ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালসহ ছয়টি উপজেলার হাসপাতালগুলোতে নেই জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন। বাজারের ফার্মেসিগুলোতেও রয়েছে এর তীব্র সংকট। এতে দুশ্চিন্তায় জেলার প্রায় ২২ লাখ মানুষ।
বুধবার (৪ মার্চ) সকালে হাসপাতালের পুরাতন ভবনের জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের সামনে ভিড় করছেন রোগীরা। কেউ এসেছেন কুকুরের কামড়ে শিকার হয়ে, আবার কেউ এসেছেন বিড়ালের আঁচড়ে শিকার হয়ে।
রোগীদের মধ্যে শিশুসহ নানা বয়সী নারী ও পুরুষ রয়েছেন। কিন্তু হাসপাতালে মিলছে না ভ্যাকসিন। এমনকি বাজারের ফার্মেসিগুলোতেও সচরাচর মিলছে না ভ্যাকসিন। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষোভ রোগী ও স্বজনদের।
দৌলতখান উপজেলা থেকে আসা রোগী মাইনুর আক্তার জানান, আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার সময় একটি কুকুর কামড় দেয়। পরে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভ্যাকসিন দিতে গেলে সেখানে ভ্যাকসিন পাননি।
এরপর ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রেও এসে পাননি ভ্যাকসিন। এখানকার নার্স ও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের হাসপাতালে ভ্যাকসিন নেই। তাই বাইরে থেকে কিনে আনলে তারা ভ্যাকসিন দিয়ে দিতে পারবেন। বাজার থেকে ভ্যাকসিন কিনতে পারলে তো এখানে আসার দরকার ছিল না।
বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে আসা রোগীর স্বজন মো. ফিরোজ আলম জানান, তার শিশু সন্তানকে বিড়াল আঁচড় দিয়েছে।
তিনি বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে সেখানকার চিকিৎসকরা ভ্যাকসিন না থাকায় তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠান। তিনি সদর হাসপাতালে আসলেও এখানেও ভ্যাকসিন পাননি।
তিনি জানান, এত দূর থেকে এসেও ভ্যাকসিন পাননি। সরকারি হাসপাতালে যদি ভ্যাকসিন না থাকে, তাহলে গরিবের চিকিৎসা হয় কীভাবে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে।
ভোলা সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়নের শান্তিরহাট থেকে আসা রোগীর স্বজন জানান, সন্তানকে কুকুরে কামড় দেওয়ার পর ভ্যাকসিন দেওয়াতে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এসেছি। কিন্তু ভ্যাকসিন নেই। পরে বাধ্য হয়ে চারজন মিলে টাকা তুলে একটি ভ্যাকসিন কিনেছি। ওই ভ্যাকসিন দিয়ে বাড়ি ফিরছি।
আরেক রোগীর স্বজন লিমা আক্তার জানান, ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভ্যাকসিন না পেয়ে ভোলার শহরের বেশ কয়েকটি ফার্মেসিতে খোঁজ করে তারপর ভ্যাকসিন পেয়েছেন। ফার্মেসিতেও ভ্যাকসিন সচরাচর পাওয়া যায় না। এ অবস্থায় আমাদের অভিভাবকদের দুশ্চিন্তার শেষ নেই।
ভোলার শহরের স্থানীয় বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. হারুন অর রশিদ জানান, ভোলার শহর থেকে গ্রাম—সব রাস্তা ও বাড়ির আশপাশে বর্তমানে কুকুরের উপদ্রব বেড়েছে।
সঙ্গে কুকুরের আক্রমণও বেড়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, ভোলা সদর হাসপাতালে ভ্যাকসিন নেই। এমনকি ভোলার ফার্মেসিগুলোতেও ভ্যাকসিনের তীব্র সংকট। আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করবো দ্রুত যেন এ সমস্যার সমাধান করেন।
ভোলা সদর রোডের ফার্মেসি ব্যবসায়ী মো. আরিফ ও মো. ইকবাল হোসেন জানান, বিগত দুই মাস ধরে কোম্পানিগুলো আমাদের ভ্যাকসিন চাহিদা অনুযায়ী দিতে পারছে না। আমাদের দৈনিক প্রয়োজন ৫০টি, সেখানে আমাদের সপ্তাহে দেয় ১০-২০টি। তাই আমরাও ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতে পারছি না।
ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. তৈয়বুর রহমান জানান, দুই মাস ধরে ভ্যাকসিন নেই। এতে রোগীদের সেবা দিতে পারছেন না। তবে দ্রুত ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।
এছাড়াও বাজারেও ভ্যাকসিনের সংকট রয়েছে। তাই সবাইকে কুকুর ও বিড়াল থেকে সাবধানে থাকার পাশাপাশি আঁচড় বা কামড় দিলে অন্তত ৩০ মিনিট সাবান-পানিতে ধুয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

৩১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ রোজিনা বেগম। তিনি লালমোহন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো. খোকনের স্ত্রী। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার মো. পলাশ মৃধার ছেলে মো. শাহাদৎ হোসেন (২৪), জুয়েল স্বর্ণকারের ছেলে মো. জুবায়ের (২১) এবং একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. মিলন পাটোয়ারির ছেলে মো. নাঈম (২৪)।
জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেলে রোজিনা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ চরফ্যাশন থেকে সিএনজিযোগে লালমোহনের গজারিয়া বাজার এলাকায় আসেন। সেখান থেকে পৌরসভায় অবস্থিত নিজ বাসায় ফেরার জন্য তিনি একটি অটোরিকশায় ওঠেন। অটোরিকশাটি গজারিয়া নৌকাপট্টিতে পৌঁছালে স্থানীয় মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নাঈম এবং মো. জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন মিলে অটোরিকশার গতিরোধ করে ভেতরে উঠে পড়েন এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর তারা অটোরিকশাটি ঘুরিয়ে সৈনিক বাজার সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে তারা চাকুর ভয় দেখিয়ে ওই গৃহবধূর কান থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া স্বর্ণের কানের রিং, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের এক জোড়া কানের দুল এবং ভেনিটি ব্যাগে থাকা নগদ ৪ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ সময় তারা ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানিও চালান। পরে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ মামলা দায়েরের পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৩
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’
ভোলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভোলা পৌর এলাকার অফিসার পাড়ার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. শাহাবুদ্দিন ফকির (৪৫)। তিনি ভোলা কোর্ট পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাহাবুদ্দিন বরিশাল জেলার গৌরনদী থানা দক্ষিণ বিজয়পুর গ্রামের আদম আলী ফকিরের ছেলে।
ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কনস্টেবল শাহাবুদ্দিন অফিসার পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের নিয়ে থাকতেন। তবে কয়েক দিন আগে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। মঙ্গলবার সকালে কোর্টে ডিউটি ছিলো শাহাবুদ্দিনের। সে ডিউটিতে যোগদান না করায় তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তার বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকসহ ডাকাডাকি করি। তখনও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আগে গত ৪ মে শাহাবুদ্দিনের একমাত্র সন্তান চৌত্রি ওই বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর থেকে শাহাবুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙে পরেন।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৮
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। ঘটনা বুঝতে পেরে বাস নিয়ে চলে যান চালক। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২০
ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালসহ ছয়টি উপজেলার হাসপাতালগুলোতে নেই জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন। বাজারের ফার্মেসিগুলোতেও রয়েছে এর তীব্র সংকট। এতে দুশ্চিন্তায় জেলার প্রায় ২২ লাখ মানুষ।
বুধবার (৪ মার্চ) সকালে হাসপাতালের পুরাতন ভবনের জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের সামনে ভিড় করছেন রোগীরা। কেউ এসেছেন কুকুরের কামড়ে শিকার হয়ে, আবার কেউ এসেছেন বিড়ালের আঁচড়ে শিকার হয়ে।
রোগীদের মধ্যে শিশুসহ নানা বয়সী নারী ও পুরুষ রয়েছেন। কিন্তু হাসপাতালে মিলছে না ভ্যাকসিন। এমনকি বাজারের ফার্মেসিগুলোতেও সচরাচর মিলছে না ভ্যাকসিন। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষোভ রোগী ও স্বজনদের।
দৌলতখান উপজেলা থেকে আসা রোগী মাইনুর আক্তার জানান, আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার সময় একটি কুকুর কামড় দেয়। পরে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভ্যাকসিন দিতে গেলে সেখানে ভ্যাকসিন পাননি।
এরপর ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রেও এসে পাননি ভ্যাকসিন। এখানকার নার্স ও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের হাসপাতালে ভ্যাকসিন নেই। তাই বাইরে থেকে কিনে আনলে তারা ভ্যাকসিন দিয়ে দিতে পারবেন। বাজার থেকে ভ্যাকসিন কিনতে পারলে তো এখানে আসার দরকার ছিল না।
বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে আসা রোগীর স্বজন মো. ফিরোজ আলম জানান, তার শিশু সন্তানকে বিড়াল আঁচড় দিয়েছে।
তিনি বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে সেখানকার চিকিৎসকরা ভ্যাকসিন না থাকায় তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠান। তিনি সদর হাসপাতালে আসলেও এখানেও ভ্যাকসিন পাননি।
তিনি জানান, এত দূর থেকে এসেও ভ্যাকসিন পাননি। সরকারি হাসপাতালে যদি ভ্যাকসিন না থাকে, তাহলে গরিবের চিকিৎসা হয় কীভাবে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে।
ভোলা সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়নের শান্তিরহাট থেকে আসা রোগীর স্বজন জানান, সন্তানকে কুকুরে কামড় দেওয়ার পর ভ্যাকসিন দেওয়াতে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এসেছি। কিন্তু ভ্যাকসিন নেই। পরে বাধ্য হয়ে চারজন মিলে টাকা তুলে একটি ভ্যাকসিন কিনেছি। ওই ভ্যাকসিন দিয়ে বাড়ি ফিরছি।
আরেক রোগীর স্বজন লিমা আক্তার জানান, ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভ্যাকসিন না পেয়ে ভোলার শহরের বেশ কয়েকটি ফার্মেসিতে খোঁজ করে তারপর ভ্যাকসিন পেয়েছেন। ফার্মেসিতেও ভ্যাকসিন সচরাচর পাওয়া যায় না। এ অবস্থায় আমাদের অভিভাবকদের দুশ্চিন্তার শেষ নেই।
ভোলার শহরের স্থানীয় বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. হারুন অর রশিদ জানান, ভোলার শহর থেকে গ্রাম—সব রাস্তা ও বাড়ির আশপাশে বর্তমানে কুকুরের উপদ্রব বেড়েছে।
সঙ্গে কুকুরের আক্রমণও বেড়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, ভোলা সদর হাসপাতালে ভ্যাকসিন নেই। এমনকি ভোলার ফার্মেসিগুলোতেও ভ্যাকসিনের তীব্র সংকট। আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করবো দ্রুত যেন এ সমস্যার সমাধান করেন।
ভোলা সদর রোডের ফার্মেসি ব্যবসায়ী মো. আরিফ ও মো. ইকবাল হোসেন জানান, বিগত দুই মাস ধরে কোম্পানিগুলো আমাদের ভ্যাকসিন চাহিদা অনুযায়ী দিতে পারছে না। আমাদের দৈনিক প্রয়োজন ৫০টি, সেখানে আমাদের সপ্তাহে দেয় ১০-২০টি। তাই আমরাও ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতে পারছি না।
ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. তৈয়বুর রহমান জানান, দুই মাস ধরে ভ্যাকসিন নেই। এতে রোগীদের সেবা দিতে পারছেন না। তবে দ্রুত ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।
এছাড়াও বাজারেও ভ্যাকসিনের সংকট রয়েছে। তাই সবাইকে কুকুর ও বিড়াল থেকে সাবধানে থাকার পাশাপাশি আঁচড় বা কামড় দিলে অন্তত ৩০ মিনিট সাবান-পানিতে ধুয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:০১