলে মোঃ শাখাওয়াত হোসেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ ‘আমেরিকান কারি অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫’-এ তিনি অর্জন করেছেন ‘বেস্ট হসপিটালিটি আইকন’ খেতাব।
খালিল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ইউএসএ এবং আশা গ্রুপ ইউএসএ-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে বিশ্বের শীর্ষ হোটেলিয়ার, রন্ধনশিল্পী ও আতিথেয়তা পেশাজীবীরা একত্রিত হন। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই আয়োজনে ১৮টি বিভাগে পুরস্কার প্রদান করা হয়, যেখানে শাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বগুণ, উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গি এবং আতিথেয়তা শিল্পে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
শাখাওয়াত হোসেনের জন্ম ভোলা জেলার মেঘনা বেস্টিত দ্বীপ মনপুরা উপজেলায়। তিনি উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক মোঃ শাজাহান মাষ্টারের জেষ্ঠ্য পুত্র। শৈশবে তিনি এখানেই বেড়ে ওঠেন। স্থানীয় বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শেষ করে তিনি উপজেলার হাজীর হাট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন। পরবর্তিতে উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকায় পাড়ি জমান। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাফল্যের সাথে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করেন। এবং চাকরি জীবনে প্রবেশ করেন।
শাখাওয়াত হোসেন বর্তমানে দেশের শীর্ষস্থানীয় হোটেলসমূহ—দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা, শেরাটন ঢাকা এবং হানসা: আ প্রিমিয়াম রেসিডেন্স—এর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস পিএলসি-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আতিথেয়তা শিল্পে ফুড কস্ট অপ্টিমাইজেশন ও পরিচালন দক্ষতায় তার বৈপ্লবিক অবদান দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে।
করপোরেট নেতৃত্বের পাশাপাশি শাখাওয়াত হোসেন একাডেমিক অঙ্গনেও সমানভাবে উজ্জ্বল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে পিএইচডি করছেন এবং একই বিভাগে অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠদান করছেন।
তার উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক অর্জনের মধ্যে রয়েছে এশিয়ান কারি অ্যাওয়ার্ড ২০২১ – এশিয়ান ক্যাটারিং ফেডারেশন, ট্যুরিজম ফেস অব সাউথ এশিয়া ২০২৪ – সাউথ এশিয়ান ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডস, বাংলাদেশের সেরা হোটেলিয়ার – হোটেল ইন্ডাস্ট্রি আর্কিটেকচার অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনফারেন্স, আন্তর্জাতিক বিচারক, শেফস ক্যুলিনারি কাপ, কোরিয়া ২০২৪–২৫ পুরস্কার। এছাড়াও বাংলাদেশ মনিটর আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল’, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি অ্যাওয়ার্ডস থেকে ‘হোটেলিয়ার অব দ্য ইয়ার-২০২৪ পুরস্কার’, ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ‘হসপিটালিটি প্রফেশনাল অব বাংলাদেশ-২০২৪’, হোটেল ইন্ডাস্ট্রি আর্কিটেকচার, ইন্টেরিয়র্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনফারেন্সের পক্ষ থেকে ‘বেস্ট হোটেলিয়ার অব বাংলাদেশ’ পুরস্কার।
বর্তমানে তিনি শেফস ফেডারেশন অব বাংলাদেশ-এর প্রধান উপদেষ্টা, ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম নেটওয়ার্ক (ঢাকা চ্যাপ্টার)-এর পরিচালক এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ইন্ডাস্ট্রি স্কিল কাউন্সিল বাংলাদেশ-এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।
গত ২৪ মে নিউইয়র্কের কুইন্সে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের সিনেটর শেখ রহমান তার হাতে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার তুলে দেন।