
০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩৫
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় হেলাল উদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের কোটবাজালিয়া বাজার এলাকায় তার ওপর হামলা করা হয়।
নিহত হেলাল উদ্দিন (৫৫) কাপাসিয়া উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তিনি উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের কোটবাজালিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে।
জানা গেছে, শনিবার রাতের কোনো এক সময় বাড়ি ফেরার পথে কোটবাজালিয়া এলাকায় অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র ও শাবল দিয়ে হেলাল উদ্দিনের পেছন দিক থেকে পিঠে আঘাত করে পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাঠান। রোববার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কৃষক দল গাজীপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব ফকির ইস্কান্দার আলম জানু বলেন, হেলাল উদ্দিন কাপাসিয়া উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তাকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোটবাজালিয়া গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, নিহতের ভাতিজার সঙ্গে পূর্ব বিরোধের জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
ওসি শাহীনুর আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বিরোধ থেকেই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের ভাতিজার সঙ্গে মোবাইল চুরি সংক্রান্ত বিষয়ে গতকাল তার তর্ক-বিতর্ক হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।
তিনি আরও বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় হেলাল উদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের কোটবাজালিয়া বাজার এলাকায় তার ওপর হামলা করা হয়।
নিহত হেলাল উদ্দিন (৫৫) কাপাসিয়া উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তিনি উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের কোটবাজালিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে।
জানা গেছে, শনিবার রাতের কোনো এক সময় বাড়ি ফেরার পথে কোটবাজালিয়া এলাকায় অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র ও শাবল দিয়ে হেলাল উদ্দিনের পেছন দিক থেকে পিঠে আঘাত করে পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাঠান। রোববার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কৃষক দল গাজীপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব ফকির ইস্কান্দার আলম জানু বলেন, হেলাল উদ্দিন কাপাসিয়া উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তাকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোটবাজালিয়া গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, নিহতের ভাতিজার সঙ্গে পূর্ব বিরোধের জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
ওসি শাহীনুর আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বিরোধ থেকেই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের ভাতিজার সঙ্গে মোবাইল চুরি সংক্রান্ত বিষয়ে গতকাল তার তর্ক-বিতর্ক হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।
তিনি আরও বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করা হবে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৬
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বন্ধুর বিয়েতে প্রচলিত উপহারের বদলে অকটেন উপহার দিয়েছেন এক যুবক ও তার বন্ধুরা। ব্যতিক্রমী এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী কর্মধা ইউনিয়নে আতিকুর রহমান ও নাদিয়া বেগমের বিয়েতে এ ঘটনা ঘটে। উপহার প্রদানকারী মাসুম বলেন, ‘বর্তমানে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। এ জন্য একটু ভিন্নভাবে বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে আমরা প্রতীকীভাবে দুই লিটার অকটেন উপহার দিয়েছি।’
বন্ধুদের এমন অভিনব উপহার ঘিরে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়ের প্রেক্ষাপটে ভিন্নধর্মী ও রসিকতাপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বন্ধুর বিয়েতে প্রচলিত উপহারের বদলে অকটেন উপহার দিয়েছেন এক যুবক ও তার বন্ধুরা। ব্যতিক্রমী এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী কর্মধা ইউনিয়নে আতিকুর রহমান ও নাদিয়া বেগমের বিয়েতে এ ঘটনা ঘটে। উপহার প্রদানকারী মাসুম বলেন, ‘বর্তমানে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। এ জন্য একটু ভিন্নভাবে বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে আমরা প্রতীকীভাবে দুই লিটার অকটেন উপহার দিয়েছি।’
বন্ধুদের এমন অভিনব উপহার ঘিরে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়ের প্রেক্ষাপটে ভিন্নধর্মী ও রসিকতাপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩৫
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট এলাকায় অবস্থিত হিলি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের আশায় রাতভর অপেক্ষা করছেন মোটরসাইকেল চালকরা। সীমিত সরবরাহের কারণে পাম্প এলাকায় দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণ করতে সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, তেল পাওয়ার আশায় অনেক বাইকার আগের রাত থেকেই পাম্প সংলগ্ন সড়কে অবস্থান করছেন। কেউ কেউ সড়কের পাশে বিছানা পেতে রাত যাপন করছেন, আবার কেউ মোটরসাইকেলের ওপর বা পাশে বসেই সময় পার করছেন।
জানা গেছে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। সীমিত এই বরাদ্দের কারণে অনেক চালক আগেভাগেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন, যাতে অন্তত কিছু জ্বালানি পাওয়া যায়।
একাধিক মোটরসাইকেল চালক জানান, ৩০০ টাকার পরিবর্তে যদি ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হতো, তাহলে তাদের ভোগান্তি কিছুটা কমত। তারা বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও প্রয়োজন অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট এলাকায় অবস্থিত হিলি ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের আশায় রাতভর অপেক্ষা করছেন মোটরসাইকেল চালকরা। সীমিত সরবরাহের কারণে পাম্প এলাকায় দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণ করতে সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, তেল পাওয়ার আশায় অনেক বাইকার আগের রাত থেকেই পাম্প সংলগ্ন সড়কে অবস্থান করছেন। কেউ কেউ সড়কের পাশে বিছানা পেতে রাত যাপন করছেন, আবার কেউ মোটরসাইকেলের ওপর বা পাশে বসেই সময় পার করছেন।
জানা গেছে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকার জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। সীমিত এই বরাদ্দের কারণে অনেক চালক আগেভাগেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন, যাতে অন্তত কিছু জ্বালানি পাওয়া যায়।
একাধিক মোটরসাইকেল চালক জানান, ৩০০ টাকার পরিবর্তে যদি ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হতো, তাহলে তাদের ভোগান্তি কিছুটা কমত। তারা বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও প্রয়োজন অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫১
কিশোরগঞ্জে একটি ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষারতদের লাইনের তোয়াক্কা না করে নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফের হাতে আটক হয়েছেন এক কারারক্ষী।
আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। আটক কারারক্ষীর নাম শিহাব আহমেদ। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে কর্মরত আছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিহাব আহমেদ নম্বরবিহীন একটি কালো মোটরসাইকেল নিয়ে চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসেন। ওই সময় সাধারণ মানুষ দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কারারক্ষী শিহাব আহমেদ সেই লাইন অমান্য করে মোটরসাইকেলে তেল নিতে থাকেন।
ওই সময় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ইউএনও কামরুল হাসান মারুফ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বণ্টন (ডিস্ট্রিবিউশন) কার্যক্রম মনিটরিং করছিলেন। মোটরসাইকেলটিতে কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর না দেখে তিনি কারারক্ষী শিহাব আহমেদকে থামান এবং তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চান। শিহাব আহমেদ মোটরসাইকেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ বলেন, আটক কারারক্ষীকে জেল সুপারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার দিদারুল আলম বলেন, ‘সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি আমাকে অবগত করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’
কিশোরগঞ্জে একটি ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষারতদের লাইনের তোয়াক্কা না করে নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফের হাতে আটক হয়েছেন এক কারারক্ষী।
আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। আটক কারারক্ষীর নাম শিহাব আহমেদ। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে কর্মরত আছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিহাব আহমেদ নম্বরবিহীন একটি কালো মোটরসাইকেল নিয়ে চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসেন। ওই সময় সাধারণ মানুষ দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কারারক্ষী শিহাব আহমেদ সেই লাইন অমান্য করে মোটরসাইকেলে তেল নিতে থাকেন।
ওই সময় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ইউএনও কামরুল হাসান মারুফ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বণ্টন (ডিস্ট্রিবিউশন) কার্যক্রম মনিটরিং করছিলেন। মোটরসাইকেলটিতে কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর না দেখে তিনি কারারক্ষী শিহাব আহমেদকে থামান এবং তাঁর কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চান। শিহাব আহমেদ মোটরসাইকেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ বলেন, আটক কারারক্ষীকে জেল সুপারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার দিদারুল আলম বলেন, ‘সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি আমাকে অবগত করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’