
০২ জুন, ২০২৫ ২০:২১
৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর দেশ থেকে পলায়ন করা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস যেদিন চেয়ারে বসেছিলেন সেই তারিখ অনুযায়ী গতকাল রবিবার (১ জুন) পাঁচ বছর পূর্ণ হয়েছে।
যে গেজেটের অধীনে তাকে মেয়র পদে নির্বাচিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি), সেই গেজেট অনুসারে ডিএসসিসির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ফলে মেয়র পদে গেজেট পেলেও মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের।
এ দিকে ইশরাককে শপথ পড়ানোর দাবিতে ১৭ দিন ধরে আন্দোলন করছেন তার সমর্থকরা। ১৪ দিনের বেশি সময় ধরে নগর ভবনে তালা দিয়ে রেখেছেন তারা। আজ সোমবারও নগর ভবনের সামনে অবস্থান নেন ইশরাক সমর্থকরা। এ সময় তারা বলেন, ইশরাক হোসেনকে শপথ না পড়ালে নগর ভবনের তালা খুলতে দেওয়া হবে না। সব মিলিয়ে ধোঁয়াশায় আছেন সংশ্লিষ্টরা।
নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের রায়ে ডিএসসিসির মেয়র ঘোষণা করা হয় বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে। এছাড়া এক মাস আগে সেই অনুযায়ী গেজেটও প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ১২টি বাধার কথা সামনে এনে ইশরাক হোসেনকে শপথ পড়ানোর আয়োজন করেনি।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, সিটি করপোরেশন আইনানুযায়ী নির্বাচিত করপোরেশনের মেয়াদ হচ্ছে প্রথম সভা থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর। ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হয়। তাতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস মেয়র নির্বাচিত হন।
নির্বাচন কমিশন ২ ফেব্রুয়ারি ভোটের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করে। এরপর শপথ নিয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তাপস। তবে ফলাফল বাতিল করে নিজেকে মেয়র হিসেবে ঘোষণা দিতে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন ইশরাক।
ট্রাইব্যুনাল গত ২৭ মার্চ তাকে বিজয়ী ঘোষণা করতে ইসিকে নির্দেশ দিলে ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত গেজেটেই ইশরাকের নাম প্রতিস্থাপন করে সংশোধন আনে গত ২৭ এপ্রিল। এ দিকে তাপস মেয়র হওয়ার পর প্রথম সভা করেন ২০২০ সালের ২ জুন।
আইনানুযায়ী, তখন থেকে পাঁচ বছর হিসাব করলে মেয়াদপূর্ণ করার দিন ২০২৫ সালের ১ জুন। আর তাপসের সময় থেকেই মেয়াদ হিসেব করার পক্ষে মতামত দিচ্ছেন ইসি কর্মকর্তারা। তাদের যুক্তি, ইশরাকের নামে তো নতুন করে গেজেট হয়নি, আগের গেজেটেই কেবল তার নাম প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
পাঁচ বছর আগে ওই নির্বাচনে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র পদে তাপস পেয়েছিলেন সোয়া চার লাখ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ইশরাক পান দুই লাখ ৩৬ হাজার ভোট। নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ফল বাতিল চেয়ে ২০২০ সালের ৩ মার্চ মামলা করেন ইশরাক।
গতকাল রবিবার ইশরাক ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ গণমাধ্যমে বলেন, ‘ইশরাকের ব্যাপারে আদালতের কোনো নির্দেশনা এখনো পাইনি। অবজারভেশন ও নির্দেশনা যেটা আসবে সেই অনুযায়ী আমাদের এখান থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এটাই হচ্ছে আমাদের কাছে সর্বশেষ অবস্থা। আমি আপনাকে আবারো বলছি, কোনো কাগজ না পাওয়া পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দিতে পারবো না। আইনগতভাবে বিষয়টি কোনদিকে গড়াবে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। কমিশনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়ার একটা নির্দিষ্ট পরিস্থিতি আছে। কাজেই কাগজটা আগে হাতে পাই, তখন আইনগত সিদ্ধান্ত।’
এরআগে, গত ২৯ মে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) গেজেটের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে করা লিভ টু আপিল (আপিলর অনুমতি চেয়ে আবেদন) করা হয়েছিল, তা পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে দেন সর্বোচ্চ আদালত।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালত আদেশে বলা হয়, এই মামলা থেকে উদ্ভূত প্রশ্নের সুরাহার বাধ্যবাধকতা সাংবিধানিক এবং আইনগতভাবে নির্বাচন কমিশনের রয়েছে।
তাই সর্বোচ্চ আদালতের এই আদেশের পরও ইশরাক হোসেনের মেয়র পদ নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যায়। শপথ নিয়ে তিনি এই পদে বসতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে তিন পক্ষ তিন ধরনের কথা বলেন।
এদিন আদালতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরেন আইনজীবী ইয়াসিন খান। লিভ টু আপিলের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন- জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা। ইশরাকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এ কে এম এহসানুর রহমান।
আদেশের পর লিভ টু আপিলকারীর আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘পর্যবেক্ষণ দিয়ে আদালত আবেদনটি নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন। আমরা আশা করব নির্বাচন কমিশন এখন যথা শিগগিরই নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে (যে রায়ে ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করা হয়) আপিল দায়ের করবে। আর যদি তা করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আমরা আবার আইনগত ব্যবস্থা নেবো।’
এই আইনজীবী বলেন, ‘রিটের আদেশে হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনকে বলেছেন, যারা পক্ষ ছিল (মামলার) তারা আপিল করতে পারবে। আপিল করার ক্ষেত্রে তাদের যদি নির্ধারিত সময়সীমা নিয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা থাকে, তাহলে সেই বাধ্যবাধকতা মার্জনা করে হলেও তাদের (পক্ষগুলোর) আপিল গ্রহণ করতে হবে। আর আজ আপিল বিভাগ বলে দিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনকে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে।
এখন হাইকোর্ট আর আপিল বিভাগের আদশ একসঙ্গে পড়লে এটাই দাঁড়ায় যে, আপিল বিভাগ নির্বাচন কমিশনকে আপিল করতে বলেছেন। ফলে ইশরাক হোসেনকে এখন আর শপথ পড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। কারণ গেজেটের মেয়াদ শেষ।’
ইশরাকের আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলকারী গেজেট স্থগিত চেয়েছিলেন। আপিল বিভাগ সেটি স্থগিত করেননি। কোর্ট পর্যবেক্ষণ দিয়ে বলেছেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, এ ব্যাপারে ইসিই সিদ্ধান্ত নিবে।
ইসির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনকে আপিল করতে বলেছিল। কিন্তু ইসি চিঠি দিয়ে বলেছে, এই মামলার (নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের মামলা) কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ না। আদালতের আদেশ অনুসারে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। ইসি আপিল করবে না।’
ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে গত ১৪ মে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মামুনুর রশিদ। ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের জারি করা গেজেটের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয় রিটে। সেই সঙ্গে ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করা নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও রিটে চাওয়া হয়।
৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর দেশ থেকে পলায়ন করা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস যেদিন চেয়ারে বসেছিলেন সেই তারিখ অনুযায়ী গতকাল রবিবার (১ জুন) পাঁচ বছর পূর্ণ হয়েছে।
যে গেজেটের অধীনে তাকে মেয়র পদে নির্বাচিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি), সেই গেজেট অনুসারে ডিএসসিসির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ফলে মেয়র পদে গেজেট পেলেও মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের।
এ দিকে ইশরাককে শপথ পড়ানোর দাবিতে ১৭ দিন ধরে আন্দোলন করছেন তার সমর্থকরা। ১৪ দিনের বেশি সময় ধরে নগর ভবনে তালা দিয়ে রেখেছেন তারা। আজ সোমবারও নগর ভবনের সামনে অবস্থান নেন ইশরাক সমর্থকরা। এ সময় তারা বলেন, ইশরাক হোসেনকে শপথ না পড়ালে নগর ভবনের তালা খুলতে দেওয়া হবে না। সব মিলিয়ে ধোঁয়াশায় আছেন সংশ্লিষ্টরা।
নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের রায়ে ডিএসসিসির মেয়র ঘোষণা করা হয় বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে। এছাড়া এক মাস আগে সেই অনুযায়ী গেজেটও প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ১২টি বাধার কথা সামনে এনে ইশরাক হোসেনকে শপথ পড়ানোর আয়োজন করেনি।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, সিটি করপোরেশন আইনানুযায়ী নির্বাচিত করপোরেশনের মেয়াদ হচ্ছে প্রথম সভা থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর। ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হয়। তাতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস মেয়র নির্বাচিত হন।
নির্বাচন কমিশন ২ ফেব্রুয়ারি ভোটের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করে। এরপর শপথ নিয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তাপস। তবে ফলাফল বাতিল করে নিজেকে মেয়র হিসেবে ঘোষণা দিতে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেন ইশরাক।
ট্রাইব্যুনাল গত ২৭ মার্চ তাকে বিজয়ী ঘোষণা করতে ইসিকে নির্দেশ দিলে ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত গেজেটেই ইশরাকের নাম প্রতিস্থাপন করে সংশোধন আনে গত ২৭ এপ্রিল। এ দিকে তাপস মেয়র হওয়ার পর প্রথম সভা করেন ২০২০ সালের ২ জুন।
আইনানুযায়ী, তখন থেকে পাঁচ বছর হিসাব করলে মেয়াদপূর্ণ করার দিন ২০২৫ সালের ১ জুন। আর তাপসের সময় থেকেই মেয়াদ হিসেব করার পক্ষে মতামত দিচ্ছেন ইসি কর্মকর্তারা। তাদের যুক্তি, ইশরাকের নামে তো নতুন করে গেজেট হয়নি, আগের গেজেটেই কেবল তার নাম প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
পাঁচ বছর আগে ওই নির্বাচনে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র পদে তাপস পেয়েছিলেন সোয়া চার লাখ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ইশরাক পান দুই লাখ ৩৬ হাজার ভোট। নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ফল বাতিল চেয়ে ২০২০ সালের ৩ মার্চ মামলা করেন ইশরাক।
গতকাল রবিবার ইশরাক ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ গণমাধ্যমে বলেন, ‘ইশরাকের ব্যাপারে আদালতের কোনো নির্দেশনা এখনো পাইনি। অবজারভেশন ও নির্দেশনা যেটা আসবে সেই অনুযায়ী আমাদের এখান থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এটাই হচ্ছে আমাদের কাছে সর্বশেষ অবস্থা। আমি আপনাকে আবারো বলছি, কোনো কাগজ না পাওয়া পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দিতে পারবো না। আইনগতভাবে বিষয়টি কোনদিকে গড়াবে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। কমিশনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়ার একটা নির্দিষ্ট পরিস্থিতি আছে। কাজেই কাগজটা আগে হাতে পাই, তখন আইনগত সিদ্ধান্ত।’
এরআগে, গত ২৯ মে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) গেজেটের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে করা লিভ টু আপিল (আপিলর অনুমতি চেয়ে আবেদন) করা হয়েছিল, তা পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে দেন সর্বোচ্চ আদালত।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালত আদেশে বলা হয়, এই মামলা থেকে উদ্ভূত প্রশ্নের সুরাহার বাধ্যবাধকতা সাংবিধানিক এবং আইনগতভাবে নির্বাচন কমিশনের রয়েছে।
তাই সর্বোচ্চ আদালতের এই আদেশের পরও ইশরাক হোসেনের মেয়র পদ নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যায়। শপথ নিয়ে তিনি এই পদে বসতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে তিন পক্ষ তিন ধরনের কথা বলেন।
এদিন আদালতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরেন আইনজীবী ইয়াসিন খান। লিভ টু আপিলের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন- জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা। ইশরাকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এ কে এম এহসানুর রহমান।
আদেশের পর লিভ টু আপিলকারীর আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘পর্যবেক্ষণ দিয়ে আদালত আবেদনটি নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন। আমরা আশা করব নির্বাচন কমিশন এখন যথা শিগগিরই নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে (যে রায়ে ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করা হয়) আপিল দায়ের করবে। আর যদি তা করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আমরা আবার আইনগত ব্যবস্থা নেবো।’
এই আইনজীবী বলেন, ‘রিটের আদেশে হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনকে বলেছেন, যারা পক্ষ ছিল (মামলার) তারা আপিল করতে পারবে। আপিল করার ক্ষেত্রে তাদের যদি নির্ধারিত সময়সীমা নিয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা থাকে, তাহলে সেই বাধ্যবাধকতা মার্জনা করে হলেও তাদের (পক্ষগুলোর) আপিল গ্রহণ করতে হবে। আর আজ আপিল বিভাগ বলে দিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনকে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে।
এখন হাইকোর্ট আর আপিল বিভাগের আদশ একসঙ্গে পড়লে এটাই দাঁড়ায় যে, আপিল বিভাগ নির্বাচন কমিশনকে আপিল করতে বলেছেন। ফলে ইশরাক হোসেনকে এখন আর শপথ পড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। কারণ গেজেটের মেয়াদ শেষ।’
ইশরাকের আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলকারী গেজেট স্থগিত চেয়েছিলেন। আপিল বিভাগ সেটি স্থগিত করেননি। কোর্ট পর্যবেক্ষণ দিয়ে বলেছেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, এ ব্যাপারে ইসিই সিদ্ধান্ত নিবে।
ইসির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনকে আপিল করতে বলেছিল। কিন্তু ইসি চিঠি দিয়ে বলেছে, এই মামলার (নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের মামলা) কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ না। আদালতের আদেশ অনুসারে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। ইসি আপিল করবে না।’
ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে গত ১৪ মে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মামুনুর রশিদ। ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনের জারি করা গেজেটের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয় রিটে। সেই সঙ্গে ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করা নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও রিটে চাওয়া হয়।
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৯
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫১

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষ নেবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ বাংলাদেশের জনগণের সিদ্ধান্ত। জনগণ যে সরকার নির্বাচিত করবে, তাদের সঙ্গেই কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এসব কথা বলেন।
এর আগে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না। এই নির্বাচনের ফল কী হবে, তা নির্ধারণ করবেন কেবল বাংলাদেশের জনগণ।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যে সরকারকে নির্বাচিত করবে, আমরা তাদের সঙ্গেই ভবিষ্যতে কাজ করতে প্রস্তুত। নির্বাচন প্রস্তুতি প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশন কীভাবে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, সে বিষয়ে সিইসি তাকে বিস্তারিত অবহিত করেন। এ তথ্যগুলো নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট বলেও জানান।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে তার নিশ্চিতকরণ শুনানির সময় থেকেই তিনি বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আগ্রহী ছিলেন। বলেন, আমি নির্বাচনের দিনটির দিকে তাকিয়ে আছি এবং এর ফলাফল দেখার অপেক্ষায়।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি জানতে পেরেছেন যে নির্বাচনকে একটি উৎসবমুখর দিনে পরিণত করার প্রত্যাশা রয়েছে। আমিও আশা করি, এটি একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হবে, যেখানে বাংলাদেশের জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে। তবে এ সময় জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন কোনো প্রশ্ন নেবেন না জানিয়ে ‘সরি’ বলে চলে যান।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষ নেবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ বাংলাদেশের জনগণের সিদ্ধান্ত। জনগণ যে সরকার নির্বাচিত করবে, তাদের সঙ্গেই কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এসব কথা বলেন।
এর আগে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না। এই নির্বাচনের ফল কী হবে, তা নির্ধারণ করবেন কেবল বাংলাদেশের জনগণ।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যে সরকারকে নির্বাচিত করবে, আমরা তাদের সঙ্গেই ভবিষ্যতে কাজ করতে প্রস্তুত। নির্বাচন প্রস্তুতি প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশন কীভাবে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, সে বিষয়ে সিইসি তাকে বিস্তারিত অবহিত করেন। এ তথ্যগুলো নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট বলেও জানান।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে তার নিশ্চিতকরণ শুনানির সময় থেকেই তিনি বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আগ্রহী ছিলেন। বলেন, আমি নির্বাচনের দিনটির দিকে তাকিয়ে আছি এবং এর ফলাফল দেখার অপেক্ষায়।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি জানতে পেরেছেন যে নির্বাচনকে একটি উৎসবমুখর দিনে পরিণত করার প্রত্যাশা রয়েছে। আমিও আশা করি, এটি একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হবে, যেখানে বাংলাদেশের জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে। তবে এ সময় জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন কোনো প্রশ্ন নেবেন না জানিয়ে ‘সরি’ বলে চলে যান।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৪
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের দিন এবং এর আগে-পরে নির্দিষ্ট কিছু যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির সিদ্ধান্ত অনুসারে, ভোটগ্রহণের দিন ট্রাক, মাইক্রোবাস ও ট্যাক্সি ক্যাবসহ চার ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর তিন দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন পরিচালনা অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এক চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টা ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। অন্যদিকে ১০ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা বা তিনদিন মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
জরুরি সেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে; আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসন। অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সংবাদপত্রের গাড়ি।
জরুরি সেবা যেমন—ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত যানবাহন। বিমানবন্দরে যাওয়া-আসা করার যাত্রী বা আত্মীয়স্বজনের গাড়ি (টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে)।
দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনি এজেন্টের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে একটি গাড়ি (জিপ/কার/মাইক্রোবাস)। টেলিযোগাযোগ সেবায় নিয়োজিত বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এবং আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এছাড়া স্থানীয় বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা চাইলে আরও কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবেন বা শিথিল করতে পারবেন।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের দিন এবং এর আগে-পরে নির্দিষ্ট কিছু যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির সিদ্ধান্ত অনুসারে, ভোটগ্রহণের দিন ট্রাক, মাইক্রোবাস ও ট্যাক্সি ক্যাবসহ চার ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর তিন দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন পরিচালনা অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এক চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টা ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। অন্যদিকে ১০ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা বা তিনদিন মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
জরুরি সেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে; আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসন। অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সংবাদপত্রের গাড়ি।
জরুরি সেবা যেমন—ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত যানবাহন। বিমানবন্দরে যাওয়া-আসা করার যাত্রী বা আত্মীয়স্বজনের গাড়ি (টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে)।
দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনি এজেন্টের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে একটি গাড়ি (জিপ/কার/মাইক্রোবাস)। টেলিযোগাযোগ সেবায় নিয়োজিত বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এবং আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এছাড়া স্থানীয় বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা চাইলে আরও কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবেন বা শিথিল করতে পারবেন।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৯
রমজান মাসকে সামনে রেখে সরকার প্রায় ১৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এক কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল কিনবে বলে জানা গেছে।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে দেশের ২টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল প্যাকেজের ১০টি লটের ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮৫ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
সুপার অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৯২ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি লিটারের দাম পড়বে ১৮৫ টাকা ৯৫ পয়সা।
এছাড়া শবনম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড থেকে টিসিবির জন্য আরো ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনা হবে । এতে মোট ব্যয় হবে ৯২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। প্রতি লিটারের দাম পড়বে ১৮৫ টাকা ৯০ পয়সা। সভায় সয়াবিন তেল ছাড়াও সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।
রমজান মাসকে সামনে রেখে সরকার প্রায় ১৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এক কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল কিনবে বলে জানা গেছে।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে দেশের ২টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল প্যাকেজের ১০টি লটের ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮৫ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
সুপার অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৯২ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি লিটারের দাম পড়বে ১৮৫ টাকা ৯৫ পয়সা।
এছাড়া শবনম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড থেকে টিসিবির জন্য আরো ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনা হবে । এতে মোট ব্যয় হবে ৯২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। প্রতি লিটারের দাম পড়বে ১৮৫ টাকা ৯০ পয়সা। সভায় সয়াবিন তেল ছাড়াও সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.