
০৪ মে, ২০২৬ ১৯:৫১
দেশে হাম পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে ১৭ শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে দুইজন এবং উপসর্গ নিয়ে মারা যায় ১৫ শিশু। এর আগে একদিনে এতসংখ্যক শিশুর মৃত্যু হয়নি।
সোমবার (৪ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো হাম সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, হাম নিয়ে গত একদিনে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৪৫৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩০২ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৪১ হাজার ৭৯৩ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৫৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা পাঁচ হাজার ৪৬৭ জন। ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮ হাজার ৮৪২ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৫ হাজার ১৫১ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ২৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে আশপাশের অনেকেই সহজেই সংক্রমিত হতে পারে। প্রথম দিকে জ্বর, সর্দি, কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, এসব উপসর্গ দেখা দেয়। সাধারণত তিন থেকে চার দিন পর শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা র্যাশ ওঠে, যা হামের প্রধান লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত।
দেশে হাম পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে ১৭ শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে দুইজন এবং উপসর্গ নিয়ে মারা যায় ১৫ শিশু। এর আগে একদিনে এতসংখ্যক শিশুর মৃত্যু হয়নি।
সোমবার (৪ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো হাম সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, হাম নিয়ে গত একদিনে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৪৫৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩০২ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৪১ হাজার ৭৯৩ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৫৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা পাঁচ হাজার ৪৬৭ জন। ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৮ হাজার ৮৪২ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৫ হাজার ১৫১ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ২৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে আশপাশের অনেকেই সহজেই সংক্রমিত হতে পারে। প্রথম দিকে জ্বর, সর্দি, কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, এসব উপসর্গ দেখা দেয়। সাধারণত তিন থেকে চার দিন পর শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা র্যাশ ওঠে, যা হামের প্রধান লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত।

০৩ মে, ২০২৬ ১৫:১২
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সততা, মেধা ও দক্ষতাই হবে জনপ্রশাসনে পদায়ন ও বদলির নীতি। তিনি বলেন, জনপ্রশাসনের প্রতিটি পদকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভাবুন। দেশের যেকোনো স্থানে দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত রাখুন।
রোববার (৩ মে) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার যেমন চিরস্থায়ী নয়, তেমনি জনপ্রশাসনের কোনো পদও চিরস্থায়ী নয়। দেশে দারিদ্র্য বেড়েছে, বেকারত্ব বেড়েছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে ধংস করা হয়েছে। তবে জনগণের দুর্ভোগ না বাড়িয়ে সমাধানের পথ খোঁজার চেষ্টা করছে সরকার।
একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তারেক রহমান জানান, নির্বাচনি ইশতেহার ও জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের সব কিছু পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি জেলা প্রশাসকদের প্রতি সন্ধ্যা ৭টার পর মার্কেট-শপিংমলে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বনের বিষয়ে নজর রাখার আহ্বান জানান। এদিন সকাল সোয়া ১০টার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে নিজ দফতর থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সম্মেলনস্থলে পৌঁছান। এ সময় রাস্তার দুই ধারে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানান এবং প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে তাদের অভিবাদনের জবাব দেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনের প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও আওতাধীন সংস্থা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং আইন মন্ত্রণালয় বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দিনের অধিবেশন শেষে ডিসিরা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
দ্বিতীয় দিনে (সোমবার, ৪ মে) অর্থ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ-সম্পর্কিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। একই দিনে জাতীয় সংসদ ভবনে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন ডিসিরা।
তৃতীয় দিনে (মঙ্গলবার, ৫ মে) সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সম্পর্কে আলোচনা হবে। একই দিনে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ভবনে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ডিসিরা। এদিন নির্বাচন কমিশন-সংক্রান্ত বিষয়েও আলোচনার কথা রয়েছে।
সম্মেলনের শেষ দিনে (বুধবার, ৬ মে) স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এদিন রাতে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভায় ডিসিসহ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাতের খাবার খাবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সততা, মেধা ও দক্ষতাই হবে জনপ্রশাসনে পদায়ন ও বদলির নীতি। তিনি বলেন, জনপ্রশাসনের প্রতিটি পদকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভাবুন। দেশের যেকোনো স্থানে দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত রাখুন।
রোববার (৩ মে) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার যেমন চিরস্থায়ী নয়, তেমনি জনপ্রশাসনের কোনো পদও চিরস্থায়ী নয়। দেশে দারিদ্র্য বেড়েছে, বেকারত্ব বেড়েছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে ধংস করা হয়েছে। তবে জনগণের দুর্ভোগ না বাড়িয়ে সমাধানের পথ খোঁজার চেষ্টা করছে সরকার।
একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তারেক রহমান জানান, নির্বাচনি ইশতেহার ও জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের সব কিছু পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি জেলা প্রশাসকদের প্রতি সন্ধ্যা ৭টার পর মার্কেট-শপিংমলে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বনের বিষয়ে নজর রাখার আহ্বান জানান। এদিন সকাল সোয়া ১০টার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে নিজ দফতর থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সম্মেলনস্থলে পৌঁছান। এ সময় রাস্তার দুই ধারে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানান এবং প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে তাদের অভিবাদনের জবাব দেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনের প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও আওতাধীন সংস্থা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং আইন মন্ত্রণালয় বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দিনের অধিবেশন শেষে ডিসিরা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
দ্বিতীয় দিনে (সোমবার, ৪ মে) অর্থ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ-সম্পর্কিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। একই দিনে জাতীয় সংসদ ভবনে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন ডিসিরা।
তৃতীয় দিনে (মঙ্গলবার, ৫ মে) সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সম্পর্কে আলোচনা হবে। একই দিনে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ভবনে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ডিসিরা। এদিন নির্বাচন কমিশন-সংক্রান্ত বিষয়েও আলোচনার কথা রয়েছে।
সম্মেলনের শেষ দিনে (বুধবার, ৬ মে) স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এদিন রাতে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভায় ডিসিসহ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাতের খাবার খাবেন।

০১ মে, ২০২৬ ১৩:০২
পঞ্জিকার পাতায় আজ ১ মে, মহান মে দিবস। বিশ্বজুড়ে যখন শ্রমিকের অধিকার ও মর্যাদার জয়গান গাওয়া হচ্ছে, তখন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের ধানকাটা শ্রমিকদের জীবনে এর কোনো প্রতিফলন নেই। জীবন ও জীবিকার কঠিন বাস্তবতায় এই বিশেষ দিনটিতেও মাঠেই ঘাম ঝরাচ্ছেন তারা। তাদের কাছে মে দিবস মানে ছুটি নয়, বরং পরিবারের মুখে অন্ন জোগানোর আরও একটি কর্মব্যস্ত দিন।
শুক্রবার (১ মে) ভোরে সূর্য ওঠার আগেই রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া বাজারে শত শত শ্রমিকের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে ওঠে। বোরো ধান কাটার এই ভরা মৌসুমে জমির মালিকদের সঙ্গে শ্রমিকদের চলে মজুরির দরদাম। শুধু রায়গঞ্জ নয়, আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা গৃহস্থরাও এখানে ভিড় জমান ধানকাটার লোক সংগ্রহ করতে।
ধানকাটা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এটিই তাদের বছরের প্রধান উপার্জনের সময়। সামনেই বর্ষা মৌসুম শুরু হবে, তখন কাজ কমে যাওয়ার শঙ্কা থাকে। তাই বৈশাখের এই দিনগুলোতে এক মুহূর্তও বসে থাকার সুযোগ নেই তাদের। তাদের কাছে মে দিবসের তাৎপর্যের চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে আগাম বৃষ্টির আগে মাঠের পাকা ধান ঘরে তোলা।
মাঠে কর্মরত একাধিক শ্রমিক জানান, মে দিবস বা অন্য কোনো ছুটির দিন তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটায় না। একবেলা কাজ না করলে ঘরে উনুন জ্বলে না অনেকের।
তাদের ভাষায়, দিবস দিয়া তো পেট ভরব না। আমরা কামলা মানুষ, কাম না করলে খামু কী? দিবস আমাগো খাবার জোগাবে না, তাই কাজই আমাগো আসল।
রায়গঞ্জের দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠে যখন শ্রমিকদের ঘাম ঝরছে, তখন তাদের কাছে মে দিবস মানে কেবলই রোদে পুড়ে কিংবা বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করে যাওয়া। অধিকার বা ছুটির চেয়ে এক মুঠো ভাতের নিশ্চয়তাই এই শ্রমজীবী মানুষের কাছে বড় বাস্তবতা।
পঞ্জিকার পাতায় আজ ১ মে, মহান মে দিবস। বিশ্বজুড়ে যখন শ্রমিকের অধিকার ও মর্যাদার জয়গান গাওয়া হচ্ছে, তখন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের ধানকাটা শ্রমিকদের জীবনে এর কোনো প্রতিফলন নেই। জীবন ও জীবিকার কঠিন বাস্তবতায় এই বিশেষ দিনটিতেও মাঠেই ঘাম ঝরাচ্ছেন তারা। তাদের কাছে মে দিবস মানে ছুটি নয়, বরং পরিবারের মুখে অন্ন জোগানোর আরও একটি কর্মব্যস্ত দিন।
শুক্রবার (১ মে) ভোরে সূর্য ওঠার আগেই রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া বাজারে শত শত শ্রমিকের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে ওঠে। বোরো ধান কাটার এই ভরা মৌসুমে জমির মালিকদের সঙ্গে শ্রমিকদের চলে মজুরির দরদাম। শুধু রায়গঞ্জ নয়, আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা গৃহস্থরাও এখানে ভিড় জমান ধানকাটার লোক সংগ্রহ করতে।
ধানকাটা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এটিই তাদের বছরের প্রধান উপার্জনের সময়। সামনেই বর্ষা মৌসুম শুরু হবে, তখন কাজ কমে যাওয়ার শঙ্কা থাকে। তাই বৈশাখের এই দিনগুলোতে এক মুহূর্তও বসে থাকার সুযোগ নেই তাদের। তাদের কাছে মে দিবসের তাৎপর্যের চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে আগাম বৃষ্টির আগে মাঠের পাকা ধান ঘরে তোলা।
মাঠে কর্মরত একাধিক শ্রমিক জানান, মে দিবস বা অন্য কোনো ছুটির দিন তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটায় না। একবেলা কাজ না করলে ঘরে উনুন জ্বলে না অনেকের।
তাদের ভাষায়, দিবস দিয়া তো পেট ভরব না। আমরা কামলা মানুষ, কাম না করলে খামু কী? দিবস আমাগো খাবার জোগাবে না, তাই কাজই আমাগো আসল।
রায়গঞ্জের দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠে যখন শ্রমিকদের ঘাম ঝরছে, তখন তাদের কাছে মে দিবস মানে কেবলই রোদে পুড়ে কিংবা বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করে যাওয়া। অধিকার বা ছুটির চেয়ে এক মুঠো ভাতের নিশ্চয়তাই এই শ্রমজীবী মানুষের কাছে বড় বাস্তবতা।

০১ মে, ২০২৬ ১২:৫০
মহান মে দিবস—শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের দিন। অথচ এই দিনেও বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কাজের আশায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে হাজারো দিনমজুরকে। পেটের তাগিদে তাদের কাছে দিবসটির কোনো আলাদা গুরুত্ব নেই।
শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর মিরপুর, ফকিরাপুল, বাড্ডা, রামপুরা ও নতুন বাজার এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, ভোর থেকেই শ্রমিকরা কাজের সন্ধানে জড়ো হয়েছেন। কারও হাতে কোদাল, কারও হাতে হাতুড়ি বা ঝুড়ি—কাজের আশায় অপেক্ষা করছেন তারা।
মিরপুর ১ নম্বর মুক্তবাংলা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে প্রতিদিনের মতো সকাল সাতটার পর থেকেই ভিড় বাড়তে থাকে। আটটার মধ্যে শতাধিক শ্রমিক জড়ো হন। রাজমিস্ত্রি, জোগালি, রংমিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রি ও সাধারণ দিনমজুররা কাজের অপেক্ষায় থাকলেও সবার ভাগ্যে কাজ জোটে না।
রংমিস্ত্রি কামাল মিয়া বলেন, শ্রমিকের সংখ্যা বেড়েছে, কিন্তু কাজ বাড়েনি। ফলে দুই-তিন দিন অপেক্ষা করে একদিন কাজ পাওয়া এখন স্বাভাবিক হয়ে গেছে।ফকিরাপুল পানির ট্যাংকের পাশেও একই চিত্র। প্রতিদিন ৩০০–৪০০ শ্রমিক এখানে জড়ো হন। তবে সপ্তাহে তিন-চার দিন বেকার থাকতে হচ্ছে অধিকাংশকেই। কেউ কেউ টানা এক সপ্তাহও কাজ পাচ্ছেন না।
কামরাঙ্গীরচর থেকে আসা দিনমজুর আল আমিন জানান, প্রতিদিন ভোরে এসে দাঁড়ালেও অনেক দিন কাজ পান না। মাসে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার বেশি আয় হয় না, অথচ সংসারের খরচ ১৬–১৮ হাজার টাকা। ফলে ধার-দেনা করেই চলতে হচ্ছে।
টাইলস মিস্ত্রি সোহাগ মিয়া বলেন, নির্মাণকাজে মন্দার কারণে তাদের কাজ কমে গেছে। বাধ্য হয়ে পরিবারকে গ্রামে পাঠিয়ে দিয়ে তিনি এখন ঢাকায় মেসে থাকেন। কাজ পেলেই টাকা পাঠান, না হলে খরচ চালানোই কঠিন হয়ে পড়ে।
নারী শ্রমিকদের অবস্থাও ভিন্ন নয়। মিরপুর এলাকায় প্রতিদিন ৩০–৪০ জন নারী শ্রমিক কাজের আশায় আসেন। জামিলা খাতুন জানান, সপ্তাহে দুই-তিন দিন কাজ পান। মাসে সাত-আট হাজার টাকার বেশি আয় হয় না, যা দিয়ে সংসার চালানো কষ্টকর।
বাড্ডা এলাকায় হোসেন মিয়া নামে এক শ্রমিক জানান, টানা কয়েক দিন বেকার থাকার পর কাজ পাওয়া যায়। তবে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় নিয়মিত কাজ পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে।
এদিকে বৃষ্টির মধ্যেও সকাল থেকে প্রায় দুই হাজার শ্রমিক বিভিন্ন এলাকায় কাজের আশায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। তারা জানান, কাজ না পেলে সেদিনের খাবার জোটে না। শ্রমবাজারে মজুরিও নির্ভর করছে দরকষাকষির ওপর। সকালে যেখানে ৪০০–৬০০ টাকা মজুরি পাওয়া যায়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমে ৩০০ টাকায় নেমে আসে।
তাদের অভিযোগ, দ্রব্যমূল্য বাড়লেও আয় বাড়েনি। বরং কাজ কমে যাওয়ায় আয় আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। নির্মাণ খাতে মন্দা, গ্রাম থেকে শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং অটোরিকশার কারণে ভ্যানচালকদের আয় কমে যাওয়াসহ নানা কারণে তারা চাপে রয়েছেন।
১৮৮৬ সালের শিকাগোর হে মার্কেট আন্দোলনের স্মরণে পালিত মে দিবস শ্রমিক অধিকারের প্রতীক হলেও বাস্তবে দেশের অনেক দিনমজুরের কাছে এটি অন্য দিনের মতোই সংগ্রামের দিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মহান মে দিবস—শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের দিন। অথচ এই দিনেও বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কাজের আশায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে হাজারো দিনমজুরকে। পেটের তাগিদে তাদের কাছে দিবসটির কোনো আলাদা গুরুত্ব নেই।
শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর মিরপুর, ফকিরাপুল, বাড্ডা, রামপুরা ও নতুন বাজার এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, ভোর থেকেই শ্রমিকরা কাজের সন্ধানে জড়ো হয়েছেন। কারও হাতে কোদাল, কারও হাতে হাতুড়ি বা ঝুড়ি—কাজের আশায় অপেক্ষা করছেন তারা।
মিরপুর ১ নম্বর মুক্তবাংলা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে প্রতিদিনের মতো সকাল সাতটার পর থেকেই ভিড় বাড়তে থাকে। আটটার মধ্যে শতাধিক শ্রমিক জড়ো হন। রাজমিস্ত্রি, জোগালি, রংমিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রি ও সাধারণ দিনমজুররা কাজের অপেক্ষায় থাকলেও সবার ভাগ্যে কাজ জোটে না।
রংমিস্ত্রি কামাল মিয়া বলেন, শ্রমিকের সংখ্যা বেড়েছে, কিন্তু কাজ বাড়েনি। ফলে দুই-তিন দিন অপেক্ষা করে একদিন কাজ পাওয়া এখন স্বাভাবিক হয়ে গেছে।ফকিরাপুল পানির ট্যাংকের পাশেও একই চিত্র। প্রতিদিন ৩০০–৪০০ শ্রমিক এখানে জড়ো হন। তবে সপ্তাহে তিন-চার দিন বেকার থাকতে হচ্ছে অধিকাংশকেই। কেউ কেউ টানা এক সপ্তাহও কাজ পাচ্ছেন না।
কামরাঙ্গীরচর থেকে আসা দিনমজুর আল আমিন জানান, প্রতিদিন ভোরে এসে দাঁড়ালেও অনেক দিন কাজ পান না। মাসে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার বেশি আয় হয় না, অথচ সংসারের খরচ ১৬–১৮ হাজার টাকা। ফলে ধার-দেনা করেই চলতে হচ্ছে।
টাইলস মিস্ত্রি সোহাগ মিয়া বলেন, নির্মাণকাজে মন্দার কারণে তাদের কাজ কমে গেছে। বাধ্য হয়ে পরিবারকে গ্রামে পাঠিয়ে দিয়ে তিনি এখন ঢাকায় মেসে থাকেন। কাজ পেলেই টাকা পাঠান, না হলে খরচ চালানোই কঠিন হয়ে পড়ে।
নারী শ্রমিকদের অবস্থাও ভিন্ন নয়। মিরপুর এলাকায় প্রতিদিন ৩০–৪০ জন নারী শ্রমিক কাজের আশায় আসেন। জামিলা খাতুন জানান, সপ্তাহে দুই-তিন দিন কাজ পান। মাসে সাত-আট হাজার টাকার বেশি আয় হয় না, যা দিয়ে সংসার চালানো কষ্টকর।
বাড্ডা এলাকায় হোসেন মিয়া নামে এক শ্রমিক জানান, টানা কয়েক দিন বেকার থাকার পর কাজ পাওয়া যায়। তবে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় নিয়মিত কাজ পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে।
এদিকে বৃষ্টির মধ্যেও সকাল থেকে প্রায় দুই হাজার শ্রমিক বিভিন্ন এলাকায় কাজের আশায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। তারা জানান, কাজ না পেলে সেদিনের খাবার জোটে না। শ্রমবাজারে মজুরিও নির্ভর করছে দরকষাকষির ওপর। সকালে যেখানে ৪০০–৬০০ টাকা মজুরি পাওয়া যায়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমে ৩০০ টাকায় নেমে আসে।
তাদের অভিযোগ, দ্রব্যমূল্য বাড়লেও আয় বাড়েনি। বরং কাজ কমে যাওয়ায় আয় আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। নির্মাণ খাতে মন্দা, গ্রাম থেকে শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং অটোরিকশার কারণে ভ্যানচালকদের আয় কমে যাওয়াসহ নানা কারণে তারা চাপে রয়েছেন।
১৮৮৬ সালের শিকাগোর হে মার্কেট আন্দোলনের স্মরণে পালিত মে দিবস শ্রমিক অধিকারের প্রতীক হলেও বাস্তবে দেশের অনেক দিনমজুরের কাছে এটি অন্য দিনের মতোই সংগ্রামের দিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.