
১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ২২:১৫
ভোলা সদর উপজেলার ফেরদৌস আক্তার (২০) নামে এক তরুণীর প্রেমের টানে চীন থেকে বাংলাদেশে এসেছেন লুইজাউ নামে এক যুবক।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) সদরের শিবপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলার খালের সংলগ্ন স্লুইসগেট এলাকায় জিন্না ডাক্তার বাড়িতে এমন ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, ফেরদৌস আক্তার ওই ইউনিয়নের মো. আমানউল্লাহর সপ্তম সন্তান। আর চীনা যুবক লুইজাউ চীনের সিচুয়ান প্রদেশের লুঝৌ শহরের গুলিন কাউন্টির তুচেং গ্রামের রোশন লুন ও হুয়াং কিয়াংর প্রথম সন্তান।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, রোববার বেলা ১১টার দিকে ঢাকায় এয়ারপোর্টে এসে পৌঁছান চীনা যুবক। সেখানে তাকে স্বাগত জানান প্রেমিকা ফেরদৌস, তার মা মরিয়ম বেগম ও বোনের দুলাভাই নুর কারিম। এরপর ওইদিন বিকেলে ঢাকা সদরঘাট থেকে লঞ্চে ভোলার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। এরপর রোববার রাত ২টার দিকে প্রেমিকা ফেরদৌস আক্তারের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল সংলগ্ন স্লুইসগেট এলাকায় জিন্না ডাক্তার বাড়িতে আসেন।
প্রেমিকা ফেরদৌস আক্তার জানান, প্রায় এক বছর আগে ওয়াল্ড টক নামে একটি অ্যাপের মাধ্যমে চীনের লুইজাউর সাঙ্গে তার পরিচয়। এরপর কথা বলতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর তারা দুজন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। চীন থেকে বাংলাদেশ এসে তাকে বিয়ে করে নিয়ে যাবেন চীনে। এজন্য তাকে পাসপোর্ট করতে বলেন।
তিনি আরও জানান, আজ আমার ভালোবাসার মানুষ আমার জন্য হাজার মাইল পারি দিয়ে আমাকে বিয়ে করতে এসেছে। আমি তাকে বিয়ে করবো। আমি তাকে অনেক বিশ্বাস করি। আমি মনে করি আমার ভালোবাসার অমর্যাদা হবে না। সে আমাকে অনেক সুখে রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।
ফেরদৌস আক্তারের মা মরিয়ম বেগম জানান, চীনা ছেলের সাঙ্গে আমার মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক আমি বেশ কয়েক মাস আগে জেনেছি। মেয়ে আমাকে সব বলেছে। এখন ছেলে এসেছে আমরা তাদের বিয়ে দেবো। মেয়ে সুখে থাকলেই আমাদের সুখ।
প্রেমিক লুইজাউ বলেন, আমি দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড়। আমি চীনের সিচুয়ান প্রদেশের চেংদুতে পোশাক ও জুতার শোরুমের ব্যবসা করি। অ্যাপে আমার সঙ্গে ফেরদৌস আক্তারের পরিচয়। তার সঙ্গে কথা বলে আমি তাকে ভালোবেসেছি।ভালোবাসার মানুষকে আমি বিয়ে করতে চাই। যতদিন বাঁচবো তাকে নিয়েই সংসার করবো।
ভোলা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মো. জিয়া উদ্দিন জানান, বিষয়টি আমরা শুনেছি। পরে চীনা যুবক ও ওই তরুণীর মা-বাবা ও আত্মীয় স্বজনরা থানায় এসে আমাদের বিষয়টি জানিয়েছে। ছেলেটি বৈধভাবে বাংলাদেশে এসেছে। বর্তমানে চীনা যুবক ওই বাড়িতেই আছেন।
ভোলা সদর উপজেলার ফেরদৌস আক্তার (২০) নামে এক তরুণীর প্রেমের টানে চীন থেকে বাংলাদেশে এসেছেন লুইজাউ নামে এক যুবক।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) সদরের শিবপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলার খালের সংলগ্ন স্লুইসগেট এলাকায় জিন্না ডাক্তার বাড়িতে এমন ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, ফেরদৌস আক্তার ওই ইউনিয়নের মো. আমানউল্লাহর সপ্তম সন্তান। আর চীনা যুবক লুইজাউ চীনের সিচুয়ান প্রদেশের লুঝৌ শহরের গুলিন কাউন্টির তুচেং গ্রামের রোশন লুন ও হুয়াং কিয়াংর প্রথম সন্তান।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, রোববার বেলা ১১টার দিকে ঢাকায় এয়ারপোর্টে এসে পৌঁছান চীনা যুবক। সেখানে তাকে স্বাগত জানান প্রেমিকা ফেরদৌস, তার মা মরিয়ম বেগম ও বোনের দুলাভাই নুর কারিম। এরপর ওইদিন বিকেলে ঢাকা সদরঘাট থেকে লঞ্চে ভোলার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। এরপর রোববার রাত ২টার দিকে প্রেমিকা ফেরদৌস আক্তারের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল সংলগ্ন স্লুইসগেট এলাকায় জিন্না ডাক্তার বাড়িতে আসেন।
প্রেমিকা ফেরদৌস আক্তার জানান, প্রায় এক বছর আগে ওয়াল্ড টক নামে একটি অ্যাপের মাধ্যমে চীনের লুইজাউর সাঙ্গে তার পরিচয়। এরপর কথা বলতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর তারা দুজন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। চীন থেকে বাংলাদেশ এসে তাকে বিয়ে করে নিয়ে যাবেন চীনে। এজন্য তাকে পাসপোর্ট করতে বলেন।
তিনি আরও জানান, আজ আমার ভালোবাসার মানুষ আমার জন্য হাজার মাইল পারি দিয়ে আমাকে বিয়ে করতে এসেছে। আমি তাকে বিয়ে করবো। আমি তাকে অনেক বিশ্বাস করি। আমি মনে করি আমার ভালোবাসার অমর্যাদা হবে না। সে আমাকে অনেক সুখে রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।
ফেরদৌস আক্তারের মা মরিয়ম বেগম জানান, চীনা ছেলের সাঙ্গে আমার মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক আমি বেশ কয়েক মাস আগে জেনেছি। মেয়ে আমাকে সব বলেছে। এখন ছেলে এসেছে আমরা তাদের বিয়ে দেবো। মেয়ে সুখে থাকলেই আমাদের সুখ।
প্রেমিক লুইজাউ বলেন, আমি দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড়। আমি চীনের সিচুয়ান প্রদেশের চেংদুতে পোশাক ও জুতার শোরুমের ব্যবসা করি। অ্যাপে আমার সঙ্গে ফেরদৌস আক্তারের পরিচয়। তার সঙ্গে কথা বলে আমি তাকে ভালোবেসেছি।ভালোবাসার মানুষকে আমি বিয়ে করতে চাই। যতদিন বাঁচবো তাকে নিয়েই সংসার করবো।
ভোলা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মো. জিয়া উদ্দিন জানান, বিষয়টি আমরা শুনেছি। পরে চীনা যুবক ও ওই তরুণীর মা-বাবা ও আত্মীয় স্বজনরা থানায় এসে আমাদের বিষয়টি জানিয়েছে। ছেলেটি বৈধভাবে বাংলাদেশে এসেছে। বর্তমানে চীনা যুবক ওই বাড়িতেই আছেন।

০৪ মে, ২০২৬ ১২:২৮
জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ কল পেয়ে ভোলার মনপুরায় মেঘনা নদীতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা একটি বোটসহ ১২ যাত্রীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।
রোববার (৩ মে) বিকেলে এক অভিযানের মাধ্যমে তাদের নিরাপদে উপকূলে ফিরিয়ে আনা হয়।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেল ৩টার দিকে মনপুরা থানার মেঘনা নদীতে একটি যাত্রীবাহী কাঠের বোট ১২ জন যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিল। মাঝনদীতে পৌঁছালে প্রবল বাতাসের কবলে পড়ে বোটটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। উত্তাল নদীতে বোটটি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ভাসতে থাকায় যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বোটের একজন যাত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ৯৯৯ নম্বরে কল করে সহায়তা চান। খবর পেয়ে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের আউটপোস্ট মনপুরার একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাঝনদী থেকে ভাসমান বোটসহ সব যাত্রীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, উদ্ধার যাত্রী ও বোটটিকে নিরাপদে মনপুরার হাজিরহাট সংলগ্ন ঘাটে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসেবায় কোস্টগার্ড সর্বদা নিয়োজিত আছে এবং ভবিষ্যতেও এমন উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

০৩ মে, ২০২৬ ১৫:১৬
ভোলার বোরহানউদ্দিনে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (০২ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার টবগী ইউনিয়নের মুলাইপত্তন ৯ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন- মুলাইপত্তন এলাকার বাসিন্দা মো. জাকির হোসেন (৩৮) ও তার স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৩৫)।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযান চালিয়ে আসামি মো. জাকির হোসেনের বসতঘর থেকে ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী তাসলিমা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

০২ মে, ২০২৬ ১৩:১৫
ভোলার মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বড় আকারের দুইটি ‘রাজা ইলিশ’। দীর্ঘদিন পর বড় ইলিশ পাওয়ায় খুশি জেলেরা এবং স্থানীয় বাজারে দেখা দিয়েছে ক্রেতাদের আগ্রহ।
শুক্রবার (১ মে) সকালে ভোলা সদরর তুলাতুলি মাছঘাটে জেলে ইউসুফ মাঝি নদী থেকে ধরা মাছ দুটি বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। পরে স্থানীয় একটি মৎস্য আড়তে ব্যবসায়ী মনজু প্রায় ১০ হাজার টাকায় মাছ দুটি কিনে নেন। তিনি জানান, মাছগুলো মোকামে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
জেলেরা জানান, নিষেধাজ্ঞা শেষে টানা দুই দিনের বৃষ্টিতে নদীতে পানির প্রবাহ বাড়ায় মাছের উপস্থিতিও বেড়েছে। এতে বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেছে। তাদের আশা, এভাবে মাছ ধরা অব্যাহত থাকলে গত দুই মাসের ধারদেনা কিছুটা হলেও শোধ করা সম্ভব হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ কল পেয়ে ভোলার মনপুরায় মেঘনা নদীতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা একটি বোটসহ ১২ যাত্রীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।
রোববার (৩ মে) বিকেলে এক অভিযানের মাধ্যমে তাদের নিরাপদে উপকূলে ফিরিয়ে আনা হয়।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেল ৩টার দিকে মনপুরা থানার মেঘনা নদীতে একটি যাত্রীবাহী কাঠের বোট ১২ জন যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিল। মাঝনদীতে পৌঁছালে প্রবল বাতাসের কবলে পড়ে বোটটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। উত্তাল নদীতে বোটটি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ভাসতে থাকায় যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বোটের একজন যাত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ৯৯৯ নম্বরে কল করে সহায়তা চান। খবর পেয়ে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের আউটপোস্ট মনপুরার একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাঝনদী থেকে ভাসমান বোটসহ সব যাত্রীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, উদ্ধার যাত্রী ও বোটটিকে নিরাপদে মনপুরার হাজিরহাট সংলগ্ন ঘাটে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসেবায় কোস্টগার্ড সর্বদা নিয়োজিত আছে এবং ভবিষ্যতেও এমন উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
ভোলার বোরহানউদ্দিনে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (০২ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার টবগী ইউনিয়নের মুলাইপত্তন ৯ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন- মুলাইপত্তন এলাকার বাসিন্দা মো. জাকির হোসেন (৩৮) ও তার স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৩৫)।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযান চালিয়ে আসামি মো. জাকির হোসেনের বসতঘর থেকে ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী তাসলিমা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ভোলার মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বড় আকারের দুইটি ‘রাজা ইলিশ’। দীর্ঘদিন পর বড় ইলিশ পাওয়ায় খুশি জেলেরা এবং স্থানীয় বাজারে দেখা দিয়েছে ক্রেতাদের আগ্রহ।
শুক্রবার (১ মে) সকালে ভোলা সদরর তুলাতুলি মাছঘাটে জেলে ইউসুফ মাঝি নদী থেকে ধরা মাছ দুটি বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। পরে স্থানীয় একটি মৎস্য আড়তে ব্যবসায়ী মনজু প্রায় ১০ হাজার টাকায় মাছ দুটি কিনে নেন। তিনি জানান, মাছগুলো মোকামে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
জেলেরা জানান, নিষেধাজ্ঞা শেষে টানা দুই দিনের বৃষ্টিতে নদীতে পানির প্রবাহ বাড়ায় মাছের উপস্থিতিও বেড়েছে। এতে বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেছে। তাদের আশা, এভাবে মাছ ধরা অব্যাহত থাকলে গত দুই মাসের ধারদেনা কিছুটা হলেও শোধ করা সম্ভব হবে।