
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ২০:৪৫
লাল, নীল, সবুজ ও হলুদ বাতির ঝলমল আলোয় নদীটি এক টুকরো শহরে রূপান্তরিত হয়। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে নদীর বুক জুড়ে জ্বলে ওঠে মাছ ধরা ট্রলারের রঙিন বাতির ঝলকানি। দূর থেকে মনে হয় নদীর বুকে বসেছে কোনো আলোর মেলা।
জেলেদের কোলাহল, জালের শব্দ আর ইঞ্জিনের গর্জন মিলিয়ে নদীটি যেন পরিণত হয় শ্রম, আশা আর সংগ্রামের প্রতীকে। সন্ধ্যার পরে মনভোলানো এ সৌন্দর্য আকর্ষণ করে যে কাউকে।
তাই তো নানা বয়সী মানুষ ছুটে আসছেন নদীর তীরে। এটি পটুয়াখালী জেলার মৎস্যবন্দর আলীপুর-মহিপুরের মাঝখান দিয়ে প্রবাহিত খাপড়াভাঙ্গা নদী। অনেকের কাছে শিববাড়িয়া নদী নামেও পরিচিত।
নদীটির দুই তীরে অবস্থিত মহিপুর-আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র। সমুদ্রে মাছ ধরা অবস্থায় বৈরী আবহাওয়া বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বঙ্গোপসাগর থেকে জেলেরা দ্রুত আশ্রয় নেয় এ নদীতে। ফলে নদীটি জেলেদের কাছে পোতাশ্রয় নামেও পরিচিতি লাভ করেছে।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এসব ট্রলার নদীর বুকে ভেসে থাকায় এক টুকরো শহরে রূপান্তরিত হয়। রাতে নদীর দৃশ্য যেন অন্য এক রূপ নেয়। লাল, সবুজ, নীল বাতির আলোয় মুখরিত হয়ে ওঠে নদীর বুক।
খাপড়াভাঙ্গা সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে শতশত মানুষ এই দৃশ্য উপভোগ করতে আসেন প্রতি সন্ধ্যায় ।অনেকে মোবাইল ক্যামেরায় ভিডিও ও সেলফি তুলে ছড়িয়ে দেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ধীরে ধীরে স্থানীয়দের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় বিনোদন স্পটে পরিণত হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে কথা হয় কুয়াকাটা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি কাজী সাঈদের সাথে। তিনি বলেন, আলীপুর-মহিপুর মৎস্যবন্দর, খাপড়াভাঙ্গা নদীটি চমৎকার একটি পর্যটন স্পট হতে পারে। এই নদীটিতে কিছু প্রমোদতরী ভাসতে পারে।
যাতে পর্যটকরা নদীটির দু’মাথার আন্ধারমানিক ও রামনাবাদ মোহনায় যেতে পারে। নদীটির দু’পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ছাতা বেঞ্চ বসানোর ব্যবস্থা করতে পারলে আকর্ষণ বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, নদীর পাড়ে নির্দিষ্ট একটি জায়গায় স্টল করে সকাল-সন্ধ্যা মাছের দোকান বসালে পর্যটকরা তাজা মাছ কেনার পাশাপাশি সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পরিচয় জানতে পারবে।
সর্বোপরি পরিকল্পিত পরিকল্পনার মাধ্যমে খাপড়াভাঙ্গা নদীটির সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করতে পারলে সাগরকন্যা কুয়াকাটা পাবে আরও একটি দর্শনীয় পর্যটন স্পট এবং দেশী-বিদেশী ভ্রমণপিপাসু দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।
স্থানীয় বাসিন্দা রাজিব হাওলাদার বলেন, এখন সন্ধ্যা নামলেই মনে হয় নদীর মাঝখানে একটা শহর জেগে উঠেছে। বাতিগুলোর ঝলকানি নদীকে যেন অন্য রকম রূপ দিয়েছে।
খাপড়াভাঙ্গা সেতুতে ঘুরতে আসা কুয়াকাটা থেকে আগত পর্যটক মো. কামাল উদ্দিন বলেন, “আমরা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে শুধু এই দৃশ্য দেখার জন্য এখানে এসেছি। সত্যি অসাধারণ লেগেছে।
সেতুর দক্ষিণ প্রান্তে ফুচকা দোকানী জসিম মোল্লা বলেন, আগে শুধু ট্রলার ভীড়ত, এখন সন্ধ্যা নামলেই মানুষ এখানে ঘুরতে আসে। আমাদের ব্যবসাও ভালো হচ্ছে।
পর্যটক মাহমুদা আক্তার বলেন, এ দৃশ্যটাকে ভাষায় বোঝানো সম্ভব নয়। মনে হয় নদীর মধ্যে আলোকসজ্জা করা শহর ভাসছে। আমি ভিডিও করে পরিবারের সবাইকে পাঠিয়েছি।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসীন সাদেক বলেন, খাপড়াভাঙ্গা সেতুর দু'পাশে সন্ধ্যার পরের দৃশ্যটি অত্যন্ত মনোরম।
এটি আগত পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করার জন্য স্থানীয় রাখাইন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন প্রজাতির খাবারগুলো ভাসমান দোকান আকারে রেস্টুরেন্টের করলে পর্যটকরা এই স্পটে আসবে। পাশাপাশি ট্রলারের মাধ্যমে নদীর মোহনাগুলো ঘুরে দেখার ব্যবস্থা হলে এই স্পটটি আরো আকর্ষণীয় হবে। এ বিষয়ে আমরা জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলব।
লাল, নীল, সবুজ ও হলুদ বাতির ঝলমল আলোয় নদীটি এক টুকরো শহরে রূপান্তরিত হয়। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে নদীর বুক জুড়ে জ্বলে ওঠে মাছ ধরা ট্রলারের রঙিন বাতির ঝলকানি। দূর থেকে মনে হয় নদীর বুকে বসেছে কোনো আলোর মেলা।
জেলেদের কোলাহল, জালের শব্দ আর ইঞ্জিনের গর্জন মিলিয়ে নদীটি যেন পরিণত হয় শ্রম, আশা আর সংগ্রামের প্রতীকে। সন্ধ্যার পরে মনভোলানো এ সৌন্দর্য আকর্ষণ করে যে কাউকে।
তাই তো নানা বয়সী মানুষ ছুটে আসছেন নদীর তীরে। এটি পটুয়াখালী জেলার মৎস্যবন্দর আলীপুর-মহিপুরের মাঝখান দিয়ে প্রবাহিত খাপড়াভাঙ্গা নদী। অনেকের কাছে শিববাড়িয়া নদী নামেও পরিচিত।
নদীটির দুই তীরে অবস্থিত মহিপুর-আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র। সমুদ্রে মাছ ধরা অবস্থায় বৈরী আবহাওয়া বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বঙ্গোপসাগর থেকে জেলেরা দ্রুত আশ্রয় নেয় এ নদীতে। ফলে নদীটি জেলেদের কাছে পোতাশ্রয় নামেও পরিচিতি লাভ করেছে।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এসব ট্রলার নদীর বুকে ভেসে থাকায় এক টুকরো শহরে রূপান্তরিত হয়। রাতে নদীর দৃশ্য যেন অন্য এক রূপ নেয়। লাল, সবুজ, নীল বাতির আলোয় মুখরিত হয়ে ওঠে নদীর বুক।
খাপড়াভাঙ্গা সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে শতশত মানুষ এই দৃশ্য উপভোগ করতে আসেন প্রতি সন্ধ্যায় ।অনেকে মোবাইল ক্যামেরায় ভিডিও ও সেলফি তুলে ছড়িয়ে দেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ধীরে ধীরে স্থানীয়দের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় বিনোদন স্পটে পরিণত হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে কথা হয় কুয়াকাটা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি কাজী সাঈদের সাথে। তিনি বলেন, আলীপুর-মহিপুর মৎস্যবন্দর, খাপড়াভাঙ্গা নদীটি চমৎকার একটি পর্যটন স্পট হতে পারে। এই নদীটিতে কিছু প্রমোদতরী ভাসতে পারে।
যাতে পর্যটকরা নদীটির দু’মাথার আন্ধারমানিক ও রামনাবাদ মোহনায় যেতে পারে। নদীটির দু’পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ছাতা বেঞ্চ বসানোর ব্যবস্থা করতে পারলে আকর্ষণ বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, নদীর পাড়ে নির্দিষ্ট একটি জায়গায় স্টল করে সকাল-সন্ধ্যা মাছের দোকান বসালে পর্যটকরা তাজা মাছ কেনার পাশাপাশি সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পরিচয় জানতে পারবে।
সর্বোপরি পরিকল্পিত পরিকল্পনার মাধ্যমে খাপড়াভাঙ্গা নদীটির সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করতে পারলে সাগরকন্যা কুয়াকাটা পাবে আরও একটি দর্শনীয় পর্যটন স্পট এবং দেশী-বিদেশী ভ্রমণপিপাসু দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।
স্থানীয় বাসিন্দা রাজিব হাওলাদার বলেন, এখন সন্ধ্যা নামলেই মনে হয় নদীর মাঝখানে একটা শহর জেগে উঠেছে। বাতিগুলোর ঝলকানি নদীকে যেন অন্য রকম রূপ দিয়েছে।
খাপড়াভাঙ্গা সেতুতে ঘুরতে আসা কুয়াকাটা থেকে আগত পর্যটক মো. কামাল উদ্দিন বলেন, “আমরা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে শুধু এই দৃশ্য দেখার জন্য এখানে এসেছি। সত্যি অসাধারণ লেগেছে।
সেতুর দক্ষিণ প্রান্তে ফুচকা দোকানী জসিম মোল্লা বলেন, আগে শুধু ট্রলার ভীড়ত, এখন সন্ধ্যা নামলেই মানুষ এখানে ঘুরতে আসে। আমাদের ব্যবসাও ভালো হচ্ছে।
পর্যটক মাহমুদা আক্তার বলেন, এ দৃশ্যটাকে ভাষায় বোঝানো সম্ভব নয়। মনে হয় নদীর মধ্যে আলোকসজ্জা করা শহর ভাসছে। আমি ভিডিও করে পরিবারের সবাইকে পাঠিয়েছি।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসীন সাদেক বলেন, খাপড়াভাঙ্গা সেতুর দু'পাশে সন্ধ্যার পরের দৃশ্যটি অত্যন্ত মনোরম।
এটি আগত পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করার জন্য স্থানীয় রাখাইন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন প্রজাতির খাবারগুলো ভাসমান দোকান আকারে রেস্টুরেন্টের করলে পর্যটকরা এই স্পটে আসবে। পাশাপাশি ট্রলারের মাধ্যমে নদীর মোহনাগুলো ঘুরে দেখার ব্যবস্থা হলে এই স্পটটি আরো আকর্ষণীয় হবে। এ বিষয়ে আমরা জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলব।

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩৪
পটুয়াখালীর বাউফল ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৫টি দোকান ও একটি বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় আনুমানিক ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বুধবার (১ জুলাই) রাত সারে ১০টার দিকে উপজেলার বগা ইউনিয়নের সাবুপুরা বাজারে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে নুর হোসেনের পান ও বিস্কুটের দোকানে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের হানিফ ওজার ট্রেইলার দোকান, আনিছ হাওলাদারের মাছ ও চালের আড়তে, আলম সিকদারের মুদি দোকান এবং বিধবা নারী তুলসী রানির মুদি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এছাড়া বাবুল মৃধার বসতবাড়িটিও আগুনে সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই ৫টি দোকান ও একটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকা
বাউফল ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মো. সোরহাব হোসেন বলেছেন, ‘সংবাদ পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি এবং পরবর্তীতে সম্পূর্ণভাবে আগুন নিভিয়ে ফেলি।’
পটুয়াখালীর বাউফল ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৫টি দোকান ও একটি বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ঘটনায় আনুমানিক ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বুধবার (১ জুলাই) রাত সারে ১০টার দিকে উপজেলার বগা ইউনিয়নের সাবুপুরা বাজারে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে নুর হোসেনের পান ও বিস্কুটের দোকানে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের হানিফ ওজার ট্রেইলার দোকান, আনিছ হাওলাদারের মাছ ও চালের আড়তে, আলম সিকদারের মুদি দোকান এবং বিধবা নারী তুলসী রানির মুদি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এছাড়া বাবুল মৃধার বসতবাড়িটিও আগুনে সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই ৫টি দোকান ও একটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকা
বাউফল ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মো. সোরহাব হোসেন বলেছেন, ‘সংবাদ পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি এবং পরবর্তীতে সম্পূর্ণভাবে আগুন নিভিয়ে ফেলি।’

০১ জুলাই, ২০২৬ ২০:৫৩
পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের মোটরসাইকেল মিছিলে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের হামলার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সাত মিনিট ২৯ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি বুধবার (১ জুলাই) ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, গত শনিবার (২৭ জুন) রাত ৯টার দিকে প্রায় অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থকরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি কালাইয়া বেইলি ব্রিজ থেকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছানো মাত্রই ৩০-৩৫ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগ কর্মীরা অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। এ সময় তারা এলোপাতাড়ি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির বিষয়ে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আযম চৌধুরী বলেন, হামলার সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে কয়েকজন ছাত্রশিবিরের কর্মীও সরাসরি জড়িত ছিলেন। তারা এক সময় যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। হামলায় বিএনপির ৮ থেকে ১০ জন নেতাকর্মী আহত হন এবং ২০ থেকে ২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
হামলার ঘটনায় দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মামুন বাদী হয়ে ৩৯ জনকে আসামি করে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বাউফল থানা পুলিশ মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে এজাহারভুক্ত আসামি ইমরানকে গ্রেপ্তার করেছে। ইমরান কালাইয়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি বলে জানা গেছে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই ঘটনাস্থলের বিষয়ে তদন্ত করেছি। মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামি ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অন্য হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের মোটরসাইকেল মিছিলে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের হামলার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সাত মিনিট ২৯ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি বুধবার (১ জুলাই) ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, গত শনিবার (২৭ জুন) রাত ৯টার দিকে প্রায় অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থকরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি কালাইয়া বেইলি ব্রিজ থেকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছানো মাত্রই ৩০-৩৫ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগ কর্মীরা অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। এ সময় তারা এলোপাতাড়ি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির বিষয়ে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আযম চৌধুরী বলেন, হামলার সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে কয়েকজন ছাত্রশিবিরের কর্মীও সরাসরি জড়িত ছিলেন। তারা এক সময় যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। হামলায় বিএনপির ৮ থেকে ১০ জন নেতাকর্মী আহত হন এবং ২০ থেকে ২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
হামলার ঘটনায় দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মামুন বাদী হয়ে ৩৯ জনকে আসামি করে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বাউফল থানা পুলিশ মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে এজাহারভুক্ত আসামি ইমরানকে গ্রেপ্তার করেছে। ইমরান কালাইয়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি বলে জানা গেছে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই ঘটনাস্থলের বিষয়ে তদন্ত করেছি। মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামি ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অন্য হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

০১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:২৪
পটুয়াাখালীর বাউফলে আলোচিত একটি ডাকাতি মামলার দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি ও ডাকাত দলের সরদার মো. বাচ্চু সরদারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮। মঙ্গলবার (৩০ জুন) গভীর রাতে বরিশাল মহানগরীর কোতয়ালি মডেল থানার কালিজিরা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার বাচ্চু সরদার বাউফল উপজেলার কালাইয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি আলম সরদারের ছেলে।
র্যাব ও বাউফল থানা সূত্রে জানায়, গত ২৪ আগস্ট ২০২৫ রাতে বাউফল উপজেলার বাসিন্দা আজাহার জোমাদ্দারের বাড়িতে ৬/৭ সদস্যের একটি ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে। পরে তারা নগদ ৫ লাখ টাকা এবং পায় ৪৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাউফল থানায় একটি ডাকাতি মামলা করেন।
র্যাবের দাবি, ঘটনার পর থেকেই বাচ্চু সরদার আত্মগোপনে চলে যান এবং বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করেন। দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান (পিপিএম-সেবা) বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশালটাইমসকে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বরিশাল মহানগরীর কোতয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’
পটুয়াাখালীর বাউফলে আলোচিত একটি ডাকাতি মামলার দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি ও ডাকাত দলের সরদার মো. বাচ্চু সরদারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮। মঙ্গলবার (৩০ জুন) গভীর রাতে বরিশাল মহানগরীর কোতয়ালি মডেল থানার কালিজিরা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার বাচ্চু সরদার বাউফল উপজেলার কালাইয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি আলম সরদারের ছেলে।
র্যাব ও বাউফল থানা সূত্রে জানায়, গত ২৪ আগস্ট ২০২৫ রাতে বাউফল উপজেলার বাসিন্দা আজাহার জোমাদ্দারের বাড়িতে ৬/৭ সদস্যের একটি ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে। পরে তারা নগদ ৫ লাখ টাকা এবং পায় ৪৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাউফল থানায় একটি ডাকাতি মামলা করেন।
র্যাবের দাবি, ঘটনার পর থেকেই বাচ্চু সরদার আত্মগোপনে চলে যান এবং বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করেন। দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান (পিপিএম-সেবা) বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশালটাইমসকে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বরিশাল মহানগরীর কোতয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.