
২০ নভেম্বর, ২০২৫ ১৯:৩৮
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় সোয়া ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্রথম ধাপে ছয় বিভাগের আবেদন চলছে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত এতে আবেদন করেছেন ছয় লাখ চাকরিপ্রার্থী।
আগামীকাল শুক্রবার (২১ নভেম্বর) অনলাইনে সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনপ্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে। এরপর আর আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট বিভাগের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য থাকা ১০ হাজার ২১৯টি পদে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। শূন্য এসব পদের বিপরীতে গত ৮ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত এসব পদে সফলভাবে আবেদন ও ফি জমা দিয়েছেন প্রায় ৫ লাখ ৭৬ হাজার প্রার্থী।
আগামীকাল শুক্রবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত চাকরিপ্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এরপর পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত তাদের ফি পরিশোধের সময় থাকবে। আবেদনের আরও একদিন সময় থাকায় এবং অনেকে ফি জমা দেওয়ার অপেক্ষায় থাকায় আবেদনকারীর এ সংখ্যা আরও এক লাখ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গবেষণা কর্মকর্তা এসএম মাহবুব আলম বলেন, ৫ লাখ ৭৬ হাজারের মতো প্রার্থী আবেদন করে ফি জমা দিয়েছেন। অনেকে এমন আছেন, যারা আবেদন করেছেন কিন্তু এখনো ফি জমা দেননি। সেক্ষেত্রে ধারণা করা হচ্ছে আরও প্রায় এক লাখ আবেদন বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে মোট আবেদন পৌনে ৭ লাখ অথবা সাড়ে ৭ লাখ হতে পারে।
গত ৫ নভেম্বর প্রথম ধাপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রথম ধাপের বিভাগগুলো হলো রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর। এরপর ১২ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এ দুই বিভাগে শূন্যপদ রয়েছে ৪ হাজার ১৬৬টি।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় সোয়া ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্রথম ধাপে ছয় বিভাগের আবেদন চলছে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত এতে আবেদন করেছেন ছয় লাখ চাকরিপ্রার্থী।
আগামীকাল শুক্রবার (২১ নভেম্বর) অনলাইনে সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনপ্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে। এরপর আর আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট বিভাগের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য থাকা ১০ হাজার ২১৯টি পদে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। শূন্য এসব পদের বিপরীতে গত ৮ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত এসব পদে সফলভাবে আবেদন ও ফি জমা দিয়েছেন প্রায় ৫ লাখ ৭৬ হাজার প্রার্থী।
আগামীকাল শুক্রবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত চাকরিপ্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এরপর পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত তাদের ফি পরিশোধের সময় থাকবে। আবেদনের আরও একদিন সময় থাকায় এবং অনেকে ফি জমা দেওয়ার অপেক্ষায় থাকায় আবেদনকারীর এ সংখ্যা আরও এক লাখ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গবেষণা কর্মকর্তা এসএম মাহবুব আলম বলেন, ৫ লাখ ৭৬ হাজারের মতো প্রার্থী আবেদন করে ফি জমা দিয়েছেন। অনেকে এমন আছেন, যারা আবেদন করেছেন কিন্তু এখনো ফি জমা দেননি। সেক্ষেত্রে ধারণা করা হচ্ছে আরও প্রায় এক লাখ আবেদন বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে মোট আবেদন পৌনে ৭ লাখ অথবা সাড়ে ৭ লাখ হতে পারে।
গত ৫ নভেম্বর প্রথম ধাপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রথম ধাপের বিভাগগুলো হলো রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর। এরপর ১২ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এ দুই বিভাগে শূন্যপদ রয়েছে ৪ হাজার ১৬৬টি।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৭
নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। এর মধ্যে শেরপুরে একজন নিহত হয়েছেন। ভোলায় আমাদের নারী কর্মীদের প্রচারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বরিশালেও ভয়ভীতি দেখানো শুরু হয়েছে।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল সদর উপজেলার কর্ণকাঠি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথাগুলো বলেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি সবার প্রতি নির্বাচনী পরিবেশ সুন্দর রাখার পাশাপাশি প্রশাসনের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
ইসলামপন্থীরা ক্ষমতায় এলে নারীরা আরও বেশি অধিকার ও মর্যাদা পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ইসলামের চেয়ে অন্য কোনো ধর্ম নারীদের এত বেশি সম্মান দেয়নি। এ কারণে হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে ৮০ শতাংশ ভোট নারীদের কাছ থেকে আসবে। ভবিষ্যতে ভোটের এই হার আরও বাড়বে।
বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসনে হাতপাখা বিজয়ী হবে জানিয়ে ফয়জুল করীম বলেন, মাঠের পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় ও দিন দিন খারাপ হওয়ায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মেজাজ ঠিক নেই।
বরিশাল-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমানের উদ্দেশে ফয়জুল করীম বলেন, ‘আপনি কাজ (গণসংযোগ) বাড়ালে আমারও কাজ বাড়বে। চলুন, সবাই একসঙ্গে জনগণের কাছে যাই। জনগণ যাকে পছন্দ করবে, তিনিই জয়ী হবেন।’
এক কর্মীকে আওয়ামী লীগ তকমা দিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছে জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নেতা বলেন, ‘এটা স্পষ্ট করে বলছি, আমার কর্মীদের এভাবে হয়রানি করা হলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াব। এ জন্য প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।’
নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। এর মধ্যে শেরপুরে একজন নিহত হয়েছেন। ভোলায় আমাদের নারী কর্মীদের প্রচারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বরিশালেও ভয়ভীতি দেখানো শুরু হয়েছে।’
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল সদর উপজেলার কর্ণকাঠি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথাগুলো বলেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি সবার প্রতি নির্বাচনী পরিবেশ সুন্দর রাখার পাশাপাশি প্রশাসনের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
ইসলামপন্থীরা ক্ষমতায় এলে নারীরা আরও বেশি অধিকার ও মর্যাদা পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, ইসলামের চেয়ে অন্য কোনো ধর্ম নারীদের এত বেশি সম্মান দেয়নি। এ কারণে হাতপাখা প্রতীকের পক্ষে ৮০ শতাংশ ভোট নারীদের কাছ থেকে আসবে। ভবিষ্যতে ভোটের এই হার আরও বাড়বে।
বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ আসনে হাতপাখা বিজয়ী হবে জানিয়ে ফয়জুল করীম বলেন, মাঠের পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় ও দিন দিন খারাপ হওয়ায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মেজাজ ঠিক নেই।
বরিশাল-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমানের উদ্দেশে ফয়জুল করীম বলেন, ‘আপনি কাজ (গণসংযোগ) বাড়ালে আমারও কাজ বাড়বে। চলুন, সবাই একসঙ্গে জনগণের কাছে যাই। জনগণ যাকে পছন্দ করবে, তিনিই জয়ী হবেন।’
এক কর্মীকে আওয়ামী লীগ তকমা দিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছে জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নেতা বলেন, ‘এটা স্পষ্ট করে বলছি, আমার কর্মীদের এভাবে হয়রানি করা হলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াব। এ জন্য প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।’

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৩
পাঠদান বন্ধ রেখে বরিশাল-৫ (সদর ও নগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের সঙ্গে ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকেরা মতবিনিময় করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১টার দিকে সদর উপজেলা ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে নগরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাধুর বটতলা এলাকায় সরোয়ারের বাসভবনে এই মতবিনিময় সভা হয়।
সভায় ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার ইবতেদায়ি শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষকদের জন্য উন্নয়নমূলক কাজ করার আশ্বাস দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সভায় অংশ নেওয়া একাধিক ইবতেদায়ি মাদ্রাসাশিক্ষক জানান, সমিতির নেতারা তাঁদের দুপুর ১২টার মধ্যে মজিবর রহমান সরোয়ারের বাসার সামনে থাকতে বলেছেন। তাই এ দিন পাঠদান নিতে পারেননি। নেতারা বলেছেন, তাঁদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এই সভায় থাকা দরকার।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, ‘ইবতেদায়ি মাদ্রাসা বৈষম্যের শিকার। সরোয়ার ভাই বলেছেন, সরকার গঠন করলে আমাদের দেখবেন। এরপর তিনি ধানের শীষের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।’
মুহাম্মদ মশিউর রহমান আরও বলেন, ‘সদর ও নগরের শতাধিক শিক্ষক মতবিনিময় সভায় ছিলেন। সব সময় বেলা দেড়টায় মাদ্রাসা ছুটি দেওয়া হয়, কিন্তু সভার কারণে আজ ১২টা পর্যন্ত ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ছুটি দেওয়া হয়েছে।’
জানা গেছে, মাদ্রাসা বোর্ড অনুমোদিত বরিশাল সদর ও নগরের ৩১টি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা থেকে ১১০ জন শিক্ষক এই সভায় অংশ নেন। তাঁরা সভায় বঞ্চনার কথা তুলে ধরার পাশাপাশি ধানের শীষের প্রার্থীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
এ প্রসঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন নাইস বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ে এভাবে মতবিনিময় সভা করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ধানের শীষের প্রার্থী এর আগে হাতেম আলী কলেজে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পরিবহন বাস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। আজ আবার ইবতেদায়ি মাদ্রাসা বন্ধ রেখে শিক্ষকদের বাসভবনে এনে মতবিনিময় করে ভোটে প্রভাব ফেলছেন। এসব বিষয় রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারকে মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি তা ধরেননি। বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, ‘শিক্ষকেরা যদি প্রার্থীর কাছে স্বপ্রণোদিত হয়ে আসেন, তাহলে আমাদের কী করার আছে। বিএনপি তো তাঁদের ধরে আনেনি। তবে মাদ্রাসার পাঠদান বন্ধ রেখে যদি শিক্ষকেরা সভায় যোগদান করে থাকেন, তাহলে তাতে প্রশ্ন থেকে যায়।’
বরিশাল রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বলেন, ‘ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকেরা প্রকৃতপক্ষে শিক্ষকের ব্যানারে ওখানে কোনো কিছু পাওয়ার জন্য গিয়েছেন কি না, তা জানতে হবে।
তাহলে তো এটা অবশ্যই আচরণবিধির লঙ্ঘন। আমরা নির্বাচনী তদন্ত কমিটিতে এ বিষয়ে অভিযোগ পাঠাব। দৈনিকই এমন অভিযোগ আমরা তদন্তে পাঠাই।’
পাঠদান বন্ধ রেখে বরিশাল-৫ (সদর ও নগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের সঙ্গে ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকেরা মতবিনিময় করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১টার দিকে সদর উপজেলা ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে নগরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাধুর বটতলা এলাকায় সরোয়ারের বাসভবনে এই মতবিনিময় সভা হয়।
সভায় ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার ইবতেদায়ি শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষকদের জন্য উন্নয়নমূলক কাজ করার আশ্বাস দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সভায় অংশ নেওয়া একাধিক ইবতেদায়ি মাদ্রাসাশিক্ষক জানান, সমিতির নেতারা তাঁদের দুপুর ১২টার মধ্যে মজিবর রহমান সরোয়ারের বাসার সামনে থাকতে বলেছেন। তাই এ দিন পাঠদান নিতে পারেননি। নেতারা বলেছেন, তাঁদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এই সভায় থাকা দরকার।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, ‘ইবতেদায়ি মাদ্রাসা বৈষম্যের শিকার। সরোয়ার ভাই বলেছেন, সরকার গঠন করলে আমাদের দেখবেন। এরপর তিনি ধানের শীষের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।’
মুহাম্মদ মশিউর রহমান আরও বলেন, ‘সদর ও নগরের শতাধিক শিক্ষক মতবিনিময় সভায় ছিলেন। সব সময় বেলা দেড়টায় মাদ্রাসা ছুটি দেওয়া হয়, কিন্তু সভার কারণে আজ ১২টা পর্যন্ত ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ছুটি দেওয়া হয়েছে।’
জানা গেছে, মাদ্রাসা বোর্ড অনুমোদিত বরিশাল সদর ও নগরের ৩১টি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা থেকে ১১০ জন শিক্ষক এই সভায় অংশ নেন। তাঁরা সভায় বঞ্চনার কথা তুলে ধরার পাশাপাশি ধানের শীষের প্রার্থীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
এ প্রসঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন নাইস বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধিতে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ে এভাবে মতবিনিময় সভা করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ধানের শীষের প্রার্থী এর আগে হাতেম আলী কলেজে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পরিবহন বাস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। আজ আবার ইবতেদায়ি মাদ্রাসা বন্ধ রেখে শিক্ষকদের বাসভবনে এনে মতবিনিময় করে ভোটে প্রভাব ফেলছেন। এসব বিষয় রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারকে মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি তা ধরেননি। বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, ‘শিক্ষকেরা যদি প্রার্থীর কাছে স্বপ্রণোদিত হয়ে আসেন, তাহলে আমাদের কী করার আছে। বিএনপি তো তাঁদের ধরে আনেনি। তবে মাদ্রাসার পাঠদান বন্ধ রেখে যদি শিক্ষকেরা সভায় যোগদান করে থাকেন, তাহলে তাতে প্রশ্ন থেকে যায়।’
বরিশাল রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন বলেন, ‘ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকেরা প্রকৃতপক্ষে শিক্ষকের ব্যানারে ওখানে কোনো কিছু পাওয়ার জন্য গিয়েছেন কি না, তা জানতে হবে।
তাহলে তো এটা অবশ্যই আচরণবিধির লঙ্ঘন। আমরা নির্বাচনী তদন্ত কমিটিতে এ বিষয়ে অভিযোগ পাঠাব। দৈনিকই এমন অভিযোগ আমরা তদন্তে পাঠাই।’

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০৪
বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ১৪ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৬ পদাতিক ব্রিগেডের ৬২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের নেতৃত্বে বুধবার (২৮ জানুয়ারি ২০২৬) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টায় গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তল্লাশিকালে কৌশিক চন্দ্র সরকার (২৫) নামের এক তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র ঢাকা–কুয়াকাটা রুটে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটক ব্যক্তিকে গৌরনদী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে ৬২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়েজ আহমেদ বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সর্বদা পেশাদারিত্ব ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ১৪ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৬ পদাতিক ব্রিগেডের ৬২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের নেতৃত্বে বুধবার (২৮ জানুয়ারি ২০২৬) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টায় গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তল্লাশিকালে কৌশিক চন্দ্র সরকার (২৫) নামের এক তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র ঢাকা–কুয়াকাটা রুটে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটক ব্যক্তিকে গৌরনদী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে ৬২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়েজ আহমেদ বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সর্বদা পেশাদারিত্ব ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৭
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০১
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৭
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩৭