
১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:৫৬
বগুড়ায় একটি হিমাগারের পলাতক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টার অভিযোগে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
বগুড়ার শেরপুরের খানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মিল্লাত হোসেন সম্প্রতি বগুড়ার অবকাশকালীন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে এ মামলা করেন।
বিচারক সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির মামলাটি আমলে নিয়ে নথিপত্র ও প্রাথমিক তথ্য পর্যালোচনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়কে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল ওহাব ও দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মাহফুজ ইকবাল মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন- ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি প্রধান কার্যালয়ের চেয়ারম্যান ড. এম জুবায়দুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খান, প্রধান কার্যালয়ের ইনচার্জ মাহমুদ হোসেন খান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সৈয়দ উল্লাহ, বগুড়ার জোনাল শাখার ইনচার্জ সিকদার শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (বিআরপিডি) ও সদস্য সচিব, নীতি সহায়তা প্রদান বাছাই কমিটি বায়েজিদ সরকার এবং বগুড়ার শিবগঞ্জের কিচক বাজারে আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মান্না (সভাপতি নাগরিক ঐক্য)।
মামলায় কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম নাজমুল কাদির শাহজাহান চৌধুরী ও পরিচালক তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজুসহ পাঁচজনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
বাদী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আসামিরা জালিয়াতি ও প্রতারণাকারী এবং আইন পরিপন্থি কাজের সঙ্গে জড়িত। তার সঙ্গে ২নং সাক্ষী এবিএম নাজমুল কাদির চৌধুরী ও ৩নং সাক্ষী ইসমত আরা লাইজুর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তিনামা সম্পাদক হয়। চুক্তিনামা অনুযায়ী এরা দুজন ও ৭নং আসামি মাহমুদুর রহমান মান্নার প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করে তা বিক্রির জন্য চুক্তি হয়। চুক্তির দিন সাক্ষী ১০ কোটি টাকা বুঝিয়ে দেন এবং অবশিষ্ট ১৫ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধের সময় পরিশোধ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়েও সম্মতি প্রকাশ করেন।
পরে দেখা যায়, সাক্ষী এবিএম নাজমুল১ কাদির শাহজাহান চৌধুরী ও তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজু গত বছরের ১৯ আগস্ট আমেরিকা চলে যান। পলাতক অবস্থায় তাদের অনুপস্থিতিতে আসামি মাহমুদুর রহমান মান্না ওই দম্পতির স্বাক্ষর জাল করে ১ ডিসেম্বর বোর্ড সভার ভুয়া রেজুলেশন তৈরি করেন। যেখানে ৩৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
আসামিরা এই জাল রেজুলেশনকে বৈধ রূপ দিয়ে তা বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকে দাখিল করে ঋণ পুনঃতফশিলের আবেদন করেন। পরে তারা পরস্পর যোগসাজশে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা লঙ্ঘন করে, নিয়ম বহির্ভূতভাবে মিথ্যা কাগজপত্রের মাধ্যমে ঋণ পুনঃতফশিলের অনুমোদন আদায়ের চেষ্টা করেন।
গত ১১ ডিসেম্বর দাখিল করা ওই মামলায় আরও বলা হয়, ইসলামী ব্যাংক বগুড়ার বড়গোলা শাখা থেকে খেলাপি ৩৮ কোটি চার লাখ ৭৬ হাজার টাকা ঋণ পরিশোধের জন্য আসামিদের ‘কল ব্যাক নোটিশ’ দেওয়া হয়।
ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। এরপরও আসামিরা জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে পুনঃতফশিলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল ওহাব বলেন, ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শিবগঞ্জের কিচক বাজারে আফাকু কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবিএম নাজমুল কাদির শাহজাহান চৌধুরী, তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজুকে নিয়ে পালিয়ে গেছেন। এরপরও তাদের উপস্থিত দেখিয়ে ভুয়া স্বাক্ষরের মাধ্যমে ৩৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টা করায় এ মামলা হয়েছে।
দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মাহফুজ ইকবাল জানান, আদালতের আদেশের কপি বুধবার হাতে এসে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার আদেশের অনুলিপিসহ নথিপত্র দুদক ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
মামলার অন্যতম আসামি নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না ফোন না ধরায় এ ব্যাপারে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বগুড়ায় একটি হিমাগারের পলাতক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টার অভিযোগে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
বগুড়ার শেরপুরের খানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মিল্লাত হোসেন সম্প্রতি বগুড়ার অবকাশকালীন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে এ মামলা করেন।
বিচারক সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির মামলাটি আমলে নিয়ে নথিপত্র ও প্রাথমিক তথ্য পর্যালোচনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়কে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল ওহাব ও দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মাহফুজ ইকবাল মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন- ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি প্রধান কার্যালয়ের চেয়ারম্যান ড. এম জুবায়দুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খান, প্রধান কার্যালয়ের ইনচার্জ মাহমুদ হোসেন খান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সৈয়দ উল্লাহ, বগুড়ার জোনাল শাখার ইনচার্জ সিকদার শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (বিআরপিডি) ও সদস্য সচিব, নীতি সহায়তা প্রদান বাছাই কমিটি বায়েজিদ সরকার এবং বগুড়ার শিবগঞ্জের কিচক বাজারে আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মান্না (সভাপতি নাগরিক ঐক্য)।
মামলায় কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম নাজমুল কাদির শাহজাহান চৌধুরী ও পরিচালক তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজুসহ পাঁচজনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
বাদী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আসামিরা জালিয়াতি ও প্রতারণাকারী এবং আইন পরিপন্থি কাজের সঙ্গে জড়িত। তার সঙ্গে ২নং সাক্ষী এবিএম নাজমুল কাদির চৌধুরী ও ৩নং সাক্ষী ইসমত আরা লাইজুর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তিনামা সম্পাদক হয়। চুক্তিনামা অনুযায়ী এরা দুজন ও ৭নং আসামি মাহমুদুর রহমান মান্নার প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করে তা বিক্রির জন্য চুক্তি হয়। চুক্তির দিন সাক্ষী ১০ কোটি টাকা বুঝিয়ে দেন এবং অবশিষ্ট ১৫ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধের সময় পরিশোধ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়েও সম্মতি প্রকাশ করেন।
পরে দেখা যায়, সাক্ষী এবিএম নাজমুল১ কাদির শাহজাহান চৌধুরী ও তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজু গত বছরের ১৯ আগস্ট আমেরিকা চলে যান। পলাতক অবস্থায় তাদের অনুপস্থিতিতে আসামি মাহমুদুর রহমান মান্না ওই দম্পতির স্বাক্ষর জাল করে ১ ডিসেম্বর বোর্ড সভার ভুয়া রেজুলেশন তৈরি করেন। যেখানে ৩৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
আসামিরা এই জাল রেজুলেশনকে বৈধ রূপ দিয়ে তা বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকে দাখিল করে ঋণ পুনঃতফশিলের আবেদন করেন। পরে তারা পরস্পর যোগসাজশে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা লঙ্ঘন করে, নিয়ম বহির্ভূতভাবে মিথ্যা কাগজপত্রের মাধ্যমে ঋণ পুনঃতফশিলের অনুমোদন আদায়ের চেষ্টা করেন।
গত ১১ ডিসেম্বর দাখিল করা ওই মামলায় আরও বলা হয়, ইসলামী ব্যাংক বগুড়ার বড়গোলা শাখা থেকে খেলাপি ৩৮ কোটি চার লাখ ৭৬ হাজার টাকা ঋণ পরিশোধের জন্য আসামিদের ‘কল ব্যাক নোটিশ’ দেওয়া হয়।
ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। এরপরও আসামিরা জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে পুনঃতফশিলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল ওহাব বলেন, ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শিবগঞ্জের কিচক বাজারে আফাকু কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবিএম নাজমুল কাদির শাহজাহান চৌধুরী, তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজুকে নিয়ে পালিয়ে গেছেন। এরপরও তাদের উপস্থিত দেখিয়ে ভুয়া স্বাক্ষরের মাধ্যমে ৩৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টা করায় এ মামলা হয়েছে।
দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মাহফুজ ইকবাল জানান, আদালতের আদেশের কপি বুধবার হাতে এসে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার আদেশের অনুলিপিসহ নথিপত্র দুদক ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
মামলার অন্যতম আসামি নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না ফোন না ধরায় এ ব্যাপারে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০০
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজরিত উলাশী খাল পুনঃখননে যশোরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৭ এপ্রিল তিনি যশোর সফর করবেন বলে জানা গেছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ও যশোর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সফরে যশোর ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ কিছু উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও যশোর ঈদগাহে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশে প্রথম খাল খননে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত উলাসী-যদুনাথপুর খালটি এলাকার মানুষের কাছে ‘জিয়া খাল’ নামেই বেশি পরিচিত। খালটি দীর্ঘদিনেও সংস্কার করা হয়নি। ফলে পলি জমে ভরাট হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে পানিশূন্য হয়ে পড়ে। খালটি পুনঃখননে দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এলাকাবাসীর।
১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর তারেক রহমানের বাবা তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজে মাটি কেটে যশোরের শার্শা উপজেলার বেতনা নদীর সংযোগ উলাসী-যদুনাথপুরে প্রায় চার কিলোমিটার খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছিলেন। সে সময় এলাকার সাধারণ মানুষ জিয়াউর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে স্থানীয় কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে সেই খাল খনন কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নিয়েছিলেন।
ধারবাহিক কার্যক্রমের পর ছয় মাস পর ১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল উলাশী খালের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে তার এই কর্মসূচি সারা দেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এই খাল খনন কর্মসূচি সে সময় কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে অভূতপূর্ব এক নজির স্থাপন করে।
গত ২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যশোরে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই জনসভায় তারেক রহমান ঘোষণা করেছিলেন, ‘বিএনপি আবার ক্ষমতায় যেতে পারলে উলাশী খাল পুনরায় খননসহ দেশে হাজার হাজার খাল খনন করে কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো হবে। আমি নিজে সেই খাল পুনর্খনন করতে আসবো ইনশাল্লাহ।’
যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর যশোর কর্মসূচির মধ্যে উলাশী খালের পুনঃখনন ছাড়াও রয়েছে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহে জনসভা।
যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী জানান, এরই মধ্যে চার কিলোমিটার খাল পুনর্খননের জন্য এক কোটি ৩৭ লাখ টাকার প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করে তালিকা প্রস্তুত করে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে গত ২ এপ্রিল খাল এলাকা পরিদর্শন করেছেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক খাল খনন কাজের অগ্রগতি, নির্মাণমান এবং স্থানীয় জনগণের সম্ভাব্য উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হয় এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন প্রমুখ।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজরিত উলাশী খাল পুনঃখননে যশোরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৭ এপ্রিল তিনি যশোর সফর করবেন বলে জানা গেছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ও যশোর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সফরে যশোর ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ কিছু উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও যশোর ঈদগাহে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশে প্রথম খাল খননে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত উলাসী-যদুনাথপুর খালটি এলাকার মানুষের কাছে ‘জিয়া খাল’ নামেই বেশি পরিচিত। খালটি দীর্ঘদিনেও সংস্কার করা হয়নি। ফলে পলি জমে ভরাট হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে পানিশূন্য হয়ে পড়ে। খালটি পুনঃখননে দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এলাকাবাসীর।
১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর তারেক রহমানের বাবা তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজে মাটি কেটে যশোরের শার্শা উপজেলার বেতনা নদীর সংযোগ উলাসী-যদুনাথপুরে প্রায় চার কিলোমিটার খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছিলেন। সে সময় এলাকার সাধারণ মানুষ জিয়াউর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে স্থানীয় কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে সেই খাল খনন কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নিয়েছিলেন।
ধারবাহিক কার্যক্রমের পর ছয় মাস পর ১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল উলাশী খালের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে তার এই কর্মসূচি সারা দেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এই খাল খনন কর্মসূচি সে সময় কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে অভূতপূর্ব এক নজির স্থাপন করে।
গত ২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যশোরে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই জনসভায় তারেক রহমান ঘোষণা করেছিলেন, ‘বিএনপি আবার ক্ষমতায় যেতে পারলে উলাশী খাল পুনরায় খননসহ দেশে হাজার হাজার খাল খনন করে কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো হবে। আমি নিজে সেই খাল পুনর্খনন করতে আসবো ইনশাল্লাহ।’
যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর যশোর কর্মসূচির মধ্যে উলাশী খালের পুনঃখনন ছাড়াও রয়েছে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহে জনসভা।
যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী জানান, এরই মধ্যে চার কিলোমিটার খাল পুনর্খননের জন্য এক কোটি ৩৭ লাখ টাকার প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করে তালিকা প্রস্তুত করে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে গত ২ এপ্রিল খাল এলাকা পরিদর্শন করেছেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক খাল খনন কাজের অগ্রগতি, নির্মাণমান এবং স্থানীয় জনগণের সম্ভাব্য উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হয় এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন প্রমুখ।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩১
জুলাই আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর লালবাগ থানার আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে একজনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার এই আদেশ দেন।
এর আগে আদালতে হাজির করে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে দুই দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মোহসিন উদ্দিন।
মঙ্গলবার শিরীন শারমিনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
এদিন ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বেলা ১টা ৫৫ মিনিটের দিকে তাকে পুরান ঢাকার সিএমএম আদালতে আনা হয়।
তাকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ডে আন্দোলন চলছিল।
সেখানে দেশি-বিদেশি অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। একটি গুলি আশরাফুল ওরফে ফাহিমের চোখে লাগে। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি।
এ ঘটনায় গত বছরের ২৫ মে শেখ হাসিনাসহ ১৩০ জনের নাম উল্লেখ এবং অচেনা ১১৫-১২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন আশরাফুল।
প্রসঙ্গত, ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির শীর্ষ নেতাদের অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান। এ সময় সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের কেউ কেউ গ্রেপ্তার হলেও ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রকাশ্যে আসেননি। এমনকি গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ অনুষ্ঠানেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না।
বরিশাল টাইমস
জুলাই আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর লালবাগ থানার আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে একজনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার এই আদেশ দেন।
এর আগে আদালতে হাজির করে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে দুই দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মোহসিন উদ্দিন।
মঙ্গলবার শিরীন শারমিনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
এদিন ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বেলা ১টা ৫৫ মিনিটের দিকে তাকে পুরান ঢাকার সিএমএম আদালতে আনা হয়।
তাকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ডে আন্দোলন চলছিল।
সেখানে দেশি-বিদেশি অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। একটি গুলি আশরাফুল ওরফে ফাহিমের চোখে লাগে। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি।
এ ঘটনায় গত বছরের ২৫ মে শেখ হাসিনাসহ ১৩০ জনের নাম উল্লেখ এবং অচেনা ১১৫-১২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন আশরাফুল।
প্রসঙ্গত, ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির শীর্ষ নেতাদের অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান। এ সময় সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের কেউ কেউ গ্রেপ্তার হলেও ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রকাশ্যে আসেননি। এমনকি গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ অনুষ্ঠানেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না।
বরিশাল টাইমস

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২৩
দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মালয়েশিয়া থেকে মোট ৫১ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও ফার্নেস অয়েল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে। আগামী ৮ এপ্রিল জাহাজ দুটি বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক (গণসংযোগ) ফারজিন হাসান মৌমিতা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জাহাজ দুটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করবে এবং পরবর্তী সময়ে খালাস কার্যক্রম শুরু হবে।
বিপিসি সূত্র জানায়, মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের একটি জাহাজ ৮ এপ্রিল রাতে বহির্নোঙরে পৌঁছাবে। একই দিনে প্রায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে ‘এমটি ইস্টার্ন কুইন্স’ নামের আরেকটি জাহাজও পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে জ্বালানি তেল সরবরাহ বজায় রাখতে ধারাবাহিকভাবে জাহাজ আসছে বন্দরে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত মোট ৩৮টি জাহাজ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এছাড়া চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহেই আরও ৬টি জাহাজ জ্বালানি তেল নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে।
দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মালয়েশিয়া থেকে মোট ৫১ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও ফার্নেস অয়েল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে। আগামী ৮ এপ্রিল জাহাজ দুটি বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক (গণসংযোগ) ফারজিন হাসান মৌমিতা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জাহাজ দুটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করবে এবং পরবর্তী সময়ে খালাস কার্যক্রম শুরু হবে।
বিপিসি সূত্র জানায়, মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের একটি জাহাজ ৮ এপ্রিল রাতে বহির্নোঙরে পৌঁছাবে। একই দিনে প্রায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে ‘এমটি ইস্টার্ন কুইন্স’ নামের আরেকটি জাহাজও পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে জ্বালানি তেল সরবরাহ বজায় রাখতে ধারাবাহিকভাবে জাহাজ আসছে বন্দরে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত মোট ৩৮টি জাহাজ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এছাড়া চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহেই আরও ৬টি জাহাজ জ্বালানি তেল নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.