
১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩২
বরগুনার পাথরঘাটায় জামায়াত ইসলামী ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়ে পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির দুই নেতা গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পরে পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের খলিফার হাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মংচেনলা বিষয়টি সকালে নিশ্চিত করেছেন।
গুরুতর আহতরা হলেন, পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সরোয়ার হোসেন ফারুক এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম বেপারি। তাদেরকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খলিফার হাট বাজারের একটি দোকানে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী বসে চা পান ও রাজনৈতিক আলোচনা করছিলেন। এ সময় সেখানে থাকা জামায়াতের কিছু নেতাকর্মীদের সঙ্গে রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে দুই পক্ষের কয়েকজন আহত হন। তবে এ ঘটনায় সরোয়ার হোসেন ফারুক এবং সেলিম বেপারী নামে উপজেলা বিএনপির দুই নেতা গুরুতর আহত হয়। পরে আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে পাথরঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মাসুদুল আলম বলেন, চরদোয়ানী এলাকার ঘটনা এখন পর্যন্ত তেমন কিছু জানতে পারিনি। বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হুমায়ুন হাসান শাহিন বলেন, জামায়াত-শিবিরের অতর্কিত হামলায় আমাদের দুইজন উপজেলা বিএনপির নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল নেওয়া হয়েছে। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও কাপুরুষোচিত ঘটনা। আমার মনে করি, রাজনৈতিক সহনশীল পরিবেশকে নষ্ট করার জন্য এরকম পরিকল্পিত হামলা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মংচেনলা বলেন, চরদুয়ানী এলাকায় জামায়াত ও বিএনপির কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন, তবে বিএনপির দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
বরগুনার পাথরঘাটায় জামায়াত ইসলামী ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়ে পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির দুই নেতা গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পরে পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের খলিফার হাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মংচেনলা বিষয়টি সকালে নিশ্চিত করেছেন।
গুরুতর আহতরা হলেন, পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সরোয়ার হোসেন ফারুক এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম বেপারি। তাদেরকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খলিফার হাট বাজারের একটি দোকানে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী বসে চা পান ও রাজনৈতিক আলোচনা করছিলেন। এ সময় সেখানে থাকা জামায়াতের কিছু নেতাকর্মীদের সঙ্গে রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে দুই পক্ষের কয়েকজন আহত হন। তবে এ ঘটনায় সরোয়ার হোসেন ফারুক এবং সেলিম বেপারী নামে উপজেলা বিএনপির দুই নেতা গুরুতর আহত হয়। পরে আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে পাথরঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মাসুদুল আলম বলেন, চরদোয়ানী এলাকার ঘটনা এখন পর্যন্ত তেমন কিছু জানতে পারিনি। বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হুমায়ুন হাসান শাহিন বলেন, জামায়াত-শিবিরের অতর্কিত হামলায় আমাদের দুইজন উপজেলা বিএনপির নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল নেওয়া হয়েছে। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও কাপুরুষোচিত ঘটনা। আমার মনে করি, রাজনৈতিক সহনশীল পরিবেশকে নষ্ট করার জন্য এরকম পরিকল্পিত হামলা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মংচেনলা বলেন, চরদুয়ানী এলাকায় জামায়াত ও বিএনপির কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন, তবে বিএনপির দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
বরগুনায় বেশি দামে পেট্রোল বিক্রির করায় মো. আবুল বাসার (৪৮) নামে এক ব্যাবসায়ীকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের থেকে লিটার প্রতি ৩০-৪০ টাকা বেশি রাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
রোববার (১৫ মার্চ) বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের পৌর বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন খেজুরতলা নামক এলাকায় ফাহিম স্টোর নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বরগুনার বিভিন্ন এলাকার কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিমভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে অবৈধভাবে বেশি দামে বিক্রি করছেন।
এমন অভিযোগের ভিত্তিতে গোপনে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি করেন। এ সময় সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের পৌর বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন খেজুরতলা নামক এলাকার ব্যবসায়ী আবুল বাসারকে নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় লিটার প্রতি ৩০-৪০ টাকা বেশি দামে পেট্রোল বিক্রি করতে দেখেন তারা।
এ ছাড়া, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে না রেখে পেছনে থাকা বাড়িতে পেট্রোল রেখে বিক্রি করছিলেন তিনি। পরে বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম আইন অনুযায়ী ব্যবসায়ী মো. আবুল বাসারকে ৬ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শেষে বরগুনা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক একটি প্রেক্ষাপটে সারা দেশে জ্বালানি তেলের একটি কৃত্রিম সংকটের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এ সংকট তৈরির চেষ্টা করছেন। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। আমরা সে লক্ষেই জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছি। আশাকরি বরগুনায় কোনো সংকট তৈরি হবে না। অভিযানে অংশ হিসেবেই ব্যবসায়ী মো. আবুল বাসারকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বরগুনায় কেউ যদি কৃত্রিমভাবে জ্বালানি তেলের সংকট সৃষ্টি করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বরগুনাবাসীকে স্বস্তি দিতে এবং জ্বালানি তেল সংকট রোধে যা যা করা প্রয়োজন জেলা প্রশাসন তাই করবেন।
বরগুনায় বেশি দামে পেট্রোল বিক্রির করায় মো. আবুল বাসার (৪৮) নামে এক ব্যাবসায়ীকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের থেকে লিটার প্রতি ৩০-৪০ টাকা বেশি রাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
রোববার (১৫ মার্চ) বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের পৌর বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন খেজুরতলা নামক এলাকায় ফাহিম স্টোর নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বরগুনার বিভিন্ন এলাকার কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিমভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে অবৈধভাবে বেশি দামে বিক্রি করছেন।
এমন অভিযোগের ভিত্তিতে গোপনে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি করেন। এ সময় সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের পৌর বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন খেজুরতলা নামক এলাকার ব্যবসায়ী আবুল বাসারকে নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় লিটার প্রতি ৩০-৪০ টাকা বেশি দামে পেট্রোল বিক্রি করতে দেখেন তারা।
এ ছাড়া, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে না রেখে পেছনে থাকা বাড়িতে পেট্রোল রেখে বিক্রি করছিলেন তিনি। পরে বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম আইন অনুযায়ী ব্যবসায়ী মো. আবুল বাসারকে ৬ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শেষে বরগুনা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক একটি প্রেক্ষাপটে সারা দেশে জ্বালানি তেলের একটি কৃত্রিম সংকটের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এ সংকট তৈরির চেষ্টা করছেন। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। আমরা সে লক্ষেই জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছি। আশাকরি বরগুনায় কোনো সংকট তৈরি হবে না। অভিযানে অংশ হিসেবেই ব্যবসায়ী মো. আবুল বাসারকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বরগুনায় কেউ যদি কৃত্রিমভাবে জ্বালানি তেলের সংকট সৃষ্টি করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বরগুনাবাসীকে স্বস্তি দিতে এবং জ্বালানি তেল সংকট রোধে যা যা করা প্রয়োজন জেলা প্রশাসন তাই করবেন।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫৫
টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল জীবিকা উন্নয়নের লক্ষ্যে কাঁকড়া চাষীদের মাঝে উৎপাদন সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ)-এর অর্থায়নে এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর সহযোগিতায় বাস্তবায়িত (আরএইচএল) প্রকল্পের আওতায় কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) বাস্তবায়নে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা চরদুয়ানী, কাঠালতলী ও পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের ২০ জন কাঁকড়া চাষীদের মাঝে বিভিন্ন উৎপাদন সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয়।
প্রতি উপকারভোগী সদস্য ১৮০ হাত সুপারির গড়া,১টি ডিজিটাল মিটার স্কেল,১টি পিএইচ ও এমোনিয়া টেস্ট কিট,২০০ গজ বেষ্টনী জাল, ৬টি কাঁকড়ার খাঁচা, ১টি ফিড ট্রেসহ মোট ৯ আইটেমের উৎপাদন সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
এই উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পাথরঘাটার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো.হাসিবুল হক, প্রকল্প সমন্বয়কারী আবু বকর ছিদ্দিক, এরিয়া ম্যানেজার আসাদুজ্জামান শেখ, পাথরঘাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অমল তালুকদার ও শফিকুল ইসলাম খোকন।
কাঁকড়া চাষি কৃষ্ণা রানী বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে কাঁকড়া চাষ করি। কিন্তু কোন প্রশিক্ষণ ছিলো না। প্রশিক্ষণসহ উপকরণ পেয়ে আমি কাঁকড়া চাষে আরও উদ্বুদ্ধ হয়েছি।
উপজেলা সমন্বয়কারী আবু বকর বলেন, এই উপকরণগুলো কাঁকড়া চাষীদের টেকসই ও বিজ্ঞানভিত্তিক কাঁকড়া চাষে সহায়তা করবে। স্থানীয় জলবায়ুগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কাঁকড়া চাষ একটি সম্ভাবনাময় বিকল্প জীবিকা হিসেবে কাজ করছে। এই সহায়তা উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি জলবায়ু সহনশীল জীবিকা গড়ে তুলতে অবদান রাখবে যা আরএইচএল প্রকল্পের অন্যতম মূল লক্ষ্য।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাসিবুল হক বলেন, উপকূলে কাঁকড়া চাষ এখন লাভজনক ও টেকসই। প্রকল্পের আওতায় উপকূলীয় অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য জলবায়ু সহনশীল কাঁকড়া চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে চাষীদের মাঝে। কাঁকড়া চাষে উপকূলীয় জনগণের জীবন ও জীবিকায় স্থায়িত্ব আনবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল জীবিকা উন্নয়নের লক্ষ্যে কাঁকড়া চাষীদের মাঝে উৎপাদন সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ)-এর অর্থায়নে এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর সহযোগিতায় বাস্তবায়িত (আরএইচএল) প্রকল্পের আওতায় কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (কোডেক) বাস্তবায়নে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা চরদুয়ানী, কাঠালতলী ও পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের ২০ জন কাঁকড়া চাষীদের মাঝে বিভিন্ন উৎপাদন সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয়।
প্রতি উপকারভোগী সদস্য ১৮০ হাত সুপারির গড়া,১টি ডিজিটাল মিটার স্কেল,১টি পিএইচ ও এমোনিয়া টেস্ট কিট,২০০ গজ বেষ্টনী জাল, ৬টি কাঁকড়ার খাঁচা, ১টি ফিড ট্রেসহ মোট ৯ আইটেমের উৎপাদন সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
এই উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পাথরঘাটার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো.হাসিবুল হক, প্রকল্প সমন্বয়কারী আবু বকর ছিদ্দিক, এরিয়া ম্যানেজার আসাদুজ্জামান শেখ, পাথরঘাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অমল তালুকদার ও শফিকুল ইসলাম খোকন।
কাঁকড়া চাষি কৃষ্ণা রানী বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে কাঁকড়া চাষ করি। কিন্তু কোন প্রশিক্ষণ ছিলো না। প্রশিক্ষণসহ উপকরণ পেয়ে আমি কাঁকড়া চাষে আরও উদ্বুদ্ধ হয়েছি।
উপজেলা সমন্বয়কারী আবু বকর বলেন, এই উপকরণগুলো কাঁকড়া চাষীদের টেকসই ও বিজ্ঞানভিত্তিক কাঁকড়া চাষে সহায়তা করবে। স্থানীয় জলবায়ুগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কাঁকড়া চাষ একটি সম্ভাবনাময় বিকল্প জীবিকা হিসেবে কাজ করছে। এই সহায়তা উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি জলবায়ু সহনশীল জীবিকা গড়ে তুলতে অবদান রাখবে যা আরএইচএল প্রকল্পের অন্যতম মূল লক্ষ্য।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাসিবুল হক বলেন, উপকূলে কাঁকড়া চাষ এখন লাভজনক ও টেকসই। প্রকল্পের আওতায় উপকূলীয় অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য জলবায়ু সহনশীল কাঁকড়া চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে চাষীদের মাঝে। কাঁকড়া চাষে উপকূলীয় জনগণের জীবন ও জীবিকায় স্থায়িত্ব আনবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৪
বরগুনার তালতলীতে গৃহবধূ আছিয়া আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা আছিয়ার চার বছরের শিশু সন্তান উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মৌরভী এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘আছিয়া হত্যার বিচার চাই’ এবং ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন নিহত আছিয়ার বাবা মজিবর জমাদ্দার, চাচা জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, বোন মনিরা বেগম, স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ গ্রামবাসী। বক্তারা অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন আছিয়া আক্তার। সামান্য ঈদের কাপড়চোপড়ের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ যখন মৃতদেহ উদ্ধার করতে যায়, তখনই আসামিরা পালিয়ে যায়, যা প্রমাণ করে তারা প্রকৃতপক্ষে হত্যাকারী।
নিহত আছিয়ার শিশু সন্তান যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিল, তাতে লেখা ছিল, ‘বাবা, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। আমার মা কেন কবরে? প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।’ হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
[125311
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ‘এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী তালতলী থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’
তালতলী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
বরিশাল টাইমস
বরগুনার তালতলীতে গৃহবধূ আছিয়া আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকা আছিয়ার চার বছরের শিশু সন্তান উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মৌরভী এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ছয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘আছিয়া হত্যার বিচার চাই’ এবং ‘হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন নিহত আছিয়ার বাবা মজিবর জমাদ্দার, চাচা জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, বোন মনিরা বেগম, স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ গ্রামবাসী। বক্তারা অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন আছিয়া আক্তার। সামান্য ঈদের কাপড়চোপড়ের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তারা আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানোর চেষ্টা করেছিল। পুলিশ যখন মৃতদেহ উদ্ধার করতে যায়, তখনই আসামিরা পালিয়ে যায়, যা প্রমাণ করে তারা প্রকৃতপক্ষে হত্যাকারী।
নিহত আছিয়ার শিশু সন্তান যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিল, তাতে লেখা ছিল, ‘বাবা, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। আমার মা কেন কবরে? প্রশাসনের কাছে জবাব চাই।’ হৃদয়বিদারক এ দৃশ্য উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে।
[125311
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ‘এর মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী তালতলী থানা ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।’
তালতলী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমরা মামলাটি তদন্ত করছি। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।’
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.