
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩৪
ভারতের তেলেঙ্গানায় পৌর নির্বাচনে পরাজয়ের পর ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা ফেরত চাইছেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এক প্রার্থীর স্ত্রী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পরাজিত প্রার্থীর স্ত্রী খাতা-কলম নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে টাকা ফেরত চাইছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, তেলেঙ্গানা রাজ্যের মাঞ্চেরিয়াল মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের ৯ নম্বর ডিভিশন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বিজেপি প্রার্থী জাদি তিরুপতি। তিনি মাত্র ১৬ ভোটের ব্যবধানে কংগ্রেস প্রার্থীর কাছে হেরে যান।
ফল ঘোষণার পর অভিযোগ ওঠে, তিরুপতি ও তার পরিবারের সদস্যরা সেই সব ভোটারের বাড়িতে যাচ্ছেন, যারা টাকার বিনিময়ে তাকে ভোট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, প্রার্থীর স্ত্রী রূপা ভোটারদের ঈশ্বরের নামে শপথ করে বলতে বলছেন—তারা তিরুপতিকে ভোট দিয়েছেন কি না। অভিযোগ অনুযায়ী, যারা ভোট না দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন, তাদের কাছ থেকে জনপ্রতি তিন হাজার রুপি করে ফেরত নেওয়া হচ্ছে।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি স্থানীয় রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। কারণ ভোটারদের অর্থের প্রলোভন দেখানো নির্বাচনী বিধি ও গণতান্ত্রিক নীতির পরিপন্থী। ঘটনাটি নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। সূত্র : তেলেঙ্গানা টুডে।
ভারতের তেলেঙ্গানায় পৌর নির্বাচনে পরাজয়ের পর ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা ফেরত চাইছেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এক প্রার্থীর স্ত্রী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পরাজিত প্রার্থীর স্ত্রী খাতা-কলম নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে টাকা ফেরত চাইছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, তেলেঙ্গানা রাজ্যের মাঞ্চেরিয়াল মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের ৯ নম্বর ডিভিশন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বিজেপি প্রার্থী জাদি তিরুপতি। তিনি মাত্র ১৬ ভোটের ব্যবধানে কংগ্রেস প্রার্থীর কাছে হেরে যান।
ফল ঘোষণার পর অভিযোগ ওঠে, তিরুপতি ও তার পরিবারের সদস্যরা সেই সব ভোটারের বাড়িতে যাচ্ছেন, যারা টাকার বিনিময়ে তাকে ভোট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, প্রার্থীর স্ত্রী রূপা ভোটারদের ঈশ্বরের নামে শপথ করে বলতে বলছেন—তারা তিরুপতিকে ভোট দিয়েছেন কি না। অভিযোগ অনুযায়ী, যারা ভোট না দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন, তাদের কাছ থেকে জনপ্রতি তিন হাজার রুপি করে ফেরত নেওয়া হচ্ছে।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি স্থানীয় রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। কারণ ভোটারদের অর্থের প্রলোভন দেখানো নির্বাচনী বিধি ও গণতান্ত্রিক নীতির পরিপন্থী। ঘটনাটি নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। সূত্র : তেলেঙ্গানা টুডে।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৯
পবিত্র রমজান মাস শুরুর প্রাক্কালে ফিলিস্তিনের অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে পবিত্র আল-আকসা মসজিদ চত্বরের ভেতর থেকে মসজিদের ইমাম শায়খ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে পুরোনো শহরজুড়ে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) টিআরটি ওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণের ভেতর থেকে ইসরায়েলি পুলিশ কর্মকর্তারা শেখ আব্বাসিকে গ্রেপ্তার করেন। তবে তাকে গ্রেপ্তার করার কারণ কিংবা তার বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
এতে আরও বলা হয়, পবিত্র আল-আকসা মসজিদকে ঘিরে ইসরায়েলি পদক্ষেপ সাম্প্রতিক সময়ে আরও কঠোর হয়েছে। সেখানে নিয়োজিত ইমাম, খতিব ও মুসল্লিদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ, মুসল্লিদের প্রবেশ সীমিত করা এবং ইসরায়েলি পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে বসতি স্থাপনকারীদের ক্রমবর্ধমান তাণ্ডবের নানা পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটেই এবার পবিত্র এই মসজিদের ইমামকে আটকের ঘটনা ঘটল।
অবশ্য আটক করার কয়েক ঘণ্টা আগে শায়খ আল-আব্বাসিকে এক সপ্তাহের জন্য মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। প্রয়োজন হলে এ আদেশ নবায়ন করা হতে পারে বলেও জানানো হয়।
তবে শায়খ আল-আব্বাসি গ্রেপ্তার হওয়ার আগে বলেন, তাকে নিষেধাজ্ঞার কারণ জানানো হয়নি। গুরুতর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর দীর্ঘ এক বছরের চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে উঠে দায়িত্বে ফেরার পর এমন সিদ্ধান্ত তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে বলেও জানান তিনি।
পবিত্র মাস মাহে রমজান শুরুর ঠিক আগে ইসরায়েলের এমন আচরণে মুসলিমদের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়েছে।
এর আগে, জেরুজালেমের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি শেখ একরিমা সাবরি অভিযোগ করেন, রমজান মাসে মুসলিমদের আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ সীমিত করার পরিকল্পনা করছে নেতানিয়াহু প্রশাসন।
এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস জানায়, আল-আব্বাসিকে মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়া হয়েছে। দাবি, এটি আল-আকসার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত।
রমজানকে সামনে রেখে মসজিদে লজিস্টিক প্রস্তুতিতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করে সংগঠনটি।
বরিশাল টাইমস
পবিত্র রমজান মাস শুরুর প্রাক্কালে ফিলিস্তিনের অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে পবিত্র আল-আকসা মসজিদ চত্বরের ভেতর থেকে মসজিদের ইমাম শায়খ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে পুরোনো শহরজুড়ে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) টিআরটি ওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণের ভেতর থেকে ইসরায়েলি পুলিশ কর্মকর্তারা শেখ আব্বাসিকে গ্রেপ্তার করেন। তবে তাকে গ্রেপ্তার করার কারণ কিংবা তার বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
এতে আরও বলা হয়, পবিত্র আল-আকসা মসজিদকে ঘিরে ইসরায়েলি পদক্ষেপ সাম্প্রতিক সময়ে আরও কঠোর হয়েছে। সেখানে নিয়োজিত ইমাম, খতিব ও মুসল্লিদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ, মুসল্লিদের প্রবেশ সীমিত করা এবং ইসরায়েলি পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে বসতি স্থাপনকারীদের ক্রমবর্ধমান তাণ্ডবের নানা পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটেই এবার পবিত্র এই মসজিদের ইমামকে আটকের ঘটনা ঘটল।
অবশ্য আটক করার কয়েক ঘণ্টা আগে শায়খ আল-আব্বাসিকে এক সপ্তাহের জন্য মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয় ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। প্রয়োজন হলে এ আদেশ নবায়ন করা হতে পারে বলেও জানানো হয়।
তবে শায়খ আল-আব্বাসি গ্রেপ্তার হওয়ার আগে বলেন, তাকে নিষেধাজ্ঞার কারণ জানানো হয়নি। গুরুতর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর দীর্ঘ এক বছরের চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে উঠে দায়িত্বে ফেরার পর এমন সিদ্ধান্ত তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে বলেও জানান তিনি।
পবিত্র মাস মাহে রমজান শুরুর ঠিক আগে ইসরায়েলের এমন আচরণে মুসলিমদের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়েছে।
এর আগে, জেরুজালেমের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি শেখ একরিমা সাবরি অভিযোগ করেন, রমজান মাসে মুসলিমদের আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ সীমিত করার পরিকল্পনা করছে নেতানিয়াহু প্রশাসন।
এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস জানায়, আল-আব্বাসিকে মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়া হয়েছে। দাবি, এটি আল-আকসার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত।
রমজানকে সামনে রেখে মসজিদে লজিস্টিক প্রস্তুতিতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করে সংগঠনটি।
বরিশাল টাইমস

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৪৫
নেপালে আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনের আগে রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে কাঠমান্ডুর রাজপথে হাজার হাজার মানুষ বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সাবেক রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহকে স্বাগত জানাতে এবং বিলুপ্ত রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবিতে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে এই জনসমাগম ঘটে। কয়েকশ দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন থাকলেও সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড়ের মধ্য দিয়েই সাবেক রাজা তার গাড়ির সানরুফ থেকে হাত নেড়ে জনতাকে অভিবাদন জানান।
বিক্ষোভকারীরা ‘রাজা ফিরে আসুক’ এবং ‘সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনো’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে তার ব্যক্তিগত বাসভবন পর্যন্ত দীর্ঘ পথ সমর্থকদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে। নেপালের পূর্বাঞ্চল সফর শেষে তার এই আগমনে সমর্থকদের এমন উচ্ছ্বাস রাজনৈতিক মহলে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের গণবিক্ষোভের মুখে জ্ঞানেন্দ্র শাহ তার নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ত্যাগ করতে বাধ্য হন এবং ২০০৮ সালে সংসদীয় ভোটের মাধ্যমে নেপালে রাজতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হয়।
গত বছরও একই ধরনের রাজতন্ত্রী সমাবেশে প্রায় ১০ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছিল, যেখানে সহিংসতায় দুইজনের মৃত্যু হয়। তবে শুক্রবারের এই সমাবেশটি ছিল শান্তিপূর্ণ এবং পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি। আগামী মার্চ মাসে নেপালে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গত নির্বাচনে রাজতন্ত্রী দলগুলো প্রায় ৫ শতাংশ আসন পেলেও এবারের সমাবেশে তাদের শক্তির মহড়া থেকে বোঝা যাচ্ছে যে তারা নির্বাচনে আরও বড় প্রভাব ফেলতে চাইছে।
সাবেক রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহ রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে নিজে থেকে কোনো মন্তব্য না করলেও তার প্রতি সাধারণ মানুষের এই ক্রমবর্ধমান সমর্থন বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য একটি বড় সংকেত।
যদিও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এখনো রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার ঘোর বিরোধী, তবে নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে রাজপন্থীদের এই বিশাল সমাবেশ নেপালের আগামী দিনের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের আভাস দিচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
নেপালে আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনের আগে রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে কাঠমান্ডুর রাজপথে হাজার হাজার মানুষ বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সাবেক রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহকে স্বাগত জানাতে এবং বিলুপ্ত রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবিতে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে এই জনসমাগম ঘটে। কয়েকশ দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন থাকলেও সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড়ের মধ্য দিয়েই সাবেক রাজা তার গাড়ির সানরুফ থেকে হাত নেড়ে জনতাকে অভিবাদন জানান।
বিক্ষোভকারীরা ‘রাজা ফিরে আসুক’ এবং ‘সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনো’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে তার ব্যক্তিগত বাসভবন পর্যন্ত দীর্ঘ পথ সমর্থকদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে। নেপালের পূর্বাঞ্চল সফর শেষে তার এই আগমনে সমর্থকদের এমন উচ্ছ্বাস রাজনৈতিক মহলে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের গণবিক্ষোভের মুখে জ্ঞানেন্দ্র শাহ তার নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ত্যাগ করতে বাধ্য হন এবং ২০০৮ সালে সংসদীয় ভোটের মাধ্যমে নেপালে রাজতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হয়।
গত বছরও একই ধরনের রাজতন্ত্রী সমাবেশে প্রায় ১০ হাজার মানুষ অংশ নিয়েছিল, যেখানে সহিংসতায় দুইজনের মৃত্যু হয়। তবে শুক্রবারের এই সমাবেশটি ছিল শান্তিপূর্ণ এবং পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি। আগামী মার্চ মাসে নেপালে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গত নির্বাচনে রাজতন্ত্রী দলগুলো প্রায় ৫ শতাংশ আসন পেলেও এবারের সমাবেশে তাদের শক্তির মহড়া থেকে বোঝা যাচ্ছে যে তারা নির্বাচনে আরও বড় প্রভাব ফেলতে চাইছে।
সাবেক রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহ রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে নিজে থেকে কোনো মন্তব্য না করলেও তার প্রতি সাধারণ মানুষের এই ক্রমবর্ধমান সমর্থন বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য একটি বড় সংকেত।
যদিও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এখনো রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার ঘোর বিরোধী, তবে নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে রাজপন্থীদের এই বিশাল সমাবেশ নেপালের আগামী দিনের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের আভাস দিচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:২৮
ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহব্যাপী বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি চূড়ান্ত আক্রমণের নির্দেশ দেন, তবে মধ্যপ্রাচ্যে দুই দেশের মধ্যে এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দুজন মার্কিন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পেন্টাগন সূত্রে জানা গেছে, এই অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যে অতিরিক্ত আরও একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানো হচ্ছে। এর পাশাপাশি কয়েক হাজার অতিরিক্ত সেনা, যুদ্ধবিমান এবং গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন করা হচ্ছে, যা আক্রমণ ও প্রতিরক্ষা উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে কার্যকর।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি জানিয়েছেন, ইরানের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামনে সব ধরনের বিকল্প পথ খোলা রয়েছে এবং তিনি জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যেকোনো সময় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, এবারের সামরিক পরিকল্পনা আগের চেয়ে অনেক বেশি জটিল ও বিস্তৃত। এর আগে গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালেও সেটি ছিল সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুভিত্তিক। কিন্তু বর্তমান পরিকল্পনায় ইরানের রাষ্ট্রীয় ও নিরাপত্তা অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। সামরিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে ইরানের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের কারণে এই অভিযানে মার্কিন বাহিনীর জন্য ঝুঁকি অনেক বেশি হতে পারে।
এদিকে সম্ভাব্য এই হামলার আশঙ্কায় কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড। তারা জানিয়েছে, ইরানের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা জর্ডান, কুয়েত, কাতার ও তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হানা হবে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি উত্তর ক্যারোলাইনায় মার্কিন সেনাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে আসা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ক্ষেত্রবিশেষে ‘ভয়’ দেখানো প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে এখন এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
বরিশাল টাইমস
ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহব্যাপী বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি চূড়ান্ত আক্রমণের নির্দেশ দেন, তবে মধ্যপ্রাচ্যে দুই দেশের মধ্যে এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দুজন মার্কিন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পেন্টাগন সূত্রে জানা গেছে, এই অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যে অতিরিক্ত আরও একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানো হচ্ছে। এর পাশাপাশি কয়েক হাজার অতিরিক্ত সেনা, যুদ্ধবিমান এবং গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন করা হচ্ছে, যা আক্রমণ ও প্রতিরক্ষা উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে কার্যকর।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি জানিয়েছেন, ইরানের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামনে সব ধরনের বিকল্প পথ খোলা রয়েছে এবং তিনি জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যেকোনো সময় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, এবারের সামরিক পরিকল্পনা আগের চেয়ে অনেক বেশি জটিল ও বিস্তৃত। এর আগে গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালেও সেটি ছিল সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুভিত্তিক। কিন্তু বর্তমান পরিকল্পনায় ইরানের রাষ্ট্রীয় ও নিরাপত্তা অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। সামরিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে ইরানের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের কারণে এই অভিযানে মার্কিন বাহিনীর জন্য ঝুঁকি অনেক বেশি হতে পারে।
এদিকে সম্ভাব্য এই হামলার আশঙ্কায় কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড। তারা জানিয়েছে, ইরানের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা জর্ডান, কুয়েত, কাতার ও তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হানা হবে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি উত্তর ক্যারোলাইনায় মার্কিন সেনাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে আসা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ক্ষেত্রবিশেষে ‘ভয়’ দেখানো প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে এখন এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
বরিশাল টাইমস

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.