
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৩৯
ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, আমি সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিসে এসে আশাহত হয়েছি। কারণ সকাল ৯টায় অফিস খোলার কথা থাকলেও সেটা হয়নি।
দেখলাম একজন কর্মকর্তা পৌনে দশটা এবং আরেকজন দশটার পড়ে এসেছেন। এ ব্যাপারে আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নিবো।
আমাদের সরকার জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সরকার অর্থাৎ জনগণের সরকার। আমরা চেয়ারে বসা মাত্রই অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করার কথা বলেছি।
বুধবার (৪ মার্চ) সকালে ভূমি অফিস পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারা বাংলাদেশের প্রতিটি ভূমি অফিস প্রশ্নবিদ্ধ। মানুষের অভাব, অভিযোগসহ অনেক কিছুই রয়েছে। বিশেষ করে দুর্নীতির অভিযোগ এক নম্বরে রয়েছে।
তাই প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা বিষয়গুলো তদন্ত করার চেষ্টা করছি। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা এখানে এসে দেখতে পেয়েছি যে ভূমি অফিসের সেবাদানকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেবা গ্রহীতাদের ব্যাপক গ্যাপ কাজ করছে।
এখানকার কর্মকর্তারা সেবা গ্রহীতাদের সঠিকভাবে জানাচ্ছে না যে কোন কাজটায় কতটা সময় লাগতে পারে অর্থাৎ তাদের মধ্যে গ্যাপ অনেক। এককথায় বলাচলে আমলাতান্ত্রিক যে মনোভাব এটা এখনো বিরাজমান।
মূলত প্রজাতন্ত্রে কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে জনগণের সঙ্গে যে সম্পৃক্ততা থাকার কথা সেটা হয়ে উঠছে না। সেইসব বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখবো।
আজ পরিদর্শনে এসে যে সমস্যাগুলো চোখে পড়েছে সেগুলো বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নিবো। আমাদের এই পরিদর্শনের কার্যক্রম সারাদেশে অব্যাহত থাকবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
এর আগে সকাল ৯টার আগ মুহূর্তে আকস্মিক কাউকে না জানিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
পরিদর্শনে গিয়ে তিনি দেখতে পান যে সরকারি নির্ধারিত সময়ে কার্যালয়ে কর্মরত কোনো কর্মকর্তা কর্মচারী এসে পৌঁছাননি এবং অফিসও তালাবদ্ধ ছিল। প্রায় ৩০ মিনিট অপেক্ষার পর কেউ একজন এসে কার্যালয়ের তালা খুলে দিলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করেন।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, আমি সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিসে এসে আশাহত হয়েছি। কারণ সকাল ৯টায় অফিস খোলার কথা থাকলেও সেটা হয়নি।
দেখলাম একজন কর্মকর্তা পৌনে দশটা এবং আরেকজন দশটার পড়ে এসেছেন। এ ব্যাপারে আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নিবো।
আমাদের সরকার জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সরকার অর্থাৎ জনগণের সরকার। আমরা চেয়ারে বসা মাত্রই অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করার কথা বলেছি।
বুধবার (৪ মার্চ) সকালে ভূমি অফিস পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারা বাংলাদেশের প্রতিটি ভূমি অফিস প্রশ্নবিদ্ধ। মানুষের অভাব, অভিযোগসহ অনেক কিছুই রয়েছে। বিশেষ করে দুর্নীতির অভিযোগ এক নম্বরে রয়েছে।
তাই প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা বিষয়গুলো তদন্ত করার চেষ্টা করছি। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা এখানে এসে দেখতে পেয়েছি যে ভূমি অফিসের সেবাদানকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেবা গ্রহীতাদের ব্যাপক গ্যাপ কাজ করছে।
এখানকার কর্মকর্তারা সেবা গ্রহীতাদের সঠিকভাবে জানাচ্ছে না যে কোন কাজটায় কতটা সময় লাগতে পারে অর্থাৎ তাদের মধ্যে গ্যাপ অনেক। এককথায় বলাচলে আমলাতান্ত্রিক যে মনোভাব এটা এখনো বিরাজমান।
মূলত প্রজাতন্ত্রে কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে জনগণের সঙ্গে যে সম্পৃক্ততা থাকার কথা সেটা হয়ে উঠছে না। সেইসব বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখবো।
আজ পরিদর্শনে এসে যে সমস্যাগুলো চোখে পড়েছে সেগুলো বিধি অনুসারে ব্যবস্থা নিবো। আমাদের এই পরিদর্শনের কার্যক্রম সারাদেশে অব্যাহত থাকবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
এর আগে সকাল ৯টার আগ মুহূর্তে আকস্মিক কাউকে না জানিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
পরিদর্শনে গিয়ে তিনি দেখতে পান যে সরকারি নির্ধারিত সময়ে কার্যালয়ে কর্মরত কোনো কর্মকর্তা কর্মচারী এসে পৌঁছাননি এবং অফিসও তালাবদ্ধ ছিল। প্রায় ৩০ মিনিট অপেক্ষার পর কেউ একজন এসে কার্যালয়ের তালা খুলে দিলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করেন।

২১ জুন, ২০২৬ ১৯:২৬
সিলেটে দুই ওলি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনতে কাজ শুরুর আলোচিত ঘটনার মধ্যে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সিলেট জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে বর্তমান পদ থেকে প্রত্যাহারপূর্বক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘উপসচিব (সংযুক্ত)’ পদে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হলো।
জনস্বার্থে জারীকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এমন এক সময় মো. সারওয়ার আলমের বদলির আদেশ এলো, যখন সিলেটে দুই ওলির মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনতে জেলা প্রশাসনের নানা পদক্ষেপ দেশ-বিদেশে আলোচিত হচ্ছে। এমন পদক্ষেপের পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
বেশির ভাগ মানুষ প্রশাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। এ রকম সময় এমন সিদ্ধান্ত নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত ১২ জুন শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার পরিদর্শনে যান সিলেটে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সেদিনই দরগাহের দানবাক্সগুলোতে তালা দেওয়া হয়।
এরপর ১৮ জুন বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুদ রানার উপস্থিতিতে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের তিনটি ডেগ সিলগালা করা হয়। পাশাপাশি নতুন দানবাক্স স্থাপন করে নিরাপত্তার জন্য আনসার সদস্যও নিয়োজিত করা হয়।
এর এক দিন পর ২০ জুন শনিবার বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাজার প্রাঙ্গণে দান বাক্সের ওপরে ও ডেগে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়।
এর আগের দিন ১৯ জুন শুক্রবার জুমার নামাজের আগে শাহপরান (রহ.) মাজার পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। এ সময় তিনি শাহপরান (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাজার এলাকায় মদ ও গাঁজার আসর বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান।
যদিও জেলা প্রশাসনের এসব উদ্যোগকে বাড়াবাড়ি ও জোরজবরদস্তি আখ্যায়িত করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাজারসংশ্লিষ্টরা। এ রকম পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসকের বদলির আদেশ নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

২১ জুন, ২০২৬ ১৭:০১
সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু সই করা এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।
গত বছরের ২১ আগস্ট সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেছিলেন সারওয়ার আলম। মাজারগুলোতে যেন মদ-গাঁজার আসর না বসে: সিলেটের ডিসি সারওয়ার
২৭তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সারওয়ার আলম র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আলোচিত ছিলেন। সিনিয়র সহকারী সচিব পদে থাকাকালীন র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে তিন শতাধিক ভেজালবিরোধী অভিযান চালিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত ছিলেন তিনি। ভেজাল, অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আলোচিত এবং মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
হঠাৎ ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর তাকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়।তিনবার বঞ্চিত হওয়ার পর ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট উপসচিব পদে পদোন্নতি পান তিনি। এর আগে তিনি বঞ্চিত হলে নিজের ক্ষোভ জানিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন।
স্ট্যাটাস দেওয়ার বিষয়টিকে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করে আওয়ামী লীগ সরকার তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে ‘তিরস্কার’র শাস্তি দেয়। ২০২২ সালের মে মাসে তাকে শাস্তি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

২১ জুন, ২০২৬ ১৬:১৫
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাছ ধরতে গিয়ে ডোবার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের বিপিনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু হলো বিপিনপুর গ্রামের মো. আলম হাওলাদারের মেয়ে মেহেরিমা (৮) এবং একই এলাকার ভাড়াটিয়া আল-আমিনের মেয়ে নাজিয়া (৭)। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে দুই শিশু মাছ ধরার বড়শি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়।
দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পূর্বপাশে একটি ডোবার পানিতে মাছ ধরার ছিপ ভাসতে দেখে সন্দেহ হয়।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ডোবায় তল্লাশি চালিয়ে দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাছ ধরার সময় অসাবধানতাবশত তারা ডোবার পানিতে পড়ে যায়। সাঁতার না জানার কারণে পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল বাতেন জানান, দুপুর ২টার দিকে দুই শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছিল। এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে এটি পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বলে জানা গেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
সিলেটে দুই ওলি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনতে কাজ শুরুর আলোচিত ঘটনার মধ্যে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সিলেট জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে বর্তমান পদ থেকে প্রত্যাহারপূর্বক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘উপসচিব (সংযুক্ত)’ পদে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হলো।
জনস্বার্থে জারীকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এমন এক সময় মো. সারওয়ার আলমের বদলির আদেশ এলো, যখন সিলেটে দুই ওলির মাজারের আয়-ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনতে জেলা প্রশাসনের নানা পদক্ষেপ দেশ-বিদেশে আলোচিত হচ্ছে। এমন পদক্ষেপের পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
বেশির ভাগ মানুষ প্রশাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। এ রকম সময় এমন সিদ্ধান্ত নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত ১২ জুন শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার পরিদর্শনে যান সিলেটে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সেদিনই দরগাহের দানবাক্সগুলোতে তালা দেওয়া হয়।
এরপর ১৮ জুন বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুদ রানার উপস্থিতিতে হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের তিনটি ডেগ সিলগালা করা হয়। পাশাপাশি নতুন দানবাক্স স্থাপন করে নিরাপত্তার জন্য আনসার সদস্যও নিয়োজিত করা হয়।
এর এক দিন পর ২০ জুন শনিবার বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাজার প্রাঙ্গণে দান বাক্সের ওপরে ও ডেগে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়।
এর আগের দিন ১৯ জুন শুক্রবার জুমার নামাজের আগে শাহপরান (রহ.) মাজার পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। এ সময় তিনি শাহপরান (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাজার এলাকায় মদ ও গাঁজার আসর বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান।
যদিও জেলা প্রশাসনের এসব উদ্যোগকে বাড়াবাড়ি ও জোরজবরদস্তি আখ্যায়িত করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাজারসংশ্লিষ্টরা। এ রকম পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসকের বদলির আদেশ নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু সই করা এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।
গত বছরের ২১ আগস্ট সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেছিলেন সারওয়ার আলম। মাজারগুলোতে যেন মদ-গাঁজার আসর না বসে: সিলেটের ডিসি সারওয়ার
২৭তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সারওয়ার আলম র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আলোচিত ছিলেন। সিনিয়র সহকারী সচিব পদে থাকাকালীন র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে তিন শতাধিক ভেজালবিরোধী অভিযান চালিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত ছিলেন তিনি। ভেজাল, অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আলোচিত এবং মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
হঠাৎ ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর তাকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়।তিনবার বঞ্চিত হওয়ার পর ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট উপসচিব পদে পদোন্নতি পান তিনি। এর আগে তিনি বঞ্চিত হলে নিজের ক্ষোভ জানিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন।
স্ট্যাটাস দেওয়ার বিষয়টিকে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করে আওয়ামী লীগ সরকার তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে ‘তিরস্কার’র শাস্তি দেয়। ২০২২ সালের মে মাসে তাকে শাস্তি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাছ ধরতে গিয়ে ডোবার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের বিপিনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু হলো বিপিনপুর গ্রামের মো. আলম হাওলাদারের মেয়ে মেহেরিমা (৮) এবং একই এলাকার ভাড়াটিয়া আল-আমিনের মেয়ে নাজিয়া (৭)। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে দুই শিশু মাছ ধরার বড়শি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়।
দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পূর্বপাশে একটি ডোবার পানিতে মাছ ধরার ছিপ ভাসতে দেখে সন্দেহ হয়।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ডোবায় তল্লাশি চালিয়ে দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাছ ধরার সময় অসাবধানতাবশত তারা ডোবার পানিতে পড়ে যায়। সাঁতার না জানার কারণে পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল বাতেন জানান, দুপুর ২টার দিকে দুই শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছিল। এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে এটি পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বলে জানা গেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।