
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:৫১
মুম্বাইয়ের ভার্সোভা পুলিশ অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে এ বছরের সবচেয়ে বড় অভিযান চালিয়েছে। অভিযানের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভার্সোভা এলাকার শাকুলশাহ দরগাহ থেকে মোট ২৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়, এদের মধ্যে ২১ জন তৃতীয় লিঙ্গের।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভার্সোভা পুলিশ স্টেশনের অ্যান্টি-টেররিজম সেল (এটিসি) বিশেষ অভিযান চালিয়েছে।
অন্ধেরি ওয়েস্টের ইয়ারি রোড এলাকায় অবস্থিত শাকুলশাহ দরগাহের আশপাশে এই ব্যক্তিরা লুকিয়ে ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তারা অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছিলেন এবং বিভিন্ন ছদ্মবেশে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশই ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের, যারা সমাজের সংবেদনশীল অংশ হিসেবে পরিচিত। তবে পুলিশের দাবি, তাদের অবৈধ অনুপ্রবেশের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলায় প্রভাব পড়ছিল।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই গ্রুপটি ভারতে প্রবেশ করেছে কলকাতা ও মিজোরামের পথ ধরে। সীমান্তের ছিদ্র ব্যবহার করে তারা প্রথমে পশ্চিমবঙ্গ বা উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে পৌঁছে, এরপর ধাপে ধাপে মুম্বইয়ের মতো বড় শহরে আসে। মুম্বইয়ের মতো মহানগরীতে কাজের সুযোগ, ভিড়ের আড়াল এবং নেটওয়ার্কের সাহায্যে তারা লুকিয়ে থাকতে সক্ষম হয়।
পুলিশের মতে, এই ধরনের অনুপ্রবেশকারীরা প্রায়শই জাল নথি ব্যবহার করে আধার কার্ড, ভোটার আইডি বা অন্যান্য পরিচয়পত্র তৈরি করে। কেউ কেউ ছোটখাটো ব্যবসা বা দৈনন্দিন কাজে নিযুক্ত থাকেন, আবার কেউ কেউ সমাজের প্রান্তিক অংশে মিশে যান।
এই অভিযানকে মুম্বই পুলিশ এ বছরের সবচেয়ে বড় ক্র্যাকডাউন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। গত কয়েক মাসে মুম্বইয়ের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান চালানো হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই ভার্সোভা এলাকায় ১২-১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালিয়ে সংখ্যাটি বাড়ানো হয়েছে।
পুলিশের দাবি, এই অভিযানগুলো নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে করা হচ্ছে। যারা সহায়তা করছে তাদের নেটওয়ার্কও চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
আটককৃতরা। ছবি: সংগৃহীত
মুম্বাইয়ের ভার্সোভা পুলিশ অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে এ বছরের সবচেয়ে বড় অভিযান চালিয়েছে। অভিযানের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভার্সোভা এলাকার শাকুলশাহ দরগাহ থেকে মোট ২৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়, এদের মধ্যে ২১ জন তৃতীয় লিঙ্গের।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভার্সোভা পুলিশ স্টেশনের অ্যান্টি-টেররিজম সেল (এটিসি) বিশেষ অভিযান চালিয়েছে।
অন্ধেরি ওয়েস্টের ইয়ারি রোড এলাকায় অবস্থিত শাকুলশাহ দরগাহের আশপাশে এই ব্যক্তিরা লুকিয়ে ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তারা অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছিলেন এবং বিভিন্ন ছদ্মবেশে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশই ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের, যারা সমাজের সংবেদনশীল অংশ হিসেবে পরিচিত। তবে পুলিশের দাবি, তাদের অবৈধ অনুপ্রবেশের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলায় প্রভাব পড়ছিল।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই গ্রুপটি ভারতে প্রবেশ করেছে কলকাতা ও মিজোরামের পথ ধরে। সীমান্তের ছিদ্র ব্যবহার করে তারা প্রথমে পশ্চিমবঙ্গ বা উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে পৌঁছে, এরপর ধাপে ধাপে মুম্বইয়ের মতো বড় শহরে আসে। মুম্বইয়ের মতো মহানগরীতে কাজের সুযোগ, ভিড়ের আড়াল এবং নেটওয়ার্কের সাহায্যে তারা লুকিয়ে থাকতে সক্ষম হয়।
পুলিশের মতে, এই ধরনের অনুপ্রবেশকারীরা প্রায়শই জাল নথি ব্যবহার করে আধার কার্ড, ভোটার আইডি বা অন্যান্য পরিচয়পত্র তৈরি করে। কেউ কেউ ছোটখাটো ব্যবসা বা দৈনন্দিন কাজে নিযুক্ত থাকেন, আবার কেউ কেউ সমাজের প্রান্তিক অংশে মিশে যান।
এই অভিযানকে মুম্বই পুলিশ এ বছরের সবচেয়ে বড় ক্র্যাকডাউন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। গত কয়েক মাসে মুম্বইয়ের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান চালানো হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই ভার্সোভা এলাকায় ১২-১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালিয়ে সংখ্যাটি বাড়ানো হয়েছে।
পুলিশের দাবি, এই অভিযানগুলো নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে করা হচ্ছে। যারা সহায়তা করছে তাদের নেটওয়ার্কও চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
রাজধানী ঢাকা থেকে বরিশালের চরমোনাই মাহফিলে আসা রিজার্ভ লঞ্চ কীর্তনখোলা-১০ এর একটি কেবিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার চরমোনাই ঘাটে লঞ্চটির ৩২৫ নম্বর কেবিনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় কেবিনে কেউ অবস্থান করছিলেন না। আগুন টের পেয়ে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ফলে কেবিনের ভেতরের মালামাল পুড়ে গেলেও আগুন বাইরে ছড়িয়ে পড়েনি। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে চরমোনাই ঘাটে একই সময়ে আরও বেশ কয়েকটি বিলাসহুল লঞ্চ নোঙর করা ছিল। যেখানে হাজারো যাত্রী রাত্রিযাপন করছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সকল লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য মাহফিলের নিরাপত্তা বিভাগের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
রাজধানী ঢাকা থেকে বরিশালের চরমোনাই মাহফিলে আসা রিজার্ভ লঞ্চ কীর্তনখোলা-১০ এর একটি কেবিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার চরমোনাই ঘাটে লঞ্চটির ৩২৫ নম্বর কেবিনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় কেবিনে কেউ অবস্থান করছিলেন না। আগুন টের পেয়ে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ফলে কেবিনের ভেতরের মালামাল পুড়ে গেলেও আগুন বাইরে ছড়িয়ে পড়েনি। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে চরমোনাই ঘাটে একই সময়ে আরও বেশ কয়েকটি বিলাসহুল লঞ্চ নোঙর করা ছিল। যেখানে হাজারো যাত্রী রাত্রিযাপন করছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সকল লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য মাহফিলের নিরাপত্তা বিভাগের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
পিরোজপুর জেলা পুলিশের আইসিটি অ্যান্ড মিডিয়া (সাইবার পেট্রোলিং) শাখা তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় হারানো ২০টি মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ২০,০০০ টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১ টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী। পুলিশ জানায়, জেলার বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত হারানো মোবাইল ও বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডিসমূহ পর্যালোচনা করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসব মোবাইল ফোন ও টাকা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলোর মধ্যে পিরোজপুর সদর থানায় ৪টি, ইন্দুরকানী থানায় ১টি, মঠবাড়িয়া থানায় ৫টি, নাজিরপুর থানায় ৫টি, নেছারাবাদ থানায় ৩টি, ভান্ডারিয়া থানায় ১টি এবং কাউখালী থানায় ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া, পিরোজপুর সদর থানায় দায়েরকৃত বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডির মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হওয়া মোট ২০,০০০ টাকা (১৫,০০০ + ৫,০০০) উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও টাকা ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগীরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
পিরোজপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী জানান, এ ধরনের উদ্ধার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আমরা সব সময় জনগণের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পিরোজপুর জেলা পুলিশের আইসিটি অ্যান্ড মিডিয়া (সাইবার পেট্রোলিং) শাখা তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় হারানো ২০টি মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ২০,০০০ টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১ টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী। পুলিশ জানায়, জেলার বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত হারানো মোবাইল ও বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডিসমূহ পর্যালোচনা করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসব মোবাইল ফোন ও টাকা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলোর মধ্যে পিরোজপুর সদর থানায় ৪টি, ইন্দুরকানী থানায় ১টি, মঠবাড়িয়া থানায় ৫টি, নাজিরপুর থানায় ৫টি, নেছারাবাদ থানায় ৩টি, ভান্ডারিয়া থানায় ১টি এবং কাউখালী থানায় ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া, পিরোজপুর সদর থানায় দায়েরকৃত বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডির মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হওয়া মোট ২০,০০০ টাকা (১৫,০০০ + ৫,০০০) উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও টাকা ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগীরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
পিরোজপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী জানান, এ ধরনের উদ্ধার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আমরা সব সময় জনগণের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় এক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের মাহামুদকাঠী বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাজারের মেসার্স নান্টু তালুকদারের গুদাম থেকে প্রায় ৩ হাজার কেজি ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ব্যবসায়ী নান্টু তালুকদারকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্ত আদালত পরিচালনা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, জরিমানার পাশাপাশি জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নান্টু তালুকদার দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্সবিহীনভাবে কেরোসিন ও ডিজেলের ব্যবসা করে আসছিলেন। সম্প্রতি তিনি বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ তেল অবৈধভাবে মজুত করেছিলেন। স্থানীয় তথ্য ও গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে বিষয়টির সত্যতা পাওয়ার পর প্রশাসন এ অভিযান চালায়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বাজারে অনিয়ম ও অবৈধ মজুদ রোধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় এক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের মাহামুদকাঠী বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাজারের মেসার্স নান্টু তালুকদারের গুদাম থেকে প্রায় ৩ হাজার কেজি ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ব্যবসায়ী নান্টু তালুকদারকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্ত আদালত পরিচালনা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, জরিমানার পাশাপাশি জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নান্টু তালুকদার দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্সবিহীনভাবে কেরোসিন ও ডিজেলের ব্যবসা করে আসছিলেন। সম্প্রতি তিনি বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ তেল অবৈধভাবে মজুত করেছিলেন। স্থানীয় তথ্য ও গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে বিষয়টির সত্যতা পাওয়ার পর প্রশাসন এ অভিযান চালায়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বাজারে অনিয়ম ও অবৈধ মজুদ রোধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫